২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ম্যাচ পাতানো বা সন্দেহজনক বেটিং কার্যক্রমের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বিশ্বকাপ শেষে প্রকাশিত ফিফার ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
৪৮ দলের অংশগ্রহণে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টজুড়ে সম্ভাব্য ম্যাচ ফিক্সিং, অবৈধ বেটিং ও অন্যান্য অনিয়ম পর্যবেক্ষণে কাজ করে ফিফার বিশেষ ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্স।
ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়, টুর্নামেন্ট চলাকালে বিভিন্ন সদস্য সংস্থার পাঠানো বাজি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন, গোয়েন্দা তথ্য এবং বিদ্যমান রিপোর্টিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাপ্ত সব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তবে কোনো ম্যাচেই সন্দেহজনক বাজির কার্যক্রম বা ম্যাচ কারসাজির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
সংস্থাটি আরও জানায়, টাস্ক ফোর্সের সমন্বিত কার্যক্রমের ফলে সম্ভাব্য যেকোনো সতর্ক সংকেত দ্রুত শনাক্ত, মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে সদস্য সংস্থাগুলোর বিশেষজ্ঞরা নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও তথ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
ফিফার সিনিয়র ইন্টেগ্রিটি ম্যানেজার লিয়াম রিচ বলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্স একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তুলেছিল। টুর্নামেন্টজুড়ে তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার জন্য সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানাই। ভবিষ্যতের ফিফা টুর্নামেন্টগুলোতেও এই সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে।
এবারের বিশ্বকাপে ফিফার ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্সে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি), আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ), কনমেবল, উয়েফা, কনকাকাফ, ওশেনিয়া ফুটবল কনফেডারেশন (ওএফসি), যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ফুটবল ফেডারেশন, এফবিআই, ইন্টারপোল, জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি), ইন্টারন্যাশনাল বেটিং ইন্টেগ্রিটি অ্যাসোসিয়েশন (আইবিআইএ), জিনিয়াস স্পোর্টস, স্পোরট্রাডারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা যুক্ত ছিলেন।
আরটিভি/এসকে



