ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

গুগল রেটিংয়ে যে স্টেডিয়াম সবচেয়ে এগিয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ এএম
লিভারপুলের অ্যানফিল্ড। ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের ফুটবল স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে গুগল রেটিংয়ে সবচেয়ে এগিয়ে লিভারপুলের অ্যানফিল্ড। ৫৪ হাজার ৫৪৬টি ভোটের ভিত্তিতে ঐতিহাসিক এই স্টেডিয়ামের রেটিং ৪.৭। একই রেটিং পেয়েছে টটেনহ্যাম হটস্পার স্টেডিয়াম ও নটিংহাম ফরেস্টের সিটি গ্রাউন্ড। তবে ভোটের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অ্যানফিল্ডকে তালিকার শীর্ষে রাখা হয়েছে।

ফুটবল লিগের প্রতিটি দলের হোম গ্রাউন্ডের গুগল রেটিং সংগ্রহ করে তৈরি করা তালিকায় সর্বোচ্চ রেটিং ৪.৭ এবং সর্বনিম্ন ৪.০। সমান রেটিংয়ের ক্ষেত্রে বেশি ভোট পাওয়া স্টেডিয়ামকে এগিয়ে রাখা হয়েছে।

অ্যানফিল্ডের পর ৪.৭ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে টটেনহ্যাম হটস্পার স্টেডিয়াম। উত্তর লন্ডনের এই মাঠে ভোট পড়েছে ২৬ হাজার ৫৪৫টি। আর নটিংহাম ফরেস্টের সিটি গ্রাউন্ড ২ হাজার ২৪৫ ভোটে পেয়েছে ৪.৭ রেটিং।

৪.৬ রেটিং নিয়ে পরের সারিতে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ওল্ড ট্রাফোর্ড, আর্সেনালের এমিরেটস স্টেডিয়াম, ম্যানচেস্টার সিটির সিটি অব ম্যানচেস্টার স্টেডিয়াম, চেলসির স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ, নিউক্যাসল ইউনাইটেডের সেন্ট জেমস পার্ক এবং লিডস ইউনাইটেডের এল্যান্ড রোড।

চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া মাঠ উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সের মলিনিউক্স। ৭ হাজার ৪০৮টি ভোটে স্টেডিয়ামটির রেটিং ৪.৬। লিগ ওয়ানে সবচেয়ে এগিয়ে লেস্টার সিটির কিং পাওয়ার স্টেডিয়াম—রেটিং ৪.৬। আর লিগ টুতে সর্বোচ্চ রেটিং পেয়েছে এক্সেটার সিটির সেন্ট জেমস পার্ক, ৪.৫।

প্রিমিয়ার লিগের স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম রেটিং পেয়েছে হাল সিটির এমকেএম স্টেডিয়াম। ৩ হাজার ৬৭৬টি ভোটে এর রেটিং ৪.৩। চ্যাম্পিয়নশিপে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের লফটাস রোডের রেটিং ৪.১।

পুরো ইংলিশ ফুটবল লিগে মাত্র দুটি মাঠের রেটিং ৪.০। সেগুলো হলো অক্সফোর্ড ইউনাইটেডের কাসাম স্টেডিয়াম এবং স্টিভেনেজের স্পোর্টা অ্যারেনা।

সিরি আতে পাঁচ রাউন্ডেও গোলশূন্য ম্যাচ নেই

প্রতিবেদনে ফুটবলের আরও কিছু পরিসংখ্যান উঠে এসেছে। চলতি মৌসুমে সিরি আতে পাঁচ রাউন্ড শেষ হলেও এখনো কোনো ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়নি। গত ৩০ বছরের পরিসংখ্যান বিবেচনায় এটি ২০১৫-১৬ মৌসুমের সঙ্গে সমান, যখন পঞ্চম রাউন্ডে প্রথম ০-০ ড্র হয়েছিল।

