ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

যে কারণে বার্সার প্রস্তাব ফিরিয়ে ইন্টারেই থেকে গেলেন লাউতারো

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ এএম
লাউতারো মার্টিনেজ। ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে মরিয়া ছিল বার্সেলোনা। অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের একের পর এক প্রত্যাখ্যানের পরও শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যায় কাতালান ক্লাবটি। তবে আলভারেজকে না পেলে বিকল্প হিসেবে তাদের তালিকায় ছিলেন আরেক আর্জেন্টাইন তারকা লাউতারো মার্টিনেজ। শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনার আগ্রহ থাকলেও ইন্টার মিলানেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

আলভারেজকে না পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলে বার্সার আক্রমণভাগ শক্তিশালী করতে লাউতারোকে বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে ইন্টার মিলানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, লাউতারোকে নিয়ে বার্সেলোনা তাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়নি। একই সঙ্গে নিজেদের অধিনায়ককে ছাড়ার বিষয়ে আলোচনার দরজাও বন্ধ রেখেছিল ইতালিয়ান ক্লাবটি।

তবে ইতালিতে আয়োজিত ‘গ্রান গালা দেল কালচিও’ অনুষ্ঠানে এসে বিষয়টি নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন লাউতারো। কাতালান সংবাদপত্র ‘স্পোর্ত’-এর বরাত দিয়ে স্কাই ইতালিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেন, বার্সেলোনার আগ্রহের খবর সত্য ছিল।

লাউতারো বলেন, ‘এ ধরনের প্রস্তাব পাওয়া সবসময়ই গর্বের বিষয়। কারণ ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকার জন্য আমি প্রতিনিয়ত কাজ করি। প্রতিবেদনগুলো সত্য ছিল।’

তবে বার্সেলোনার আগ্রহ থাকলেও ইন্টারেই থাকার বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন ২৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। ক্লাবটির অধিনায়ক জানান, ইন্টার সবসময়ই তার প্রথম পছন্দ ছিল এবং সেই অবস্থান এখনও বদলায়নি।

লাউতারোর ভাষায়, ‘আমি সবসময়ই বলেছি, আমি ইন্টারে থাকতে চাই। আমার সতীর্থ ও আমাদের সমর্থকদের সঙ্গে থাকতে চাই। যতক্ষণ তারা আমাকে চায়, আমি এই ক্লাবেই থাকব।’

ইন্টারের সঙ্গে লাউতারোর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত। ভবিষ্যতে দলবদলের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে না দিলেও ক্লাবটির সঙ্গে নিজের সম্পর্কের বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন তিনি।

লাউতারো বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, ফুটবল বিশ্বে যখন আপনি আর প্রয়োজনীয় থাকেন না, তখন আপনাকে চলে যেতে বলা হয়। ইন্টারের হয়ে খেলা আমার জন্য গর্বের বিষয় এবং আমি এখানে সুখী। আমি থাকতে চাই, প্রতিদিন নিজেকে আরও উন্নত করতে চাই এবং ইন্টারের হয়ে বড় শিরোপার জন্য লড়তে চাই।’

