ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বিয়ের দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:২৭ এএম
দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু হয়েছে। ছবি: আরটিভি

জামালপুরের মেলান্দহে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত সাইম (২২) নামে অপর মোটরসাইকেলচালক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

বুধবার (৪ মার্চ) রাত ২টার দিকে মেলান্দহ পৌর এলাকার মিয়ারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী পৌরসভার ঢালুয়াবাড়ী এলাকার ধীরেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে কাজল মিয়া (৪২) ও তার ভাতিজা উজ্জল মিয়ার ছেলে আকাশ মিয়া (২০)। তারা দুজনেই হাজরাবাড়ী বাজারে একটি সেলুনে কাজ করতেন।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, রাত ২টার দিকে মাহমুদপুর এলাকায় একটি বিয়ের দাওয়াত শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন কাজল মিয়া ও আকাশ মিয়া। পথে মিয়া পাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আকাশ মিয়া মারা যান। খবর পেয়ে স্থানীয়রা কাজল মিয়াকে উদ্ধার করে মেলান্দহ হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠায়। পরে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন

রাতেই ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মোটরসাইকেলদুটি ও মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় একজন ঘটনাস্থলে ও অপরজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে বাইক দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে: কর্মসংস্থান মন্ত্রী
বিগত সরকারের সময়ে শিল্প-কারখানার নামে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে অনেকেই কলকারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়েছেন। পরে সেই অর্থ বিদেশে পাচার করে তারা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। এর প্রভাব পড়ছে দেশের শিল্পখাতেও। অর্থসংকটসহ নানা কারণে বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কিছু কারখানা। বন্ধ থাকা এসব শিল্প-কারখানা কীভাবে পুনরায় চালু করা যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, কারখানাগুলো সচল করা গেলে একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানও নিশ্চিত হবে। বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রামের তিনটি সংসদীয় আসনের এমপিরা এবং পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আরটিভি/টিআর
ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে: কর্মসংস্থান মন্ত্রী
৪৯তম বিসিএসে প্রথম হয়েও বাদ পড়লেন সোহেল রানা
অভাবের সংসারে বড় হয়েছেন সোহেল রানা। তবে সত্যিকার অর্থে বড় হতে দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রমে ছিলেন অটুট। সেই শক্তিতেই তিনি ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ইতিহাস বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। তবে বিসিএসে প্রথম স্থান অর্জন করেও প্রকাশিত চূড়ান্ত নিয়োগ গেজেটে বাদ পড়েছেন তিনি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক নিয়োগ গেজেটে বিষয়টি দেখা যায়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত গেজেটে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে গত বছরের ১১ নভেম্বর রাতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে ৬৮৩টি পদের বিপরীতে ৬৬৮ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। সেই তালিকায় ইতিহাস বিভাগে প্রথম হন সোহেল রানা। সোহেল রানা নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের কুখাপাড়া গ্রামের কৃষক আবু হোসেনের ছেলে। সোহেল ২০১৪ সালে সোনারায়-সংগলশী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং ২০১৬ সালে রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৯২ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হয়ে ২০২০ সালে স্নাতক (সিজিপিএ ৩.৫৪) এবং ২০২১ সালে সিজিপিএ ৩.৫৬ নিয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। স্থানীয় বাসিন্দা মাজাহারুল ইসলাম বলেন, এর আগে ফলাফল শুনে জানতে পারলাম, ছেলেটি প্রথম হয়েছে এবং নাকি একটি ভেরিফিকেশন বাকি আছে। তখন আমরা ভেবেছিলাম, হয়তো তার বাবার কষ্ট করে পড়ানোটা সার্থক হবে। এবার পরিবারটি একটু শান্তিতে থাকতে পারবে। কিন্তু গতকাল শুনলাম, তাকে নাকি রাজনৈতিক কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে আমার দেখা মতে, সে কোনো দিন কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। তাহলে তারা কীভাবে এত ভালো ফল করা, প্রথম হওয়া একটি ছেলেকে বাদ দেয়? সোনারায়-সংগলশী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিভূতি ভূষণ রায় বলেন, সোহেল রানা ২০১৪ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পাস করে। এরপর কারমাইকেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। ৪৯তম বিসিএসে সে ভালো ফলাফল করে ইতিহাস বিভাগে শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম স্থান অধিকার করে। কিন্তু গেজেট প্রকাশের পর তার নাম বাদ দেওয়ায় আমরা স্কুলের সব শিক্ষক ও এলাকাবাসী ব্যথিত। সোহেল রানার মা শাহিদা বেগম বলেন, অভাবের সংসারে কত কষ্ট করে পড়াশোনা করাইছি, আল্লাহ জানে কেন এমন হইলো আমার ছাওয়ালটার সাথে। এত কষ্ট করে পড়াশোনা করার পরে একটা চাকরিতে তো টেকিছে। এখন শুনেছি, আমার ছাওয়াল্টাকে নাকি বাদ দিয়েছে। কেন, বারে? আমার বাবাটার কী দোষ যে আমার ছাওয়াটাকে বাদ দিলেন?