ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চার মাস ধরে নিখোঁজ মিরাজ, সামনে এল নানা প্রশ্ন

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম
মিরাজ শেখ। ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটের মোংলার জয়মনির ঘোলের বাড়ি থেকে ১০ এপ্রিল সন্ধ্যায় বের হওয়ার পর আর ফেরেননি মিরাজ শেখ। এরপর কেটে গেছে চার মাস। পরিবারের অভিযোগ, সাদাপোশাকে থাকা কোস্টগার্ডের সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে গেছেন। পরে বলা হয়, মান্নান মাঝির জালি বোটে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

কিন্তু কোস্টগার্ড বলছে, মিরাজকে তারা আটক বা গ্রেপ্তার করেনি। যে বোটটির কথা বলা হয়েছে, সেই বোটের মাঝিও দাবি করছেন, তার বোটে মিরাজকে নেওয়া হয়নি।

এর মধ্যেই আত্মসমর্পণকারী সাবেক জলদস্যু ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদারের একটি বক্তব্য নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তার দাবি, মিরাজের সঙ্গে সুন্দরবনের দস্যুদের যোগাযোগ ছিল। এমনকি মিরাজ নিখোঁজ হওয়ার দিনই তার মাধ্যমে সাড়ে ৬ লাখ টাকা পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। সুমনের এই বক্তব্যের স্বাধীন সত্যতা অবশ্য এখনও নিশ্চিত হয়নি।

মিরাজের স্ত্রী মুক্তা খাতুন ২৩ এপ্রিল মোংলা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে মোংলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে মিরাজের বোন দাবি করেন, কোস্টগার্ডের সদস্যরা মান্নান মাঝির জালি বোটে করে মিরাজকে নিয়ে যান।

মান্নান মাঝি এ দাবি অস্বীকার করেছেন। তার বক্তব্য, মিরাজ নিখোঁজ হওয়ার সময় তিনি জালি বোটে করে জাহাজে লোক আনা-নেওয়ার কাজে ছিলেন। তার বোটে মিরাজকে তোলা বা নিয়ে যাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। সরকারি লোকজনের নিজেদের বোট থাকতে তার বোটে করে কাউকে নিয়ে যাওয়ার প্রশ্নও ওঠে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নাজমুলও মিরাজকে তুলে নেওয়ার ঘটনা নিজ চোখে দেখেননি। তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেই বিষয়টি শুনেছেন। তার প্রশ্ন, পরিবারের দাবি অনুযায়ী যদি মিরাজকে সবার সামনে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়ে থাকে, তাহলে ঘটনাস্থলে থাকা কেউ অন্তত একটি ছবি বা ভিডিও ধারণ করলেন না কেন।

নাজমুল মিরাজের জীবনযাপন নিয়েও একটি পর্যবেক্ষণের কথা জানান। তার ভাষ্য, মিরাজের পরিবার আর্থিকভাবে খুব সচ্ছল ছিল না। কিন্তু মিরাজের চলাফেরা ও জীবনযাপন দেখে অনেক সময় তা বোঝা যেত না। তার ওঠাবসা ও চলাফেরা ছিল বেশ স্বচ্ছন্দ। এ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা ছিল বলেও জানান তিনি। মিরাজ দস্যু সুমন বাহিনীর সোর্স ছিল বলেও জানান তিনি।

পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে কোস্টগার্ডের বক্তব্য ভিন্ন। বিসিজি বেইজ মোংলার নির্বাহী কর্মকর্তা কমান্ডার শহীদ আল আহসান (এনডি), পিএসসি, বিএন বলেন, মিরাজকে কোস্টগার্ড আটক বা গ্রেপ্তার করেনি। তার নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে কোস্টগার্ডের কোনো সংশ্লিষ্টতাও নেই।

কোস্টগার্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মিরাজের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ফলে পরিবারের অভিযোগের বিপরীতে কোস্টগার্ডের বক্তব্য হলো, মিরাজ তাদের হেফাজতে ছিলেন না এবং তাঁকে আটক করার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

মিরাজ ও সুমন হাওলাদার একই এলাকার বাসিন্দা এবং তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন। সুন্দরবনে জলদস্যু হিসেবে সক্রিয় থাকা সুমন পরে কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে সুমন দাবি করেন, সুন্দরবনের দস্যুদের সঙ্গে মিরাজের যোগাযোগ ছিল। জেলের ছদ্মবেশে নৌকায় করে সুন্দরবনের গহিনে যাতায়াত করতেন মিরাজ। দস্যুদের কাছে অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দেওয়ার কাজেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে দাবি করেন সুমন।

