ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রেফারি নিয়ে সতর্ক স্পেন কোচ

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। ছবি: এএফপি

২০২৬ বিশ্বকাপজুড়ে মাঠের খেলার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয়গুলোর একটি ছিল রেফারিং। বিশেষ করে আর্জেন্টিনার ম্যাচগুলোতে রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও বারবার উঠে এসেছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে রেফারিং ইস্যুতে সতর্কবার্তা দিয়েছেন স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে তিনি বলেছেন, ম্যাচ পরিচালনায় রেফারির কোনো ধরনের শিথিলতা বা নিয়মের বাইরে কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয়।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘স্পোর্ত’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, রেফারি মাঠে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখাতে পারেন না এবং নিয়ম ভাঙার সুযোগ দিতে পারেন না। ফুটবলের বৈধতার যে সীমারেখা আছে, তা কোনোভাবেই অতিক্রম করতে দেওয়া যাবে না।

আরও পড়ুন

তবে একই সঙ্গে রেফারিদের প্রতি নিজের আস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। দে লা ফুয়েন্তে বলেন, রেফারিদের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। তবে তার চেয়েও বেশি আস্থা আছে আমার দলের ওপর। কারণ আমরা জানি, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কী ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে হয়।

ফাইনাল নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন স্পেন কোচ। তার মতে, বিশ্ব ফুটবলের বর্তমান দুই সেরা দলের লড়াই হতে যাচ্ছে এটি। দুই দলের খেলোয়াড়দের প্রতিভা ও দক্ষতায় রয়েছে অনেক মিল, ফলে শুরু থেকেই ম্যাচে থাকবে আক্রমণাত্মক ও নান্দনিক ফুটবলের ছাপ।

দে লা ফুয়েন্তে বলেন, এটি অসাধারণ একটি ফুটবল প্রদর্শনী হতে যাচ্ছে। দুটি দলই নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার চেষ্টা করবে। আমরা আশা করি, রেফারি ম্যাচের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দক্ষতার সঙ্গে সামলাবেন, যাতে বিশ্বকাপ ফাইনালের মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি ম্যাচ উপভোগ করতে পারে ফুটবল বিশ্ব।

উল্লেখ্য, আগামী রোববার (১৯ জুলাই) নিউজার্সির স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্বকাপের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে টাইগারদের ভারতে না পাঠানোর জন্য তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলকে দায়ী করে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। যা এখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। এর মাঝেই তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে মুখ খুলেছেন সাবেক এই উপদেষ্টা। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ভারতে দল না পাঠানোর ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। আরটিভির পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো— টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: কেন ভারতে যাইনি? ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে মূলত আমারই ছিল। আমি নিজেই এ কথা একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছি। তাই এতোদিন পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিষয়টি তদন্ত করে তা প্রকাশের কি এমন কারণ ঘটলো বুঝলাম না।  ঘটনার সূত্রপাত উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে অপমানজনকভাবে বাদ দেওয়া থেকে। এর পরপরই আমরা নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা এবং বাংলাদেশের প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার বিষয়ে অনীহা জানাই। আমাদের আশঙ্কা যে অমূলক ছিল না, আইসিসির প্রথম রিপোর্টেই তার স্বীকৃতি ছিল। সেখানে ভারতে নিরাপত্তা-আশঙ্কার তিনটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছিল—বিশ্বকাপের দলে মোস্তাফিজ থাকলে, বাংলাদেশের সমর্থকরা মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করলে এবং বাংলাদেশে নির্বাচন এগিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে। বিবিসি বাংলা ওই রিপোর্টের হুবহু বাংলা অনুবাদও প্রকাশ করেছিল। এই পরিস্থিতিতে আমরা ভারতে খেলতে যাব কেন? আমরা শেষ পর্যন্ত অন্য কোনো ভেন্যুতে বিশ্বকাপ খেলার জন্য বহু চেষ্টা করেছি। কোনো কোনো দেশ থেকে সমর্থনও পেয়েছিলাম। কিন্তু সম্ভবত আইসিসির নেতৃত্বে ভারতীয়দের আধিপত্যে থাকার কারণে শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদেরকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। আমাদের সিদ্ধান্তের পেছনে তিনটি বিষয় ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার—দেশের মর্যাদা, আমাদের ক্রিকেটার-সাংবাদিক-সমর্থকদের নিরাপত্তা এবং আগামী নির্বাচনের আগে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা। সে সময় বলা হয়েছিল, বিশ্বকাপ না খেললে বিদেশি দলগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের খেলা বন্ধ হয়ে যাবে। আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের নানা উদ্যোগে সেই আশঙ্কাও শেষ পর্যন্ত দূর হয়েছিল। আমি মনে করি, আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। একটি ছোট দেশ বলে কেউ আমাদের ইচ্ছেমতো অপমান করবে, আর আমরা সবসময় তা মুখ বুঝে মেনে নিবো এমন প্রত্যাশা করা ঠিক নয়। আমি সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সাথে বন্ধুত্বে বিশ্বাসী । মাথা নত করে সব মেনে নেয়াতে না। এদিকে তদন্ত কমিটির দাবি, তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলই এককভাবে সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করেন। এ ক্ষেত্রে অন্য কারও মতামত নেওয়ার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। এমনকি ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও তিনি শুধু নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কোনো একক ব্যক্তির ইচ্ছায় নেওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে, ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ এবং দেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর প্রত্যাশাকে সামনে রেখে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছে কমিটি। আরটিভি/এসআর  
বিশ্বকাপের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
বাংলাদেশের আগামী তারকা পেসার ও স্পিনার খুঁজবে ‘রবি বোলার হান্ট’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাথে যৌথভাবে ‘রবি বোলার হান্ট’ নামের দেশব্যাপী কর্মসূচি শুরু করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সম্ভাবনাময় নারী ও পুরুষ পেসার ও স্পিনারদের খুঁজে বের করে তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবি দফতরে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক ট্রায়ালের মাধ্যমে বোলার হান্টের আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে আগ্রহী বোলাররা নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন এবং পেশাদার ক্রিকেটে যাওয়ার পথ তৈরি করতে পারবেন। দেশব্যাপী ট্রায়াল আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সিলেটে শুরু হবে । এরপর দেশের সব বিভাগীয় শহরে পর্যায়ক্রমে ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় ২টি ট্রায়াল আয়োজন করা হবে এবং সব মিলিয়ে মোট ৯টি ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হবে।  