ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিএনএ টেস্টে নির্দোষ প্রমাণিত সেই ইমাম চান আর্থিক ক্ষতিপূরণ 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম
নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন ইমাম মোজাফফর আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের টেটেশ্বর গ্রামে এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত হয়ে এক মাস দুই দিন কারাভোগের পর অবশেষে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন ইমাম মোজাফফর আহমদ (২৫)।

ডিএনএ পরীক্ষায় কিশোরীর সন্তানের সঙ্গে তার কোনো মিল না পাওয়ায় আদালতে তাকে অব্যাহতি দিয়েছে। একইসঙ্গে ডিএনএ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য, কিশোরীর সহোদর বড় ভাই মোরশেদই ওই সন্তানের জৈবিক পিতা।

পুলিশ জানায়, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে এবং মোরশেদকে রক্ষা করতেই মক্তব শিক্ষক ও ইমাম মোজাফফর আহমদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার পর গত ১৭ এপ্রিল আদালতে দেয়া অভিযোগপত্রে মোজাফফরকে অব্যাহতি দিয়ে মোরশেদকে অভিযুক্ত করা হয়।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে মক্তবের পড়াশোনা শেষ করে ওই কিশোরী। ২০২৩ সালে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর কিশোরীর পরিবার মক্তব শিক্ষক মোজাফফর আহমদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। মামলার পরপরই মোজাফফর চাকরি হারান। ২৬ নভেম্বর তিনি মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে আদালতে গেলে সেখান থেকে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে তিনি এক মাস দুই দিন কারাভোগ করেন। ২৮ ডিসেম্বর জামিনে মুক্ত হয়ে আইনি লড়াই শুরু করেন।

এদিকে মামলার তদন্তে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর মোজাফফরকে ঢাকার সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নেয়া হয়। পরবর্তীতে পরীক্ষায় তার সঙ্গে কোনো ডিএনএ মিল পাওয়া যায়নি।

এরপর পুলিশ কিশোরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একপর্যায়ে সে স্বীকার করে, তার সহোদর বড় ভাই মোরশেদ দীর্ঘদিন তাকে ধর্ষণ করে। পরে ২০২৫ সালের ১৯ মে মোরশেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অপরাধ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। একই বছরের আগস্টে কিশোরী, নবজাতক শিশু এবং মোরশেদের ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে প্রতিবেদনে দেখা যায়, শিশুটির জৈবিক পিতা মোরশেদ। ডিএনএ প্রতিবেদনে তার সঙ্গে ৯৯.৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া যায়।

এরপর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শরীফ হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে মোজাফফরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি এবং মোরশেদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় অভিযোগ গঠন করেন। বর্তমানে মোরশেদ ফেনী জেলা কারাগারে রয়েছেন।

ভুক্তভোগী ইমাম মোজাফফর আহমেদ জানান, এ ঘটনা পর থেকে তিনি আর্থিক সামাজিক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। জেল থেকে বের হবার পর অন্য কোন মসজিদে তিনি চাকরি পাননি। মামলার খরচ চালাতে বিক্রি করেছেন বসতভিটা। কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়া ঘটনার পর তার বাড়ি ঘরেও হামলা চালায় স্থানীয় এলাকাবাসীরা। তিনি প্রকৃত দোষীদের শাস্তির আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি সরকারের কাছে চাইলেন আর্থিক ক্ষতিপূরণ।

আরও পড়ুন

মোজাফফরের আইনজীবী আবদুল আলিম মাকসুদ বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা বিরল। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ডিএনএ পরীক্ষায় সত্য উদঘাটিত হয়েছে।’

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের পরশুরাম উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মুফতি আমিনুল ইসলাম বলেন, “তিনি একজন মজলুম ইমাম। তার মানসিক, সামাজিক ও আর্থিক ক্ষতির দায় কে নেবে? তাকে আইনি ও আর্থিক সহায়তা দেয়া উচিত।

পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুল ইসলাম বলেন, “ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর চার্জশিট থেকে মোজাফফরের নাম প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রকৃত অভিযুক্ত ভুক্তভোগীর বড় ভাই। নিরপরাধ একজনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

আরটিভি/কেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নামাজ পড়া অবস্থায় মুসল্লিকে ছুরিকাঘাত, বাঁচাতে আসা বাবাও আহত
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে জুমার নামাজের সময় সেজদারত অবস্থায় নাহিদ ইসলাম (২৪) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার বাবা সাইফুর রহমানও (৫৫) আহত হয়েছেন।  শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শান্তিগঞ্জ উপজেলার বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। আহত নাহিদ ও তার বাবা সাইফুর রহমান বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নাহিদের ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক হিরু অভিযোগ করেন, মসজিদে নামাজরত অবস্থায় নাহিদ ও তার বাবা সাইফুর রহমানের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় জুবায়ের মেম্বার দাঁড়িয়ে থেকে হামলা করান বলে তিনি অভিযোগ করেন। হামলায় রেজাউল, আফজল, জুনেল, সেবির, সুবাদসহ আরও ৭-৮ জন ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাহিদ ও স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়েরের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। বীরগাঁও গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা হোসাইন বলেন, পূর্ববিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন। তার ভাষ্য, প্রথমে নাহিদের ওপর হামলা হয়। পরে ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তার বাবা সাইফুর রহমানও আহত হন। পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রুজেল আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জুবায়ের ও নাহিদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের ঘটনায় নাহিদ প্রায় দেড় থেকে দুই মাস কারাভোগ করে সম্প্রতি বের হয়েছেন। রুজেল আহমেদ বলেন, আজ নাহিদ জুমার নামাজ পড়তে বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে যান। সেখানে সেজদারত অবস্থায় তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় তার বাবা সাইফুর রহমানও আহত হন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জুবায়ের আহমেদ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আমি ওই সময় ঘটনাস্থলে ছিলাম না। ইঞ্জিনিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে একটা ব্রিজ পরিদর্শনে ছিলাম। বেশ কিছুদিন আগে এই নাহিদ একজনকে গুরতর আঘাত করেছে। এরপরেও সে বুক ফুলিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করে এসব সহ্য হয়নি বলে এই হামলা হয়েছে বলে খবর পেয়েছি। এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল চাকমা জানান, পূর্বের বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। যারা আহত হয়েছেন তাদের এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনও কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/এসআর
নামাজ পড়া অবস্থায় মুসল্লিকে ছুরিকাঘাত, বাঁচাতে আসা বাবাও আহত
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৩
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৩
আ.লীগের মিছিল থেকে বিএনপি নেতার বাড়িতে গুলির অভিযোগ
খুলনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল আলমের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। মিছিলকারীরা তার বাড়িতে ইটপাটকেলও নিক্ষেপ করেন বলে দাবি করেছেন তিনি। খুলনা সিটি করপোরেশনের ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর টুটপাড়া মওলা বাড়ির সামনে ইসলামীয়া রোডে এ ঘটনা ঘটে। মঞ্জুরুল আলমের দাবি, ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন। বাইরে থেকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুনে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে মিছিলটি দেখতে যান। তখন মিছিল থেকে এক ব্যক্তি তাকে সরে যেতে বলেন। পরে তিনি বাসার ভেতরে ঢোকার সময় মিছিল থেকে তার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। তিনি অভিযোগ করেন, মিছিলকারীরা তার বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হননি। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন বললেন, ২০ থেকে ২৫ জনের একটি গ্রুপ হঠাৎ করে মিছিল বের করেছিল। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে চার থেকে পাঁচটি ছোট ছোট শিশা উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো ছররা গুলির অংশ হতে পারে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা মামলা করবেন বলেও জানান তিনি। এর আগে শুক্রবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে নগরীর খালিশপুরে জুমার নামাজ চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী ঝটিকা মিছিল বের করেন। খুলনা-যশোর মহাসড়কের আনসার উদ্দিন সড়কের মুখে এ মিছিল হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ধাওয়ায় মিছিলকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। এ বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর বিভাগ) সুদর্শন কুমার রায় বলেন, ‘পুলিশের সক্রিয় ভূমিকার কারণে মিছিলকারীরা মিছিল সম্পন্ন করতে পারেননি। মিছিলকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’ আরটিভি/এসআর
আ.লীগের মিছিল থেকে বিএনপি নেতার বাড়িতে গুলির অভিযোগ
বসতঘরে ঢুকে পড়া বিষধর পদ্ম গোখরা সাপ উদ্ধার
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি বসতঘরে ঢুকে পড়া বিষধর পদ্ম গোখরা সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার ভুড়ভুড়িয়া চা বাগানের শ্রমিক কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভুড়ভুড়িয়া চা বাগানের শ্রমিক কলোনির বাসিন্দা সুসেন মুন্ডার বসতঘরে একটি সাপ ঢুকে পড়ে। সাপটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যান। পরে সুসেন মুন্ডা বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধারের উদ্যোগ নেন। উদ্ধারের একপর্যায়ে একটি বস্তার নিচ থেকে শব্দ শুনতে পান তারা। বস্তাটি সরিয়ে দেখতে পান, সেখানে একটি পদ্ম গোখরা সাপ অবস্থান করছে। পরে সতর্কতার সঙ্গে সাপটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা পদ্ম গোখরা সাপটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল জানান, উদ্ধার করা সাপটি পদ্ম গোখরা। এটি বিষধর সাপ হওয়ায় সাপটি দেখে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বন বিভাগ বা বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠনকে খবর দেওয়া উচিত। বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোথাও কোনো পশু-পাখি বা বন্যপ্রাণী লোকালয়ে ঢুকে পড়লে, আহত কিংবা অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেলে নিজে ধরে বা মারার চেষ্টা না করে দ্রুত নিকটস্থ বন বিভাগে খবর দিতে হবে। প্রয়োজনে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আরটিভি/এসআর
বসতঘরে ঢুকে পড়া বিষধর পদ্ম গোখরা সাপ উদ্ধার
পাইকগাছায় ৯ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
খুলনার পাইকগাছায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পাইকগাছায় ৯ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন
বিয়ের প্রলোভনে শ্যালিকাকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার দুলাভাই
ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইংলিশ ক্রিকেটার
জাম্বুরা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুকে ঘরে নিয়ে যান মিরাজ, অতঃপর...
ধর্ষণ মামলায় বিচারের মুখোমুখি হাকিমি