ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশজুড়ে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, চরম ভোগান্তি

আব্দুল হামিদ, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

দেশজুড়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)–এর তীব্র সংকটে পড়েছেন বাসাবাড়ির ভোক্তা ও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা। সুনামগঞ্জ, ঢাকার সাভার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং গাজীপুরের কালিয়াকৈরসহ বিভিন্ন এলাকায় দ্বিগুণ দাম দিয়েও এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও গ্যাসের অভাবে বন্ধ হওয়ার পথে পরিবহন ব্যবস্থা।

ডিলারদের দাবি, কোম্পানি থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়েছে। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, সংকটের সুযোগ নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন।

গত ৮ জানুয়ারি পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানার প্রতিবাদে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেয় এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতি। এমন সময় এই ঘোষণা আসায় বাজারে আরও সংকট তৈরি হয়। পরে সরবরাহ চালুর কথা বলা হলেও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি।

সুনামগঞ্জে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৩০৬ টাকা হলেও তা বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। একজন গ্রাহক বলেন, আগে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকায় গ্যাস পাওয়া যেত, এখন ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকার নিচে মিলছে না। এতে নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে রান্নার গ্যাস কেনা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

রাঙ্গামাটিতে গ্যাসের সংকটে বন্ধের পথে জেলার একমাত্র সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা। শহরের তিনটি গ্যাস পাম্প বন্ধ রয়েছে। এক চালক বলেন, গ্যাস না থাকলে আমরা গাড়ি চালাব কীভাবে? দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও যাত্রীদের সিএনজি পাওয়া যাচ্ছে না।

ঢাকার সাভারে এলপিজি সংকটের কারণে অনেকে রান্নার বিকল্প হিসেবে আবার মাটির চুলা ব্যবহার শুরু করেছেন। এক বাসিন্দা বলেন, সরকারি গ্যাস নেই, এলপিজির দামও যদি এভাবে বাড়ে, তাহলে সাধারণ মানুষ কী করবে?

আরও পড়ুন

খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, ডিলাররা বেশি লাভের আশায় সরাসরি গ্রাহকদের কাছে গ্যাস বিক্রি করছেন, ফলে দোকানিরা সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অনেক দোকানে সিলিন্ডার থাকলেও দাম এত বেশি যে নিম্ন আয়ের মানুষ কিনতে পারছেন না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়ও একই চিত্র। দোকানে দোকানে ঘুরেও গ্যাস পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। ডিলাররা জানান, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে কোম্পানি পর্যাপ্ত সরবরাহ দিচ্ছে না। এদিকে, অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রি রোধে বাজার মনিটরিং জোরদার করার কথা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরও জরিমানা করছে।

সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে দ্রুত সংকট সমাধান না হলে এলপিজি বাজারের এই অস্থিরতা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
প্রভাবশালীর বাধায় বন্ধ হয়ে গেল রাস্তার কাজ, ভোগান্তিতে গ্রামবাসী
টানা বৃষ্টিতে গুলশান লিংক রোডে ধস, চরম ভোগান্তি
লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা
ধুলায় নাকাল হিলিবাসী, চরম ভোগান্তি