তবে ইংলিশ ফুটবলে গোলশূন্য ড্রয়ের জন্য আরও দীর্ঘ অপেক্ষার নজির রয়েছে। ১৮৮৯-৯০ মৌসুমে ইংল্যান্ডের শীর্ষ স্তরে প্রথম ০-০ ড্র হয়েছিল ১৭তম রাউন্ডে। দ্বিতীয় স্তরে ১৮৯৪-৯৫ মৌসুমে প্রথম গোলশূন্য ম্যাচের দেখা মিলেছিল ২৫তম ম্যাচে। স্কটল্যান্ডের তৃতীয় স্তরেও ২০১৩-১৪ মৌসুমে প্রথম ০-০ ড্র হয়েছিল ২৫তম রাউন্ডে।

রেপ্লিকা জার্সির ইতিহাসেও পুরোনো উদাহরণ

ফুটবল সমর্থকদের রেপ্লিকা জার্সি পরার ইতিহাসও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। ১৯৭৩ সালে লিডস ইউনাইটেডের জার্সিকে সমর্থকদের জন্য প্রথমদিকের আনুষ্ঠানিক রেপ্লিকা কিট হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পাঠকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকের আরও আগের কিছু উদাহরণের সন্ধান পাওয়া গেছে।

ছোট মাঠে শিরোপা জয়ের নজির

লিগ জয়ের সময় সবচেয়ে কম ধারণক্ষমতার মাঠ নিয়ে থাকা ইংলিশ চ্যাম্পিয়নদের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে। প্রিমিয়ার লিগ যুগে ১৯৯৫ সালে ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের এউড পার্কে দর্শক ধারণক্ষমতা ছিল ৩১ হাজারের কিছু বেশি। ২০০৪ সালে আর্সেনালের হাইবারিতে ধারণক্ষমতা ছিল ৩৮ হাজার ৪১৯।

২০১৬ সালে লিগ শিরোপা জয়ের সময় লেস্টার সিটির কিং পাওয়ার স্টেডিয়ামে দর্শক ধারণক্ষমতা ছিল ৩২ হাজার ২৫৯।

