ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পেটের ভেতরে ইয়াবা নিয়ে খুলনায় যাচ্ছিলেন আমিনুল, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:২২ এএম
আটক আমিনুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

মাদকের চালান বহনে একের পর এক নতুন কৌশল ব্যবহার করছে কারবারিরা। তারই ধারবাহিকতায় এবার পেটের ভেতরে ইয়াবা নিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে খুলনায় যাওয়ার পথে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব।

রোববার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক মো. আমিনুল ইসলাম (৩৩) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার দক্ষিণ শরীফপুর গ্রামের মো. ইদ্রিছ আমিনের ছেলে।

র‌্যাব-৬ এর ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এস এম রেজাউল হক জানান, মাদকের একটি বড় চালান পাচার হবে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাটিয়াপাড়া এলাকায় অবস্থায় নেয় র‌্যাবের একটি দল। এ সময় ওই এলাকায় দোলা পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে মাদককারবারি মো. আমিনুল ইসলামকে আটক করা হয়।

Capture2

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি স্বীকার করেন, তিনি কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ২ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা বিশেষ কৌশলে পেটের ভেতরে বহন করে ঢাকা হয়ে খুলনায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। তার স্বীকারোক্তির পর বাসের চালক, সুপারভাইজার ও যাত্রীদের উপস্থিতিতে তাকে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

হাসপাতালে চিকিৎসকের পরামর্শে এক্স-রে পরীক্ষা করলে তার পেটে ইয়াবা বহনের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবনের পর কিছু সময়ের মধ্যে মলের সঙ্গে পেটের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে ২ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে ইয়াবাগুলো জব্দ করে র‍্যাব।

তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিনব কৌশলে মাদক পরিবহনের চেষ্টা করলেও গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযানের মাধ্যমে এসব চক্রকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

র‌্যাবের এই ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার জানান, জব্দ করা ইয়াবাসহ আটক মাদক কারবারিকে কাশিয়ানী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতেও তদন্ত চলছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
নদীর ওপরে মাছ ধরার ভান, নিচ দিয়ে এলো ৩০ লাখ ইয়াবা
রাজবাড়ীতে ৯০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
ঘুমধুম সীমান্তে ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক
দুর্ঘটনায় জ্ঞান হারান মোটরসাইকেল আরোহী, পকেটে মিলল ৯৫০ পিস ইয়াবা