ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আবু সাঈদ সংখ্যাটি ইতিহাসে একটি দলিল হয়ে থাকবে’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
আবু সাঈদকে নিয়ে ‘কালের অক্ষর’ প্রথম সংখ্যার পাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা : ছবি সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে সাহিত্যের মুখপত্র ‘কালের অক্ষর’ বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছে। এতে আবু সাঈদকে নিয়ে গল্প-কবিতা, প্রবন্ধ-নিবন্ধ এবং অভ্যুত্থান বিষয়ক পরবর্তী ভাবনা বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে। সম্প্রতি সংখ্যাটি নিয়ে রাজধানীতে একটি পাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি জাকির আবু জাফর, কবি মনসুর আজিজ, কথাশিল্পী সাজেদা সুলতানা কলি, কবি মামুন সারওয়ার, কবি মোহাম্মদ কুতুবউদ্দিন, কথাশিল্পী সাইফুল ইসলাম জুয়েল ও সম্পাদক মেজবাহ মুকুল।

কবি জাকির আবু জাফর বলেন, কালের অক্ষর মিনিংফুল একটি নাম। শব্দটি বেশি উচ্চারণ করতেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি আল মাহমুদ। আজ সে নামে একটি লিটলম্যাগ প্রকাশিত হয়েছে দেখে বেশ ভালো লাগছে। আরও ভালো লাগছে সংখ্যাটি জুলাইয়ের অন্যতম প্রথম শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সাধারণত লিটলম্যাগ খুব ধীরে এবং লম্বা সময় নিয়ে প্রকাশ হয়। এর মূল কারণ হলো আমাদের সাহিত্যে পৃষ্ঠপোষকতার বড় অভাব। যারা পৃষ্ঠপোষক হওয়ার কথা বিম্মকরভাবে তারা এসব ব্যাপারে বড় উদাসীন। যার কারণে একটি সংখ্যা আলোর মুখ দেখতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। অথবা দেখেই না। তবু সংখ্যাটি নিয়মিত যেন প্রকাশিত হয় সে কামনা রইল।

আরও পড়ুন

কালের অক্ষর প্রকাশ নিয়ে কবি মনসুর আজিজ বলেন, সম্পাদক এখানে খুব ভালো একটি বিষয় তুলে ধরেছে সেটি হলো ‘জুলাইয়ের আইকন আবু সাঈদ’। আবু সাঈদের শহীদ হওয়ার মধ্য দিয়ে জুলাই একটি নতুন জাগরণ, নতুন একটি বিস্ফোরণ, নতুন একটি আন্দোলন এবং নতুন একটি ভাষার জন্ম দিয়েছে। কোনো বই বা পত্রিকা যদি মানুষের জন্য হয়ে থাকে সেটি কখনো হারিয়ে যায় না।

তিনি আরও বলেন, অনেকদিন থেকেই মেজবাহ মুকুল চেষ্টা করছে একটি লিটলম্যাগ করার। অবশেষে সে সফল হয়েছে। তার এ পথচলা দীর্ঘ হোক। কালের অক্ষরকে ঘিরে নতুন একটি লেখক সমাজ গড়ে উঠুক সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

কবি মামুন সারওয়ার বলেন, লিটল ম্যাগাজিন একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য মাধ্যম। লিটলম্যাগ সংগ্রহ করেন বোদ্ধা সাহিত্যিকরা। কালের অক্ষর প্রথম সংখ্যাটি জুলাইয়ের আইকন আবু সাঈদকে নিয়ে করেছে এটা খুব ভালো লাগল। আমি আশা করবো কালের অক্ষর প্রকাশে ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

কবি মোহাম্মদ কুতুবউদ্দিন বলেন, বিপ্লবের অন্যতম মহানায়ক আবু সাঈদকে নিয়ে কালের অক্ষর এই যে সংখ্যাটি করেছে এটি ইতিহাস হয়ে থাকবে। এই ধরনের সংখ্যা থেকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম জানতে পারবে আবু সাঈদ কে ছিলেন। ২৪ কী ছিল। আমি চাইবো এ ধরনের সংখ্যা বাজারে আরও আসুক।

আরও পড়ুন

কথাশিল্পী সাইফুল ইসলাম বলেন, একটি লিটলম্যাগ প্রকাশ করা কিন্তু চাট্টিখানি কথা নয়। বাংলাদেশে যে লিটলম্যা আন্দোলন শুরু হয়েছিল সেটা স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে। সেখানে কালের অক্ষর জুলাইয়ের মতো একটি সময়ে প্রকাশিত হয়েছে এটাই বড় কথা। সবচেয়ে বড় কথা ম্যাগাজিনটা মানসম্মত হয়েছে। আশাকরি পাঠকরাও দারুণ সাড়া দেবেন।

