ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

জয়সুরিয়ার রেকর্ডের পর বাবরের শতকে প্রতিরোধ

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২২, ০৭:৩৮ পিএম
ছবি- ক্রিকইনফো

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টের প্রথম দিনে স্বাগতিকদের অলআউট করে দারুণ কিছুর আভাস দিয়েছিল পাকিস্তান। তবে ৩০ বছর বয়সে অভিষেক হওয়া প্রভাত জয়সুরিয়া ৯৬ বছর আগের রেকর্ড পেরিয়ে নতুন করে লেখাতেই বিপাকে পড়ে সফরকারীরা।

সেখান থেকে পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজমের মাস্টারক্লাস এক শতকে ভর করে প্রতিরোধ গড়ে সফরকারীরা। জয়সুরিয়ার ফাইফারে এক পর্যায়ে ৮৫ রানে ৭ উইকেট হারানো পাকিস্তান এক শ রানে বুকড হওয়ার পথে ছিল। সেখান থেকে বাবর শেষ তিন টেল এন্ডারকে সঙ্গী করে দলীয় স্কোর নিয়ে যায় ২১৮ রানে।

ফলে গলের দূর্গে দ্বিতীয় দিন শেষে সমতায় আছে দুই দলই। শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে আউট হয় ২২২ রানে। পাকিস্তান নিজেদের প্রথম ইনিংসে তোলে ২১৮ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৬ রানের মধ্যে ১ উইকেট হারিয়ে বসে লঙ্কানরা। গলে দ্বিতীয় দিন শেষে পাকিস্তানের চেয়ে ৪০ রানে এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা।

আগের দিন ২৪ রানে ২ উইকেট হারানো পাকিস্তান সকালের সেশনে আরও ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায়। বাবর ছাড়া পাকিস্তানের ওপরের সারির কোনো ব্যাটারই দাঁড়াতে পারেনি। ৮৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর বাবর শেষ তিন ব্যাটসম্যানকে নিয়ে যোগ করেন ১৩৩ রান। এরমধ্যে শেষ দুই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে আসে ১০৬ রান।

যে ১০৬ রানের মধ্যে শেষ দুই ব্যাটসম্যানের সংগ্রহ মাত্র ২২ রান। অপরপ্রান্তে বাবর একাই ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট শতক তুলে নিয়ে থামেন ১১৯ রানে। ২৪৪ বলে ১১ চার ও ২ ছয়ে ইনিংসটি গড়েন পাকিস্তানের অধিনায়ক।

বাবরের আগে সকালে অজিদের বিপক্ষে অভিষিক্ত জয়সুরিয়া টানা তৃতীয় ইনিংসে নিজের তৃতীয় ফাইফার তুলে নেন। তিন ইনিংসে জয়সুরিয়ার উইকেট সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ১৭-তে। যা যেকোনো বোলারের জন্য রেকর্ড। এ ছাড়াও ১৪৫ বছরের টেস্ট ইতিহাসে প্রথম বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে টানা তিন ইনিংসে পাঁচ উইকেটের দেখা পেলেন জয়সুরিয়া।

এর আগে ইংলিশ পেসার টম রিচার্ডসন ১৮৯৩ সালে অভিষেকের পর টানা তিন ইনিংসে পেয়েছেন পাঁচ উইকেট করে ১৫ উইকেট। তিন ফাইফারের রেকর্ড স্পর্শ করে অস্ট্রেলিয়ার লেগ স্পিনার ক্ল্যারি গ্লিমেট অবশ্য উইকেট সংখ্যায় এগিয়ে নিয়েছিলেন ১৬ উইকেট। তিনি এই কীর্তি গড়েন ১৯২৫ সালে। এর ৯৬ বছর পর জয়সুরিয়া তিন ইনিংসে নিলেন ১৭ উইকেট।

