ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

স্কুলছাত্রকে উদ্ধারের জেরে পরিবারসহ প্রধান শিক্ষককে ‘প্রাণনাশের’ হুমকি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় স্কুল থেকে তুলে নেওয়া এক ছাত্রকে উদ্ধার করে জড়িত কিশোরকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ায় প্রধান শিক্ষককে মোবাইল ফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ‘ডেভিড জিহাদ’ পরিচয়ে দেওয়া ওই হুমকির পর থেকে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কায় ভুগছেন ওই শিক্ষক।

শনিবার (২২ আগস্ট) লোহাগাড়ার ইকরা আবদুল জব্বার উচ্চবিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

এ দিন লোহাগাড়ার ইকরা আবদুল জব্বার উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আবদুল্লাহকে (১৫) স্কুল থেকে তুলে নিয়ে যায় কিশোর গ্যাংয়ের একটি দল। বিষয়টি জানতে পেরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন সুমন সহকর্মী নাজিবকে সঙ্গে নিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করেন।

এরপর দ্রুত বটতলী স্টেশনের ইনসাফ রেস্টুরেন্টের সামনে গিয়ে আবদুল্লাহর সহপাঠী ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত আয়ানকে আটক করেন। তবে আবদুল্লাহকে মারধর করা অন্য কিশোরেরা পালিয়ে যায়। পরে আয়ানকে লোহাগাড়া থানা-পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন সুমন জানান, এক বছর আগে আয়ানকে হকিস্টিকসহ আটক করেছিলেন তারা। সে সময় তার অভিভাবকেরা এসে মুচলেকা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।

আয়ানকে পুলিশে সোপর্দ করার পর শনিবার সন্ধ্যায় প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন সুমনের মোইল ফোনে হুমকিসংবলিত একটি কল আসে। কল রেকর্ডে হুমকিদাতাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি করে দেখাই যে, আমি করে তারপর বলি যে। আমি ডেভিড জিহাদ। আপনি থানায় গিয়ে মামলা দেন। আপনার ফ্যামিলির প্রত্যেকটা মানুষ, আপনার ছেলে... আপনি ভুল জায়গায় হাত দিছেন, বুঝছেন!’

জানা গেছে, যে ফোন নম্বর থেকে ওই হুমকি দেওয়া হয়েছিল, সেটির মালিক লোহাগাড়ার বার আউলিয়া কলেজের শিক্ষার্থী রিপন। তবে রিপনের দাবি, জিহাদ নামের ওই ব্যক্তি তার পরিচিত। তিনি তার মোবাইল ফোন নিয়ে কাউকে কল করেছিলেন। তবে কেন এবং কাকে ফোন করেছিলেন, তা তিনি জানেন না।

প্রধান শিক্ষকের প্রতিবেশী ও স্থানীয় এক যুবদল কর্মীর সহায়তায় আটক কিশোর আয়ানকে থানায় নেওয়ার পর মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে লোহাগাড়া থানায় উভয় পক্ষের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে একটি সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন সুমন বলেন, স্কুলের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা প্রথমে বিষয়টি থানাকে অবহিত করি। ছেলেগুলো ছোট হওয়ায় এবং তাদের অভিভাবকেরা ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে নিশ্চয়তা দেওয়ায় থানায় বসে আমরা সমঝোতায় এসেছি। তবে হুমকির ঘটনার পর থেকে আমি আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। এ বিষয়ে পরে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছি।

এ বিষয়ে লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, লোহাগাড়ায় স্কুলশিক্ষার্থী নিয়ে একটা ঘটনা ঘটেছে। তবে ‘ডেভিড জিহাদ’ পরিচয়ে দেওয়া হুমকির বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ বা কল রেকর্ডের কথা তিনি অবগত নন।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ফেরাতে ব্যাকুল শিক্ষার্থীরা
নতুন পে-স্কেলের মধ্যেই প্রাইমারির প্রধান শিক্ষকদের বেতন বাড়াল সরকার
ঝিনাইদহে প্রধান শিক্ষক পিয়ার মোহাম্মদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
প্রধান শিক্ষককে অকথ্য গালাগাল, চাকরিচ্যুতের হুমকি