ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

বসতঘর থেকে বিরল প্রজাতির ক্যান্টর কুকরি সাপ উদ্ধার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৬, ১০:০৪ এএম
শ্রীমঙ্গল বসতঘর থেকে ক্যান্টর কুকরি সাপ উদ্ধার : ছবি সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের একটি বসতঘর থেকে বিরল প্রজাতির ক্যান্টর কুকরি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই নির্বিষ সাপ খুব একটা দেখা যায় না।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ৮টার দিকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার শাজিবাজার এলাকার নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বসতঘরে সাপটি দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল জানান, খবর পেয়ে সাপটি উদ্ধার করা হয়। পরে এটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

জানা গেছে, ক্যান্টর কুকরি সাপের আবাসস্থল ভারতের আসাম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, নেপাল, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড এবং পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন বনাঞ্চল ও জনবসতির আশপাশ। সাধারণত এ সাপের দৈর্ঘ্য ৭৫ সেন্টিমিটার বা তার কিছু বেশি হয়। এর শরীর সরু ও হালকা পাতলা এবং লেজের শেষ অংশ সূঁচালো।

সাপটির পিঠের দিকের রং হালকা বাদামি বা ধূসর। শরীরের দুই পাশে হলুদ-বাদামি রঙের রেখা দেখা যায়। এটি মূলত পোকামাকড় ও সরীসৃপের ডিম খেয়ে বেঁচে থাকে।

স্বভাবগতভাবে ক্যান্টর কুকরি খুবই শান্ত। ভয় পেলে এটি শরীর কুকড়ে ফেলে। এ সাপের মুখের ভেতরে থাকা বাঁকা ও ধারালো দাঁত গোর্খাদের ব্যবহৃত কুকরি তলোয়ারের মতো হওয়ায় এর নামকরণ করা হয়েছে কুকরি সাপ।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পল্লী বিদ্যুতের মিটার সংকট, নষ্ট প্রায় ৮ হাজার
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় দুই বছর ধরে চলছে পল্লী বিদ্যুতের মিটার সংকট। বর্তমানে উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার মিটার নষ্ট থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। নষ্ট মিটার সময়মতো পরিবর্তন না হওয়ায় অনেক গ্রাহককে গড় বিলের আওতায় রাখা হচ্ছে। এতে প্রকৃত ব্যবহারের তুলনায় অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কেন্দুয়া জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, আবাসিক, সেচ ও শিল্প খাতে উপজেলায় গ্রাহকের সংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি। প্রায় দুই বছর আগে থেকে মিটারের সংকট শুরু হয়। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সময়ের সঙ্গে সংকট আরও তীব্র হয়েছে। গত বছর নষ্ট মিটারের সংখ্যা ছিল ৬ হাজারের বেশি, যা বর্তমানে বেড়ে প্রায় ৮ হাজারে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। কেন্দুয়া সাউধপাড়া এলাকার গ্রাহক নয়ন মিয়ার অভিযোগ, মিটার নষ্ট হওয়ার পর পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেও দীর্ঘদিনেও প্রতিকার মিলছে না। প্রতি মাসে গড় হিসাবের ভিত্তিতে বিল তৈরি করা হচ্ছে। কোনো কোনো মাসে আগের তুলনায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। একদিকে বাড়তি বিলের চাপ, অন্যদিকে মিটার পরিবর্তনের জন্য মাসের পর মাস বিদ্যুৎ অফিসে ধরনা দিতে হচ্ছে তাঁদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গ্রাহক জানান, মিটার নষ্ট হওয়ার পর অফিসে যোগাযোগ করলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য নিয়ে গড় বিল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর সেই হিসাবেই মাসিক বিল তৈরি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন মিটার পরিবর্তন না হওয়ায় গড় বিল ব্যবস্থাই এখন অনেকের জন্য নতুন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই বিদ্যুৎ অফিসে এসে অভিযোগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন গ্রাহকেরা। অতিরিক্ত বিল নিয়ে কোনো কোনো গ্রাহকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কথাকাটাকাটির ঘটনাও ঘটছে বলে জানা গেছে। গ্রাহকদের দাবি, দ্রুততম সময়ে নষ্ট মিটার পরিবর্তন করে প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ভিত্তিতে বিল নির্ধারণ করা হোক। কেন্দুয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী ওমর ফারুক বলেন, “মিটার সরবরাহ পাওয়ার পর জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় সেচ ও শিল্প গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দিয়ে মিটার পরিবর্তন করা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগির এ পরিস্থিতির অবসান হবে।” আরটিভি/টিআর
পল্লী বিদ্যুতের মিটার সংকট, নষ্ট প্রায় ৮ হাজার
হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যুর, হাসপাতালে ভাঙচুর
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফাতেমা হাসান রিমি নামে দুই মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে হাসপাতালটিতে ভাঙচুর চালিয়েছেন শিশুটির স্বজনেরা। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৩টা থেকে রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যান চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ। নিহত রিমি উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের বক্তারপুর মুন্সিমিয়া চৌকিদার বাড়ির রবিউল হাসান ও উম্মে সালমা দম্পতির সন্তান। নিহতের স্বজনেরা জানান, সোমবার দুপুর ২টার দিকে হামে আক্রান্ত রিমিকে চিকিৎসার জন্য চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ সময় শিশুটির হামে আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট কর্তব্যরত চিকিৎসককে দেখানো হয়। পরে কর্তব্যরত নার্স শিশুটিকে ইনজেকশন ও স্যালাইন দেন। ইনজেকশন ও স্যালাইন দেওয়ার কিছুক্ষণ পর রিমির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে হাসপাতালে অক্সিজেন নেই বলে জানানো হয়। পরে আনুমানিক ৩টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির মা উম্মে সালমার অভিযোগ, চিকিৎসক ও নার্সের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণেই তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে চাটখিল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং নিহত শিশুর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ইউএনও ও ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তাঁরা। চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিন আক্তার বলেন, শিশুটি গত এক মাস ধরে অসুস্থ ছিল এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সেখানে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্যালাইন চলার সময় শিশুটির মা তাকে বুকের দুধ খাওয়ালে তা শ্বাসনালিতে আটকে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান। শিশুটি নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের মতো ছিল। তবে সে হামে আক্রান্ত ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, শিশুর মৃত্যুর পর স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। এতে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে। চাটখিল থানার ওসি আবদুল মোন্নাফ বলেন, নিহত শিশুর স্বজনেরা থানায় এসেছেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাটখিল ইউএনও মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যাওয়ার আগে নিহত শিশুর স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যুর, হাসপাতালে ভাঙচুর
গেজেটে ফিরলেন ইতিহাসে প্রথম হওয়া নীলফামারীর সোহেল রানা
সোমবার (৫ অক্টোবর) ৪৯তম বিসিএসের বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান হলো নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের কুখাপাড়া গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান সোহেল রানার।
গেজেটে ফিরলেন ইতিহাসে প্রথম হওয়া নীলফামারীর সোহেল রানা
অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা, যুবককে আটক করে গণপিটুনি
পাবনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে সুখচাঁদ হোসেন (২৮) নামের এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বেড়হাউলিয়া এলাকায় তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে চাটমোহরে নিয়ে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন চালকেরা। আটক সুখচাঁদ পাবনার বেড়া উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের আরিফুল হোসেনের ছেলে। চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও অটোরিকশাচালকেরা জানান, সোমবার বিকেলে চাটমোহর পৌর সদরের জারদিস মোড় থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ফরিদপুর যাওয়ার জন্য রিজার্ভ করেন সুখচাঁদ। পরে ফরিদপুর উপজেলার বেড়হাউলিয়া এলাকায় গিয়ে গাড়ি থামিয়ে আরও যাত্রী উঠবে বলে চালককে জানান তিনি। একপর্যায়ে চালককে লাথি-ঘুষি মারেন এবং চাকু দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে চাটমোহরের কয়েকজন পরিচিত সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক এগিয়ে গিয়ে সুখচাঁদকে আটক করেন। পরে তাকে চাটমোহরের জারদিস মোড়ে নিয়ে গেলে স্থানীয় জনতা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। এরপর পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলিউর রহমান জানান, মামলা হলে অটোরিকশাটি জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, এ কারণে তারা মামলা করতে রাজি হননি। তবে আটক সুখচাঁদ হোসেনকে পাবনা আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা, যুবককে আটক করে গণপিটুনি
হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় দুটি হত্যা মামলাসহ ১১টি মামলার এক আসামিকে ৯৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার। এর আগে রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণবহর এলাকায় সিরাজের বাড়ির টিনের ঘরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. নুরুল ইসলাম মিয়া ওরফে মিয়া ডাকাত (৫৪)। তিনি উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণবহর এলাকার মৃত এলাহি বক্সের ছেলে। পুলিশ জানায়, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় দুটি হত্যা মামলাসহ মোট ১১টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি পাঁচটি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণবহর এলাকায় সিরাজের বাড়ির টিনের ঘরে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় তার দেহ তল্লাশি করে ৯৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, গ্রেপ্তার নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সুধারাম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। আরটিভি/টিআর
হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, টিকটকার মামুন গ্রেপ্তার
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বিপন্ন মুখপোড়া হনুমানের
রান্নাঘরে লাকড়ির স্তূপে তাকাতেই চোখ কপালে
কথিত সীমানা পিলার ও কয়েন বিক্রি চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার