ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আবু সাঈদ সংখ্যাটি ইতিহাসে একটি দলিল হয়ে থাকবে’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
আবু সাঈদকে নিয়ে ‘কালের অক্ষর’ প্রথম সংখ্যার পাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা : ছবি সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে সাহিত্যের মুখপত্র ‘কালের অক্ষর’ বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছে। এতে আবু সাঈদকে নিয়ে গল্প-কবিতা, প্রবন্ধ-নিবন্ধ এবং অভ্যুত্থান বিষয়ক পরবর্তী ভাবনা বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে। সম্প্রতি সংখ্যাটি নিয়ে রাজধানীতে একটি পাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি জাকির আবু জাফর, কবি মনসুর আজিজ, কথাশিল্পী সাজেদা সুলতানা কলি, কবি মামুন সারওয়ার, কবি মোহাম্মদ কুতুবউদ্দিন, কথাশিল্পী সাইফুল ইসলাম জুয়েল ও সম্পাদক মেজবাহ মুকুল।

কবি জাকির আবু জাফর বলেন, কালের অক্ষর মিনিংফুল একটি নাম। শব্দটি বেশি উচ্চারণ করতেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি আল মাহমুদ। আজ সে নামে একটি লিটলম্যাগ প্রকাশিত হয়েছে দেখে বেশ ভালো লাগছে। আরও ভালো লাগছে সংখ্যাটি জুলাইয়ের অন্যতম প্রথম শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সাধারণত লিটলম্যাগ খুব ধীরে এবং লম্বা সময় নিয়ে প্রকাশ হয়। এর মূল কারণ হলো আমাদের সাহিত্যে পৃষ্ঠপোষকতার বড় অভাব। যারা পৃষ্ঠপোষক হওয়ার কথা বিম্মকরভাবে তারা এসব ব্যাপারে বড় উদাসীন। যার কারণে একটি সংখ্যা আলোর মুখ দেখতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। অথবা দেখেই না। তবু সংখ্যাটি নিয়মিত যেন প্রকাশিত হয় সে কামনা রইল।

আরও পড়ুন

কালের অক্ষর প্রকাশ নিয়ে কবি মনসুর আজিজ বলেন, সম্পাদক এখানে খুব ভালো একটি বিষয় তুলে ধরেছে সেটি হলো ‘জুলাইয়ের আইকন আবু সাঈদ’। আবু সাঈদের শহীদ হওয়ার মধ্য দিয়ে জুলাই একটি নতুন জাগরণ, নতুন একটি বিস্ফোরণ, নতুন একটি আন্দোলন এবং নতুন একটি ভাষার জন্ম দিয়েছে। কোনো বই বা পত্রিকা যদি মানুষের জন্য হয়ে থাকে সেটি কখনো হারিয়ে যায় না।

তিনি আরও বলেন, অনেকদিন থেকেই মেজবাহ মুকুল চেষ্টা করছে একটি লিটলম্যাগ করার। অবশেষে সে সফল হয়েছে। তার এ পথচলা দীর্ঘ হোক। কালের অক্ষরকে ঘিরে নতুন একটি লেখক সমাজ গড়ে উঠুক সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

কবি মামুন সারওয়ার বলেন, লিটল ম্যাগাজিন একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য মাধ্যম। লিটলম্যাগ সংগ্রহ করেন বোদ্ধা সাহিত্যিকরা। কালের অক্ষর প্রথম সংখ্যাটি জুলাইয়ের আইকন আবু সাঈদকে নিয়ে করেছে এটা খুব ভালো লাগল। আমি আশা করবো কালের অক্ষর প্রকাশে ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

কবি মোহাম্মদ কুতুবউদ্দিন বলেন, বিপ্লবের অন্যতম মহানায়ক আবু সাঈদকে নিয়ে কালের অক্ষর এই যে সংখ্যাটি করেছে এটি ইতিহাস হয়ে থাকবে। এই ধরনের সংখ্যা থেকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম জানতে পারবে আবু সাঈদ কে ছিলেন। ২৪ কী ছিল। আমি চাইবো এ ধরনের সংখ্যা বাজারে আরও আসুক।

