ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরেই ব্রাতিস্লাভার জালে পিএসজির ৬ গোল

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ফরাসি লিগে চলতি মৌসুমে একেবারেই ছন্দে নেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। তিন ম্যাচে দুই ড্র ও এক হারে পয়েন্ট টেবিলের ১৩ নম্বরে থাকা দলটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরেই দেখাল ভিন্ন চেহারা। দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতায় খেলতে নামা স্লোভান ব্রাতিস্লাভাকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে লুইস এনরিকের দল।

পিএসজির বড় জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ফেররান তোরেস। চলতি মৌসুমের শুরুতেই বার্সেলোনা থেকে প্যারিসের ক্লাবটিতে যোগ দেওয়া এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড তুলে নিয়েছেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক। দুটি গোল করেছেন উসমান দেম্বেলে। অন্য গোলটি ফ্যাবিয়ান রুইজের।

ঘরের মাঠ পার্ক দ্য প্রিন্সেসে শুরু থেকেই ব্রাতিস্লাভার ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে পিএসজি। ম্যাচে ৭২ শতাংশ বলের দখল রাখার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের গোলমুখে ১৪টি শট নেয় তারা। দ্বিতীয় মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি করে স্বাগতিকরা। তবে দ্রু ফার্নান্দেজের শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন ব্রাতিস্লাভার গোলরক্ষক।

আক্রমণের ধারাবাহিকতায় ১৬ মিনিটে লিড নেয় পিএসজি। নুনো মেন্দেসের জোরালো শট ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বলে বাঁ পায়ের শক্তিশালী শটে জাল খুঁজে নেন দেম্বেলে।

২৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই ফরাসি তারকা। ম্যাথিউস অ্যাকলিউচের ক্রস ব্রাতিস্লাভার এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে দেম্বেলের সামনে এলে খুব কাছ থেকে হেডে বল জালে পাঠান তিনি।

এর পাঁচ মিনিট পর গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন তোরেস। তবে বাঁকানো শটটি লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি। অবশ্য ৩১ মিনিটে আর ভুল করেননি স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। দেম্বেলের ক্রস থেকে পাওয়া বলে নিখুঁত শটে পিএসজিকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তোরেস।

বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটেই অ্যাকলিউচ দুর্দান্ত গতিতে কয়েকজন প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে কাটব্যাক করেন। তোরেস কিছুটা জায়গা তৈরি করে জোরালো শটে বল জালে পাঠান। ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি।

৫৫ মিনিটে নুনো মেন্দেসের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। তবে দুই মিনিট পরই নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তোরেস। দেম্বেলের নেওয়া কর্নারে দারুণ কৌশলে পা উঁচু করে হাঁটু দিয়ে শট নেন তিনি। ব্রাতিস্লাভার গোলরক্ষক আগেই অন্যদিকে সরে যাওয়ায় বলের গতিপথ আটকানোর কোনো সুযোগই পাননি।

এরপর ধারার বিপরীতে একটি গোল শোধ করে ব্রাতিস্লাভা। ৬৪ মিনিটে সুলেমান কামারা চমৎকার এক গোলে ব্যবধান কমান। তবে সেটিই ছিল ম্যাচে স্লোভাকিয়ার ক্লাবটির একমাত্র সান্ত্বনা।

একই মিনিটে একসঙ্গে তিন খেলোয়াড় বদলি করেন পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। তাতে ম্যাচের গতি কিছুটা কমে আসে। তবে শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায় পিএসজি। ৮৮ মিনিটে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের পা থেকে আসা বল জালে পাঠিয়ে দলের ষষ্ঠ গোলটি করেন ফ্যাবিয়ান রুইজ।