—এভাবেই চোখের পানি ঝরাতে ঝরাতে কথাগুলো বলছিলেন ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে বাদ পড়া সোহেল রানার মা। সোহেলের বাবা আবু হোসেন বলেন, আমার ছেলেকে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করিয়েছি। সংসারের অভাব-অনটনের মধ্যেও শুধু এই আশায় তাকে পড়াশোনা করিয়েছি, একদিন সে নিজের পায়ে দাঁড়াবে, ভালো একটা চাকরি করবে। ছেলেকে পড়াতে গিয়ে জমি-জায়গা বিক্রি করেছি, এমনকি বন্দুকও বিক্রি করতে হয়েছে। অনেক কষ্ট করে তাকে এতদূর নিয়ে এসেছি। তিনি বলেন, যেদিন জানতে পারলাম, আমার ছেলে বিসিএসে টিকে গেছে, সেদিন আমাদের আনন্দের সীমা ছিল না। মনে হয়েছিল, এত বছরের কষ্ট অবশেষে সার্থক হয়েছে। কিন্তু গতকালের খবর শুনে আমরা একেবারে ভেঙে পড়েছি। যে ছেলে এত কষ্ট, পরিশ্রম ও মেধার মাধ্যমে বিসিএসে উত্তীর্ণ হলো, শেষ পর্যন্ত গেজেটে তার নাম নেই—এটা একজন বাবা হিসেবে মেনে নেওয়া আমার জন্য খুবই কষ্টের। তিনি আরও বলেন, আমি সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, আমার ছেলের বিষয়টি যেন মানবিকভাবে বিবেচনা করা হয়। এত বছরের পরিশ্রম, ত্যাগ ও স্বপ্ন যেন এভাবে শেষ হয়ে না যায়। আমার একটাই দাবি, আমার ছেলের চাকরিটা যেন হয়। এত কষ্ট করে তাকে পড়িয়েছি, আজ তার মুখের দিকে তাকিয়ে সরকারের কাছে শুধু এইটুকুই চাই। এ বিষয়ে সোহেল রানা বলেন, ৪৯তম বিসিএসে ইতিহাস বিভাগে শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলাম। দীর্ঘ ১০ মাস পর গতকাল আমাদের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু সেখানে আমার নাম না দেখে আমি নিজেই হতভম্ব হয়ে গেছি। কী কারণে আমার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটিও আমি জানি না। তিনি বলেন, সাধারণত পুলিশ ভেরিফিকেশনে একজন ব্যক্তির বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয়। ওই ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে জড়িত থাকেন, রাষ্ট্রদ্রোহী কোনো কাজ করেন বা সরকারবিরোধী কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন, তাহলে বিষয়টি সেখানে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এসব বিষয়ের সঙ্গে আমার পরিবার কিংবা আমি ন্যূনতম কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই। তিনি আরও বলেন, কেন আমাকে বাদ দেওয়া হলো, সেটি আমি নিজেও এখনো জানি না। আমার পরিবার কোনোভাবেই রাজনৈতিক বা অন্য কোনো সম্পৃক্ততার সঙ্গে জড়িত নয়। তাহলে তারা কীভাবে আমাকে বাদ দিলেন? আমি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমার পরিবারের কেউই কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। চাকরিতে আবেদনের বয়স আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সোহেল বলেন, চাকরিতে আবেদনের বয়স আছে। কিন্তু ৪৯তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর আর কোথাও সেভাবে আবেদনও করিনি বা চেষ্টা করিনি। কারণ আমার সর্বোচ্চ একটি চাওয়া ছিল, সেই চাওয়াটি পূরণ হয়ে গিয়েছিল। এ কারণে আর কোথাও চেষ্টা করা হয়নি। বিশেষ করে বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা বিসিএসে সর্বোচ্চ মেধার প্রয়োগ করে টিকতে হয়। অন্য সব পরীক্ষার্থীর মতো আমাকেও অনেক দিন-রাত এক করে পড়াশোনা করতে হয়েছে। অনেক রাত নির্ঘুম কেটেছে। যখন আমি ৪৯তম বিসিএসে অংশগ্রহণ করি, তখন আমি একটি চাকরি করতাম। সেই চাকরির পাশাপাশি ৪৯তম বিসিএসে অংশগ্রহণ করা একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় ছিল। তিনি আরও বলেন, যদি প্রকাশ না হয়, তাহলে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো পথ নেই। আমার বাবা-মা, ভাই-বোন বা পরিবারের সবার সামনে এই মুখ নিয়ে দাঁড়ানোর সাহস আমার নেই। কোনোভাবেই তাদের সামনে যেতে পারছি না। গতকালের ফলাফলের পর সবাই হতভম্ব হয়ে গেছে। আরটিভি/টিআর
৪৯তম বিসিএসে প্রথম হয়েও বাদ পড়লেন সোহেল রানা
চট্টগ্রামে বিসিএসআইআর গবেষণা কেন্দ্রে হঠাৎ এসি বিস্ফোরণ
চট্টগ্রামের বালুছড়া বিসিএসআইআর (BCSIR) গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকের রুমে এসি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
চট্টগ্রামে বিসিএসআইআর গবেষণা কেন্দ্রে হঠাৎ এসি বিস্ফোরণ
বক শিকার করে ‘বড় খেসারত’ দিলেন দুই যুবক
ফাঁদ পেতে অবৈধ ভাবে বক পাখি শিকার করার অপরাধে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে দুই যুবককে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 
বক শিকার করে ‘বড় খেসারত’ দিলেন দুই যুবক
কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে আটক ৬৮
নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজনকে আগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং ৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে আটক ৬৮
আরও পড়ুন
ডিসেম্বরে নয় পারলে এখনই দেশে আসেন, ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত আছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল ভ্যান, চালক নিহত
জামালপুরে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪ জনের সাজা
জামালপুরের কুঁড়ি বিল যেন অন্য এক পৃথিবী