পাকিস্তানকে ২১৮ রানে অলআউট করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নকে হারিয়ে বসেছে লঙ্কানরা। করুণারত্নে ১৬ রান করে পাকিস্তানের স্পিনার মোহাম্মদ নওয়াজের বলে ফেরেন। মাঠে এই মুহূর্তে ওশাদা ফার্নান্দো ১৭ রান এবং কাসুন রাজিথা ৩ রানে অপরাজিত আছেন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিএসপিএ’র ষাট বছর পূর্তি / পুরস্কার পেয়েও প্রত্যাখ্যান করলেন কাজী সালাউদ্দিন
বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) কর্তৃক নির্বাচিত দেশের স্বাধীনতা অর্জনের ৫০ বছরে সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। যেখানে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন বর্তমান বাফুফে ও সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ও সাবেক ফুটবলার কাজী মো. সালাউদ্দিন। কিন্তু সে পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার।   শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিএসপিএ’র ষাট বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের ১০ জন ক্রীড়াবিদকে সম্মাননা দেওয়া হয়। কিন্তু প্রথম ও দ্বিতীয় ক্রীড়াবিদের নাম ঘোষণার পরপরই বাফুফে সভাপতি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। সেই ঘটনায় বিষয়ে শনিবার এক বৈঠকে বসেছিল বাফুফের নির্বাহী কমিটি। এই সভায় বিএসপিএ’র দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকের পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একথা জানিয়েছে বাফুফে।  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) কর্তৃক বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অন্যতম খেলোয়াড়, শহীদ শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার প্রাপ্ত এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) পরপর চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনকে প্রদত্ত 'দ্বিতীয় সেরা ক্রীড়াবিদ'এর পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে উক্ত প্রহসণের পুরস্কার প্রদান আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে অবমাননা করার শামিল এবং একই সঙ্গে ক্রীড়াঙ্গন তথা ফুটবল সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য অবমাননাকর।’ এদিকে বিএসপিএ’র দ্বিতীয় হওয়ার পুরস্কারের অর্থের চেক এবং ক্রেস্ট ফিরিয়ে দিয়েছে বাফুফে কার্যনির্বাহী কমিটি। বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির কার্যালয়ে তা ফিরিয়ে দিয়েছে তারা।  আরও পড়ুন- বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদ সাকিব আরও পড়ুন- ক্রীড়াবিদদের পাশাপাশি সাংবাদিকরাও পাচ্ছেন বিএসপিএ সম্মাননা
পুরস্কার পেয়েও প্রত্যাখ্যান করলেন কাজী সালাউদ্দিন
আবারও দেখা যাবে মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ!