শেষ পর্যন্ত ৬-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি। ঘরোয়া লিগে ধুঁকতে থাকা দলটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের শক্তির জানান দিল দারুণ এক জয়ে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গোল হজমে ব্রাজিলকেও হার মানালেন জামাল-হামজারা
২০১৪ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। সেদিন কোটি কোটি ব্রাজিলিয়ানের সামনে সেলেসাও ফুটবলারদের লজ্জায় ডুবিয়েছিলেন মুলার-ওজিলরা। সেই ম্যাচে ব্রাজিলকে ৭-১ গোলে হারিয়েছিল তারা। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সেই ম্যাচের ইতিহাস নিয়ে এখনও উপহাস সহ্য করতে হয় ব্রাজিলভক্তদের।  তবে আসিয়ান কাপে ব্রাজিলের সেই লজ্জাজনক পরাজয়কেও টপকে দিয়েছে বাংলাদেশের ফুটবলাররা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ দল। যা বাংলাদেশি ফুটবলভক্তদের চরমভাবে হতাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্লো স্টেডিয়ামে শেখ মোরসালিনের জায়গায় শাহরিয়ার ইমন একাদশে নামেন। ম্যাচে প্রথমার্ধে ৬-১ গোলে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় আরও ৩ গোল করেছে ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশ মূলত হেরেছে ইন্দোনেশিয়ার ফুটবলার মিসেল বেকারের কাছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নেওয়া মিসেল বেকার ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকত্ব নেন। অভিষেকেই কম্বোডিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে নিজের আগমনী বার্তা দেন তিনি।  আর আজ ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে স্বভাবসুলভ পারফরম্যান্স দেখিয়ে পাঁচ গোলের দেখা পেয়েছেন তিনি! ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার এই ফরোয়ার্ডের নৈপুণ্যেই মূলত বাংলাদেশ বিধস্ত হয়েছে।  অন্যদিকে বাংলাদেশের হয়ে গোল দুটি করেছেন স্ট্রাইকার ইমন ও ফারহান। যা শুধু মাত্র ব্যবধানই কমিয়েছে। আরটিভি/এসআর  
গোল হজমে ব্রাজিলকেও হার মানালেন জামাল-হামজারা
বাংলাদেশের জালে ইন্দোনেশিয়ার ৯ গোল, হ্যাটট্রিক হারের লজ্জা হামজাদের
আসিয়ান কাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে লক্ষ্য হিসেবে টুর্নামেন্ট থেকে ৩-৪ পয়েন্ট অর্জনের কথা জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে মাঠের পারফরম্যান্সে। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই প্রতিপক্ষে সামতে দাঁড়াতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিনরা। প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলের সম্মানজনক ব্যবধানে হারলেও ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশকে রীতিমতো লজ্জায় ডুবিয়ে হামজা-মোরসালিনরা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ দল। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্লো স্টেডিয়ামে শেখ মোরসালিনের জায়গায় শাহরিয়ার ইমন একাদশে নামেন। ম্যাচে প্রথমার্ধে ৬-১ গোলে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। তবে স্বাগতিকদের প্রথম ১০ মিনিট আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। একটু খোলামেলা খেলার চেষ্টা করেছে। তবে পরের মিনিট থেকে ইন্দোনেশিয়ার জাদু দেখানো শুরু হয়।  ১১ মিনিটে থ্রো-ইন থেকে ইন্দোনেশিয়া এগিয়ে যায়। রোমিনির কাটব্যাক থেকে মিসেল বেকারের গড়ানো প্লেসিং শট দূরের পোস্ট দিয়ে জড়িয়ে যায় জালে। শ্রাবণ ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেও অল্পের জন্য বলের নাগাল পাননি। ১৪ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার আরও একটি প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়। শ্রাবণ গোল হতে দেননি। ১৯ মিনিটে শাহরিয়ার ইমনের ক্রসে পা ছোঁয়াতে পারেননি কেউ।  প্রতি আক্রমণ থেকে স্বাগতিকররা উল্টো এগিয়ে যায়। মিসেল বেকার আবারও গোলদাতা। জটলা থেকে দীর্ঘদেহী এই ফরোয়ার্ড ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ৩২ মিনিটে স্বাগতিকরা ৩-০ স্কোরলাইন করে। ওরাটমাংগোয়েনের কাটব্যাক থেকে তারিক কাজীর ক্লিয়ারেন্স গিয়ে পরে রিদো রিজকির পায়ে, ডান পায়ের জোরালো শটে রিদো কাঁপিয়ে দেন জাল। ৩৬ মিনিটে বাংলাদেশ এক গোল শোধ দেয়। শুকির মাপা ক্রসে শাহরিয়ার ইমন দারুণ হেডে স্কোরলাইন ৪-১ করেন। পরের মিনিটেই বাংলাদেশ আবারও গোল হজম করে বসে। মিসেল বেকার পোস্টের সামনে থেকে প্লেসিং করেছেন অনায়াসে।  ৪২ মিনিটে ভুল পাস থেকে মিসেল বেকার হেডে নিজের চতুর্থ ও দলের হয়ে পঞ্চম গোল করেন। যোগ করা সময়ে স্কোর ৬-১ করে ইন্দোনেশিয়া। হাবনার জাস্টিন ষষ্ঠ গোল উপহার দেন। বিরতির পর ফারহান আলী ওয়াহিদ, স্বাধীন, সোহেল রানা নামেন। উঠে যান শমিত সোম, শুকি ইতোফুসা ও শাহরিয়ার ইমন।  স্বাগতিকরা এই অর্ধে অবশ্য আগের মতো গোল ব্যবধান বড়াতে পারেনি। শেষ দিকে এসে সব মিলিয়ে চার গোল হয়েছে। ৫৪ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার একজনের জোরালো শট রুখে দেন গোলকিপার। ৭৬ মিনিটে বাগটের বুলেট হেডার শ্রাবণ অসামান্য দক্ষতায় রুখে দেন।  দুই মিনিট পর ফারহানের শট সাইড নেটে লাগে। শেষ দিকে এসে উত্তেজনা আরও বাড়ে। গোলও আসে একের পর এক। ৮৯ মিনিটে হামজার পাসে ফারহানের শট ক্রস বারের ওপর দিয়ে যায়।  পরের মিনিটে ইন্দোনেশিয়া সপ্তম গোলের দেখা পায় লিউক দারুণভাবে প্লেসিং করলে। তার পরের মিনিটে রাকিবের ক্রসে ফারহান দারুণ এক শটে ব্যবধান কমান৭-২। ঠিক এরপরই সাদ উদ্দিন ফাউল করলে তার সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়। অন্যরাও তাতে যোগ দেয়। তবে ঘটনা বেশি দূর এগোয়নি। যোগ করা সময়ে অষ্টম গোল করেন কেবিন। শেষ মুহূর্তে তাদের আরও একটি গোলে স্বাগতিকদের ফাইনাল নিশ্চিত হয়।  মিসেল বেকার তার পঞ্চম গোল করে দলকে ট্রফি ছোঁয়া দূরত্বে নিয়ে বাংলাদেশের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন। এতে ৯-২ গোলের ব্যবধানে হেরে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশের জালে ইন্দোনেশিয়ার ৯ গোল, হ্যাটট্রিক হারের লজ্জা হামজাদের
এক পরিবর্তন নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ
টানা দুই হারে ফিফা আসিয়ান কাপ থেকে আগেই বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে বাংলাদেশের। এবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে টমাস ডুলির শিষ্যরা। এই ম্যাচের একাদশে ১টি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ কোচ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে স্ট্রাইকিং পজিশনে শেখ মোরসালিনের জায়গায় আজ শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছেন শাহরিয়ার ইমন। ইমনের দুই পাশে আক্রমণে ধার বাড়াতে থাকছেন শুকি ইতোফুসা (বাঁয়ে) এবং রাকিব হোসেন (ডানে)। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ থাকবে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার কাঁধে; তাকে সঙ্গ দেবেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হামজা চৌধুরী ও শমিত সোম।  এছাড়া রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্বে থাকছেন সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী, জিদান ইউসুফ ও জায়ান আহমেদ। আর গোলপোস্টের নিচে যথারীতি থাকছেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ। বাংলাদেশ একাদশ গোলরক্ষক: মেহেদী হাসান শ্রাবণ। রক্ষণভাগ: সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী, জিদান ইউসুফ ও জায়ান আহমেদ। মাঝমাঠ: হামজা চৌধুরী, শমিত সোম ও জামাল ভূঁইয়া (অধিনায়ক)। আক্রমণভাগ: শুকি ইতোফুসা, শাহরিয়ার ইমন ও রাকিব হোসেন। আরটিভি/এসআর
এক পরিবর্তন নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ
রোনালদোর আইকনিক ‘৭ নম্বর’ জার্সি পেলেন পর্তুগালের যে ফুটবলার
নরওয়ের বিপক্ষে বেঞ্চে বসে থাকতে হয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। এরপর নাটকীয়ভাবে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যান পাঁচবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী এই ফুটবলার।  এতেই উয়েফা নেসনস লিগে ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের আগে পর্তুগাল দলের ফুটবলারদের জার্সি নম্বরে এসেছে বড় পরিবর্তন। রোনালদোর সেই আইকনিক ‘৭’ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামবেন রাফায়েল লিয়াও। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) কোপেনহেগেনে নেসনস লিগের ‘এ৪’ গ্রুপের ম্যাচে স্বাগতিক ডেনমার্কের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল।  ম্যাচের জন্য উয়েফার ঘোষিত ২৩ সদস্যের স্কোয়াডে প্রত্যাশিতভাবেই নেই রোনালদো। উয়েফার দেওয়া পর্তুগালের স্কোয়াড লিস্টে নতুন করে জার্সি নম্বরও দেওয়া হয়েছে।  যেখানে দেখা গেছে লিয়াও এখন পর্তুগালের হয়ে ‘৭’ নম্বর পরে নামবেন। সাধারণত ১৭ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামতেন লিয়াও। তিনি ৭ নম্বর পাওয়ায় তার সাবেক ১৭ নম্বর জার্সিটি দেওয়া হয়েছে প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পাওয়া ফাবিও সিভাকে।  আরটিভি/এসআর
রোনালদোর আইকনিক ‘৭ নম্বর’ জার্সি পেলেন পর্তুগালের যে ফুটবলার
‘ডক্টর’ লিওনেল মেসি
ফুটবলে সম্ভাব্য সব শিরোপায় জিতেছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার লিওনেল মেসি। এবার তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে আরও একটি নতুন পরিচয় ‘ডক্টর’ উপাধি যুক্ত হতে যাচ্ছে। আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি এই ফুটবলারকে সম্মানসূচক ডক্টরেট দিতে যাচ্ছে বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মানসূচক স্বীকৃতি এটি। সর্বসম্মতিক্রমে মেসিকে এই সম্মান দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির সুপিরিয়র কাউন্সিল। মূলত মেসির অসাধারণত্ব, অধ্যবসায়, বিনয় এবং আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে তার দায়বদ্ধতাকেই বিশেষভাবে এখানে তুলে ধরা হয়েছে। আগামী ৬ অক্টোবর মেসির হাতে এই সম্মানসূচক ডক্টরেট তুলে দেওয়া হবে। আর দিনটি তার জন্য হয়ে উঠবে আরও আবেগঘন। কারণ, একই দিন, কয়েক ঘণ্টা পরই আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামার কথা রয়েছে রেকর্ড আটবারের এই ব্যালন ডি’অর জয়ীর। মনুমেন্টালে বিশেষভাবে আয়োজিত বিদায়ী ম্যাচে বেনিনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই দুই দশকেরও বেশি সময়ের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন মেসি। দেশের হয়ে এটি তার ২০৮তম ও শেষ ম্যাচ হতে যাচ্ছে। এ নিয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া জানিয়েছেন, মেসিকে “তিনি যে বিদায়ের যোগ্য, সেই বিদায় দেওয়ার জন্যই” এই ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির দীর্ঘ পথচলায় অসংখ্য স্মরণীয় অর্জন রয়েছে। ২০২১ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা এবং ২০২২ বিশ্বকাপ—সবই তার ট্রফি ক্যাবিনেটে জায়গা করে নিয়েছে।  একইসঙ্গে তার পায়ের জাদু আর্জেন্টাইন সমর্থকসহ বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীকে অসংখ্য অবিস্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। তবে বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সম্মান শুধু মেসির ট্রফি কিংবা পরিসংখ্যানের জন্য নয়।  বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বিনয়, অধ্যবসায় এবং আর্জেন্টিনার সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের একজন প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান রিকারদো গেলপি মেসিকে আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের একজন আদর্শ এবং দূত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে, আর্জেন্টিনার বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি শেষবারের মতো গায়ে তোলার আগে মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে যোগ হতে যাচ্ছে আরও একটি বিশেষ পরিচয় ‘ডক্টর মেসি’। আরটিভি/এসআর
‘ডক্টর’ লিওনেল মেসি
আরও পড়ুন
এশিয়ান গেমসের ফাইনালসহ টিভিতে আজকের খেলা
চমক দেখিয়ে বারকোলাকে দলে নিলো লিভারপুল
পিএসজিকে হারিয়ে ফরাসি সুপার কাপ জিতে লাঁসের ইতিহাস
কঠিন শাস্তি পেল ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন পিএসজি