ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

১১ শিক্ষকের স্কুলে ৫ পরীক্ষার্থী, এসএসসিতে পাসের হার ‘শূন্য’

লালমনিরহাট প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১০:১২ এএম
এএম রথবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি: আরটিভি

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার এএম রথবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার শূন্য। বিদ্যালয়টিতে মোট ১১ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পাঁচজন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সুশীল সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রায় দুইশ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তাদের পাঠদানের জন্য সাতজন এমপিওভুক্ত ও চারজন নন-এমপিওসহ মোট ১১ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। এ ছাড়া আরও চারটি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও পাঁচজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাস না করায় চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

অভিভাবকদের অভিযোগ, নিয়মিত পাঠদানে উদাসীনতা ও শিক্ষার মান নিম্নমুখী হওয়ায় পরীক্ষার ফলাফলে এ ধস নেমেছে।

উপজেলার মদাতী ইউনিয়নে নারী শিক্ষার প্রসারে ১৯৯৯ সালে স্থানীয়দের উদ্যোগে ‘এএম রথবাড়ী বালিকা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১১ সালে প্রথম এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যালয়টি উচ্চ বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। কালক্রমে ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির নিম্ন মাধ্যমিক শাখাটি এমপিওভুক্ত হয়।

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মদাতী ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বিপ্লব বলেন, নিম্ন মাধ্যমিক শাখার শিক্ষকরা সরকারি বেতন-ভাতা পেলেও উচ্চ বিদ্যালয় শাখাটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ায় উচ্চ বিদ্যালয় শাখার শিক্ষকরা পাঠদানে কিছুটা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। এর পাশাপাশি শিক্ষক সংকট তো রয়েছেই। এসব কারণেই চলতি বছর পাঁচজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েও কেউ পাস করতে পারেনি।

বিষয়টি নিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদরুল আলম জানান, এএম রথবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এ চরম ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন পলিসি
এসএসসি পাসে ২ জেলায় চাকরি দেবে ওয়ালটন
উত্তরপত্রে মোবাইল নম্বর পেয়ে শিক্ষার্থীকে বাসায় ডাকেন শিক্ষক, অতঃপর...
এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