ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

পরিচয় মিলেছে মুশফিককে ‘কটূক্তি’ করা সেই দর্শকের

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০১৯, ১১:৪৭ এএম
ছবি- সংগৃহীত

দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। ভারত সফরের আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ডাক পাওয়াদের সঙ্গে আরও ১০ জন যোগ হয়ে খেলতে নেমেছিল। লাল ও সবুজ দলের মধ্যে রোববার প্রথম ম্যাচটি আয়োজন হয় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ম্যাচে লাল দলের হয়ে অংশ নেন মুশফিকুর রহিম। ব্যাট হাতে তেমন সুবিধা না করতে পারা মুশফিক ড্রেসিং রুমে প্রবেশের সময় কটূক্তির শিকার হন। এরপরই গ্যালারি উঠে ওই দর্শকের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে শিরোনাম হয়েছেন দলের সিনিয়র এই সদস্য।

নানা কারণে দর্শকদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াতে দেখা গেছে জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন তারকাকে। সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল থেকে সাব্বির রহমানরা এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। ১৪ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কখনই মুশফিকের বিরুদ্ধে এমন কোনও অভিযোগ ওঠেনি। ঠান্ডা প্রকৃতির হিসেবেই সবার কাছে পরিচিত বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা এই উইকেট-রক্ষক ব্যাটসম্যান।

সবুজ দলের দেয়া ১৪৪ রানের জবাবে মাত্র ৪ রান করতে সক্ষম হয়েছিলেন লাল দলের মিডল অর্ডারে নামা মুশফিক। ব্যাট হাতে ফিরছিলেন ড্রেসিংরুমের দিকে। ঠিক তখনই গ্যালারি থেকে এক দর্শক কিছু একটা মন্তব্য করেন। মুহূর্তেই গ্যালারি টপকে উপরে চলে আসেন জাতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। সঙ্গে সঙ্গে ওই দর্শককে মুশফিক বলেন, ‘এরকম আর করবেন না, অন্য কেউ হলে বিষয়টা অন্যরকম হতো।’

এসময় দায়িত্বরত নিরাপত্তরক্ষীসহ মুশফিক ভক্তরা ওই দর্শককে গ্যালারি থেকে বাইরে নিয়ে চলে যান। মূল গেটের পাশে দর্শকের নাম-ঠিকানা রেখে দেয় স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় পুরো বিষয়টি।

নিজের নাম শামিম। বাবার নাম জাহাঙ্গীর আলম। বাড়ি জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায় বলে দাবি করেন তিনি।

---------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : টিভিতে সোমবারের খেলার সূচি
---------------------------------------------------------------------

শামিম জানান, ‘ক্রিকেটে খোর’ নামক ফেসবুক গ্রুপের কাওসার নামক এক বড় ভাইয়ের সঙ্গে গ্যালারিতে প্রবেশ করেন।

তিনি দাবি করেন, ‘আমি শুধু বলেছি, ব্যাডলাক কিছু করার নেই ভাইয়া, এর পর বলেছি, একটু উপরের দিকে তাকান।’

যদিও ঘটনাস্থলে থাকা এক মুশফিক ভক্ত বলেন, ‘আমি গ্যালারিতে বসা ছিলাম। মুশফিক ভাই এমন একজন লোক যে জীবনেও রাগ করার মতো না। কিছু একটা বাজে মন্তব্য করা হয়েছে। না হলে তিনি কখনওই এমন আচরণ করবেন না। মুশফিক ভাইয়ের জায়গায় সাব্বির ভাই (সাব্বির রহমান) হলে গায়ে হাত তুলতো। তিনি আরও উল্টো আমাকে বলেছেন তাকে যাতে ছেড়ে দেই। পরবর্তীতে যাতে এমন না করে কোনও ক্রিকেটারের সঙ্গে এমনটাও সতর্ক করে দেন মুশফিক ভাই।’

ওয়াই/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শক্তিশালী রাজশাহীকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুরের
এ নিয়ে টানা দুই হার রাজশাহী রয়ালসের। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুর রেঞ্জার্সের। আন্দ্রে রাসেলের নেতৃত্বে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলে আসছে দলটা। কিন্তু নিজেদের সপ্তম ম্যাচে ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে ৭৪ রানে হারের পর আজ হেরেছে রংপুর রেঞ্জার্সের কাছে। প্রথম দুই ম্যাচ খেলার পর তৃতীয় ম্যাচে জায়গা হারান, চতুর্থ ম্যাচে আবারও ফেরেন একাদশে। তিন ম্যাচে উইকেট শূন্য থাকায় পঞ্চম, ষষ্ঠ আর সপ্তম ম্যাচেও দলে জায়গা হয়নি তাসকিন আহমেদের। অথচ এই তাসকিন গত বিপিএলে ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি! টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না রংপুর রেঞ্জার্সের। তাসকিন দলে ফিরেই হারিয়ে দিলেন শক্তিশালী রাজশাহী রয়ালসকে। টস জিতে ফিল্ডিং করাটা যেন নিয়ম করে ফেলেছে রাজশাহী। আজও ঘটেনি ব্যতিক্রম। ঢাকায় তৃতীয় পর্বে শেষ দিনের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে পাঠায় রংপুর রেঞ্জার্সকে। ব্যাট করতে নেমে রংপুরের ওপেনার শেন ওয়াটসন হতাশ করলেন এই ম্যাচেও। তার ব্যাটে রান যেন সোনার হরিণ। আজ মাত্র ৭ রানেই সাজঘরে ফেরেন আফিফ হোসেনের বলে ক্যাচ দিয়ে। আরেক ওপেনার নাঈম শেখ ধরে রেখেছেন ধারাবাহিকতা। ৪৭ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলে ক্যাচ এন্ড বোল্ড হয়ে বিদায় নেন কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ক্যামেরুন ডেলপোর্টের ১৭ বলে ৩১, লুইস গ্রেগরির ১৭ বলে ২৮ আর শেষদিকে জহুরুল ইসলাম অমির ৮ বলে ১৯ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ১৮২ রান তুলে ফেলে রংপুর। রাজশাহীর হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ ইরফান ও আফিফ। ১টি করে উইকেট নেন রাব্বি ও ফরহাদ রেজা। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা রংপুর আজ যেন ফুলকির মতো জ্বলে উঠলেন। বল হাতে দুর্দান্ত তাসকিন, সঙ্গে মোস্তাফিজের আঁটসাঁট বোলিং কাবু করে ফেলে রাজশাহীর ব্যাটারদের। রাজশাহীর হয়ে অলোক কাপালির ব্যাটে আসে সর্বোচ্চ ৩১ (২৮) রান। এছাড়া রাবি বোপারার ২৮, নাহিদুল ইসলামের ১৯ রানের সঙ্গে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হোন আন্দ্রে রাসেল। ৭ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলে রান আউটে কাটা পড়েন রয়ালস অধিনায়ক। ততোক্ষণে রাজশাহীর জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান পর্যন্ত তুলতে পারে রয়ালসরা। ৪৭ রানের জয়ে মাঠ ছাড়ে রংপুর। তাসকিন নেন ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট। মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ১ মেডেন নিয়ে দেন মাত্র ১৬ রান। লুইস গ্রেগরি নেন ২ উইকেট, মোহাম্মদ নাবী নেন ১ উইকেট। এমআর/ এমকে
শক্তিশালী রাজশাহীকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুরের
আত্মবিশ্বাসই ম্যাচ জিতিয়েছে: আবু হায়দার
ডেভিড মালানের ৫১ বলে ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকেও ছাপিয়ে গেছে আবু হায়দার রনির ৮ বলে ১২ রান। রনির এই ১২ রানের জাদুকরি ইনিংসে ভর করেই আসরের তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ২৭তম ম্যাচে টস হেরে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স আগে ব্যাট করে ১৬০ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় ওয়ারিয়র্সদের সামনে। ব্যাটিংয়ে নেমে ৫১ বলে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন কুমিল্লার অধিনায়ক ডেভিড মালান। টিকে থাকেন শেষ ওভারের পঞ্চম বল পর্যন্ত। মূলত মালানের ব্যাটে ভর করেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা। লিয়াম প্লাঙ্কেটের করা ইনিংসের শেষ ওভারে কুমিল্লার প্রয়োজন ১৬ রান। প্রথম বলে ১ রান নিয়ে স্ট্রাইকে গিয়েই বাউন্ডারি হাঁকান আবু হায়দার রনি। পরের বলে আর বাউন্ডারি নয়, লং-অনে ওভার বাউন্ডারি আসে রনির ব্যাটে। চার নম্বর বলে প্রান্ত বদল করে স্ট্রাইকে যান মালান। পঞ্চম বলে দুই রান নিতে গিয়েই ঝামেলা বাঁধান অধিনায়ক। দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। তার ব্যাটে আসে ৫১ বলে ৭৪ রান। শেষ বলে ৩ রান লাগে। নতুন ব্যাটসম্যান মুজিব উর রহমানের বাউন্ডারিতে ২ উইকেটের (সানজামুলের রিটায়ার্ড হার্ট) জয় নিশ্চিত করে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।  