ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

শীত-কুয়াশার দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত ধানের বীজতলা, ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কা

আব্দুল হামিদ, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে দেশের বিভিন্ন জেলায় ধানের বীজতলাসহ নানা ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। উত্তরের জেলা পাবনায় ঘন কুয়াশা ও প্রচণ্ড ঠান্ডায় ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সূর্যের দেখা না মেলায় ধানের চারা হলদে হয়ে পচে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা। পাবনা জেলার নয়টি উপজেলায় বর্তমানে বড় ধানের বীজতলা তৈরি করছেন কৃষকেরা। তবে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে অনেক জায়গায় বীজতলা রক্ষা করা যাচ্ছে না।

একাধিক কৃষক জানান, বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নতুন করে চারা তৈরি করতে হবে, এতে খরচ আরও বাড়বে। এর মধ্যেই উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা নিরুপায় হয়ে পড়েছেন। ন্যায্যমূল্য না পেলে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া কঠিন হবে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

বীজতলা রক্ষায় কৃষি বিভাগ ছত্রাকনাশক স্প্রে, রাতে পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে রাখা এবং প্রয়োজনীয় পরিচর্যার পরামর্শ দিচ্ছে।

আরও পড়ুন

এদিকে নড়াইল জেলায় এ মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বড় ধানের আবাদ শুরু হয়েছে। শীত উপেক্ষা করেই কৃষকেরা কর্মব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে সার, বীজ ও শ্রমিকের খরচ বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা। কৃষকেরা বলছেন, ধানের দাম ভালো না পেলে তাদের পক্ষে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।

নড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান বলেন, প্রতিটি দোকানে ক্যাশ মেমোর মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি নিশ্চিত করা হচ্ছে। ন্যায্যমূল্যে সার বিক্রির জন্য আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। কৃষকেরা পরিমিত সার ব্যবহার করে ভালো ফলন পাবেন বলে আশা করছি।

ঘন কুয়াশায় দেশের বিভিন্ন জেলায় বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ফলন বেশি হলে লোকসান পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরটিভি/এএএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন
ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ঘে আহত ৪০, ভাঙচুর ১৫ বাড়ি
পাবনায় ম্যাজিস্ট্রেটের মধ্যস্থতায় ছেলের ঘরে ফিরলেন মা
টানা পাঁচবার বিশ্বের ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় পাবিপ্রবির অধ্যাপক