ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

নিজস্ব সম্পদ থাকা সত্ত্বেও কেন বিদেশি জ্বালানি আমদানি করব: জ্বালানি মন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু : ছবি আরটিভি

দেশের নিজস্ব সম্পদ থাকা সত্ত্বেও কেন আমরা বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করব? বলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি বলেন, আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। আমাদের প্রধানমন্ত্রী মনে করেন- এটি জনগণের সরকার। তাই দেশের জনগণের যে সম্পদ রয়েছে, সেই সম্পদ জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করতে হবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি পরিদর্শন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী ইকবাল হাসান বলেন, গত ১৭ বছরে দেশে একটি ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল। যারা দেশীয় সম্পদকে অবহেলা করে বিদেশি আমদানি করার ব্যবস্থা করেছিল।

আরও পড়ুন

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশীয় জ্বালানি সম্পদ আহরণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মতামত ও সম্মতি নিয়ে সরকার কাজ করছে। আমরা চাই সবাইকে সঙ্গে নিয়ে, সবাইকে সন্তুষ্ট করে যেন দেশের নিজস্ব জ্বালানি সম্পদ আহরণ করতে পারি।

এর আগে মন্ত্রী বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মধ্যপাড়া পাথর খনির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক সভা করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক।

সভা শেষে মন্ত্রী বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মধ্যপাড়া পাথর খনি ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাজেকে অবরোধে বাতিল কঠিন চীবর দানোৎসব
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে চলমান অবরোধ কর্মসূচির কারণে বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে বাতিল করা হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কঠিন চীবর দানোৎসব। প্রতিবছর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে সাজেকের বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে এ আয়োজন করা হলেও চলমান পরিস্থিতিতে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অবরোধের কারণে যাতায়াতব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় ভিক্ষু-শ্রমণ, দায়ক-দায়িকা ও দূরদূরান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মানুষের পক্ষে এতে অংশগ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। সাজেক বনানী বনবিহার কঠিন চীবর দান উদ্‌যাপন কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাজেকের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় অনিবার্য কারণে ৬ ও ৭ নভেম্বরের কঠিন চীবর দান উৎসবের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। গত ২২ অক্টোবর থেকে সাজেক সড়কে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি শুরু করে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন। গত ১ নভেম্বর এক দিনের জন্য অবরোধ শিথিলের পর ২ নভেম্বর থেকে চতুর্থ দফায় আবারও অবরোধ শুরু হয়। শুক্রবার পঞ্চম দিনের মতো অবরোধ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। অবরোধের কারণে সাজেক সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে গত বুধবার থেকে কৃষিপণ্য পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের বহনকারী যানবাহন অবরোধের আওতামুক্ত ঘোষণা করেছেন অবরোধকারীরা। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে।’ এদিকে সাজেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা মন্ত্রণালয়কে জানানোর সুপারিশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। আরটিভি/টিআর
সাজেকে অবরোধে বাতিল কঠিন চীবর দানোৎসব
কুড়িগ্রামে অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহীন আলম (১৪) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবার, স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত শাহীন আলম ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের কুঠিরচন্দ্রখানা নাখারজান গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার দিন কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে সাইকেলে করে গঙ্গারহাট বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিল শাহীন। পথে গঙ্গারহাট মোহরটারী হাফিজিয়া মাদ্রাসার কাছে পৌঁছালে একটি অ্যাম্বুলেন্স অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গিয়ে তার সাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয় শাহীন। দুর্ঘটনার পর অ্যাম্বুলেন্সটি দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায় বলে অভিযোগ করেছে তার সহপাঠীরা। পরে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে পাঠানো হয়। পরে রংপুরের বেসরকারি ডক্টরস ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শাহীনকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তার অকালমৃত্যুতে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে বাড়ির পরিবেশ। সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যেও শোকের আবহ বিরাজ করছে। ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান নাঈম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অবগত করেনি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
কুড়িগ্রামে অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু
পদ্মায় ধরা পড়ল ১৫ কেজির পাঙ্গাশ
শরীয়তপুরের পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৫ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় পাঙ্গাশ মাছ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে মাছটি নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর মৎস্য আড়তে নিলামে ১৬ হাজার ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়। ভোরে জেলে সবুজ দেওয়ান মাছটি আড়তে নিয়ে আসেন। পরে নিলামে প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০ টাকা দরে মাছটি কিনে নেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী আয়নাল খান। জেলে সবুজ দেওয়ান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সঙ্গীদের নিয়ে পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে জাল ফেলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর জাল টেনে তুলতেই বিশাল পাঙ্গাশ মাছটি দেখতে পান। এত বড় মাছ পেয়ে তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা বেশ আনন্দিত। স্থানীয়রা জানান, বর্তমানে পদ্মা নদীতে বড় মাছ ধরার মৌসুম চলছে। প্রায় প্রতিদিনই জেলেদের জালে বড় আকারের মাছ ধরা পড়ছে। বিশেষ করে পাঙ্গাশ ও বাঘাড় মাছ তুলনামূলক বেশি পাওয়া যাচ্ছে। মাছ ব্যবসায়ী আয়নাল খান বলেন, প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০ টাকা দরে মাছটি কিনেছি। কিছু লাভ রেখে এটি বিক্রি করা হবে। শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, পদ্মার সুস্বাদু এ ধরনের মাছ খুবই লোভনীয়। সাধারণ মানুষ কিনতে না পারলেও ধনীরা খবর পেলেই কিনে নেন। বড় মাছ বিক্রি করে জেলেরা ভালো দাম পাওয়ায় বেশ খুশি হন। আরটিভি/টিআর
পদ্মায় ধরা পড়ল ১৫ কেজির পাঙ্গাশ
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম মনির আহমেদ (ননী), গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি শরীফ আমিনুল হক লাচ্চু এবং জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সুপারুল আলম (টিকে)। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবীবুল্লাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। আরটিভি/টিআর
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
গ্রাম পুলিশ সদস্যদের তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদা) এম জহির উদ্দিন স্বপন। 
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
আরও পড়ুন
বিগত সরকারের প্রতিটি অন্যায়ের বিচার এই মাটিতেই হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
‘মিথ্যা মামলায়' ফাঁসানোর প্রতিবাদে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন
রাতের আঁধারে ৬০০ শিমগাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা, বুকফাটা আর্তনাদ কৃষকের
দিনাজপুরে আদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে গণশুনানি অনুষ্ঠিত