ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দিনদুপুরে শিক্ষকের বাসা থেকে ১০ ভরি সোনা লুট, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম
চাঁদপুরে কলেজ শিক্ষকের বাসায় চুরির পর তছনছ করা আলমারি। ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে এক কলেজ শিক্ষকের বাসায় দিনদুপুরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নগদ টাকা ও সোনার গহনা সহ বিপুল মালামাল লুটে নিয়েছে চোরচক্র।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে মতলব পৌরসভার কলাদি এলাকার পশু হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সুব্রত দাসের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার দূর্গাপুর গ্রামে তিনি মতলব উত্তর উপজেলার সুজাতপুর ডিগ্রি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

আরও পড়ুন

তিনি জানান, সকালে বাসায় তালা দিয়ে তিনি কলেজে যান। তার স্ত্রী পারিবারিক কাজে ঢাকায় ছিলেন এবং বড় মেয়ে অর্পিতা পরীক্ষার জন্য বাইরে যায়।

এ সুযোগে আগে থেকে ওত পেতে থাকা চোরচক্র বাসার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ওয়্যারড্রব ও স্টিলের আলমারির তালা ভেঙে নগদ ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং প্রায় ১০ ভরি সোনাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, এগুলো আমার জীবনের সঞ্চয় ছিল। সব হারিয়ে এখন আমি নিঃস্ব।

এ দিকে, তার মেয়ে অর্পিতা দাস জানান, পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরে এসে সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। তিনি বলেন, চোরেরা বাবার টাকা, মায়ের সঞ্চয়, স্বর্ণালংকার সব নিয়ে গেছে। আমাদের এখন কিছুই অবশিষ্ট নেই।

জানা গেছে, সুব্রত দাস দীর্ঘদিন ধরে পরিবারসহ ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায়। তাদের দুই মেয়ে, একজন চাঁদপুরে পড়াশোনা করছেন এবং ছোট মেয়ে ঢাকায় অধ্যয়নরত।

