ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জেতা এশিয়ার দ্রুততম দল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ দল। ছবি: এএফপি

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ দল। সাতবার মুখোমুখি হয়ে স্বাগতিকদের বিপক্ষে বাংলাদেশের মাত্র দ্বিতীয় জয় এটি। সেই সঙ্গে এশিয়ার দল হিসেবে আরও অনন্য কীর্তি গড়েছে তারা।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জিততে বাংলাদেশের লেগেছে মাত্র ৩ ম্যাচ। তাতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয় পাওয়া এশিয়ার দ্রুততম দল এখন বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয় পেতে পাকিস্তানের লেগেছিল সাতটি ম্যাচ। ভারতকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল ১২তম টেস্ট পর্যন্ত। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা অস্ট্রেলিয়ায় ১৫টি টেস্ট খেলেও এখনো জয় পায়নি।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের সাফল্যটি আরও উল্লেখযোগ্য, কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের টেস্ট খেলার সুযোগ খুব বেশি হয়নি। এর আগে দুই দলের মুখোমুখিতে বাংলাদেশের একমাত্র জয় এসেছিল ২০১৭ সালে মিরপুরে।

বাংলাদেশের জয়ের মাহাত্ম্য বোঝার আরেকটি বড় সংখ্যা। এই টেস্টের আগে ১৯৯৫ সালের পর ভারত ছাড়া অন্য কোনো এশীয় দলের কাছে ঘরের মাঠে টেস্ট হারেনি অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ সেই ৩১ বছরের ধারায় ছেদ টেনেছে। তাও আবার এমন একটি দলের বিপক্ষে, যারা ম্যাচটি খেলতে নেমেছিল বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল হিসেবে।

প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করার পর বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করে। ২২৮ রানের বিশাল লিড পায় তারা। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিনের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও মেহেদী হাসান মিরাজের পাঁচ উইকেট সেই প্রতিরোধ ভেঙে দেয়।

অস্ট্রেলিয়া শেষ পর্যন্ত ২৮৪ রানে গুটিয়ে যায়। জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫৭ রান। তানজিদ হাসান শূন্য রানে আউট হলেও মাত্র ১৪.২ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

টাইগারদের এই জয়ে অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘদিনের একটি ঘরের মাঠের রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছে। ১৯৯৫ সালের পর ভারত ছাড়া অন্য কোনো এশীয় দলের কাছে ঘরের মাঠে টেস্ট হারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৩১ বছর পর সেই ধারার অবসান ঘটিয়েছে বাংলাদেশ।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মেসির বিদায়ের দিনে জাতীয় দল ছাড়ার কারণ জানালেন রোনালদো
লিওনেল মেসির বিদায়ের দিনে পর্তুগাল জাতীয় দল ছাড়ার নেপথ্যের কাহিনী প্রকাশ্যে এনেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এক বিবৃতিতে সরাসরি কোচ জর্জ জেসাসের বিরুদ্ধে ‘কথা না রাখার’ অভিযোগ তুললেন পর্তুগিজ মহাতারকা।  প্রায় দুই হাজার শব্দের দীর্ঘ বিবৃতিতে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। তবে একই সঙ্গে বুঝিয়ে দিয়েছেন, তার ক্ষোভের কারণও যথেষ্ট গুরুতর। রোনালদোর অভিযোগ, জাতীয় দলের সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক সূচি নিয়ে জেসাসের সঙ্গে তার একটি গোপন পরিকল্পনা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, নরওয়ে ও ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ম্যাচে না খেললেও পর্তুগালেই থেকে যাওয়ার কথা ছিল না তার।  অধিনায়ক হিসেবে সতীর্থরা যখন সফরে যাবে, তখন তিনি নিজে দেশে থেকে যাবেন—এমন কোনো ভুল বার্তা তৈরি করতে চাননি রোনালদো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বদলে যায়। জেসাস তাকে নরওয়ের বিরুদ্ধে অন্তত ৩০ মিনিট মাঠে নামানোর কথা জানান। এই কিংবদন্তি ফুটবলারের দাবি, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে তিনি নিয়মমাফিক ওয়ার্ম-আপও করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে মাঠে নামানো হয়নি। কোচের কথায় পূর্ণ আস্থা রেখেই তিনি প্রস্তুত হয়েছিলেন, অথচ সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি। এখান থেকেই কোচের ওপর তার ‘বিশ্বাসের ভিত নড়ে যায়’ বলে জানিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড। এরপরও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বটে। রোনালদোর দাবি, জেসাসের সঙ্গে পরবর্তী বৈঠকে ঠিক হয়েছিল, ডেনমার্ক ম্যাচের আগের সাংবাদিক বৈঠকে কোচ পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করবেন এবং স্বীকার করবেন যে, রোনালদো নিজে থেকে খেলার জন্য কোনো জোর দেননি। কিন্তু সেই সংবাদ সম্মেলনে কোচের বক্তব্য তাদের আগের কথাবার্তার সঙ্গে মিল ছিল না।  বরং কোচের আচরণে একধরনের ‘আগ্রাসন’ দেখেছিলেন তিনি। তার মতে, সেটাই ছিল কোচের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় বার কথা না রাখার ঘটনা। এরপরই জাতীয় দলের শিবির ছাড়ার কঠোর সিদ্ধান্ত নেন রোনা তিনি। তবে নিজের এই সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ দায় নিজের কাঁধেই নিয়েছেন তিনি।  সতীর্থ ও দেশের কোটি কোটি সমর্থকের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, রাগ বা অভিমানের বশে শিবির ছেড়ে চলে যাওয়া তার একদম উচিত হয়নি। এমনকি ফেডারেশন যদি তাকে কোনো শাস্তি দেয়, তিনিও তা মাথা পেতে নেবেন। অধিনায়ক হিসেবে তার দায়িত্ব আরও অনেক বেশি ছিল বলেও স্বীকার করেছেন রোনালদো। তবে এই পুরো ঘটনার সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিকটি লুকিয়ে রয়েছে অন্য জায়গায়। এই আল নাসর তারকা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পর্তুগালের হয়ে খেলার দরজা তার জন্য এখনই বন্ধ হয়ে যায়নি। দেশের হয়ে মাঠে নেমে জেতার খিদে তার আগের মতোই অটুট রয়েছে। ফলে কোচের সঙ্গে যতই সংঘাত বাড়ুক না কেন, দেশের জার্সিতে তার অধ্যায় যে এখনই শেষ হচ্ছে না, সেই বার্তাই তিনি দিয়ে রাখলেন। সবমিলিয়ে, এই বিস্ফোরক বক্তব্যের সময়টাই যেন পুরো ঘটনাটিকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। একদিকে যেদিন মেসির বিদায়ে আবেগ, স্মৃতি আর অশ্রুতে সিক্ত হয়েছে বিশ্ব ফুটবল, ঠিক সেই দিনেই রোনালদো এই অবস্থান স্পষ্ট করার বিষয়টি নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছে।  এক মেগা তারকার বিদায়বেলায় যখন বিষাদের সুর, অন্য মেগা তারকার কণ্ঠে তখন রাগ, অভিমান আর হিসাব-নিকাশের কড়া সুর। বিশ্ব ফুটবলের দুই মহারথীর শেষ অধ্যায় যেন লেখা হচ্ছে দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্রনাট্যে। আরটিভি/এসআর
মেসির বিদায়ের দিনে জাতীয় দল ছাড়ার কারণ জানালেন রোনালদো
মেসির সঙ্গে বিদায় নিলেন ওতামেন্দি
