ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মাইকিং করে তুমুল মারামারি, নিহত ২

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:০৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার আদিত্যপুর ও আব্দাফৌজদা গ্রামে দুপক্ষের পূর্ব বিরোধের জেরে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সেলু মিয়া (৫৫) ও হেলাল মিয়া (৩৮) নামে দুজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে মাইকিং করে দুপক্ষের লোকজন স্থানীয় আদিত্যপুর হাওরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সন্ধ্যার পর ফের সংঘর্ষে দুজন নিহত হন।

এ ছাড়া দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেলের আঘাতে কদর আলী (৭০), লুৎফুর রহমান (৩০), আতাউর রহমান (২৫), কুহিনুর (৪১), জাহিদ মিয়া (৫৫), রিমন (১৮), অলফুজ মিয়া (৫০), খলিল মিয়া (৩০), সুহেল মিয়া (৩০), হাবিব মিয়া (২৫), সিমন (১৮) ও হান্নানসহ (৫০) অন্তত ৪০ জন আহত হন।

তাদের মধ্যে কয়েকজনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল এবং এক নারীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাহুবল উপজেলার ৩নং সাতকাপন ইউনিয়নের আদিত্যপুর গ্রামের মর্তুজা মিয়ার ছেলে আক্তার মিয়া ও নাসির মিয়ার সঙ্গে কবরস্থানে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে আরিছপুর গ্রামের মিলন মিয়া, হারিছ মিয়ার ছেলে সারু মিয়া ও এখলাছ মিয়ার প্রায় দুই মাস আগে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার (১২ জুন) দুপক্ষের মধ্যে আবারও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে মাইকিং করে দুপক্ষের লোকজন স্থানীয় আদিত্যপুর হাওরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বাহুবল মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এরপর সন্ধ্যায় স্থানীয় ডুবাঐ বাজারে এলাকায় পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় গুরুতর আহত সেলু মিয়া ও হেলাল মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, দুপুরের সংঘর্ষের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সন্ধ্যার পর সমাধানের জন্য উভয় পক্ষের থানায় আসার কথা ছিল। তবে পরবর্তীতে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ক্লাসরুম যেন মরণফাঁদ
সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার সেই রেহেনাকে সহায়তা দিলেন ইউএনও
হবিগঞ্জে এক রাতে তিন বিদ্যালয়ে চুরি
দূতাবাসের হেফাজতে গোপনে ভিডিও পাঠানো সেই রেহেনা