ঘটনার পর এলাকায় চোর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান মানিক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, পর্যায়ক্রমে সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ড বিতরণে কেউ অনিয়ম করার চেষ্টা করলে তা আমাদের জানাবেন। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে উপকারভোগী পরিবার চিহ্নিত করা হবে। কাজেই কাউকে দৌড়াদৌড়ি বা তদবির করার প্রয়োজন নেই। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, আমরা বিএনপি যখন যা বলি, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করি। নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, ফ্যামিলি কার্ড দেব। আজ সেটির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হলো। কৃষক কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলাম। টাঙ্গাইল থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটির উদ্বোধন করেছেন। ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন-ভাতা দেওয়া শুরু হয়েছে। মন্দিরের পুরোহিতদের জন্যও ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাত মাসে এই সরকার নির্বাচনের প্রতিটি ওয়াদা পূরণ করে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ টেনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনের আগে অনেকে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কেউ কেউ বেহেশতের টিকিট পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। এ ব্যাপারেও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা যা বলি, তা করার চেষ্টা করি। কাউকে মিথ্যা আশ্বাস দিই না। টাঙ্গাইলের উন্নয়নে আমি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করব। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকবে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক নজর রাখা হবে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বিক সহযোগিতা করবে প্রশাসন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক শহীদুল্লাহ, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল হক সানু এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আদিবুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী ও শফিকুর রহমান খান শফিক, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ বিএনপি ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা মিলনায়তনে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া চালের ডিও বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের পূজামণ্ডপের জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে দেওয়া আর্থিক অনুদান বিতরণ কার্যক্রমেও প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। আরটিভি/টিআর
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
‘টাকা নিয়ে’ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, যা জানা যাচ্ছে
‘তিনটি গ্রাম টাকা দিয়ে কিনে এনেছি, মহেন্দ্র নগর কিনে আনছি। দুই গ্রামের টাকা নেতারা ভাগ নেবে। নেতারা টাকা খেয়ে ফেললে আমার কোনো গন্ধ বের হবে না। তোমার কাছে পাঁচ টাকা খেলে গন্ধ বের হবে। সবাই মিলে খেয়ে ফেললে আমার কিছু হবে না।’ এ সময় টাকা কম দিতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আর কয়টা দিন অপেক্ষা করো, ১০ হাজার টাকা দিয়েও পাবে না।’ বিনামূল্যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায়ের এমন কথোপকথনের কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। সম্প্রতি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে বিনামূল্যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা থাকলেও কার্ডপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আল আমিন উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে চূড়ান্ত তালিকার ১৩ নম্বরে রয়েছেন। ধনপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাতলা গ্রামের শহিদ নুরের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেন তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিন। তাদের কথোপকথনের কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর চার হাজার টাকা দেওয়ার শর্তে নগদ এক হাজার টাকা আল আমিনের হাতে তুলে দেন শহিদ নুর। টাকা দেওয়া ও ভিডিও ধারণের ঘটনাটি প্রায় এক সপ্তাহ আগের। তবে ভিডিওটি সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা ও শোনা যায়, একটি আধাপাকা দালানঘরের ভেতরে বসা শহিদ নুরের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা দাবি করছেন আল আমিন। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, এই টাকা শুধু তিনি একা নেন না; নেতাদেরও ভাগ দিতে হয় এবং সবাই মিলেমিশে খান। একপর্যায়ে আল আমিনকে বলতে শোনা গেছে, ‘তিনটি গ্রাম টাকা দিয়ে কিনে এনেছি, মহেন্দ্র নগর কিনে আনছি। দুই গ্রামের টাকা নেতারা ভাগ নেবে। নেতারা টাকা খেয়ে ফেললে আমার কোনো গন্ধ বের হবে না। তোমার কাছে পাঁচ টাকা খেলে গন্ধ বের হবে। সবাই মিলে খেয়ে ফেললে আমার কিছু হবে না।’ এ সময় টাকা কম দিতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আর কয়টা দিন অপেক্ষা করো, ১০ হাজার টাকা দিয়েও পাবে না।’ আল আমিনের কথোপকথন গোপনে ভিডিও ধারণ করেন শহিদ নুর। পরে একপর্যায়ে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভিডিও প্রকাশের পর আল আমিন তাকে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন শহিদ নুর। আল আমিনকে টাকা দেওয়া শহিদ নুর বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার জন্য আল আমিন আমার কাছে পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল। আমি নগদ এক হাজার টাকা তার হাতে তুলে দিয়েছিলাম। বাকি টাকা পরে দেব বলেছিলাম। সে আমার প্রতিবেশী আবুল কালামের স্ত্রী আছমা বেগমের কাছ থেকেও নাকি পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে। টাকা নিয়ে যদি কাজ না করে, তাই প্রমাণ রাখার জন্য ভিডিও করে রেখেছিলাম। পরে কীভাবে ভিডিওটি ফেসবুকে চলে যায়, তা জানি না। এরপর থেকে আল আমিন আমাকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আমার পা ভেঙে ফেলবে বলেও হুমকি দিয়েছে। এরপর আমি আমাদের এলাকার বিএনপি নেতা ও শরিফগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হান্নানকে বিষয়টি জানিয়েছি।’ ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এবং অভিযোগ পাওয়ার ভিত্তিতে ধনপুর ইউনিয়নের ওই ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও শরিফগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হান্নান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে আল আমিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। গত ১১ অক্টোবর তিনি এ অভিযোগ দায়ের করেন। ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত নন। কিন্তু আল আমিন কার্ড দেওয়ার নামে এবং দলের নেতাদের নাম ভাঙিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং দলের সুনাম নষ্ট করতেই তিনি এমনটা করছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছি।’ অভিযুক্ত তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিনের সঙ্গে কথা বলতে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকিনা আক্তার বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায় এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য আল আমিনকে তথ্য সংগ্রহকারীর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ আরটিভি/টিআর
‘টাকা নিয়ে’ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, যা জানা যাচ্ছে
৭ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে লালমনিরহাটের ত্রিদেশীয় বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা সাতদিন সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
৭ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর
পচা ডিমের জন্য বেকারিতে ছিল ‘বিশেষ ব্যবস্থা’, জরিমানা লাখ টাকা
পচা ডিম দিয়ে খাদ্য প্রস্তুতের অভিযোগে একটি বেকারি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। 
পচা ডিমের জন্য বেকারিতে ছিল ‘বিশেষ ব্যবস্থা’, জরিমানা লাখ টাকা
কুমিল্লায় ২২টি পূজামণ্ডপে ১৩ হাজার ২০০ কেজি চাল বিতরণ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ২২টি পূজামণ্ডপের অনুকূলে প্রতিটিতে ৬০০ কেজি করে মোট ১৩ হাজার ২০০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থায়নে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সব পূজামণ্ডপের সভাপতিদের মধ্যে এই চাল বিতরণ করা হয়। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা সভাপতি জিএম তাহের পলাশী। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহায়তায় আয়োজিত চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. লতিফুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার তাহমিদ শাকিল, উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু প্রমোদ রঞ্জন চক্রবর্তী, সম্পাদক মাস্টার অনীল চন্দ্র দেবনাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক বলরাম কর্মকারসহ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দ। আরটিভি/টিআর
কুমিল্লায় ২২টি পূজামণ্ডপে ১৩ হাজার ২০০ কেজি চাল বিতরণ
আরও পড়ুন
ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে ‘অজানার পথে’ সাগর, অতঃপর.. 
‘মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি সহায়তার চেয়েও জেলেদের মানসিক অঙ্গীকারই গুরুত্বপূর্ণ’
কচুরিপানা সরাতেই ভয়ংকর দৃশ্যের মুখোমুখি স্থানীয়রা
বরখাস্ত হলেন জেলেদের চাল চুরি করা সেই ইউপি কর্মকর্তা