ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ঘুরতে গিয়ে আর ফেরা হলো না, ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

ফেনী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
ফেনীতে ট্রাকের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। ছবি: আরটিভি

ফেনীতে বেপরোয়া গতির ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে ছাগলনাইয়ার ঘোপাল ইউনিয়নের মুহুরীগঞ্জ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সোনাগাজী উপজেলার বক্তারমুন্সির সমপুর গ্রামের আবু তৈয়বের ছেলে ইকবাল হোসেন জিসান (২৩) ও ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের কামরুল ইসলাম রসুলের ছেলে জিহানুল ইসলাম শাওন (২২)।

পুলিশ, নিহতদের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিসান ও শাওন বন্ধুদের সঙ্গে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিল। সেখানে রাত্রিযাপন শেষে সকালে মোটরসাইকেলে করে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে মহাসড়কের ঘোপাল ইউনিয়নের মুহুরীগঞ্জ এলাকার চৌধুরীপাড়া রাস্তার মুখে পৌঁছালে রেজিস্ট্রেশনবিহীন বেপরোয়া গতির একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়।

খবর পেয়ে ফাজিলপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদেরকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক জিসানকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় শাওনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন

এমরান পাটোয়ারী নামে নিহত শাওনের এক স্বজন বলেন, শাওন তার কয়েকজন বন্ধুসহ বুধবার রাতে গুলিয়াখালী বিচে ঘুরতে গিয়েছিল। সেখানে রাত্রিযাপন শেষে সকালে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে বেপরোয়া গতির একটি ট্রাকের ধাক্কায় তাদের দুইজনের মৃত্যু হয়। সে বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে ছিল। তার এমন মৃত্যুতে সবাই শোকাহত।

এ বিষয়ে ফাজিলপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেল ও ঘাতক ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর
কাজ শেষে বাসায় ফেরা হলো না ফালু মিয়ার
স্বামীর মোটরসাইকেলে স্কুলে যাচ্ছিলেন শিক্ষিকা, মুহূর্তেই পিষে দিলো ট্রাক
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরা হলো না ছাত্রদল নেতার, পথেই নিভল প্রাণ