সুমনের বক্তব্যের সবচেয়ে আলোচিত অংশ সাড়ে ৬ লাখ টাকা নিয়ে। তার দাবি, সুন্দরবনের একটি জেলে বহরকে জিম্মি করে জলদস্যুরা মুক্তিপণ দাবি করেছিল। সেই মুক্তিপণের সাড়ে ৬ লাখ টাকা মিরাজের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল ১০ এপ্রিল। মিরাজও নিখোঁজ হন ওই দিন।

দুটি ঘটনার সময়ের এই মিলই এখন নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। মিরাজ কি ওই টাকা পৌঁছে দিতে কোথাও গিয়েছিলেন? টাকাটি কার কাছে যাওয়ার কথা ছিল? তার নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে ওই টাকার কোনো সম্পর্ক ছিল কিনা? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

এদিকে, মিরাজকে খুঁজে বের করার বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তার বাবা মোস্তফা শেখ হাইকোর্টে রিট করলে ১২ জুলাই আদালত মিরাজকে উদ্ধার করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

মিরাজের নিখোঁজের ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও উদ্বেগ জানানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ দ্রুত তদন্ত ও মিরাজের সন্ধান নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রও মিরাজকে দ্রুত খুঁজে বের করা এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

এসব সংগঠনের বক্তব্য অবশ্য মিরাজকে কারা নিখোঁজ করেছে, তা প্রমাণ করে না। তারা মূলত ঘটনার কার্যকর ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার জানিয়েছেন, মিরাজের নিখোঁজের ঘটনায় করা সাধারণ ডায়েরির তদন্ত চলছে। তবে এখন পর্যন্ত মিরাজকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এখন তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ১০ এপ্রিলের সেই সন্ধ্যা। মিরাজ কোথা থেকে বেরিয়েছিলেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তার মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান কোথায় ছিল, মান্নানের জালি বোট তখন কোথায় ছিল, কারা তাকে শেষবার দেখেছিলেন এবং সুমনের দাবি করা সাড়ে ৬ লাখ টাকার সঙ্গে মিরাজের কোনো যোগাযোগ ছিল কিনা— এসব তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

একদিকে পরিবারের অভিযোগ, অন্যদিকে কোস্টগার্ডের অস্বীকার। পরিবারের দাবি করা জালি বোটের মাঝি বলছেন, মিরাজ তার বোটে ওঠেননি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিও তাকে তুলে নেওয়ার ঘটনা দেখেননি। আবার আত্মসমর্পণকারী সাবেক জলদস্যু নেতার বক্তব্যে উঠে এসেছে মিরাজের কথিত দস্যু-যোগ ও নিখোঁজের দিনের সাড়ে ৬ লাখ টাকার প্রসঙ্গ। চার মাস পরও তাই মিরাজের নিখোঁজের রহস্যের উত্তর মেলেনি।

আরও পড়ুন

১০ এপ্রিল সন্ধ্যার পর মিরাজ কোথায় গেলেন, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তার পরিবার, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সবাই।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতিসংঘের সামনে প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেলেন বগুড়ার রুশমী, উচ্ছ্বসিত শিক্ষক
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জাতিসংঘের সামনে প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেলেন বগুড়ার রুশমী, উচ্ছ্বসিত শিক্ষক
হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় মা, চিকিৎসার টাকা নিয়ে উধাও ছেলে
হাসপাতালে যখন মৃত্যুযন্ত্রণায় ছটফট করছেন মা, ঠিক সেই মুহূর্তে চিকিৎসার জন্য ব্যাংকে জমানো দেড় লাখ টাকা তুলে নিয়ে সটকে পড়েছেন তার বড় ছেলে।  সম্প্রতি লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার করুণানগর এলাকায় ঘটা এই অমানবিক ঘটনাটি এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অর্থের অভাবে রাজধানীর শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই মায়ের জীবন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে ওই নারীর স্বামী মারা যান। দুই ছেলে ও দুই মেয়ের সংসারে মা তার বাবার বাড়ির ওয়ারিশি সম্পত্তি বিক্রির ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দুই ছেলে— মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ও সালাউদ্দিনের নামে সোনালী ব্যাংকের একটি যৌথ অ্যাকাউন্টে জমা রেখেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, ভবিষ্যতে নিজের বিপদ বা চিকিৎসার প্রয়োজনে এই অর্থ কাজে লাগবে। সপ্তাহখানেক আগে তৃতীয়বারের মতো স্ট্রোক করলে ওই নারীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে সংকটজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে মায়ের চিকিৎসার জরুরি খরচের জন্য দুই ভাই আলাউদ্দিন ও সালাউদ্দিন সোনালী ব্যাংক কমলনগর শাখা থেকে যৌথ অ্যাকাউন্টের পুরো টাকা উত্তোলন করেন। তবে টাকা তোলার পরপরই বড় ভাই আলাউদ্দিন কৌশলে ছোট ভাই সালাউদ্দিনকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে এলাকা থেকে গা-ঢাকা দেন। পরবর্তীতে স্বজনরা যোগাযোগের চেষ্টা করলে আলাউদ্দিন সাফ জানিয়ে দেন— মায়ের নামে থাকা জমি তার নামে লিখে না দিলে তিনি চিকিৎসার এই টাকা দেবেন না। ঘটনাটি রোববারের হলেও বুধবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর ছোট ছেলে সালাউদ্দিন বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান। ছোট ছেলে সালাউদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, বড় ভাই বেশ কিছুদিন ধরেই মায়ের জমি নিজের নামে লিখে নিতে চাপ দিচ্ছিলেন। কিন্তু মা রাজি হননি। এখন মায়ের জীবন-মরণ সন্ধিক্ষণে তিনি প্রতারণা করে চিকিৎসার টাকা আটকে রেখে জমি লিখে নেওয়ার শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। টাকার অভাবে মায়ের চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে, আমরা এখন চরম দিশেহারা। ঘটনাটি জানতে পেরে তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সোলাইমান বলেন, মায়ের চিকিৎসার জন্য রাখা টাকা তুলে ছেলে চম্পট দেওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক। এমন পাষণ্ড সন্তানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। করুণানগর এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা আবুল কালাম আফসোস করে বলেন, মাতা-পিতার আত্মত্যাগকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যে সন্তান মাকে মৃত্যুর মুখে ফেলে টাকা নিয়ে পালাতে পারে, আল্লাহ যেন এমন কুলাঙ্গার সন্তান আর কারো ঘরে না দেন। প্রশাসনের উচিত এ বিষয়ে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া। জানা গেছে, অভিযুক্ত আলাউদ্দিন উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করুণানগর এলাকার মৃত হানিফ বেপারীর বড় ছেলে। ব্যক্তিজীবনে তিনি দুটি বিয়ে করে আলাদা সংসার করছেন। ঘটনার পর থেকে তার মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক। অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার টাকা নিয়ে সটকে পড়া এবং শর্ত জুড়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দ্রুত লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসএস
হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় মা, চিকিৎসার টাকা নিয়ে উধাও ছেলে
মাদরাসাছাত্রের শরীরে ব্যথার কারণ থেকে মিলল ‘ভয়ংকর সত্য’
নড়াইলে ৮ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে হাবিবুর রহমান (১৫) নামের এক কিশোরের বিরুদ্ধে। 
মাদরাসাছাত্রের শরীরে ব্যথার কারণ থেকে মিলল ‘ভয়ংকর সত্য’
থানায় ভাঙচুর চালাল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ১৭ কিশোর 
কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়ার পর ১৭ কিশোর কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার ভেতর ভাঙচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
থানায় ভাঙচুর চালাল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ১৭ কিশোর 
সাহায্য চাইছিল সড়কে পড়ে থাকা রক্তাক্ত নারী, ছবি তুলতে ব্যস্ত জনতা
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক নারী দীর্ঘ সময় রাস্তায় পড়ে থাকলেও তাকে উদ্ধারের বদলে ছবি ও ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন আশপাশের অনেকে।
সাহায্য চাইছিল সড়কে পড়ে থাকা রক্তাক্ত নারী, ছবি তুলতে ব্যস্ত জনতা
আরও পড়ুন
দুই দিন ধরে নিখোঁজ অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সাহারা!
চাঁদপুরে নিখোঁজ কিশোর রাতুলকে বান্দরবান পাহাড় থেকে উদ্ধার
খিলক্ষেতে শিশু নিখোঁজ, অজ্ঞাত নম্বর থেকে পরিবারকে ফোন
নামাজ পড়তে বেরিয়ে নিখোঁজ ১১ বছরের আবদুল্লাহর সন্ধান চায় পরিবার