বিভাগীয় ট্রায়াল শেষে প্রতিটি স্থান থেকে বাছাইকৃত নির্দিষ্ট সংখ্যক বোলারকে ঢাকায় শেষ পর্বের ক্যাম্পে ডাকা হবে। সেখান থেকে বিসিবি কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত বিজয়ীদের মানোন্নয়ন ও পরবর্তী প্রশিক্ষণের জন্য বোর্ডের নিজস্ব গ্রুমিং প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। উদ্যোগটির জন্য নিবন্ধন করা যাবে মাই রবি ও মাই সার্কেল অ্যাপের মাধ্যমে। নিজ নিজ এলাকার ট্রায়ালের আগের দিন পর্যন্ত আগ্রহীরা নিবন্ধন করতে পারবেন। এই বোলার হান্টে বিচারক হিসেবে থাকবেন বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল। এতে রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক লেগ স্পিনার মুশতাক আহমেদ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ফাস্ট বোলার কোরি কলিমোর। বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটারও বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমান ও সাবেক জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা বিভাগীয় পর্যায়ের ট্রায়াল এবং চূড়ান্ত পর্ব; দুই ধাপেই উপস্থিত থাকবেন। ফলে অংশগ্রহণকারীরা অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সামনে নিজেদের বোলিং দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জিয়াদ সাতারা বলেন, ক্রিকেট বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও আবেগের অবিচ্ছেদ্য অংশ। দেশের প্রতিটি প্রান্তেই বোলিংয়ের অনেক সম্ভাবনাময় প্রতিভা রয়েছে, যাদের অনেকেই এখনো সুযোগের অপেক্ষায়। রবি বোলার হান্টের মাধ্যমে নারী ও পুরুষ; উভয় শ্রেণির সম্ভাবনাময় ফাস্ট বোলার ও স্পিনারদের নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরার জন্য দেশব্যাপী একটি প্ল্যাটফর্ম দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে অংশীদারত্বে এই উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু প্রতিভা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি পথ তৈরি করা।  কারণ রবিতে আমরা বিশ্বাস করি আমাদের ব্র্যান্ডের মূলমন্ত্র “পারবে তুমিও”-এর শক্তিতে—যা তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করে, তাদের ক্ষমতায়িত করে এবং নিজেদের পূর্ণ সম্ভাবনা বিকশিত ও বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে। জিয়াদ সাতারা আরও বলেন, দেশব্যাপী ট্রায়াল, ডিজিটাল সুবিধা এবং বিশ্বমানের ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের দিকনির্দেশনার সমন্বয়ে আমরা বাংলাদেশের আগামী দিনের তারকা বোলারদের খুঁজে বের করতে ও গড়ে তুলতে আশাবাদী। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল খান বলেন, এই উদ্যোগটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য নতুন প্রতিভা চিহ্নিত করতে এবং তাদের বিকশিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের ক্রিকেটে ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখতে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা ও তাদের বিকাশ ঘটানো জরুরি। রবি বোলার হান্টের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নারী ও পুরুষ; উভয় শ্রেণির সম্ভাবনাময় ফাস্ট বোলার ও স্পিনারদের খুঁজে বের করা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘রবির সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা ভবিষ্যতের ক্রিকেট তারকাদের জন্য একটি সুসংগঠিত পথ তৈরি করতে চাই। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন প্রতিভা তুলে আনার ধারাবাহিকতাও আরও শক্তিশালী হবে। ‘ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রবির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ, হেড অব মার্কেটিং শওকত কাদের চৌধুরীসহ রবি এবং বিসিবি-র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
বাংলাদেশের আগামী তারকা পেসার ও স্পিনার খুঁজবে ‘রবি বোলার হান্ট’
মেয়েদের বোলার হান্টে পাঠাতে অভিভাবকদের আহ্বান তামিমের
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে যৌথভাবে আবারও ‘রবি বোলার হান্ট’ নামের দেশব্যাপী কর্মসূচি শুরু করেছে রবি। এই কার্যক্রমে মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়াতে অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তা না করার আহ্বান জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবারের বোলার হান্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। নারী ও পুরুষ দুই বিভাগেই পেস ও স্পিনসহ সব ধরনের বোলার প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তামিম বলেন, ক্রিকেটে আগ্রহী মেয়েদের এই আয়োজনে পাঠাতে অভিভাবকদের কোনো ধরনের নিরাপত্তাজনিত সংশয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। মেয়েদের জন্য আলাদা কোচিং প্যানেলের পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা জানান তিনি। তামিম বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমি বাবা-মা, ভাই-বোনসহ সবার কাছে অনুরোধ করতে চাই, নিরাপত্তা বা এ ধরনের বিষয় নিয়ে আপনারা চিন্তিত হবেন না। আপনার বাসার মেয়েদের, বাচ্চাদের অবশ্যই পাঠাবেন। তাদের যদি ক্রিকেটে আগ্রহ থাকে, তারা আসবে, খেলবে। তাদের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সবকিছুর দায়িত্ব আমাদের। বিসিবির পক্ষ থেকে রবি আছে, আমরা তাদের দেখভাল করব। এবারের আয়োজনের আরেকটি বিশেষ দিক হলো শুধু পেসারদের খোঁজা হবে না। স্পিনার, মিস্ট্রি স্পিনারসহ যে কোনো ধরনের বোলিং প্রতিভা এখানে নিজের সামর্থ্য দেখাতে পারবেন। নারী ও পুরুষ বিভাগের জন্য থাকবে আলাদা কোচিং প্যানেল। বোলার হান্টের পরিধি বোঝাতে গিয়ে তামিম বলেন, যখন আমরা বিষয়টি নিয়ে বসি, তখন আমরা ‘বোলার হান্ট’ নামটি দিতে চেয়েছি। কারণ, এটি শুধু ফাস্ট বোলারদের নিয়ে নয়। এখানে একজন স্পিনার হতে পারে, একজন মিস্ট্রি স্পিনার হতে পারে কিংবা যেকোনো ধরনের বোলার হতে পারে। সাধারণ ক্রিকেট