
বর্তমানে সৌদি আরবের আল-নাসরের বয়সভিত্তিক দলে খেলছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ছেলে। এ ছাড়াও পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৬ জাতীয় দলের জার্সিও গায়ে তুলেছেন ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র। অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সুযোগ পাওয়ার আগেই নিজের ছেলেকে নিয়ে বিশ্বাসের কথা শুনিয়েছেন রোনালদো।
তার দাবি, ১৬ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র একদিন বাবাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো মনে করেন, তার বড় ছেলে ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়রের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। আল-নাসরের একাডেমিতে ছেলের অনুশীলন দেখতে গিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা।
রোনালদোর ভাষ্য, ১৬ বছর বয়সে তর ছেলে শারীরিকভাবে এরইমধ্যে সেই বয়সের নিজের চেয়ে এগিয়ে। তাই ভবিষ্যতে আরও পরিণত হলে জুনিয়র তাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে বিশ্বাস তার। ছেলের ব্যক্তিত্ব নিয়েও সন্তুষ্ট রোনালদো।
তিনি বলেন, সে খুব ভালো ছেলে। ভদ্র, সৎ এবং শান্ত স্বভাবের। বাড়ির ছোটরা তুলনামূলক একটু বেশি দুরন্ত, কিন্তু ওকে নিয়ে আমার কোনো ঝামেলা নেই।
এরপর নিজের কৈশোরের সঙ্গে ছেলের তুলনা টেনে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী বলেন, আমি যখন ওর বয়সী ছিলাম, তখন এতটা বড় বা শক্তিশালী ছিলাম না। ও এখনই আমার চেয়ে কিছুটা লম্বা ও শক্তিশালী। আমার বিশ্বাস, ভবিষ্যতে সে আরও বড় হবে।’

তবে শুধু শারীরিক গঠন বা প্রতিভা দিয়েই সেরা হওয়া যায় না বলেও মনে করেন রোনালদো। তিনি বলেন, সবচেয়ে কঠিন বিষয় হলো সেই ক্ষুধা তৈরি করা।
ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়রের বেড়ে ওঠাও হয়েছে ইউরোপের সেরা একাডেমিগুলোর পরিবেশে। বাবার ক্লাব বদলের সঙ্গে সঙ্গে সে জুভেন্টাস ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একাডেমিতে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছে। বর্তমানে সৌদি আরবের আল-নাসরের বয়সভিত্তিক দলে খেলছে সে।
ইতিমধ্যে পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৬ জাতীয় দলের জার্সিও গায়ে তুলেছেন জুনিয়র। বয়স কম হলেও ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় ফুটবলারদের একজন হিসেবে তাকে দেখা হচ্ছে। অবশ্য রোনালদোর ছেলে হওয়ার কারণেই প্রত্যাশার চাপও অনেক বেশি।
কারণ, তার বাবার ঝুলিতে রয়েছে ইংল্যান্ড, স্পেন ও ইতালির লিগ শিরোপা, পাঁচটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং অসংখ্য ব্যক্তিগত অর্জন।
আরটিভি/এসআর