দীর্ঘ দুই বছরের সাধনায় ‘কালের অক্ষর’ লিটলম্যাগ আলোর মুখ দেখল সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য এটি একটি আনন্দের সংযোজন। এখানে আবু সাঈদ সংখ্যাটির যত্নশীল সম্পাদনা, সাহিত্যচর্চার প্রতি নিষ্ঠা, মানসম্মত কাগজ এবং ঝকঝকে ছাপা—সব মিলিয়ে প্রথম দর্শনেই পত্রিকাটি মনোমুগ্ধকর। পত্রিকাটি দীর্ঘ পথচলায় বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করুক।

সম্পাদক মেজবাহ মুকুল বলেন, ১৬ জুলাই ২০২৪। ওইদিন আবু সাঈদ মারা গেল। এ দৃশ্য দেখে আমি বেশ ক’রাত ঘুমাতে পারিনি এবং কিছু করতেও পারছি না। সে সময় আবু সাঈদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অনেক লেখালেখি হচ্ছিল। আমার কাছে তখন মনে হয়েছে সবাই যদি যুদ্ধে যাই তবে ইতিহাস লিখবে কে? তখনকার অনেক লেখাই দেখলাম গ্রন্থভুক্ত হওয়ার মতো। তখন আমি লেখা সংগ্রহ শুরু করি এবং সে চিন্তা থেকেই আবু সাঈদ সংখ্যাটির জন্ম।

তিনি আরও বলেন, কালের অক্ষর প্রকাশের মাধ্যমে আবু সাঈদ সংখ্যাটি ইতিহাসে একটি দলিল হয়ে থাকবে বলেই আমার বিশ্বাস।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন
সাহসী ও উদ্ভাবনী সাতিহ্যকর্মের জন্য এ বছর নোবেলে পেয়েছেন কানাডার লেখক অ্যান কারসন। সৃজনশীল সংলাপের মাধ্যমে সমসাময়িক সাহিত্যে প্রাচীন ঐতিহ্যকে নতুন করে ফুটিয়ে তোলা এবং তার উদ্ভাবনী ও বৈচিত্র্যময় লেখার আধুনিক সাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করায় তাকে এ বছর নোবেল দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সুইডিশ একাডেমি।
সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন
নজরুলের দর্শন আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক অবক্ষয়ের মহৌষধ: মার্কিন গবেষক
কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও রাজনৈতিক দর্শনকে আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক খণ্ডন এবং কাঠামোগত নৈতিক অবক্ষয় নিরাময়ের এক চূড়ান্ত রূপরেখা হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রখ্যাত মার্কিন রাজনীতিবিজ্ঞানী ও ইমেরিটাস অধ্যাপক উইনস্টন ই. ল্যাংলি। দীর্ঘ তিন দশকের গভীর গবেষণার ওপর ভিত্তি করে তিনি নজরুলের এই বৈশ্বিক উপযোগিতা তুলে ধরেন।
নজরুলের দর্শন আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক অবক্ষয়ের মহৌষধ: মার্কিন গবেষক
‘বাংলা একাডেমি ফন্ট’-এর উদ্বোধন
‘তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ’ প্রকল্পের আওতায় প্রস্তুতকৃত ‘বাংলা একাডেমি ফন্ট’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
‘বাংলা একাডেমি ফন্ট’-এর উদ্বোধন
বাংলাদেশ নজরুল আবৃত্তি পরিষদ-এর নতুন কমিটি ঘোষণা
বাংলাদেশ নজরুল আবৃত্তি পরিষদ-এর নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি শায়লা আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সৈয়দ আল জাবের নির্বাচিত হয়েছেন। পরবর্তী দুই বছর অর্থাৎ ২০২৬–২০২৮ মেয়াদে এ নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
বাংলাদেশ নজরুল আবৃত্তি পরিষদ-এর নতুন কমিটি ঘোষণা
নজরুলের অমর সৃষ্টি নিয়ে বিশেষ আয়োজন ‘চিরন্তন: আমারে দেব না ভুলিতে’ 
কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার (৪ অক্টোবর) মেলবোর্নের ড্যানডেনংয়ের ড্রাম থিয়েটারে ‘চিরন্তন: আমারে দেব না ভুলিতে’ নামে একটি স্মরণানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলবোর্ন সময় বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা থেকে ০২:৩০টা পর্যন্ত) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় ৩৬০জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন। মেলবোর্নপ্রবাসী নজরুলসংগীতশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কিউরেটর আদিলা নূরের পরিকল্পনা ও সৃজনশীল নির্দেশনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে গান, কবিতা, নৃত্য ও নাটকের মাধ্যমে বিদ্রোহী কবির সৃষ্টিশীলতা ও মানবিক দর্শনকে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল নজরুল রচিত নাটক ‘ঝিলিমিলি’ ও গীতিনাট্য ‘কাবেরী তীরে’-এর মঞ্চায়ন। অস্ট্রেলিয়ায় এই প্রথমবারের মতো নাটক দুটির মঞ্চায়ন হলো। এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি বিশেষ তাৎপর্য অর্জন করে। অনুষ্ঠানের সংগীত পরিচালক আদিলা নূর বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা নজরুলের সৃষ্টিশীলতার বহুমাত্রিক দিকগুলো তুলে ধরতে চেয়েছি। আমাদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তার সাম্য, ভালোবাসা ও মানবতার চিরন্তন বার্তা নতুন প্রজন্মকে আলোড়িত করবে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ। শেকড় থেকে দূরে বসবাসের কারণে আমাদের জন্য সেটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয় ‘সুর ও বাণীর অর্ঘ্য’ দিয়ে। এতে নজরুলের নির্বাচিত চারটি গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশিত হয়। স্থানীয় নৃত্যশিল্পী ক্রিস ও অনিলের দ্বৈত নৃত্যের মধ্য দিয়ে পর্বটি শুরু হয়। এ পর্বের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নজরুলের কবিতা ‘অভিশাপ’ ও গান ‘শূন্য এ বুকে’-এর সমন্বয়ে একটি বিশেষ পরিবেশনা, যেখানে তন্বীপ্রিয়া আবৃত্তি এবং আদিলা নূর সংগীত পরিবেশন করেন। ‘ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি’ গানের মধ্য দিয়ে পর্বটির সমাপ্তি ঘটে। ২০২৩ সালের নজরুল পুরষ্কারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইরশাদ আহমেদ শাহীন অনুষ্ঠানে নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও দর্শনের ওপর মূল বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, নজরুল শুধু বিদ্রোহী কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন মানবতা, সাম্য ও সামাজিক সম্প্রীতিরও শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। বাংলাদেশের বাইরে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর দর্শন পৌঁছে দিতে ‘চিরন্তন’-এর মতো আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মঞ্চস্থ হয় নজরুলের গীতিনাট্য ‘ঝিলিমিলি’। বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব বৃন্দাবন দাসের নির্দেশনায় এতে অভিনয় করেন বৃন্দাবন দাস, শাহানাজ খুশী, দিব্য জ্যোতি ও সৌতি মালবিকা। মেলবোর্নপ্রবাসী সংগীতশিল্পী অর্পণ ও আদিলা নূরের সংগীত পরিবেশনা নাট্য পরিবেশনাটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মঞ্চস্থ হয় ‘কাবেরী তীরে’ কাবেরী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এক প্রেমের গল্পকে কেন্দ্র করে রচিত নজরুলের গীতিনাট্য এটি। মেলবোর্নপ্রবাসী পূরবী চৌধুরীর নির্দেশনা ও কোরিওগ্রাফিতে পরিবেশিত এ আয়োজনে অংশ নেন একদল নৃত্যশিল্পী। একইসাথে, নজরুলসংগীতশিল্পী অজয় রায় ও আদিলা নূর সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি স্মারক সংকলনও প্রকাশিত হয়। এতে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের লেখা স্থান পায়। তাদের মধ্যে রয়েছেন সংগীতশিল্পী, শিক্ষক ও সংগঠক খায়রুল আনাম শাকিল; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারপারসন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রিয়াঙ্কা গোপ; সংগীতশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. লীনা তাপসী খান; ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়ার কলা ও সংস্কৃতি অনুষদের ডিন এবং ২০২৩ সালের নজরুল পুরষ্কারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইরশাদ আহমেদ শাহীন; আন্তর্জাতিক উন্নয়নকর্মী, শিক্ষাবিদ ও রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ড. চঞ্চল খান; এবং ছায়ানটের শিক্ষক ও সংগীতশিল্পী শারমিন সাথী ময়না। অনুষ্ঠানটি দর্শকদের উচ্ছ্বসিত করতালি ও স্ট্যান্ডিং ওভেশনের মাধ্যমে প্রশংসিত হয়। নজরুলের সৃষ্টির চিরকালীন প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরার পাশাপাশি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের বাঙালিদের সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক শেকড়ের সংযোগ আরও দৃঢ় করার বার্তাও উঠে আসে। আরটিভি/এসকে
নজরুলের অমর সৃষ্টি নিয়ে বিশেষ আয়োজন ‘চিরন্তন: আমারে দেব না ভুলিতে’ 
আরও পড়ুন
আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থানের উন্নয়নে এক কোটি টাকা দেওয়া হবে: শাহে আলম
যে ভুলে অজান্তেই বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা অফিসে হিন্দুত্ববাদীদের হামলা
শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নামফলক বহাল, বিসিবির বার্তা