অন্যদিকে, আলভারেজকে না পাওয়ার পর বার্সেলোনা আক্রমণভাগে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে দলে ভিড়িয়েছে। ফলে লাউতারোকে নিয়ে কাতালান ক্লাবটির আগ্রহ শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেয়নি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উড়ন্ত রাফিনিয়ার জন্য টাকার বস্তা প্রস্তুত করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড!
ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপে নিজের সেরাটা দিতে না পারলেও চলতি মৌসুমে রীতিমতো উড়ছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া। ইতোমধ্যে ৮ ম্যাচ খেলে ১৪টি গোল করে ফেলেছেন তিনি। এই পারফর‌ম্যান্সের জেরে রাফিনিয়ার দিকে নজর পড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। তাই আসন্ন জানুয়ারির দলবদলের বাজারে ওল্ড ট্রাফোর্ডে এই ব্রাজিলিয়ান তারকাকে দলে টানার প্রস্তুতি শুরু করেছে ইংলিশ ক্লাবটি। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ফিচাহেসে।  প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাইকেল ক্যারিকের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রাফিনিয়াকে তাদের আক্রমণভাগের মূল অস্ত্র বানাতে মরিয়া। তাকে রাজি করাতে ইউনাইটেড একটি অবিশ্বাস্য রেকর্ড-ব্রেকিং প্রস্তাবের পরিকল্পনা করছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রাফিনিয়া জন্য প্রায় ১২০ মিলিয়ন ইউরোর এক বিশাল বিড প্রস্তুত করছে, যা তাদের ইতিহাসের অন্যতম রেকর্ড দলবদল হতে পারে। ওল্ড ট্রাফোর্ডের ক্লাবটি রাফিনিকে প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া খেলোয়াড় বানাতে চায়। এমনকি ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ডের চেয়েও তাকে বেশি সাপ্তাহিক বেতন দেওয়ার প্রস্তাব ভাবা হচ্ছে।  তবে বার্সেলোনা এই তরুণ ফুটবলারকে ছাড়বে কিনা সেটা একটা বড় প্রশ্ন? কারণ, বর্তমানে স্ট্রাইকার পজিশনে রাফিনিয়ার থেকে ভালো অপশন নেই হান্সি ফ্লিকের সামনে। যদিও স্ট্রাইকার হিসেবে হুলিয়ান আলভারেজকে দলে নিতে চেষ্টা চালাচ্ছে কাতালান ক্লাবটি। কিন্তু রাফিনিয়া বর্তমানে দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর অবিশ্বাস্য ফর্মে আছেন রাফিনিয়া। লা লিগায় তার টানা হ্যাটট্রিকসহ গোল বন্যা করেছে ক্লাবটি। তবে এই ঐতিহাসিক মেগা চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়া অনেকটাই নির্ভর করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ালিফাই করার ওপর। এখনও পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটাই দেখার বিষয়। আরটিভি/এসআর
উড়ন্ত রাফিনিয়ার জন্য টাকার বস্তা প্রস্তুত করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড!
হাকিমিকে নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন ফ্রান্সের আদালত
ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আদালত আপিল খারিজ করে দেওয়ায় প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ও মরক্কোর তারকা ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমিকে ধর্ষণের মামলায় বিচারের মুখোমুখি হতেই হচ্ছে।  সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই খবর নিশ্চিত করেছে ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘দি অ্যাথলেটিক’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিসের পশ্চিমে ও-দে-সেন বিভাগের একটি অপরাধ আদালতে এই মামলার বিচারকাজ পরিচালিত হবে। এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা না হলেও আগামী বছরই মামলাটির বিচারকাজ শুরু হতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বুলোন-বিলঁকুরে হাকিমির নিজ বাসভবনে ঘটে যাওয়া এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই মামলার সূত্রপাত। হাকিমির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে যোগাযোগের পর ওই তরুণী তার বাড়িতে যান।  পরবর্তীতে তিনি হাকিমির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। ঘটনার পাঁচ দিন পর হাকিমির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠিত হয়। তবে শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন এই তারকা ফুটবলার। আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে হাকিমির আইনজীবী দল প্রথমে মামলাটি খারিজের আবেদন জানিয়েছিল।  তবে গত বছরের ১৯ জুন ভার্সাইয়ের আপিল আদালত সেই আবেদনটি খারিজ করে দেন। এরপর হাকিমি উচ্চ আদালত ‘কোর্ট অব ক্যাসেশন’-এ যান, যা সম্প্রতি চূড়ান্তভাবে বাতিল ঘোষণা করা হলো। আরটিভি/এসআর
