ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদা না পেয়ে রাস্তায় বেড়া, ভোগান্তিতে ৪০ পরিবার

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
এভাবেই টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করা হয়েছে ৪০ পরিবারের চলাচলের রাস্তা। ছবি: আরটিভি

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের করড়া গ্রামের চৌধুরীপাড়ায় চাঁদা না দেওয়ায় রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শামীম চৌধুরী নামে স্থানীয় একজনের বিরুদ্ধে। এতে অন্তত ৪০টি পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শামীম মিয়া এর আগেও অন্তত পাঁচবার এভাবে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অধিকাংশ সদস্য স্থানীয় বিভিন্ন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কর্মরত। রাস্তা বন্ধ থাকায় তাদের দৈনন্দিন যাতায়াতে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।

ভুক্তভোগী সেলিম মিয়া চৌধুরী বলেন, আমরা আদালতে ১৪৭ ধারায় মামলা করেছি। শামীম পুলিশকে ম্যানেজ করে রাস্তার ব্যারিকেড সরাচ্ছে না। সে আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও গার্মেন্টসকর্মী সালমা বেগম বলেন, রাস্তায় ব্যারিকেড দেওয়ায় আমরা খুব অসুবিধার মধ্যে আছি। কাজে যাতায়াত করাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আমরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শামীম মিয়া চৌধুরী দাবি করেন, এটি আমার মালিকানাধীন জায়গা। কোনা দিয়ে যাওয়ার জন্য একটু রাস্তা রেখেছি। বড় কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

তবে আদালতে চলমান মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য খসরু মিয়া বলেন, ওই ব্যক্তি আমাদের সালিশ মানছে না। অন্যায়ভাবে রাস্তা বন্ধ করে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে। এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজিবুল ইসলাম বলেন, পথ বা রাস্তা বন্ধ করার কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ক্লাসরুম যেন মরণফাঁদ
সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার সেই রেহেনাকে সহায়তা দিলেন ইউএনও
হবিগঞ্জে এক রাতে তিন বিদ্যালয়ে চুরি
দূতাবাসের হেফাজতে গোপনে ভিডিও পাঠানো সেই রেহেনা