
লর্ডসে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরে ৩ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পরদিন দল ও কোচিং স্টাফে নজিরবিহীন পরিবর্তন আনে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি। এর ঠিক পরপরই জাতীয় নির্বাচন কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোর তথ্যমতে, চার সদস্যের জাতীয় নির্বাচন কমিটি থেকে পদত্যাগের পাশাপাশি লাহোরের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমির (এনসিএ) ব্যাটিং কনসালট্যান্টের পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবাহ।
তবে পিসিবি এখনও তার পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেনি। এর আগে এজবাস্টনে সিরিজের শেষ টেস্টের আগে পিসিবি স্কোয়াড থেকে মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক, সালমান আগা, আলী উসমান, আমির জামাল, ওয়াইস জাফর ও খুররম শাহজাদকে বাদ দিয়ে দেশে ফেরত পাঠায়।
পাশাপাশি প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং বোলিং কোচ উমর গুলকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয় সীমিত ওভারের দলের কোচ মাইক হেসন এবং অ্যাশলি নফকে-কে।
বাদ পড়া খেলোয়াড়দের শূন্যস্থান পূরণে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কম থাকা সাইম আইয়ুব ও আবদুল্লাহ ফজলের সঙ্গে আরাফাত মিনহাস, মোহাম্মদ ইমরান জুনিয়র, সাদ বেগ, মোহাম্মদ ইমরান রানধাওয়া ও রেজাউল্লাহর মতো পাঁচজন সম্পূর্ণ নতুন (আনক্যাপড) মুখকে দলে ডাকা হয়।
নির্বাচন কমিটির সদস্য হিসেবে এত বড় সিদ্ধান্ত ও দলের সার্বিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে মিসবাহর এই পদত্যাগ পাকিস্তান ক্রিকেটের সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে।
পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম সফল টেস্ট অধিনায়ক মিসবাহ ২০১৭ সালে অবসরের পর থেকে পিসিবির নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৯ সালে তিনি একই সঙ্গে প্রধান কোচ ও প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পান, যা পরবর্তীতে ২০২১ সাল নাগাদ শেষ হয়। চলতি বছরের মার্চে আকিব জাভেদ, সরফরাজ আহমেদ ও আসাদ শফিকের পাশাপাশি তাকে নির্বাচন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
সর্বশেষ ২০ টেস্টের ১৫টিতেই হেরে বর্তমানে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) তলানিতে রয়েছে পাকিস্তান। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামের এজবাস্টনে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে শেষ টেস্টে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাবর আজমের দল।
আরটিভি/এসআর