এরও আগে, ১৯৬১-৬২ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ইপসউইচ টাউনের পোর্টম্যান রোডকে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে লিগ শিরোপা জেতা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট মাঠ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সে সময় স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা ছিল প্রায় ২৯ হাজার দর্শক।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হারের পর বোর্ডকে একহাত নিলেন মার্তিনেজ
নতুন মৌসুমে একের পর এক ব্যর্থতায় চাপে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকার পর ক্লাবটির পরিচালনা পর্ষদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।
হারের পর বোর্ডকে একহাত নিলেন মার্তিনেজ
মেসিকে ছাড়িয়ে রোনালদোর রেকর্ডের পথে কেইন
চ্যাম্পিয়নস লিগে বয়স ৩০ পেরোনোর পর গোল করার হিসাবে লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে গেছেন হ্যারি কেইন। এবার ইংল্যান্ড অধিনায়কের সামনে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড স্পর্শ করার হাতছানি। ভাইকিংয়ের বিপক্ষে জোড়া গোল করে নতুন মাইলফলক গড়ার পাশাপাশি সেই সম্ভাবনাও জোরালো করেছেন বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার। মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ভাইকিংয়ের সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করে বায়ার্ন। ম্যাচের প্রথমার্ধে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে জার্মান ক্লাবটি। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমান কেইন। ছয় মিনিট পর হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তিনি। পরে লুইস দিয়াজের গোলে এগিয়ে গেলেও শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে জয় হাতছাড়া করে বায়ার্ন। ভাইকিংয়ের বিপক্ষে জোড়া গোলের সুবাদে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৩০ বছর বয়সের পর কেইনের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬। এ জন্য তিনি খেলেছেন ৪০টি ম্যাচ। অন্যদিকে, একই বয়সের পর ৪৮ ম্যাচে ৩৫ গোল করেছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা মেসি। অর্থাৎ মেসির চেয়ে আট ম্যাচ কম খেলেই তাকে ছাড়িয়ে গেছেন কেইন। তবে এই তালিকায় এখনো সবার ওপরে রয়েছেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। ৩০ বছর বয়সের পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ৭৪ ম্যাচ খেলে ৬৮ গোল করেছেন তিনি। রোনালদোর সেই রেকর্ড ভাঙতে হলে কেইনকে এখনো অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। এদিকে, চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ম্যাচে গোল করার রেকর্ডেও রোনালদোর দিকে এগোচ্ছেন কেইন। ভাইকিংয়ের বিপক্ষে গোল করে টানা নয় ম্যাচে জালের দেখা পেয়েছেন তিনি। এই কীর্তি রয়েছে রবার্ট লেভানডফস্কি ও রুড ফন নিস্টেলরয়েরও। আর টানা ১১ ম্যাচে গোল করে এই তালিকার শীর্ষে আছেন রোনালদো। আগামী সপ্তাহে বায়ার্নের মাঠে আর্সেনালের বিপক্ষে গোল করতে পারলে টানা ১০ ম্যাচে গোল করার কীর্তি গড়বেন কেইন। এরপর আগামী মাসে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে গোল করতে পারলে রোনালদোর টানা ১১ ম্যাচে গোলের রেকর্ড স্পর্শ করার সুযোগ পাবেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমেও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন কেইন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে নয় ম্যাচে আট গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও চার গোল। বুন্দেসলিগার প্রথম পাঁচ ম্যাচে তার গোল তিনটি, সঙ্গে রয়েছে তিনটি অ্যাসিস্ট। জাতীয় দলের হয়েও দারুণ সময় কাটছে কেইনের। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের হয়ে নিজের ১২৫তম ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডে সাবেক গোলরক্ষক পিটার শিলটনের পাশে বসেছেন এই স্ট্রাইকার। আন্তর্জাতিক বিরতিতে ইংল্যান্ডের চার ম্যাচে ছয় গোল করে জাতীয় দলের হয়ে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১। চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসিকে পেছনে ফেলার পর এবার রোনালদোর রেকর্ডের দিকে চোখ কেইনের। ধারাবাহিক এই গোল-ছন্দ ধরে রাখতে পারলে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের মঞ্চে আরও একটি বড় কীর্তি গড়ার সুযোগ রয়েছে তাঁর সামনে। আরটিভি/এসকে
মেসিকে ছাড়িয়ে রোনালদোর রেকর্ডের পথে কেইন
তিন গোল করেও জয় পেল না বায়ার্ন
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। হ্যারি কেইনের জোড়া গোলের পর লুইস দিয়াজের গোলে এগিয়েও গিয়েছিল জার্মান জায়ান্টরা।
তিন গোল করেও জয় পেল না বায়ার্ন
আতলেটিকোর কাছে হারের স্বাদ পেলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
ম্যাচের বয়স তখন মাত্র ৫৩ সেকেন্ড। এর মধ্যেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। শুরুতেই ধাক্কা খাওয়া দলটি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত আর পেরে ওঠেনি।
আতলেটিকোর কাছে হারের স্বাদ পেলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
পিছিয়ে পড়েও গালাতাসারাইকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা
শুরুতে পিছিয়ে পড়ে শঙ্কায় পড়লেও শেষ পর্যন্ত দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে তুরস্কের ক্লাব গালাতাসারাইকে তাদেরই মাঠে ৪-১ গোলে হারিয়েছে হান্সি ফ্লিকের দল।
পিছিয়ে পড়েও গালাতাসারাইকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা
আরও পড়ুন
নিউইয়র্কে প্রথমবারের মত তৈরি হচ্ছে ২৫ হাজার আসনের সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক সকার স্টেডিয়াম
বিশ্বকাপের ভেন্যু দেখতে বাংলাদেশে আসছে আইসিসির প্রতিনিধি দল
ক্রিকেটারদের জন্য মসজিদ নির্মাণ করছে বিসিবি
শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ভাস্কর্যে ফাটল, বন্ধ ২ নম্বর গেট