ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

শিশুদের জন্য বদলে যাচ্ছে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম! 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম

৫৭ কোটি ডলার! বাংলাদেশি মুদ্রায় অঙ্কটা কয়েক হাজার কোটি টাকা। এত বড় জরিমানাই এবার গুনতে হতে পারে মার্ক জাকারবার্গের প্রতিষ্ঠিত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাকে। কিন্তু চমক শুধু জরিমানার অঙ্কে নয়। আদালত এমন কিছু নির্দেশ দিয়েছেন, যা বদলে দিতে পারে শিশু-কিশোরদের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের ধরন। কমাতে হবে নোটিফিকেশন, বেঁধে দিতে হবে ব্যবহারের সময়, এমনকি এআই চ্যাটবটের সঙ্গে শিশুদের কথোপকথনেও বসাতে হবে নতুন নিরাপত্তার দেয়াল।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর একটি আদালত মেটাকে ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার জরিমানা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন। এই অর্থ শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা তহবিলে জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। মামলাটি করেছিলেন অঙ্গরাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল রাউল তোরেস। বার্তাসংস্থা রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।

রাউল তোরেসের অভিযোগ ছিল, মেটা এমনভাবে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম তৈরি করেছে, যাতে শিশু-কিশোরেরা দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফর্মে থাকে ও আসক্ত হয়ে পড়ে। পাশাপাশি শিশুদের যৌন শোষণ থেকে রক্ষায়ও প্রতিষ্ঠানটি যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।

আরও পড়ুন

এর আগে একই মামলায় একটি জুরি বোর্ডও রায় দিয়েছিল মেটার বিরুদ্ধে। তাদের সিদ্ধান্ত ছিল, তরুণ ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করেছে মেটা। তবে এবার আদালতের নির্দেশ শুধু অর্থদণ্ডে আটকে নেই। আগামী ৫ বছর শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তায় ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে একাধিক পরিবর্তন আনতে বলা হয়েছে। শিশুদের জন্য মাসিক ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। অতিরিক্ত নোটিফিকেশন কমাতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্কদের যোগাযোগে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত অভিযোগ পর্যালোচনার ব্যবস্থাও করতে হবে শক্তিশালী।

এদিকে বিশেষ নজরে এসেছে মেটার এআই চ্যাটবটও। গেলো বছর রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে মেটার অভ্যন্তরীণ নথির বরাতে এআই চ্যাটবট নিয়ে উদ্বেগের তথ্য সামনে এসেছিল। এবার আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, নিউ মেক্সিকোর কোনো শিশু যেন মেটার এআই চ্যাটবটের সঙ্গে প্রেম বা যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কথোপকথনে জড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

তবে এই অভিযোগ মানছে না মেটা। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, অনলাইনে কিশোরদের নিরাপত্তায় নেওয়া নিজেদের ব্যবস্থার ওপর তারা আত্মবিশ্বাসী। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলও করবে তারা। আর মেটার আইনি লড়াই এখানেই শেষ হচ্ছে না। ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডেও ২৯টি অঙ্গরাজ্যের করা বড় একটি মামলার মুখোমুখি হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সেখানেও অভিযোগ প্রায় একই, শিশুদের আসক্ত করে রাখার মতো করে তৈরি করা হয়েছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ৪০টির বেশি অঙ্গরাজ্য ও ১ হাজার ৩০০টির বেশি স্থানীয় শিক্ষা কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নেমেছে আইনি লড়াইয়ে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আরও পড়ুন
মক্কা-মদিনাকে নিয়ে মিজানুর রহমান আজহারী ফেসবুক পোস্ট
ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে নতুন যে নিষেধাজ্ঞা দিলো মেটা
শিকলে বেঁধে মাদরাসার শিশুকে পেটানোর ভিডিও ভাইরাল
মৌলভীবাজারে এনসিপির ২ নেতাকে বহিষ্কার