ফুটবল বিশ্বের দুই এলিয়েন-লিওনেল মেসি আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। নিজেদের রাজ্যে এ যুগলের রাজত্ব মুগ্ধ করেছে গোটা পৃথিবীর ফুটবল প্রেমীদের। কিন্তু সেই ২০১৮ সালে স্প্যানিশ লিগ ছেড়ে দেওয়ার পর দুজন খেলছেন আলাদা লিগে। তবুও চ্যাম্পিয়নস লিগের কারণে এই দুই তারকার দ্বৈরথ দেখেছিল বিশ্ব।  কিন্তু পর্তুগিজ তারকা রোনালদো এশিয়ান ফুটবলের ক্লাব আল নাসেরে যোগ দেওয়ায় এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মিলিত হওয়ার সম্ভাবনার শেষ দেখে ফেলেছিল সবাই। তবে আশার কথা হচ্ছে, নতুন বছরের শুরুতেই এই দুই তারকার দ্বৈরথ দেখবে বিশ্ববাসী। হয়তো এই সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে শেষবারের মতো! জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব যাবে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। সেই ম্যাচে লিওনেল মেসিদের বিপক্ষে খেলবে আল হিলাল ও আল নাসের ক্লাবের আদলে সাজানো দল। আর এই ম্যাচের একাদশে আল নাসেরের হয়ে রোনালদোকে মাঠে নামতে দেখা যেতে পারে।  সবশেষ ২০২০ সালে মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ দেখেছিল ফুটবলপ্রেমীরা। দুই বছর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেই ম্যাচে রোনালদোর জোড়া গোলে  মেসির বার্সেলোনাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাস। আরও পড়ুন- রোনালদোর আল নাসের ক্লাবের অজানা ইতিহাস
আবারও দেখা যাবে মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ!
বিপিএলে শুধু এলিমিনেটর ও ফাইনালে থাকবে ‘পূর্ণ’ ডিআরএস
আধুনিক ক্রিকেটে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হচ্ছে ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস)। এই প্রযুক্তি ক্রিকেট মাঠে আম্পায়ারদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) আসন্ন বিপিএলে প্রযুক্তিগত দিক থেকে আগের আসরের চেয়ে আরও ভালো কিছু করতে মরিয়া। কিন্তু আসরের শুরুতে এর পূর্ণতা দেখা যাবে না। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ঈসমাইল হায়দার মল্লিক সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানিয়েছেন।   আগামী ৬ জানুয়ারি শুরু হবে সাত দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক বিপিএল টি-টোয়েন্টির নবম আসর। কিন্তু আন্তর্জাতিক সূচিতে ঠাসা ম্যাচের কারণে ডিআরএস প্রযুক্তি টুর্নামেন্টের শুরু থেকে পাচ্ছে না বোর্ড। তবে এলিমিনেটরের তিন ম্যাচ ও ফাইনালে দেখা যাবে পূর্ণ ডিআরএস প্রযুক্তি। ঈসমাইল হায়দার মল্লিক বলেন, ‘আপনার জানেন মাত্র ভারত সিরিজ শেষ হলো। ৬ তারিখে আমাদের টুর্নামেন্ট শুরু। ডিআরএসের ব্যাপারটা হলো, এটা এলিমিনেটরে থাকবে। তিনটা ম্যাচ হয়, আরেকটা ফাইনাল। এখানে কমপ্লিট ডিআরএস থাকবে। আর বাকি ম্যাচগুলোতে আমরা একটা অল্টারনেট ডিআরএস দেওয়ার চেষ্টা করছি।’ পূর্ণ ডিআরএস আনতে না পারার কারণ এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সারা বিশ্বে সব জায়গায় এই সময় অনেক খেলা হচ্ছে। ডিআরএসের জন্য দুইটা কোম্পানি এভেইলেবল থাকে- হক আই আর ভার্চুয়াল আই। বেসিক্যালি হক আই যেটা সেটা এভেইলেবল না। ভার্চুয়াল আই সাধারণত অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের ওখানে করে। হক আই যেহেতু দ্বিপক্ষীয় সিরিজে চুক্তিবদ্ধ থাকে, তাই শুধু এলিমিনেটরে আমরা আনতে পারবো।’
বিপিএলে শুধু এলিমিনেটর ও ফাইনালে থাকবে ‘পূর্ণ’ ডিআরএস
পেলের মৃত্যুর খবর জানেন না তার শতবর্ষী মা
না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে। কোলন ক্যান্সারের কাছে হার মেনে ৮২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন ফুটবলের এই সম্রাট। বৈশ্বিক ফুটবলের এই আইকনের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পুরো বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গন। কিন্তু ছেলের মৃত্যুর ব্যাপারে কিছুই জানেন না পেলের মা দোনা সেলেস্তে। বরং তাকে এই কথা শোনানোই হয়নি।  পেলের ৭৮ বছর বয়সি বোন মারিয়া লুসিয়া দো নাসিমেন্তো জনপ্রিয় ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানিয়েছেন।  সম্প্রতি শতবর্ষে পা রেখেছেন পেলের মা। মহীয়সী এই নারীকে কিছুদিন আগেই ‘বর্ষসেরা ব্রাজিলিয়ান মা’ ঘোষণা করেছে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ও গ্লোবো। তিনি জানতেন যে, পেলে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। কিন্তু এখনো মৃত্যুর ব্যাপারে অবগত নন দোনা সেলেস্তে। পেলের বোন মারিয়া বলেছেন, ‘আমরা কথা বলেছি কিন্তু তিনি মৃত্যুর ব্যাপারে কিছুই জানেন না। তার একটি নিজস্ব জগত আছে, সেখানে তিনি ভালোই আছেন। মাঝেমধ্যে আমি তাকে বলেছি, ‘সেলেস্তিকা, দিকোকে (পেলে) দেখতে এমন লাগে এখন। তিনি চোখ খুলে শুধু বললেন, পেলের জন্য প্রার্থনা করো।’   গত ২৯ নভেম্বর সাও পাওলোর আলবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন পেলে। কিন্তু তার শরীরে কেমো থেরাপি কাজ করছিল না। তখনই ফুটবলের রাজা বুঝতে পেরেছিলেন তার জীবনের শেষ সময় হয়ে এসেছে। এমনটাই জানান তার বোন মারিয়া।  মারিয়া বলেন, ‘খুবই কঠিনভাবে কাটছে সময়। আমরা কেউই চিরন্তন নই, তবে তার চলে যাওয়ার খবর আমাদের হৃদয়কে খুব শক্ত করে তুলেছে। এটা মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। কিন্তু মৃত্যু জিনিসটা ইশ্বরের হাতে। আমরা তার সঙ্গে ছিলাম। কিছু কথাও বলেছি। আমি জানতাম সে চলে যাচ্ছে। কথা বলার সময়ে সে বেশ ধার্মিক ছিল। সে বলেছিল, ইশ্বর তাকে ডাকছে।’ উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ফুটবল বিশ্বে ‘কালো মানিক’ খ্যাত পেলে। এই কিংবদন্তির প্রয়াণের খবর শোনার পর থেকেই শোকস্তব্ধ বিশ্বের সব ক্রীড়াঙ্গন। ব্রাজিল সরকার সেদেশে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। 
পেলের মৃত্যুর খবর জানেন না তার শতবর্ষী মা
রোনালদোর আল নাসের ক্লাবের অজানা ইতিহাস
ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে টানা ২০ বছর দাপটের সঙ্গে খেলেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পর্তুগিজ এই স্ট্রাইকার ইংল্যান্ড, স্পেন ও ইতালির পাঠ চুকিয়ে এবার যোগ দিলেন এশিয়ার ফুটবলে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসেরের সঙ্গে আড়াই বছরের চুক্তি করেছেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে নিজের দুই দশকের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে চান পর্তুগিজ এই তারকা।   সৌদি আরবের স্থানীয় গণমাধ্যম ‘সৌদি গেজেট’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষে সৌদি ফুটবলের দূত হিসেবেও কাজ করবেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ফলে মুসলিম প্রধান এই দেশটির আল নাসের ক্লাবকে নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মনে নতুন নতুন প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে।  সৌদি আরবের শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলোর অন্যতম একটি ক্লাব আল নাসের। দেশটির রাজধানী রিয়াদভিত্তিক ক্লাবটি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ক্লাবটি সৌদির শীর্ষ ফুটবল প্রতিযোগিতা সৌদি প্রফেশনাল লিগে (এসএফএল) খেলে। প্রতিযোগিতার অন্য নাম আবদুল লতিফ জামিল লিগ বা দাউরি জামিল। আল নাসের ক্লাবে রোনালদো সতীর্থ হিসেবে পাচ্ছেন কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে হারানো ক্যামেরুন অধিনায়ক ভিনসেন্ট আবুবকর, কলাম্বিয়ান গোলরক্ষক ডেভিড ওসপিনা, বায়ার্ন মিউনিখের ব্রাজিলিয়ান সাবেক মিডফিল্ডার লুইস গুস্তাভো ও বেনফিকার মিডফিল্ডার তালিসকাকে। এ ছাড়া সৌদি আরবের ছয় ফুটবলার, যারা গত বিশ্বকাপের স্কোয়াডে ছিলেন।  এই ক্লাবের প্রধান কোচের দায়িত্বে আছেন সাবেক ফরাসি ফুটবলার রুডি গার্সিয়া। খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি লিগ’আর ক্লাব লিল-এর হয়ে খেলেছেন। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে গার্সিয়া ২৮ বছর ধরে কোচিংয়েড় সঙে জড়িত। ফ্রান্সের লিগ’আর ক্লাব মার্শেই ও লিঁওর কোচ ছিলেন তিনি। ৩ বছর ছিলেন ইতালিয়ান ক্লাব রোমার দায়িত্বেও। এরপর চলতি বছর তিনি আল নাসেরে যোগ দেন।  সর্বকালের সেরা  ১৯৭৬ সালে শুরু হওয়া সৌদি আরবের ঘরোয়া লিগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (৯ বার) শিরোপা জিতেছে আল নাসের ক্লাব। এই লিগে গত তিন আসরে চ্যাম্পিয়ন আল হিলাল ক্লাব সর্বোচ্চ ১৮ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। রোনালদোর ক্লাব সর্বশেষ ২০১৮-১৯ মৌসুমে শিরোপা জিতেছে।  ইউরোপের মতো সৌদি আরবের ফুটবল মৌসুমও শুরু হয় আগস্ট মাসে। যেখানে ‘হোম-অ্যাওয়ে’ ভিত্তিতে ১৬টি দল দুবার করে একে অপরের মুখোমুখি হয়।  যেখানে প্রতিটি দল ৩০টি করে ম্যাচ খেলে সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী দল শিরোপা জেতে। আর লিগের সেরা তিনটি দল এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলে।  আরও পড়ুন- পেলের মৃত্যুতে সাও পাওলোয় ফিরছেন শোকাহত ব্রাজিলিয়ানরা সৌদি প্রফেশনাল লিগের পাশাপাশি কিংস কাপ, ক্রাউন প্রিন্স কাপ, ফেডারেশন কাপ এবং সৌদি সুপার কাপেও খেলে আল নাসের। এ ছাড়া আঞ্চলিক পর্যায়ে জিসিসি চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং মহাদেশীয় পর্যায়ে এশিয়ান কাপ উইনার্স কাপ ও এশিয়ান সুপার কাপে শিরোপা জয়ের অভিজ্ঞতাও আছে ক্লাবটির। চলতি ২০২২-২৩ মৌসুমে সৌদি আরবের লিগে এখন পর্যন্ত ১০ রাউন্ডের খেলা হয়েছে। যেখানে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে রিয়াদভিত্তিক ক্লাব আল শাবাব। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আল নাসের ক্লাবের ২৩ পয়েন্ট।  আর আল হিলালের অবস্থান ২১ পয়েন্ট নিয়ে চারে।  আল নাসের ক্লাবের নিজস্ব স্টেডিয়ামও রয়েছে। দলটির হোম ভেন্যু কিং সউদ ইউনিভার্সিটি স্টেডিয়ামে ২৫ হাজার ধারণক্ষমতার মাঠটি চালু হয় ২০১৫ সালে। গত বছর আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার স্মরণে বার্সেলোনা ও বোকা জুনিয়র্সের মধ্যকার একটি প্রীতি ম্যাচ এই মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। 
রোনালদোর আল নাসের ক্লাবের অজানা ইতিহাস
আরও পড়ুন
ঋষভের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে যা জানালেন অনুপম-অনিল 
আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে এগিয়ে যারা
রানবন্যায় পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ডের প্রথম টেস্ট ড্র 
ঋষভের দুর্ঘটনা নিয়ে যা বললেন উর্বশী