এতে নায়ক বনে যান আবু হায়দার রনি। উপস্থিত হোন সংবাদ সম্মেলনেও। এমন ব্যাটিংয়ের রহস্যটাও জানালেন তিনি। তার মতে, আত্নবিশ্বাসই এমন ব্যাটিং করার রহস্য। ৮ বলে ১২ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংসটাকে অবিশ্বাস্য মনে করছেন না এই বোলার। ‘হ্যাঁ, আমার আত্মবিশ্বাস ছিল কারণ আমি পাওয়ার ব্যাটিং নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবত কাজ করছি। এইরকম অবস্থায় কিভাবে কাজ করা যায় সেটা জেনেছি। আর মালান ছিল। একটা সাহস ছিল যে পারব আমরা।’ তবে রনির পরিকল্পনায় ছিল মালানকে কিভাবে স্ট্রাইক দেয়া যায়। কেন না, সেট ব্যাটসম্যান হিসেবে মালানের পক্ষে কাজটা যত সহজ ছিল রনির পক্ষে ততোটা না। ‘আমার পরিকল্পনা ছিল মালানকে কিভাবে স্ট্রাইক দেওয়া যায়। শেষ ওভারে যখন খেলা চলে এসেছে এক দেয়ার অবস্থা ছিল না। কারণ রান ছিল ১৬। আমিও চেষ্টা করেছি মেরে রান নেয়ার।’ এমআর/ওয়াই                                                                                                       
আত্মবিশ্বাসই ম্যাচ জিতিয়েছে: আবু হায়দার
কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই: শান্ত
  অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকেই নির্বাচকদের নজরে নাজমুল হোসেন শান্ত। এরইমধ্যে জাতীয় দলের হয়েও অভিষেক ঘটেছে ২১ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যানের। পুরাদস্তুর ব্যাটসম্যান হলেও দলের প্রয়োজনে করেন বোলিংও। দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন দুটি। এই কটা ম্যাচে কতই বা আর তুলে ধরতে পেরেছেন নিজেকে। তরুণ শান্ত তাই শেখার দিকেই দিয়েছেন পুরোপুরি মনোযোগ। এবারের বঙ্গবন্ধু বিপিএলে খেলছেন খুলনা টাইগার্সের হয়ে। দলের হয়ে সব ম্যাচেই খেলেছেন। যদিও আশানুরূপ ব্যাটিংটা করতে পারেননি এখনও। ছয় ম্যাচে নেই একটিও পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস। সবশেষ ম্যাচে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে শতরানের ওপেনিং জুটি গড়লেও করতে পেরেছিলেন মাত্র ৪১ রান। এর আগের পাঁচ ম্যাচে করেছেন ৪, ০, ১, ০ আর ৩০ রান। তবে কি টি-টোয়েন্টির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে শান্তর?  ‘না আমার কাছে ওইরকম মনে হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত ৪০-৫০টা ম্যাচের মতো খেলেছি। এ বছরের শুরুর দিকের কয়েকটা ম্যাচ যদি দেখেন, প্রথম কয়েকটি ম্যাচে আমি দ্রুত আউট হয়ে গেছি। এক-দুই বলের মধ্যেই, তাই সেভাবে ইনিংসটা সাজানোর সুযোগই পাইনি। তো আমার কাছে ওইরকম কিছু মনেই হচ্ছে না। শেষ দুইটা ম্যাচে ভালো শুরু পেয়েছে, বাকি ম্যাচগুলোতে যদি এটা করতে পারি তাহলে বড় রান করার প্রত্যাশা করছি।’ বয়সভিত্তিক দল থেকে জাতীয় দল, এই সময়টায় সেভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে তাকে। তাই প্রত্যাশাটাও বেশি। শান্ত বলছেন, প্রত্যাশা না থাকাটাই ভালো। ‘আসলে প্রত্যাশা না থাকা ভালো। সকলেরই প্রত্যাশা থাকে, নিজের থাকে, পরিবারের থাকে। এটা নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি না করে প্রক্রিয়াটা মেনে চললেই আমার মনে হয় ভালো করা সম্ভব। ভালো করলে এমনেই প্রত্যাশা পূরণ হবে।’ খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলছেন রিলে রুশো, রাবি ফ্রাইলিঙ্কের মতো ক্রিকেটাররা। শান্ত শিখছেন তাদের থেকেও। ‘আলাদাভাবে ওইরকম কোনও কথা হয়নি। তবে রুশো খুব ভালো টাচে আছে। শেষ দুই তিন বছর বিপিএলে খুব ভালো খেলছেন। তাকে দেখে অনেক কিছু শেখা যায়। অনেক সময় অনুশীলনে দেখা হয়, কথা হয়। অভিজ্ঞতা শেয়ার করে, যা আমার জন্য ভালো।’ জাতীয় দল কিংবা বিপিএল। বড় সব ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলে তাদের থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করছেন বলেও জানান এই ওপেনার। তবে অনুকরণ করেন না বলেও জানান তিনি। ‘আমি সবার খেলা দেখেই কিছু না কিছু নেয়ার চেষ্টা করি। আমার নিজের একটা ধরন আছে খেলার, সেটার সঙ্গে মিল রেখেই কাজ করি। নির্দিষ্ট করে কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই।’ এমআর/ওয়াই
কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই: শান্ত
বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী রুপান্তর ও বাজার২৪ ডটকম মহান বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার।  মঙ্গলবার শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দল পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক।  প্রথম রানার আপ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)  পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৯টি পদক।  দ্বিতীয় রানার আপ দল আনসার পেয়েছে ১টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৭টি পদক।  এদিকে নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন দল বাংলাদেশ আনসার পেয়েছে ৬টি স্বর্ণ ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক। প্রথম রানার আপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীপেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্যসহ মোট ৮টি পদক। দ্বিতীয় রানার আপ বাংলাদেশ পুলিশ পেয়েছে ৬টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৮টি পদক।  প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পুরস্কার বিতরণ করেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ড. কাজী এরতেজা হাসান।  এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আজাদসহ অন্যান্যরা।  ওয়াই
বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
রাজশাহীর বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করছে রংপুর
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রয়্যালসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রেঞ্জার্স। মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জেতার পর রংপুরকে ব্যাট করতে পাঠায় রাজশাহীর অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল। ৭ খেলায় ১০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার চার নম্বরে অবস্থান করছে রয়্যালসরা। বলতে গেলে সুবিধাজনক স্থানেই রয়েছে লিটন দাস-আফিফ হোসেনরা। সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রেঞ্জার্সদের অবস্থান ষষ্ঠ। তাই জয়ের বিকল্প নেই শেট ওয়াটসন নেতৃত্বাধীন দলটির সামনে। দিনের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াইয়ে তিন উইকেটের জয় পেয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। রংপুর রেঞ্জার্স শেন ওয়াটসন (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নাঈম, ক্যামেরন ডেলপোর্ট, লুইস গ্রেগরি, ফজলে মাহমুদ, মোহাম্মদ নবী, জহুরুল ইসলাম অমি, আল আমিন হোসেন জুনিয়র, আরাফাত সানি, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ। রাজশাহী রয়্যালস  লিটন দাস, আফিফ হোসেন ধ্রুব, শোয়েব মালিক, অলক কাপালি, রবি বোপারা, আন্দ্রে রাসেল (অধিনায়ক), নাহিদুল ইসলাম, ফরহাদ রেজা, তাইজুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম রাব্বি ও মোহাম্মদ ইরফান।  ওয়াই
রাজশাহীর বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করছে রংপুর
আরও পড়ুন
পাকিস্তান সফরে যেতে চায় না বেশির ভাগ ক্রিকেটার: পাপন
টি-টোয়েন্টির পর টেস্ট নিয়ে ভাবতে চায় বিসিবি
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আইসিকে ব্যবস্থা নিতে বললেন পাকিস্তান অধিনায়ক
বাংলাদেশের বিপক্ষে আইরিশদের ওয়ানডে সিরিজের সূচি ঘোষণা