লিওনেল মেসির সঙ্গে বিদায় নিলেন আরও এক বিশ্বকাপ জয়ী তারকা নিকোলাস ওতামেন্দি। মেসি মতো বিদায়ী ম্যাচে গোল করেছেন এই সেন্টারব্যাক। মেসির কর্নার থেকে গোল করে যেন নিজের শেষ রাতটাকেও রাঙিয়ে রাখলেন তিনি। বুধবার (৭ অক্টোবর) গোলের আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ উপভোগ করতে পারেননি তিনি। মিনিট দুয়েক পরই ওতামেন্দিকে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।  মাঠ ছাড়ার সময় গ্যালারিজুড়ে বেজে ওঠে করতালি। ‘স্ট্যান্ডিং ওভেশন’-এ বিদায় জানায় মনুমেন্টাল। সতীর্থরাও এগিয়ে এসে হাত মিলিয়ে জড়িয়ে ধরেন দীর্ঘদিনের এই সঙ্গীকে। বিশ্বকাপের পরই জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ওতামেন্দি। তবে মেসির বিদায়ি ম্যাচকে সামনে রেখে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য তাকে বিশেষভাবে দলে ফেরান স্কালোনি। ফলে মেসির সঙ্গে একই রাতে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামার সুযোগ হয় তারও। ম্যাচের আগে এজেইজা ট্রেনিং কমপ্লেক্সে জাতীয় দলের হয়ে শেষ অনুশীলনও সেরে ফেলেছিলেন ওতামেন্দি। এরপর সামাজিক মাধ্যমে নিজের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের স্মৃতি রোমন্থন করে আবেগঘন বার্তা দেন এই ডিফেন্ডার। ‘মাঠের প্রতিটি কোণ যেন কোনো না কোনো গল্প ধরে রেখেছিল। জাতীয় দলের হয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা শুধু একটি স্বপ্ন পূরণ ছিল না; এটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানগুলোর একটি।’ আর্জেন্টিনার সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ওতামেন্দি। তবে তার বার্তার সবচেয়ে আবেগঘন অংশটি ছিল মেসিকে ঘিরে।  সতীর্থ ও বন্ধুর বিদায়ের রাতের আগে তিনি লিখেছিলেন, আগামীকাল খুব বিশেষ একটি দিন। কারণ এটি সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়ের দিন। তোমার গল্পের অংশ হতে পারাটা আমার জন্য ছিল গর্বের, ছোট্ট মানুষ। আজ সেই ‘বিশেষ দিন’।  মেসির শেষ ম্যাচের আবেগের সঙ্গী হয়ে নিজের শেষটাও স্মরণীয় করে রাখলেন ওতামেন্দি। আর বিদায়ের আগে গোল করে রেখে গেলেন এমন এক স্মৃতি, যা আর্জেন্টিনার জার্সিতে তার শেষ অধ্যায়ের সঙ্গে চিরকাল জড়িয়ে থাকবে।  আরটিভি/এসআর
মেসির সঙ্গে বিদায় নিলেন ওতামেন্দি
মেসির বিদায়ে আবেগঘন বার্তা নেইমারের 
আর্জেন্টাইন ফুটবলে শেষ হলো মেসি অধ্যায়। তার বিদায়ে চুপ থাকতে পারেনি বন্ধু নেইমার জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। ক্যাপশনে নেইমার লিখেছেন, ‌যারা ফুটবল ভালোবাসেন, তারা এ বছরগুলোতে আপনাকে উপভোগ করেছেন…আজ দেশের ও আপনার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে আপনার শেষ ম্যাচ। আশা করি, আপনি প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করবেন এবং আজকের সব সম্মাননা আপনাকে আনন্দিত করবে। ‘শুধু আর্জেন্টিনা নয়, ফুটবলের জন্য আপনি যা করেছেন তার জন্য পুরো বিশ্ব আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। ফুটবলকে আরও গভীরভাবে ভালোবাসতে শেখানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’  তিনি আরও লেখেন, আপনার বিপক্ষে খেলাটা ছিল একটা সম্মানের বিষয়, আর আপনার পাশে খেলে ইতিহাস গড়াটা তার চেয়েও বড় প্রাপ্তি। ধন্যবাদ লিও মেসি। আরটিভি/এসআর
মেসির বিদায়ে আবেগঘন বার্তা নেইমারের 
বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। এছাড়া বুধবার (৭ অক্টোবর) টিভিতে বেশকয়েকটি ম্যাচ রয়েছে। ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিকাল ৫-৩০ মিনিট, সরাসরি, টি স্পোর্টস ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ রাত ৯-৩০ মিনিট, সরাসরি, টি স্পোর্টস আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
গোল ও জোড়া অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন মেসি
অবশেষে বেজে উঠলো ছুটির ঘণ্টা, আর্জেন্টিনা ফুটবল থেকে বিদায় নিলেন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। বিদায়ী ম্যাচে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আর এই ম্যাচেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন মেসি। ১ গোল ও জোড়া অ্যাসিস্টে বিদায়টা স্মরণীও করে রাখলেন তিনি। বুধবার (৭ ভোরে)  বুয়েনস আইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালে ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি তারা। ফলে বিরতিতে দুই দলই গোলশূন্য অবস্থায় মাঠ ছাড়ে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৪৮ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন নিকোলাস ওতামেন্দি।  এরপর আরও দুইবার বেনিনের জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের করে নেয় আর্জেন্টিনা। ৬১ মিনিটে মেসির অ্যাসিস্টে দ্বিতীয় গোলটি করেন ইয়াংস্টার নিকো পজ। পরে ৭১ মিনিটে শেষ গোলটি করেন মেসি নিজেই। জাতীয় দলের হয়ে ২১ বছরের দীর্ঘ পথচলার শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন মেসি। ম্যাচের আগে থেকেই মনুমেন্টালে ছিল উৎসবের আবহ। গ্যালারিতে উপস্থিত হাজারো সমর্থক প্রিয় তারকাকে শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেখতে জড়ো হন। ম্যাচের আগে ও পরে ছিল বিশেষ আয়োজন। গান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোন শো ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে মেসিকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। শেষ পর্যন্ত মাঠের ফলও মেসির পক্ষে গেছে। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে জয় দিয়ে জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ করলেন আর্জেন্টিনার সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার। আরটিভি/এসআর
গোল ও জোড়া অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন মেসি
আরও পড়ুন
বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
৩০ ব্যাংকের বন্ধ এটিএম ও অনলাইন সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ
কুইন্সল্যান্ডের কাছে ৭০ রানে পরাজিত বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে এক পা বাংলাদেশের