হাকিমিকে নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন ফ্রান্সের আদালত
নেইমারের সেই কঠিন দায়িত্ব কাঁধে নিতে যাচ্ছেন রাফিনিয়া!
চলতি বছর শেষ হওয়া ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ব্রুনো গ্রিমারায়েস। সেই ম্যাচ হারের পর অবসর নিয়েছেন নেইমারও। ফলে নতুন করে একজন দক্ষ পেনাল্টি টেকার খুঁজছেন আনচেলত্তি। যেখানে সবার থেকে এগিয়ে রয়েছে রাফিনিয়া। পরিসংখ্যান বলছে, পেনাল্টিতে ব্রাজিলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও সফল ফুটবলার রাফিনিয়া। পেশাদার ক্যারিয়ারে ২৪টি স্পট কিক নিয়ে ২৩টিই গোলে পরিণত করেছেন তারকা এই ফরোয়ার্ড। প্রায় এক দশক তিনি কোনো পেনাল্টি মিস করেননি।  ২০২৫-২৬ মৌসুমে বার্সেলোনার হয়েও রাফিনিয়া ছিলেন শতভাগ সফল। ৫ পেনাল্টি নিয়ে ৫টিই গোল করেছেন। এই মৌসুমেও এখন পর্যন্ত ৩টি পেনাল্টি নিয়ে সবকটি গোলে রূপান্তর করেছেন। বিশ্বকাপ পরবর্তী ব্রাজিল দলে তাই রাফিনিয়াকেই পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ ভাবা হচ্ছে।  গত জুলাইয়ে বিশ্বকাপ শেষে এবারই প্রথম আন্তর্জাতিক বিরতিতে মাঠে নামতে যাচ্ছে ব্রাজিল। রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা প্রীতি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে। তাতে স্বাভাবিকভাবে পেনাল্টি শট নেওয়ার প্রসঙ্গ উঠছে। আনচেলত্তি বলেন, আমরা খেলোয়াড়দের এবং প্রতিপক্ষের গত এক বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করেছি। জাতীয় দলে সবচেয়ে ভালো ছিল রাফিনিয়া। ওই মুহূর্তে পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে নেইমার, এরপর ইগোর থিয়াগো, তারপর রাফিনিয়া, এরপর ব্রুনো গিমারায়েস এবং তারপর মার্তিনেল্লি। অর্থাৎ, গিমারায়েসের আগে রাফিনিয়াকেই রেখেছিলেন আনচেলত্তি। কিন্তু চোটের কারণে নরওয়ের বিপক্ষে তিনি খেলতে পারেননি। তবে রাফিনিয়া এখন যেহেতু শতভাগ ফিট, তাই আনচেলত্তি তাকেই পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্ব দিতে পারেন। রাফিনিয়া পেনাল্টি নেওয়ায় কতটা দক্ষ, সেটা তুলে ধরেছে কাতালান সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো।  গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, রাফিনিয়া সবশেষ ১৬ পেনাল্টির (বার্সেলোনার হয়ে ১৩টি ও ব্রাজিলের হয়ে ৩টি) মধ্যে ৯টি শট গোলকিপারের ডান দিকে, ৬টি বাঁ দিক দিয়ে চিপ করে এবং ১টি পোস্টের মাঝ বরাবর দিয়ে। ফলে, স্পট কিকে রাফিনিয়া কোন দিক দিয়ে শট নেবেন, তা প্রতিপক্ষ গোলকিপারের জন্য অনুমান করা খুব কঠিন।তাই নেইমারের পর পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্বটা রাফিনিয়ার কাঁধেই উঠতে পারে। আরটিভি/এসআর
নেইমারের সেই কঠিন দায়িত্ব কাঁধে নিতে যাচ্ছেন রাফিনিয়া!
আসিয়ান কাপে মাঠে নামার আগে অবসর নিয়ে মুখ খুললেন জামাল
বাংলাদেশের একাদশে নিয়মিত জায়গা না পেলেও অধিনায়কত্বের দায়িত্ব কাঁধে বয়ে বেড়াচ্ছেন জামাল ভূঁইয়া। গুঞ্জন উঠেছে, নতুন নেতৃত্বের খোঁজে রয়েছে বাফুফে। এসবের মাঝেই ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবসর নিয়ে কথা বলেছেন এই তারকা ফুটবলার। জামাল বলেন, অবশ্যই সবকিছুরই একটা শেষ আছে। তবে এই মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছে, শরীর ভালো অবস্থায় আছে। জাতীয় দল ও বাংলাদেশের প্রতি আমার অনেক টান। অবসর নেওয়া অনেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সবাই বলে, খেলার সময়ের মুহূর্তগুলো আরও বেশি উপভোগ করতে পারলে ভালো হতো। প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশ থেকে ২৩ জনের দলে জায়গা পাওয়াকে বড় সম্মানের বিষয় মনে করেন তিনি। এই ফুটবলারের ভাষ্য, প্রতিবার মাঠে নামা কিংবা জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা আমার কাছে বিশেষ কিছু। বছরের পর বছর অনেক খেলোয়াড়কে আসতে ও চলে যেতে দেখেছি। যত বেশি সময় দলের সঙ্গে থাকছি, তত বেশি উপভোগ করছি। কারণ আমি ফুটবল ভালোবাসি, আমার দল ও দেশকে ভালোবাসি। আসিয়ান কাপে ভক্তদের প্রত্যাশা নিয়ে তিনি বলেন, এই টুর্নামেন্ট নিয়ে আমাদের নিজেদের এবং দেশের মানুষের বিশাল প্রত্যাশা রয়েছে। আমরা জানি গ্রুপে আমরাই সবচেয়ে পিছিয়ে আছি। তবে আমরা এই টুর্নামেন্ট থেকে তিন-চার পয়েন্ট পাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি। আর ফুটবলে কখন কী হয়, সেটা তো কেউ আগে থেকে বলতে পারে না! জাতীয় দলের হয়ে শততম ম্যাচের দ্বারপ্রান্তে থাকা ৩৬ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের জন্য আজকের এই অবস্থানে আসাটা মোটেও সহজ ছিল না। দুই দশক আগে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে ৪টি গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন তিনি।  সেই মৃত্যুঞ্জয়ী জামালই এখন বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় ভরসা। যতদিন শরীর সায় দেবে, দেশের হয়ে এই দায়িত্ব তিনি চালিয়ে যেতে চান। আরটিভি/এসআর
আসিয়ান কাপে মাঠে নামার আগে অবসর নিয়ে মুখ খুললেন জামাল
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের লক্ষ্য জানালেন জামাল ভূঁইয়া
অবশেষে জাকার্তায় আজ পর্দা উঠতে যাচ্ছে ফিফা আসিয়ান কাপ। মালয়েশিয়া ম্যাচ দিয়ে আগামীকাল নিজেদের অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ দল। এর আগে নিজেদের লক্ষ্য কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জামাল বলেন, অবশ্যই এই টুর্নামেন্টে ভালো করতে এবং ভালো পারফর্ম করতে আমাদের প্রত্যাশা আছে। জাকার্তায় বড় দর্শকের সামনে খেলার জন্য আমরা সত্যিই মুখিয়ে আছি। বর্তমানে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৮১তম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিমত্তার বিচারে গ্রুপের বাকি তিন দলই এগিয়ে। ইন্দোনেশিয়া ১১৮তম, মালয়েশিয়া ১৩৬তম এবং সিঙ্গাপুর ১৪৮তম স্থানে রয়েছে। গ্রুপে বাংলাদেশের অবস্থানের বাস্তবতা ভালোভাবেই জানেন জামাল। তবে র‍্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধানকে বাধা হিসেবে দেখছেন না এই মিডফিল্ডার।  তিনি বলেন, আমরা জানি, গ্রুপে আমরাই সবচেয়ে নিচের র‍্যাঙ্কিংয়ের দল। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরের পর আমাদের অবস্থান। কিন্তু আমাদের নিজেদের প্রত্যাশা আছে, দেশেরও প্রত্যাশা আছে। আমরা তিন বা চার পয়েন্ট পাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছি। আর ফুটবলে এরপর কী হয়, তা তো কখনোই বলা যায় না। আসিয়ান কাপে ভালো করার পাশাপাশি জামালের স্বপ্ন, বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপে খেলবে। সদ্যই যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখে ফেরা জামাল দেশের ফুটবল উন্মাদনা নিয়ে ফিফাকে বলেন, বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশে যে কী উন্মাদনা হয়, তা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ঢাকার প্রতিটি ভবনে বিভিন্ন দলের পতাকা ওড়ে, বড় পর্দায় ২০-৩০ হাজার মানুষ একসঙ্গে খেলা দেখে। একবার ভাবুন তো, আমরা যদি সত্যিই বিশ্বকাপে খেলতে পারি... সেই উন্মাদনার মাত্রাটা কোথায় গিয়ে ঠেকবে! ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুর। ‘বি’ গ্রুপে খেলবে ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পর ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর এবং ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আরটিভি/এসআর  
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের লক্ষ্য জানালেন জামাল ভূঁইয়া
আরও পড়ুন
রিয়ালের পর শতকোটির ঘরে বার্সেলোনা
মারা গেছেন ইতালি ও ইন্টারের কিংবদন্তি ফুটবলার সান্দ্রো মাজ্জোলা
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিক, প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার সেভেনআপ
বার্সেলোনার ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা