
২০তম এশিয়ান গেমস শুরুর আগেই আবাসন ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় ধরনের বিড়ম্বনায় পড়েছে ভারতীয় অলিম্পিক দল। জাপানের নাগোয়া শহরে এক নারী অ্যাথলেট ও তার পুরুষ কোচকে একই কক্ষ বরাদ্দ দেওয়াকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে তৈরি হয় হট্টগোল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপানে পৌঁছানোর পর থেকেই আবাসন ও লজিস্টিকসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন ভারতীয় দলের সদস্যরা। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ক্রুজ শিপে নারী জিমন্যাস্ট প্রণতি নায়েক ও তার কোচ অশোক মিশ্রকে একই কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বিষয়টি নজরে আসার পর প্রণতি ও তার কোচ আয়োজক ও দলের কর্মকর্তাদের জানান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যার সমাধান হয়নি। কয়েক ঘণ্টা যোগাযোগের পর ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের হস্তক্ষেপে রাত প্রায় দেড়টার দিকে অশোক মিশ্রের জন্য আলাদা কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়।
তবে নতুন কক্ষের চাবি নিতে গিয়ে আরও সমস্যায় পড়েন কোচ অশোক মিশ্র। হোটেল রেজিস্ট্রারে তার বুকিং খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে জানা যায়, অফিসিয়াল নথিতে তার নামের একটি অক্ষর ভুল থাকায় এই জটিলতা তৈরি হয়েছে। নাম সংশোধন ও অ্যাক্রেডিটেশন যাচাই করতে আরও প্রায় ৪৫ মিনিট সময় লাগে।
সব প্রক্রিয়া শেষে অশোক মিশ্র কক্ষে পৌঁছান রাত প্রায় ২টার দিকে।
এনডিটিভিকে প্রণতি নায়েক বলেন, আবাসন নিয়ে একটি গোলমাল হয়েছিল এবং রাত ২টার দিকে সমস্যাটির সমাধান হয়।
শুধু জিমন্যাস্টিকস দলই নয়, ভারতীয় কবাডি দলের সদস্যরাও জাপানে পৌঁছে হোটেল ও দেরিতে চেক-ইনসহ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রশিক্ষণ এবং সময়মতো খাবার পাওয়ার ক্ষেত্রেও কয়েকজন অ্যাথলেট প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতার অভিযোগ করেছেন।
মাঠের লড়াই শুরুর আগে এসব প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত কাটিয়ে উঠে অ্যাথলেটদের প্রতিযোগিতায় মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
আরটিভি/এসকে


