ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

দেশের জন্য ১৩ মাসের সন্তান রেখে বিশ্বকাপে যাচ্ছেন নাসরিন

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ মে ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম
রিকার্ভ নারী আর্চার নাসরিন আক্তার। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ৫ মে চীনের সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আর্চারি বিশ্বকাপ স্টেজ-২। যেখানে অংশ নেবেন বাংলাদেশের ১৩ আরচ্যার। এর মধ্যে আলোচনায় এসেছেন রিকার্ভ নারী আর্চার নাসরিন আক্তার। মাত্র ১৩ মাসের সন্তান রেখে দেশের জন্য বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন তিনি।

শনিবার (২ মে) বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে এ কথা জানান তিনি।

মাত্র ১৩ মাসের সন্তানকে রেখে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া সম্পর্কে নাসরিন বলেন, বিষয়টি মা হিসেবে একটু কঠিনই। কারণ আমার সন্তান এখনো অবুঝ। মাকে খুঁজবে কিছুক্ষণ পরপরই। এরপরও দেশের জন্য বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছি।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, পরিবারের সহায়তা না থাকলে আমার পক্ষে দেশের বাইরে খেলতে যাওয়া সম্ভব ছিল না। তারা সন্তানকে দেখাশোনা করতে পারবে। এরপরও তো মাকে খুঁজবে, কান্নকাটিও করবে।

আর্চারি দলের জার্মান কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক নাসরিনের দৃঢ়তার প্রশংসা করে বলেন, নাসরিন মিশনে ছিল কঙ্গোতে। সেখানে এক বছর কাজ করে আরচ্যারিতে ফিরেছে। মা হওয়ার পরও তার স্কোর সেই পর্যায়ে রয়েছে।

চীন বিশ্বকাপে বাংলাদেশের লক্ষ্য সম্পর্কে কোচ মার্টিন বলেন, সামনে এশিয়ান গেমসে আমরা মূলত সেই টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির জন্যই যাচ্ছি। পাশাপাশি বিশ্বকাপেও ভালো ফলাফল করতে চাই।

বাংলাদেশ গত মাসে থাইল্যান্ডে এশিয়া কাপে কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত ইভেন্টে স্বর্ণ জিতেছে। তাই কম্পাউন্ডের উপর একটু বাড়তি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। কম্পাউন্ড দলের অন্যতম সদস্য হিমু বাছাড় বলেন, আমরা এশিয়া কাপে সফল হয়েছি এবার আশা করছি বিশ্বকাপেও সেটার ধারাবাহিকতা বজায় রাখব।

এশিয়া কাপ আর্চারিতে স্বর্ণজয়ী তিন আরচ্যার হিমু বাছাড়, ঐশ্বর্য্য রহমান ও নেওয়াজ আহমেদ রাকিবকে ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার সভাপতি কাজী রাজীবউদ্দিন আহমেদ চপল ৪০০ ডলার করে পুরস্কৃত করেছেন। এটি পূর্ব ঘোষিত থাকলেও তিন কোচিং স্টাফকেও ২০০ ডলার করে দিয়েছেন।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চূড়ান্ত হল চট্টগ্রাম ফ্র‍্যাঞ্চাইজ টি-২০ লিগের ৪ সেমিফাইনালিস্ট
চট্টগ্রাম ফ্র‍্যাঞ্চাইজ টি-টোয়েন্টি লিগের (সিএফএল) চার সেমিফাইনালিস্ট নিশ্চিত হয়েছে। ২২ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টে ফাইনালের লড়াইয়ে উঠলো বাকলিয়া অগ্রসর বয়েজ ক্লাব, এনএইচটি স্পোর্টস, রাইয়ান স্পোর্টস ও আম্বিয়া স্পোর্টস।
চূড়ান্ত হল চট্টগ্রাম ফ্র‍্যাঞ্চাইজ টি-২০ লিগের ৪ সেমিফাইনালিস্ট
ব্যালন ডি’অর পেলে কত টাকা পান ফুটবলাররা?
বিশ্বসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি ব্যালন ডি’অর। সোনালি ট্রফিটি হাতে তোলার স্বপ্ন দেখেন বিশ্বের প্রায় সব ফুটবলার। তবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেই আয়োজকদের কাছ থেকে সরাসরি কোনো অর্থ পুরস্কার পান না বিজয়ী। যদিও ক্লাব ও স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী লাখ লাখ ইউরো বোনাস পাওয়ার সুযোগ থাকে। পাশাপাশি বাড়ে বিজ্ঞাপনমূল্য ও বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে আয়ের সম্ভাবনাও। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসের আন্তর্জাতিক ফুটবল বিভাগের প্রধান আরিৎস গাবিলন্দোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্যালন ডি’অর এখন কেবল ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি নয়। এটি ফুটবলারদের বাণিজ্যিক মূল্য বাড়ানোরও বড় মাধ্যম। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এই পুরস্কার একজন খেলোয়াড়ের আর্থিক ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।  এএসের তথ্য অনুযায়ী, ব্যালন ডি’অরের সোনালি ট্রফিটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ হাজার ৫০০ ইউরো। তবে ট্রফিটির প্রকৃত গুরুত্ব এর আর্থিক মূল্যে নয়, বরং এটি জয়ের মাধ্যমে একজন ফুটবলারের সামনে তৈরি হওয়া সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক সুযোগে। ফুটবলারদের ক্লাব চুক্তিতে ব্যক্তিগত অর্জনের জন্য বিশেষ বোনাসের শর্ত থাকতে পারে। ব্যালন ডি’অর জিতলে এসব শর্ত অনুযায়ী কোনো কোনো খেলোয়াড়ের বোনাসের পরিমাণ ৩০ লাখ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ নেইমার। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) যোগ দেওয়ার পর ব্রাজিলিয়ান তারকার চুক্তিতে ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য প্রায় ৩০ লাখ ইউরো বোনাসের শর্ত থাকার খবর প্রকাশ করেছিল ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে প্যারিসিয়েন। পরে লেকিপও এ তথ্য জানায়। তবে পিএসজির হয়ে কখনো ব্যালন ডি’অর জিততে পারেননি নেইমার। ফলে ওই বোনাস পাওয়ার সুযোগও তৈরি হয়নি। ক্লাবের পাশাপাশি স্পনসরদের সঙ্গেও চুক্তিতে এমন বোনাসের শর্ত থাকতে পারে। ২০১৮ সালে ব্যালন ডি’অর জয়ের পর ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নাইকির সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রায় আট লাখ ইউরো বোনাস পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল লুকা মদ্রিচের। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল কনফিদেনসিয়াল সে সময় এ তথ্য জানিয়েছিল। মদ্রিচের অর্জনকে কাজে লাগিয়ে বিশেষ সংস্করণের ফুটবল বুটও বাজারে এনেছিল নাইকি। অর্থাৎ, ব্যালন ডি’অর জয় শুধু ফুটবলারের জন্যই নয়, স্পনসর প্রতিষ্ঠানের জন্যও বাড়তি ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে। তবে আর্থিক সুবিধা কেবল এককালীন বোনাসেই সীমাবদ্ধ নয়। ব্যালন ডি’অর জয়ের ফলে একজন ফুটবলারের আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও বিজ্ঞাপনমূল্য বেড়ে যেতে পারে। নতুন স্পনসর পাওয়া, পুরোনো চুক্তি নবায়নের সময় বেশি অর্থ দাবি করা এবং বৈশ্বিক বাজারে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হয়। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মেসি আটবার এবং রোনালদো পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমেও বিপুল আয় করেছেন এই দুই তারকা। তাদের জনপ্রিয়তা এখন ফুটবল মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। এএসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মেসি-রোনালদোর পরবর্তী প্রজন্মের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামালের সামনেও একই ধরনের বাণিজ্যিক অবস্থান তৈরির সুযোগ রয়েছে। ব্যক্তিগত অর্জন ও মাঠের সাফল্য কাজে লাগিয়ে বিশ্ব ফুটবলের বাণিজ্যিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পারেন তারা। অবশ্য ব্যক্তিগত পুরস্কারকেন্দ্রিক এই প্রতিযোগিতা নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। পিএসজির কোচ লুইস এনরিকের মতো অনেকে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলীয় সাফল্যকে বেশি গুরুত্ব দেন। তাদের মতে, ফুটবল দলীয় খেলা; তাই একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত স্বীকৃতির চেয়ে পুরো দলের অর্জনই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও ব্যালন ডি’অরের জনপ্রিয়তা ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব ক্রমেই বেড়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অনুষ্ঠান বিশ্বের ১০৫টি দেশে সম্প্রচারিত হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পুরস্কারটি ঘিরে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক আগ্রহ। সব মিলিয়ে, ব্যালন ডি’অর জিতলে আয়োজকদের কাছ থেকে সরাসরি নগদ অর্থ না পেলেও একজন ফুটবলারের সামনে বড় অঙ্কের বোনাস ও বাণিজ্যিক আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়। সেই আয় নির্ভর করে ক্লাব ও স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তির শর্ত, খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা এবং ভবিষ্যতে তৈরি হওয়া নতুন সুযোগের ওপর। তাই সোনালি ট্রফিটির চেয়েও সেটি জয়ের আর্থিক মূল্য অনেক বেশি হতে পারে।   আরটিভি/এসকে
ব্যালন ডি’অর পেলে কত টাকা পান ফুটবলাররা?
কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত সাবেক লিভারপুল তারকা, পায়ে ৫০ সেলাই
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সাবেক ফুটবলার জেরমেইন পেনান্ট কুকুরের আক্রমণে গুরুতর আহত হয়েছেন। জার্মান শেফার্ড জাতের একটি কুকুরের কামড়ে তার ডান পায়ে চারটি ক্ষত তৈরি হয়েছে। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পর ক্ষতস্থানে ৫০টিরও বেশি সেলাই দিতে হয়েছে ৪৩ বছর বয়সী এই সাবেক উইঙ্গারকে। গত সপ্তাহে নিজের দুই পোষা কুকুরকে নিয়ে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন পেনান্ট। এ সময় জার্মান শেফার্ড জাতের একটি কুকুর তার ওপর আক্রমণ করে। নিজের পোষা কুকুর কিংকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন তিনি। তার দাবি, কুকুরটি তার পা কামড়ে ধরে রাখে এবং কিছুতেই ছাড়ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসে পেনান্টের পোষা কুকুর কিং। আক্রমণকারী কুকুরটিকে তাড়িয়ে দিয়ে মালিককে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করে সে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রমণে পেনান্টের ডান পায়ে চারটি কামড়ের ক্ষত হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয় তাকে। এদিকে কিংয়ের পায়েও সামান্য কামড়ের দাগ পড়ে। তার শরীরে রক্ত দেখে প্রথমে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পেনান্ট। পরে বুঝতে পারেন, সেই রক্ত তাঁর নিজের। ঘটনার বিবরণ দিয়ে ইনস্টাগ্রামে পেনান্ট লেখেন, ‘একটি জার্মান শেফার্ড আমার ওপর আক্রমণ করেছিল। আমি কিংকে রক্ষা করার চেষ্টা করি, কিন্তু কুকুরটি আমার পা কামড়ে ধরে। আমি মাটিতে পড়ে ছিলাম, আর কুকুরটি পা ছাড়ছিল না। কিং বুঝতে পারছিল না কী ঘটছে। তবে এগিয়ে আসার পর সে কুকুরটিকে তাড়িয়ে দেয় এবং আমাকে ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে বাঁচায়।’ কিংকে নিজের নায়ক উল্লেখ করে পেনান্ট আরও লেখেন, ‘আমার নায়ক এখনো আমাকে রক্ষা করছে এবং আমার যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করছে। কিং, তুমি সত্যিই অসাধারণ। তোমাকে ভালোবাসি। কুকুরই মানুষের সবচেয়ে ভালো বন্ধু।’ ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত ছবিতে পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় সোফায় বসে থাকতে দেখা যায় পেনান্টকে। পাশে ছিল তার প্রিয় পোষা কুকুর কিং। এই কঠিন সময়ে তাদের দুজনের দেখাশোনা করার জন্য সঙ্গী মিমি মন্টগোমেরিকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। ২০১৮ সালে পেশাদার ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার আগে ১৯ বছরের ক্যারিয়ারে প্রিমিয়ার লিগে ২৩১টি ম্যাচ খেলেছেন পেনান্ট। লিভারপুল ও স্টোক সিটির হয়ে মাঠ মাতানো এই উইঙ্গার বর্তমানে টকস্পোর্টের ফুটবল বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে নটস কাউন্টি থেকে আর্সেনালে যোগ দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন পেনান্ট। সে সময় তার জন্য ২৫ লাখ পাউন্ড খরচ করেছিল ক্লাবটি। অল্প বয়সেই বড় অঙ্কের ট্রান্সফারের কারণে ইংলিশ ফুটবলে অন্যতম আলোচিত তরুণ খেলোয়াড় হয়ে উঠেছিলেন তিনি।   আরটিভি/এসকে
কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত সাবেক লিভারপুল তারকা, পায়ে ৫০ সেলাই
বিশ্বজয়ের পর এবার বর্ষসেরা কোচ দে লা ফুয়েন্তে
বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার ব্যক্তিগত স্বীকৃতির মঞ্চেও সেরার আসনে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা পুরুষ কোচের পুরস্কার জিতেছেন ৬৫ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচ।
বিশ্বজয়ের পর এবার বর্ষসেরা কোচ দে লা ফুয়েন্তে
স্পেনের ফুটবলে নতুন ইতিহাস, তৃতীয়বার ব্যালন ডি’অর জিতলেন আলেক্সিয়া
চোট ও দীর্ঘ পুনর্বাসন পেরিয়ে আবারও বিশ্বসেরার স্বীকৃতি পেয়েছেন স্পেনের তারকা মিডফিল্ডার আলেক্সিয়া পুতেয়াস। তৃতীয়বারের মতো নারী ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ ব্যালন ডি’অর জিতে বার্সেলোনার সাবেক সতীর্থ আইতানা বনমাতির পাশে নাম লেখালেন তিনি।
স্পেনের ফুটবলে নতুন ইতিহাস, তৃতীয়বার ব্যালন ডি’অর জিতলেন আলেক্সিয়া
আরও পড়ুন
ওয়েলসকে রুখে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
নারী ক্লাব বিশ্বকাপের আয়োজনের দায়িত্ব পেল যুক্তরাষ্ট্র
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ খেলতে বাকুতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