ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এক উপজেলার ৭৪ প্রাথমিক স্কুল চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে অর্ধেকেরও বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের দিয়েই চলছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এতে একদিকে যেমন প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে শ্রেণিকক্ষের পাঠদানেও দেখা দিয়েছে বিঘ্ন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মহম্মদপুর উপজেলায় মোট ১৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৬০টি বিদ্যালয়ে নিয়মিত প্রধান শিক্ষক কর্মরত আছেন। বাকি ৭৪টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৩টি বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং ৩১টি বিদ্যালয় চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদেরই প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। অফিস ব্যবস্থাপনা, সরকারি বিভিন্ন প্রতিবেদন তৈরি, অনলাইন তথ্য হালনাগাদ, শিক্ষক-কর্মচারীদের ছুটিসহ নানা প্রশাসনিক কাজ সামলাতে গিয়ে তাদের শ্রেণিকক্ষে সময় দেওয়া কমে যাচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

উপজেলার একাধিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিনই উপজেলা শিক্ষা অফিস, বিভিন্ন সভা, সরকারি কাগজপত্র ও অনলাইন কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান আগের মতো নিয়মিত করা সম্ভব হয় না।

আব্দুর রহমান নামে এক অভিভাবক বলেন, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে। কোনো সমস্যা হলে আগে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলা যেত। এখন দায়িত্বে কে আছেন, কখন পাওয়া যাবে—এসব নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে। এতে ভোগান্তি বাড়ছে।

রাসেল নামে আরেক অভিভাবক বলেন, শিক্ষকদের অফিসের কাজ বেশি থাকলে ক্লাসে তার প্রভাব পড়বেই। আমাদের সন্তানরা যেন লেখাপড়ায় পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্য দ্রুত স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।

কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, অনেক সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত ক্লাস অন্য শিক্ষক নিতে হয়, আবার কোনো কোনো সময় ক্লাসও ফাঁকা থাকে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুধাংশু শেখর বিশ্বাস বলেন, বর্তমানে যারা চলতি দায়িত্বে রয়েছেন, তারা মূলত পদোন্নতি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রধান শিক্ষক হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। একইভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারীরাও পদোন্নতির তালিকায় উঠে আসবেন। সাময়িকভাবে প্রশাসনিক কাজে কিছুটা জটিলতা তৈরি হলেও শিক্ষক পদোন্নতির পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এই সংকট ও সমস্যা কেটে যাবে।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। পদোন্নতি কার্যক্রম শেষ হলে অধিকাংশ বিদ্যালয়েই নিয়মিত প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
মাগুরায় ১৬০টি পূজামণ্ডপে ৯৬ হাজার কেজি চাল বিতরণ 
ঋণ করে গড়া কলাবাগান এক রাতেই তছনছ, দিশেহারা কৃষক
মাগুরায় ইজিবাইকের চাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন