ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

হোটেল কক্ষে ঝুলছিল এএসআইয়ের মরদেহ, রক্তাক্ত পড়ে ছিলেন স্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
মিরসরাই থানা। ফাইল ছবি

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে আমিনুল ইসলাম (৩২) নামের এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কক্ষের দরজার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার (২৪)। এছাড়াও তাদের ১০ মাস বয়সী এক সন্তানকেও উদ্ধার করা হয়েছে ওই কক্ষ থেকে।

সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বড়তাকিয়া বাজারের হোটেল রিলেক্স জোনের ১০৪ নম্বর কক্ষে ঘটে এ ঘটনা।

নিহত আমিনুল ইসলাম উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নের আব্দুল হক মাস্টার বাড়ির আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের রাঙ্গামাটি পুলিশ লাইনে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পদে কর্মরত ছিলেন। তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার উপজেলার হাজীশ্বরাই এলাকার বাসিন্দা।

হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার রোববার দুপুর ২টার দিকে হোটেলে ঢোকেন এবং ১০৪ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন। পরের দিন সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় দায়িত্বরত ম্যানেজার বারবার ডাকার পরও কোনো সাড়াশব্দ পাননি। দীর্ঘক্ষণ পর ভেতর থেকে দরজা খুলে দেন রক্তাক্ত তাহমিনা। তখন খাটের পাশে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার স্বামীকে দেখতে পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন

হোটেল ম্যানেজার সোহান বলেন, তারা রোববার দুপুরে ভাড়া নেওয়ার পর বিকেলে ও রাতে দুইবার বের হন। রাতে আমি আমার রুমে শুয়ে পড়ি, এরপর কোনো ধরনের শব্দ শুনিনি। সকালে অনেক ডাকাডাকির পর সাড়াশব্দ না পেয়ে সবাইকে জানাই।

মিরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) নাদিম হায়দার চৌধুরী বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ওই হোটেলে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাহমিনা আক্তারকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ সময় ঝুলন্ত অবস্থায় তার স্বামীর মরদেহ পাওয়া যায়। রোববার দুপুরে তারা হোটেল রিলেক্স জোনে ১০৪ নম্বর কক্ষটি ভাড়া নেন। মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম পাঠানো হয়েছে। নিহত পুলিশ কর্মকর্তা রাঙ্গামাটি পুলিশ লাইনের এএসআই পদে কর্মরত ছিলেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ছেলের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সময় মায়ের মৃত্যু!
কচুরিপানা সরাতেই ভয়ংকর দৃশ্যের মুখোমুখি স্থানীয়রা
পাশের ফ্ল্যাটে অদ্ভুত শব্দ, দরজা খুলতেই হতভম্ব বাড়ির মালিক
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তিনদিন ঝোপে পড়ে ছিলেন গৃহবধূ, দুর্গন্ধে মিলল মরদেহ