নির্বাচনে যেখানে নির্দিষ্ট মানদণ্ড বা পারফরম্যান্সের প্রয়োজন হয়, এই হান্টে তেমন কোনো শর্ত রাখা হয়নি। ফলে বয়স বা অভিজ্ঞতার প্রচলিত নির্বাচনী কাঠামোর বাইরে প্রতিভাবানদের নিজেদের সামর্থ্য তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি বলেন, এই প্রোগ্রামের সৌন্দর্যই হলো-এখানে কোনো মানদণ্ড নেই, কোনো শর্ত নেই। যে কেউ এসে অংশ নিতে পারে। এটাই এই ক্যাম্পেইনের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সিলেট দিয়ে ট্রায়াল শুরু হবে। এরপর দেশের সব বিভাগীয় শহরে পর্যায়ক্রমে ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় ২টি ট্রায়াল আয়োজন করা হবে এবং সব মিলিয়ে মোট ৯টি ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগীয় ট্রায়াল শেষে প্রতিটি স্থান থেকে বাছাইকৃত নির্দিষ্ট সংখ্যক বোলারকে ঢাকায় শেষ পর্বের ক্যাম্পে ডাকা হবে। সেখান থেকে বিজয়ীদের হাই পারফরর্ম্যান্স ইউনিটের অধীনে ট্রেনিং করাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ট্রায়ালে অংশ নিতে মাই রবি ও মাই সার্কেল অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এবার ১৬ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত নারী-পুরুষ ক্রিকেটাররা আবেদন করতে পারবেন। এই বোলার হান্টে পাকিস্তানের সাবেক লেগ স্পিনার মুশতাক আহমেদ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ফাস্ট বোলার কোরি কলিমোর এবং এইচপির হেড কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন সরাসরি তত্ত্বাবধান করবেন। আরটিভি/এসআর  
মেয়েদের বোলার হান্টে পাঠাতে অভিভাবকদের আহ্বান তামিমের
টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন জ্যোতি
সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপে সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ দল। আর এই হারের সমালোচনায় ভাসছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। এসবের মাঝেই টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই ক্রিকেটার। আসন্ন এশিয়ান গেমস দিয়েই টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়বেন তিনি। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিবিকে নিজের এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন তিনি। তবে ওয়ানডের অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাবেন জ্যোতি।  টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ার কারণ হিসেবে জ্যোতি উল্লেখ করেছেন, ব্যাটিংয়ে আরো মনোযোগী হতে চান তিনি। বিসিবিকে ইমেইলের মাধ্যমে নিজের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন জ্যোতি।  তবে এখনো বিসিবি তার ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। নারী দল দেশে আসার পর জ্যোতির সঙ্গে আলোচনা করবে বোর্ড। গুঞ্জন রয়েছে, জ্যোতি টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছাড়লে নতুন করে দায়িত্ব পেতে পারেন নাহিদা আক্তার। সহ-অধিনায়ক হতে পারেন সোবহানা মোস্তারি। আরটিভি/এসআর  
টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন জ্যোতি
শচীনকে টপকে টেলরের বিশ্বরেকর্ড
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হারারেতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নেমেই নতুন ইতিহাস গড়েছেন জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞ ব্যাটার ব্রেন্ডন টেলর। ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে ওয়ানডেতে সবচেয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের মালিক এখন টেলর। টেলরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের স্থায়িত্ব এখন ২২ বছর ৪ মাস। এতদিন রেকর্ডটি ছিল শচীনের দখলে। ২০১২ সালে ৫০ ওভারের ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সময় তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দৈর্ঘ্য ছিল ২২ বছর ৩ মাস। তবে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড এখনো শচীনের দখলেই। ৪৬৩ ম্যাচে ১৮ হাজার ৪২৬ রান করে তিনিই এই সংস্করণের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। একই সঙ্গে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তার। ৪০ বছর বয়সী টেলর ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে নিজের প্রতিভার জানান দেন। এরপর দেশের অন্যতম সফল ব্যাটারে পরিণত হন তিনি। মঙ্গলবারের ম্যাচে মাঠে নামার আগে ২০৭ ওয়ানডেতে তার নামের পাশে রয়েছে ১১টি সেঞ্চুরি। যা জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ। তবে টেলরের ক্যারিয়ারে এসেছে নাটকীয় বিরতিও। ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন তিনি। পরের বছর আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ও ডোপবিরোধী বিধি ভঙ্গের দায়ে সাড়ে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা পান। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ২০২৫ সালে অবসর ভেঙে আবারও ক্রিকেটে ফেরেন টেলর। দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জিম্বাবুয়ে। সেই বিশ্বকাপকে সামনে রেখেই জাতীয় দলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। আরটিভি/এসআর
শচীনকে টপকে টেলরের বিশ্বরেকর্ড
আরও পড়ুন
ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনার ৩ ম্যাচের সূচি প্রকাশ
আগস্টে আর্জেন্টিনার মূল্যস্ফীতি ১৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন
২০৩০ বিশ্বকাপ ফাইনালের আয়োজক দাবি মরক্কোর, যা বলছে ফিফা
আবারও আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেখা যেতে পারে মেসিকে