ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

তুরস্কের কাছে যুদ্ধবিমান বিক্রিতে আপত্তি, নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম

দুই মিত্র দেশের মধ্যে আবারো দেখা দিয়েছে বিরোধ। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে প্রকাশ্যে পরামর্শ দিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যেন তুরস্কের কাছে কোনোভাবেই এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি না করা হয়। কিন্তু সেই পরামর্শ এক কথায় উড়িয়ে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, যুক্তরাষ্ট্র কাকে কী বিক্রি করবে, সেটা অন্য কেউ ঠিক করে দিতে পারে না। হোয়াইট হাউসে বৈঠকের মাত্র একদিন আগে নেতানিয়াহুর উদ্দেশে এমন কঠোর বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এরপর পরই যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তুরস্ককে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন কূটনৈতিক বির্তক।

মতোবিরোধের শুরু তুরস্কের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি নিয়ে। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, তুরস্কের বর্তমান সরকার মুসলিম ব্রাদারহুডের আদর্শে প্রভাবিত এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থান নেয়। তাই আঙ্কারার হাতে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বা এর ইঞ্জিন তুলে দেওয়া উচিত হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন

তবে হোয়াইট হাউসে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের ঠিক একদিন আগে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "কেউ তাকে বলে দিতে পারে না, তিনি কী বিক্রি করবেন।" একই সঙ্গে তিনি তুরস্ককে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ন্যাটো মিত্র হিসেবে উল্লেখ করে দেশটির সামরিক সক্ষমতারও প্রশংসা করেন। ট্রাম্প বলেন, তুরস্ক ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তারা দারুণ সহযোগী।

এদিকে ট্রাম্পের এই অবস্থান নতুন নয়। চলতি মাসের শুরুতেই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তুরস্কের কাছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির পথ আবারও খুলে দিতে চান। তবে বিষয়টি বাস্তবায়ন হচ্ছে না এখনই। কারণ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কংগ্রেসকে জানিয়েছে, রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার জেরে আঙ্কারার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেই সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় শর্ত এখনো পূরণ করতে পারেনি তুরস্ক।

মূলত ২০১৯ সালে রাশিয়ার এস-৪০০ ব্যবস্থা কেনার পরই তুরস্ককে এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে এই যুদ্ধবিমান ইস্যুতে টানাপোড়েন চললেও আবারও আঙ্কারার প্রতি ইতিবাচক অবস্থান দেখিয়েছেন ট্রাম্প।

বিশ্লেষকদের মতে, হোয়াইট হাউসে বৈঠকের আগের দিন ট্রাম্পের এমন প্রকাশ্য মন্তব্য শুধু তুরস্ককেই বার্তা দেয়নি, বরং ইসরায়েলকেও বুঝিয়ে দিয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা রপ্তানি নীতি নির্ধারণ করবে ওয়াশিংটন, অন্য কোনো মিত্র দেশের আপত্তি নয়। ফলে এফ-৩৫ ইস্যু এখন শুধু একটি যুদ্ধবিমান বিক্রির প্রশ্ন নয়, এটি পরিণত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তুরস্কের ত্রিমুখী কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন পরীক্ষা।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
একটি পাহাড়ি টিলা, যেখানে ভেসে উঠে নানা নকশা, ছুটে চলা হরিণের অবয়ব আর রঙ্গিন আলোর খেলা। আর তা দেখেই অবাক দর্শকরা, অনেকেই আবার ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ছবি তুলতে।
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
আরও পড়ুন
গুলি করে সেনাবাহিনীর মেজরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে অনুমোদন ট্রাম্পের
করমুক্ত ডিজেল ব্যবহারের সুযোগ দিতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ
সমালোচনার মুখে নিজের প্রশংসার টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে সরকারি অর্থ ব্যয় বন্ধ করলেন ট্রাম্প
ট্রাম্প মামুকে গান্ধীগিরি শেখাতে হবে: সঞ্জয় দত্ত