
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের চেয়ারম্যান তাভেঙ্গা মুকুহলানি। ২০২৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।
বর্তমানে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মুকুহলানি আইসিসি বোর্ডেও দেশটির প্রতিনিধিত্ব করছেন। ইমরান খাজা দায়িত্ব ছাড়ার পর তার স্থলাভিষিক্ত হলেন মুকুহলানি।
আইসিসির ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স (এফঅ্যান্ডসিএ) ও নমিনেশনস কমিটির সদস্য তিনি। পাশাপাশি আইসিসির এইচআর অ্যান্ড রেমুনারেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
মুকুহলানির নিয়োগ জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের জন্য ঐতিহাসিক। আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পাওয়া প্রথম জিম্বাবুইয়ান তিনি।
আফ্রিকার ক্রিকেটের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই দায়িত্ব পেলেন মুকুহলানি। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া।
২৪ বছর পর আবারও আফ্রিকার মাটিতে ফিরতে যাচ্ছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এই ওয়ানডে আসর। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও আঞ্চলিক ক্রিকেট সম্পর্কে তার জ্ঞান বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মুকুহলানিকে অভিনন্দন জানিয়ে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ বলেন, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে তাভেঙ্গা মুকুহলানির নিয়োগে আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। ক্রিকেট প্রশাসনে তার অভিজ্ঞতা, বৈশ্বিক ক্রিকেট সম্পর্কে জ্ঞান এবং ক্রিকেটের উন্নয়নে তার অঙ্গীকার আইসিসি বোর্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
তিনি আরও বলেন, মুকুহলানি তার সহকর্মী পরিচালকদের আস্থা অর্জন করেছেন। বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটকে শক্তিশালী করতে এবং খেলাটির বিকাশের আরও সুযোগ তৈরি করতে তার সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। তার নিয়োগ জিম্বাবুয়ের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কারণ, তিনিই প্রথম জিম্বাবুইয়ান যিনি আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান হলেন।
দায়িত্ব পেয়ে মুকুহলানি বলেন, আইসিসি বোর্ডের সহকর্মী পরিচালকদের আমার ওপর আস্থায় আমি গভীরভাবে সম্মানিত এবং ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞ।
তিনি বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান জয় শাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। ক্রিকেটের বিকাশ, সদস্য দেশগুলোর জন্য সুযোগ তৈরি এবং নতুন দর্শক ও বাজারে পৌঁছানোর বিষয়ে তার নেতৃত্ব, উদ্যম ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা আইসিসিতে স্পষ্ট লক্ষ্য তৈরি করেছে।
ক্রিকেটের সামনে থাকা নতুন সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন মুকুহলানি। তার ভাষায়, ক্রিকেট এখন রোমাঞ্চকর এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে অলিম্পিক গেমসে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তন এবং বিশ্বজুড়ে খেলাটির সম্প্রসারণের কারণে। বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটের স্বার্থে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নিতে চেয়ারম্যান জয় শাহ ও বোর্ডের অন্য পরিচালকদের সহযোগিতা করার অপেক্ষায় আছি।
আরটিভি/এসআর