আরও পড়ুন

কথাশিল্পী সাইফুল ইসলাম বলেন, একটি লিটলম্যাগ প্রকাশ করা কিন্তু চাট্টিখানি কথা নয়। বাংলাদেশে যে লিটলম্যা আন্দোলন শুরু হয়েছিল সেটা স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে। সেখানে কালের অক্ষর জুলাইয়ের মতো একটি সময়ে প্রকাশিত হয়েছে এটাই বড় কথা। সবচেয়ে বড় কথা ম্যাগাজিনটা মানসম্মত হয়েছে। আশাকরি পাঠকরাও দারুণ সাড়া দেবেন।

দীর্ঘ দুই বছরের সাধনায় ‘কালের অক্ষর’ লিটলম্যাগ আলোর মুখ দেখল সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য এটি একটি আনন্দের সংযোজন। এখানে আবু সাঈদ সংখ্যাটির যত্নশীল সম্পাদনা, সাহিত্যচর্চার প্রতি নিষ্ঠা, মানসম্মত কাগজ এবং ঝকঝকে ছাপা—সব মিলিয়ে প্রথম দর্শনেই পত্রিকাটি মনোমুগ্ধকর। পত্রিকাটি দীর্ঘ পথচলায় বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করুক।

সম্পাদক মেজবাহ মুকুল বলেন, ১৬ জুলাই ২০২৪। ওইদিন আবু সাঈদ মারা গেল। এ দৃশ্য দেখে আমি বেশ ক’রাত ঘুমাতে পারিনি এবং কিছু করতেও পারছি না। সে সময় আবু সাঈদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অনেক লেখালেখি হচ্ছিল। আমার কাছে তখন মনে হয়েছে সবাই যদি যুদ্ধে যাই তবে ইতিহাস লিখবে কে? তখনকার অনেক লেখাই দেখলাম গ্রন্থভুক্ত হওয়ার মতো। তখন আমি লেখা সংগ্রহ শুরু করি এবং সে চিন্তা থেকেই আবু সাঈদ সংখ্যাটির জন্ম।

তিনি আরও বলেন, কালের অক্ষর প্রকাশের মাধ্যমে আবু সাঈদ সংখ্যাটি ইতিহাসে একটি দলিল হয়ে থাকবে বলেই আমার বিশ্বাস।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ সাহিত্যিক পেলেন দোনাগাজী পদক
চাঁদপুরের সংগঠন ‘চর্যাপদ একাডেমি সাহিত্য উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখায় সাত সাহিত্যিককে দোনাগাজী পদক দেওয়া হয়।
৭ সাহিত্যিক পেলেন দোনাগাজী পদক
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই
কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রকাশক কাদের বাবু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।  তিনি রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। আমীরুল ইসলামের বড় ভাই কামাল আহমেদ ও ‘ছোটদের সময়’ সম্পাদক শিশুসাহিত্যিক মামুন সারওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। আমীরুল ইসলামের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। তার প্রকাশিত সব বইই শিশুসাহিত্যের। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে শিশুদের জন্য গল্প, ছড়া ও নানা ধরনের সৃজনশীল লেখা লিখেছেন তিনি। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন আমীরুল ইসলাম। তিনি চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আরটিভি/টিআর
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই
লাইফ সাপোর্টে শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম
বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।
আমীরুল ইসলাম-ছবি: সংগৃহীত
‘নজরুলের চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকের হৃদয়েও পৌঁছে দিতে হবে’
অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ বলেছেন, নজরুলকে কেবল বাঙালির কবি হিসেবে বন্দি না রেখে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার যে সুযোগ কবি নজরুল ইন্সটিটিউটের ২০২৫ সালের কমিটির মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, তা যেন বিন্দুমাত্র ম্লান না হয়। অনুবাদক হিসেবে আমাদের কাজ হলো নজরুলের সেই অম্লান চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকদের হৃদয়েও জ্বেলে দেওয়া। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে বাংলা একাডেমিতে সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আলমগীর বলেন, কবিতা, গান, উপন্যাস, ছোটোগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, চিঠিপত্র এবং অভিভাষণ—সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় নজরুল এক স্বতন্ত্র ও অবিস্মরণীয় স্বাক্ষর রেখে গেছেন। সাম্য, মানবতা, বিদ্রোহ ও প্রেমের কবি, এবং তার এই কালজয়ী সাহিত্যকর্মকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়ার প্রধান মাধ্যম হলো-এর মানসম্মত ও বস্তুনিষ্ঠ অনুবাদ। দুর্ভাগ্যবশত, নজরুলের সমসাময়িক অনেক বিশ্বসাহিত্যিক যেভাবে বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন, নজরুল সেখানে অনেকটাই উপেক্ষিত রয়ে গেছেন। তার সাহিত্যের যে গভীরতা ও বৈশ্বিক আবেদন, সেই তুলনায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার পরিচিতি এখনো সীমিত। আরও পড়ুন মনসুর আজিজের অষ্টাদশপদী কবিতা: বাংলা কবিতার নতুন সম্ভাবনা একাডেমির সহপরিচালক ড. মাহবুবা রহমান সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা। নজরুল সাহিত্য অনুবাদের অভিজ্ঞতা ও অনুধ্যান শীর্ষক বক্তৃতা রাখেন অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাহিত্যিক ও অনুবাদক রাজু আলাউদ্দিন এবং নজরুল গবেষক ও অনুবাদক ইরশাদ আহমেদ শাহীন। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, নজরুল আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সাহিত্য বাংলা ভাষার গর্বই শুধু নয় বরং একইসঙ্গে বিশ্বসভ্যতার সম্পদ। তার সাহিত্যকর্মকে অনুবাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আরও পড়ুন সাহিত্যদেশ: রুচিশীল সাহিত্যচর্চার আশাব্যঞ্জক যাত্রা সভাপ্রধানের বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, নজরুল-বর্ষে আমরা নজরুল বিষয়ক গবেষণা ও অনুবাদকর্মের দিকে ফিরে তাকাতে চাই। ভবিষ্যতে নজরুল-রচনা অনুবাদের পরিধি গুণে-মানে আরও বিস্তৃত হবে এবং বিশ্বপাঠক নজরুলের সাহিত্যকর্মের নিবিড় পরিচয় লাভ করবেন। পরে অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী টিটো মুন্সী। নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফেরদৌস আরা, শহীদ কবির পলাশ ও শাহীনুর রেজা। আরটিভি/এমএম
‘নজরুলের চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকের হৃদয়েও পৌঁছে দিতে হবে’
সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’
প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার রচনা ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’ নিয়ে শ্রুতি পাঠের আয়োজন করেছে ধ্রুপদী আর্ট সেন্টার। শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। ৪৫ মিনিটব্যাপী শ্রুতি পাঠটির নির্দেশনায় থাকবেন সামিউন জাহান দোলা। ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’ সেলিম আল দীনের প্রেমভাবনার এক অন্তরঙ্গ ও কাব্যিক অনুধ্যান। রচনাটিতে প্রেমকে শুধু প্রণয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি; বরং মানুষ, প্রকৃতি, স্মৃতি ও জগতের সঙ্গে মানুষের চিরন্তন সংযোগের গভীর অনুভব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আরও পড়ুন কারিনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন, যা জানা গেল আয়োজকদের ভাষ্য, রচনাটিতে প্রতিটি সম্পর্ক ও বন্ধন কীভাবে মানুষের মনে চিহ্ন রেখে যায়, ভাঙন কীভাবে কখনো কখনো নতুন সংযোগের আরেক রূপ হয়ে ওঠে এবং প্রেম কীভাবে আত্মার সীমা অতিক্রম করেও টিকে থাকে—সেসব অনুভূতিরই কাব্যিক প্রকাশ ঘটেছে। সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ শ্রুতি পাঠের মধ্য দিয়ে তার সাহিত্যকর্মের একটি বিশেষ দিক দর্শক-শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। শ্রুতি পাঠের পাশাপাশি আয়োজনে সেলিম আল দীনকে নিয়ে স্মৃতিচারণামূলক আলোচনায় অংশ নেবেন নির্মাতা ও অভিনেতা আফজাল হোসেন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. ইউসুফ হাসান অর্ক, মানবাধিকার নাট্যকর্মী জাহিদুল আলম হিটো এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী শুসমিন আফসানা। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে ধ্রুপদী আর্ট সেন্টার। এতে সহযোগিতা করছে ফেনীর সেলিম আল দীন কেন্দ্র। আরটিভি/জেএমএ
সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’
আরও পড়ুন
ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা অফিসে হিন্দুত্ববাদীদের হামলা
শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নামফলক বহাল, বিসিবির বার্তা
সাহিত্যদেশ: রুচিশীল সাহিত্যচর্চার আশাব্যঞ্জক যাত্রা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী