ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৭ জন গ্রেপ্তার

নওগাঁ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১১ পিএম
ছবি: আরটিভি

নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও ট্রাকসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) ভোরে সদর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের সাহাপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নওগাঁ সদর মডেল থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এই অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, সান্তাহার-নাটোর সড়কের সাহাপুর এলাকায় ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল ডাকাতির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। সংবাদ পেয়ে সদর থানা পুলিশের একটি দল শহিদুলের স'মিলের সামনে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে দলের আরও কয়েকজন সদস্য পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন ট্রাক, একটি মোটরসাইকেল, একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান, বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র এবং আটটি মোবাইল ফোন।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের বাড়ি পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাট ও বগুড়া জেলায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে নওগাঁ, জয়পুরহাট ও বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলায় মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই করে আসছিলেন।

আরও পড়ুন

পুলিশ সুপার বলেন, এই চক্রটি মূলত সড়কে ট্রাক ও মালবাহী যানবাহন টার্গেট করে ডাকাতি করত। তাদের গ্রেপ্তারের ফলে এই অঞ্চলে সড়কে ডাকাতির প্রবণতা অনেকাংশে কমে আসবে। চক্রের পলাতক অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) প্রদীপ ব্যানার্জীসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট
ভাড়ায় ডাকাতি করতে বিমানে দেশে, কাজ শেষে ফেরেন ইউরোপে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৬
জাহাজের ‘কাছে গিয়েও’ ফিরে এলো বনদস্যুরা, ঘটনা কী