ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই আছেন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনিয়ম দেখলেই ছুটে যেতেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। যাত্রী হয়রানি, লাগেজ চুরি কিংবা বিমানবন্দরের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কারণে অল্প সময়েই যাত্রীদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার পাশাপাশি অনেকে তাকে ডাকতেন ‘ফাটাকেষ্ট’ নামে।

তবে বেশ কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নওশাদ খানকে আগের মতো দেখা না যাওয়ায় ছড়িয়ে পড়ে নানা গুঞ্জন। ফেসবুক ও ইউটিউবে তার বদলির খবরও ছড়িয়ে পড়ে। প্রশ্ন ওঠে ‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখন কোথায়?

তবে এসব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে নওশাদ খান জানিয়েছেন, তিনি এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের এক গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ও তিনি বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করছিলেন।

২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন শুরু করেন নওশাদ খান। দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে তার অভিযান ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

লাগেজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও যাত্রী হয়রানি কমাতেও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়। লাগেজ হ্যান্ডলিং ও রিলিজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের বডি-ক্যামেরার আওতায় আনা, গুরুত্বপূর্ণ কন্টাক্ট জোনে সিসিটিভি স্থাপন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ফুটেজ সংরক্ষণের মতো উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল।

এসব কারণে বিমানবন্দরে কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলেই আলোচনায় আসত নওশাদ খানের নাম। তার তৎপরতায় অনেক যাত্রী ও প্রবাসীর মধ্যে আস্থাও তৈরি হয়েছিল।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে আবারও বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা নিয়ে নানা অভিযোগ সামনে আসছে। দীর্ঘ অপেক্ষা, লাগেজ পেতে বিলম্ব, ট্রলির সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন যাত্রীরা।

সম্প্রতি মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি সরবরাহ নিয়ে উত্তেজনার ঘটনাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত মেজর ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে সরকারি কাজে বাধা, হুমকি ও নিরাপত্তাকর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও নওশাদ খানের পুরোনো অভিযানগুলোর ভিডিও ও খবর ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, যাত্রীদের অভিযোগে দ্রুত ছুটে যাওয়া সেই কর্মকর্তা এখন কোথায়? কেউ কেউ তাকে আবারও সক্রিয়ভাবে বিমানবন্দরের অনিয়ম তদারকিতে দেখতে চেয়ে পোস্ট ও মন্তব্য করেন।

তবে নওশাদ খান জানিয়েছেন, তিনি বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে কোথায় কী দায়িত্বে আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখনও বিমানবন্দরেই আছি। একটু আগে লাগেজের কাজ করলাম। এসব খবর অনলাইনে দেখছি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে আগের মতো দেখা না যাওয়ার কারণও জানিয়েছেন নওশাদ। তিনি বলেন, ‘আমি তেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় আসি না। এড়িয়ে চলি।

বিমানবন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কিছু আসলে শোনা যায়। কিন্তু আমাদের কাছে নির্দিষ্ট করে কেউ কোনো অভিযোগ জানালে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিই। সাধারণ মানুষকে বলব, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানাতে। তাহলে প্রতিকার পাবেনই।

অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও ‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখনও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢামেক চত্বরে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট, রোগী-স্বজনদের ভোগান্তি
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল চত্বরে পার্কিংয়ের জায়গা বরাদ্দের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেছেন বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকেরা। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।
ঢামেক চত্বরে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট, রোগী-স্বজনদের ভোগান্তি
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ১২ নারীকে চীনে পাচারের চেষ্টা
উচ্চ বেতনে চাকরি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রলোভনে চীনে পাচারের উদ্দেশে আটকে রাখা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ১২ নারীকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১)।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ১২ নারীকে চীনে পাচারের চেষ্টা
গাড়িতে লেখা ‘প্রেস’, ৫২০০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ভুয়া সাংবাদিক
রাজধানীর কদমতলীতে ৫ হাজার ২০০ পিস ইয়াবাসহ হোসাইন শরীফ ওরফে সোহেল (৪৫) নামের এক ভুয়া সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।  তার গাড়িতে ‘প্রেস’ লেখা স্টিকার ও ক্যামেরা-বুম থাকলেও তিনি কোনো গণমাধ্যমে কাজ করেন না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আজ মঙ্গলবার সকালে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। পরিদর্শক মো. লোকমান হোসেনের নেতৃত্বে অধিদপ্তরের একটি চৌকস দল অভিযানে অংশ নেয়। অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় কক্সবাজার থেকে আসা একটি সাদা রঙের নোয়া (NOAH) মাইক্রোবাস ঘেরাও করা হয়। গাড়িটিতে ‘প্রেস’ লেখা স্টিকার সাঁটানো ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হোসাইন শরীফ কোনো গণমাধ্যমে কর্মরত থাকার বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে তার গাড়ি ও শরীর তল্লাশি করা হয়। এ সময় গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের পাশের বক্স থেকে ২১টি পলি প্যাকেটে ৪ হাজার ২০০ পিস এবং তার প্যান্টের ডান পকেট থেকে আরও ৫টি প্যাকেটে ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়। জব্দ তালিকার অন্যান্য আলামতের মধ্যে রয়েছে—একটি প্যানাসনিক ভিডিও ক্যামেরা, দুটি বুম, তিনটি মোবাইল ফোন এবং এশিয়ান টেলিভিশনের একটি স্টিকার। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছেন, তিনি আগে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে সাংবাদিকতা ছেড়ে ক্যামেরা, বুম ও গাড়িতে ‘প্রেস’ স্টিকার ব্যবহারের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এই অভিযান চালানো হয়েছে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/এসআর  
গাড়িতে লেখা ‘প্রেস’, ৫২০০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ভুয়া সাংবাদিক
জুস খাইয়ে চালককে অচেতন করে রিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল স্টেশনের বি-গেটের সামনে চেতনানাশক মেশানো জুস খাইয়ে এক রিকশাচালককে অচেতন করে তাঁর রিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে। এ সময় কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের তৎপরতায় রিকশাটি উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী রিকশাচালকের নাম মো. ফারুক হোসেন। তাঁর বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ থানার রসুলপুর গ্রামে। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহকারী পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাকিব এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার সময় মেট্রোরেল স্টেশনের বি-গেটের সামনে টহল দিচ্ছিলেন আনসার সদস্যরা। তাঁরা রিকশাচালককে অচেতন করে রিকশা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে দেখে দ্রুত এগিয়ে যান। তাঁদের হস্তক্ষেপে ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। আনসার সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরে অচেতন রিকশাচালককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলে তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠেন। উদ্ধার করা রিকশা, নগদ ১ হাজার ২০০ টাকা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন এমআরটি পুলিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘটনার সময় দায়িত্বে ছিলেন এপিসি মো. মতিন বিশ্বাস এবং আনসার সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. হাফিজুর রহমান, মো. মাসুম হোসেন ও মো. রবিউল ইসলাম। আরটিভি/এসআর  
জুস খাইয়ে চালককে অচেতন করে রিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা
যে কারণে পুরো দেশ বিদ্যুৎহীন হয়ে গেলেও চলবে মেট্রোরেল
জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে সারা দেশ বিদ্যুৎহীন হয়ে গেলেও মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হবে না বলে জানিয়েছে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয় গ্রিডের একাংশে বিপর্যয়ের কারণে  দুই ঘণ্টার মতো সময় বিদ্যুৎহীন ছিল ঢাকার একাংশসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা। মেট্রোরেল লাইনের একটি সাবস্টেশনেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে মেট্রোরেল চলাচলে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। বিষয়ে ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মেট্রোরেল চলাচল ব্যাহত হয়নি। তারা উত্তরা সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ পেয়েছেন। ঢাকার উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে এখন মেট্রোরেল চলাচল করে। মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য উত্তরা ও মতিঝিলে দুটি সাবস্টেশন রয়েছে।  ডিএমটিসিএল সূত্র জানিয়েছে, আজ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পর মতিঝিলের সাবস্টেশনটি বন্ধ হয়ে যায়। এ সাবস্টেশনে মানিকনগর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। অন্যদিকে উত্তরা সাবস্টেশনে বিদ্যুৎ আসে টঙ্গী থেকে। মতিঝিল সাবস্টেশন বন্ধ হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা উত্তরা সাবস্টেশনের আওতায় চলে যায়। ফলে উত্তরা সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে মেট্রোরেল চলাচল অব্যাহত থাকে বলে জানিয়েছেন ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা। ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও মেট্রোরেল চালু রাখার জন্য দুটি বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। এর একটি ৩৩ কেভি জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা। অন্যটি হলো ইমার্জেন্সি সাব সিস্টেম (ইএসএস)। ৩৩ কেভি জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ডিএমটিসিএলের নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা। জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে এই ব্যবস্থা কাজে লাগানো হবে। এর মাধ্যমে অন্তত দুই ঘণ্টা মেট্রোরেল চালু রাখা সম্ভব। এই ব্যবস্থার বিদ্যুৎ সরবরাহ শেষ হলে চালু করা যাবে ইএসএস। এটি মূলত ব্যাটারির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংরক্ষণের ব্যবস্থা। জরুরি পরিস্থিতিতে এই সংরক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যায়। এ ব্যবস্থায় আরও এক ঘণ্টা মেট্রোরেল চালানো সম্ভব। অর্থাৎ, জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে প্রথমে জরুরি বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা এবং পরে ব্যাটারিতে সংরক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে। তবে এই দুই ব্যবস্থার বিদ্যুৎও শেষ হয়ে গেলে এবং এর মধ্যে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। ডিএমটিসিএলের পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, সারা দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও বিকল্প ব্যবস্থায় তিন ঘণ্টা মেট্রোরেল চালানো যাবে। আরটিভি/এসআর
যে কারণে পুরো দেশ বিদ্যুৎহীন হয়ে গেলেও চলবে মেট্রোরেল
আরও পড়ুন
শাহজালাল বিমানবন্দরের স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন
শাহজালালে সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী
ঢাকায় বিমানের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ
ভাড়ায় ডাকাতি করতে বিমানে দেশে, কাজ শেষে ফেরেন ইউরোপে