ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের অন্য লড়াই

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম
লুইস দে লা ফুয়েন্তে ও লিওনেল স্কালোনি : ছবি সংগৃহীত

২০১৭ সালের নভেম্বর। অর্থাৎ এখন থেকে ৯ বছর আগে মাদ্রিদের উপকণ্ঠে লাস রোজাসের ‘সিউদাদ দেল ফুটবল’–এ চলছে এক কোচিং কোর্সের ক্লাস। সামনের সারিতে বসা একজন আর্জেন্টাইন সেখানে প্রশ্ন করছেন অনবরত, তর্ক জুড়ে দিচ্ছেন শিক্ষকের সঙ্গে।

সেই ছাত্রের নাম কি জানেন? লিওনেল স্কালোনি। আর তার সামনে দাঁড়িয়ে, ধৈর্য নিয়ে অনুসন্ধিৎসু ছাত্রের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন যিনি, তার নামটা লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

৯ বছর পর আজ সেই শিক্ষক আর সেই ছাত্র আবার মুখোমুখি—তবে এবার ক্লাসরুমে নয়, বিশ্বকাপ ফাইনালের ডাগআউটে। এমন গল্প তো লেখা হয় সিনেমাতেই!

২০১৭ সালের সেই দিনগুলোতে ফিরে গেছেন দে লা ফুয়েন্তে। তার ভাষায়, পৃথিবীর যেকোনো স্কুলের ক্লাসরুমের মতোই লাস রোজাসেও ছিল নির্দিষ্ট বিন্যাস—কেউ সামনে বসে মনোযোগী, আবার ব্যাকবেঞ্চাররা পেছনে বসে করে উসখুস।

আরও পড়ুন

স্কালোনি বসতেন ক্লাসের সবচেয়ে মনোযোগী ছাত্রের মতো সামনের বেঞ্চে। শুধু শুনতেনই না; কোচের প্রতিটি কথায় প্রশ্ন তুলতেন, বিতর্কে জড়াতেন। দে লা ফুয়েন্তের ভাষায়, তখনই বোঝা গিয়েছিল এই ছেলেটার মধ্যে ‘অন্য রকম কিছু’ আছে।

২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেন ফ্রান্সকে হারিয়ে এবং আর্জেন্টিনা ইংল্যান্ডকে বিদায় করে নিশ্চিত করেছে ফাইনাল। ফলে ফুটবল বিশ্ব পাচ্ছে এক স্বপ্নের লড়াই— ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে বর্তমান বিশ্ব ও কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

তবে এই ফাইনালের গল্প শুধু দুই ফুটবল পরাশক্তির লড়াই নয়। ডাগআউটেও থাকছে এক বিশেষ অধ্যায়। স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে এবং আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির সম্পর্ক একসময় ছিল গুরু-শিষ্যের। এবার ফাইনালে হবে সেই গুরু-শিষ্যের লড়াই।

২০১৭ সালে খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করে কোচিংয়ে পা রাখেন স্কালোনি। সে সময় স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের (আরএফইএফ) লা রোজাস কোচিং একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেন তিনি। সেখানে প্রশিক্ষকদের একজন ছিলেন দে লা ফুয়েন্তে, যিনি তখন স্পেনের বয়সভিত্তিক দলের দায়িত্বেও ছিলেন। অবসর-পরবর্তী কোচিং জীবনের শুরুতে তিনি স্কালোনিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

সেই সময়ের কথা স্মরণ করে ২০২৪ কোপা আমেরিকার সময় স্কালোনি বলেছিলেন, লুইস আমাদের মতো কোচিং কোর্স করা অনেককে দারুণভাবে সাহায্য করেছেন। তার সঙ্গে আমার অনেকবার কথা হয়েছে। আমি তার জন্য সবসময় শুভকামনা জানাই।

এই শ্রদ্ধা একতরফা নয়। দে লা ফুয়েন্তেও স্কালোনির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সাবেক শিষ্যকে তিনি একজন ‘মাস্টার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। যিনি আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতিয়েছেন।

আরও পড়ুন

২০২৪ ইউরোর সময় স্কালোনি বলেছিলেন, স্পেন ভালো করুক, সেটাই চাই। লা রোজাসে কোচিং কোর্সের সময় তিনি আমাদের অনেক সাহায্য করেছেন। তিনি যেভাবে দল পরিচালনা করেন এবং খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সেরাটা বের করে আনেন, সেটা আমার খুব ভালো লাগে।

দুই কোচই পরে নিজ নিজ মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব জিতেছেন। এবার সেই সম্পর্কের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে।

স্পেনের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক স্কালোনির

স্পেনের সঙ্গে স্কালোনির সম্পর্ক শুধু কোচিং কোর্সেই সীমাবদ্ধ নয়। তার স্ত্রী এলিসা মনতেরো স্প্যানিশ। তাদের সন্তানদের জন্মও স্পেনে, আর পরিবার নিয়ে বসবাস করেন মায়োর্কায়।

আবার খেলোয়াড়ি জীবনেও দীর্ঘ সময় স্পেনে কাটিয়েছেন স্কালোনি। তিনি খেলেছেন দেপোর্তিভো লা করুনা, রেসিং সান্তান্দের এবং মায়োর্কার হয়ে।

এর আগে, ২০২৪ সালে ইউরো চলাকালে স্কালোনি বলেছিলেন, আমার পরিবারের একটি অংশ স্প্যানিশ। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমি স্পেনকে সমর্থন করছি।

আরও পড়ুন

ফাইনালের আগে সৌহার্দ্যপূর্ণ কথার লড়াইয়ে গুরু-শিষ্য

ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর দে লা ফুয়েন্তে বলেছিলেন, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে পারলে তিনি খুশিই হবেন। তবে এর কারণ প্রতিপক্ষকে দুর্বল মনে করা নয়, বরং স্কালোনির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগের দিন স্কালোনিও দে লা ফুয়েন্তেকে নিয়ে বলেন, আমি ওর জন্য খুব খুশি। সে দারুণ একজন মানুষ। স্পেন দল যেভাবে খেলছে, আমরাও আমাদের দলে ঠিক তেমনটাই দেখতে চাই।

এরপর মজা করে বলেন, যদি আমাদের সবকিছু ঠিকঠাক না চলে, তাহলে ওকে ফোন করব। তবে যদি ফাইনালে ওদের বিপক্ষে খেলতে হয়। না, তাহলে ফাইনালের আগে কোনো ফোন নয়।

শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে। এখন আর গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক নয়, বিশ্বকাপের মঞ্চে তারা প্রতিপক্ষ। আবেগ, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা আপাতত এক পাশে রেখে রবিবারের ফাইনালে নির্ধারিত হবে— ফুটবলের সবচেয়ে বড় পুরস্কার জিতবেন গুরু, নাকি তারই সাবেক শিষ্য।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
শুরুতেই এবাদত-হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দুই উইকেট তুলে নিলেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চোখ রাঙাতে থাকে রহমত শাহ ও সেদিকুল্লাহ আতালের ব্যাট। আবারও সেই জুটি ভেঙে দেন এবাদত। এরপরও ড্রয়ের স্বপ্ন দেখছে আফগানিস্তান। এদিকে জিততে হলে পঞ্চম ও শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার আরও ৭ উইকেট। চতুর্থ দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৩২ রান তুলেছে আফগানিস্তান। ফলে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ৩৪৭ রান। বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ভাঙে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি। টাইগার পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন আব্দুল মালিক। আউট হওয়ার আগে করেন ২ রান। পরের উইকেটে নামা শহীদুল্লাহকে ১৪ রানে আউট করেন হাসান মাহমুদ। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চাপ সামলে নেন ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ও অভিজ্ঞ রহমত শাহ। দেখে-শুনেই খেলছিলেন এই দুই ব্যাটার। তবে এই জুটি দিন শেষ করতে পারেনি আফগানরা। বাংলাদেশি পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন রহমত। আউট হওয়ার আগে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ১২৪ বলে ৫১ রান। এরপর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে দিন শেষ করেন আতাল। ১২৬ বলে ৩৫ রানে আতাল ও ২৭ বলে ১৯ রানে হাশমত অপরাজিত থাকেন। এদিকে তৃতীয় দিন শেষ বিকেলের ঝড়ে ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ৬ উইকেটে ২২৩ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে তারা। ৫ রানে অপরাজিত লিটনের সঙ্গে নামেন মিরাজ, তখনও তিনি রানের খাতা খোলেননি। এই দুজনের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় স্কোর তিনশ পার করেন এবং লিড ছাড়ায় চারশ রানের। লিটন ১৪ ও ২৬ রানে জীবন পেয়ে ৬১ বলে এক টেস্টে টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ সেঞ্চুরি করেন। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বেশ আগ্রাসী ছিলেন তিনি। ধীরে এগোতে থাকেন মিরাজ। এর আগে দুইবার জীবন পাওয়া লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান হতেই ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলকে পৌঁছান। কায়েস আহমেদের বলেই দুইবার জীবন পান তিনি। প্রথমবার স্লিপের ফিল্ডার কামাল ক্যাচ ফেলে দেন। তারপর কায়েস নিজেই ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন, ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায় তাকে। বড় লিড এনে দেওয়ার পথে বড় জুটি গড়েন লিটন-মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে এই দুই ব্যাটার মিলে তোলেন ১৪৯ রান। তাতেই লিডের পাহাড় গড়ে সফরকারীরা। ফিফটি করেই থামেননি লিটন। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। এরপর আর বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। ১০২ রানে সাজঘরের পথ ধরেন। ১১৭ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ১৪টি চারে সাজানো। এদিকে ফিফটির দেখা পেয়েছেন মিরাজও। তিনি অপরাজিত থাকেন ৯৭ বলে ৫২ রানে। ৭ উইকেটে ৩৭২ রান করার পর ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাট করতে নামবে স্বাগতিক আফগানিস্তান। এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে। তারপর হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে অলআউট করে সফরকারী দল। আরটিভি/ এসকেডি
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
লিটনের সেঞ্চুরিতে লিডের পাহাড়ে বাংলাদেশ
আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনের প্রথম শেসনটি টাইগাররা নিজেদের করে নিয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) শেষ বিকেলে ১১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর আজ দিনের প্রথম সেশনে আফগানিস্তানের বোলারদের হতাশা উপহার দিয়েছেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে লিড সাড়ে চারশর কাছাকাছি নিয়ে গেছেন তারা।
লিটনের সেঞ্চুরিতে লিডের পাহাড়ে বাংলাদেশ
ম্যানসিটির সমর্থকদের হাতে কলা, কেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে স্বাধীন কমিশনের রায়ের পর ক্লাবটির প্রতি সমর্থন জানাতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন সমর্থকরা। লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে ম্যাচের আগে আকাশে শত শত বাতাসভরা কলা উড়িয়ে পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনেন তারা।
ম্যানসিটির সমর্থকদের হাতে কলা, কেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের ক্লাবে লিটন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৯ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের ক্লাবে লিটন
চমক দিয়ে হংকং সিক্সেসে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, ফিরলেন সাব্বির
হংকং সিক্সেস টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে সাত সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত স্কোয়াডে চমক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাব্বির রহমান। আর দলকে নেতৃত্ব দেবেন আবু হায়দার রনি। আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত হংকংয়ের টিন কোয়াং রোড রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে ছয় ওভারের এই টুর্নামেন্ট। প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মোট ১২টি দেশ। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও স্কটল্যান্ড। গ্রুপ পর্বে এই দুই দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে রনির দল। গ্রুপের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী পর্বে বাংলাদেশের অবস্থান। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলো মূল প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে খেলবে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলো খেলবে প্লেট প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে। আর গ্রুপে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর জন্য থাকছে বোল প্রতিযোগিতা। হংকং সিক্সেসের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশের সাত সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি, সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। অভিজ্ঞ সাব্বির রহমানের অন্তর্ভুক্তি দল ঘোষণায় বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে গ্রুপ পর্বে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়া। হংকং সিক্সেসের জন্য বাংলাদেশের সাত সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি, সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। আরটিভি/এসকে
চমক দিয়ে হংকং সিক্সেসে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, ফিরলেন সাব্বির
আরও পড়ুন
সেমিফাইনালে উঠল বাংলাদেশ
২০২৮ ও ২০২৯ চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ভেন্যু ঘোষণা
বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো ভারত
সেমিফাইনালে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল বাংলাদেশ