ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

রংপুরে ৪ হত্যা: আদালতে ২ আসামির জবানবন্দি, মিলল নতুন তথ্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় দুই আসামি সীমান্ত দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে নতুন তথ্য উঠে এসেছে।

এ ছাড়া ময়নাতদন্ত ও পুলিশের তদন্তে বেশ কিছু তথ্য সামনে এসেছে। নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থীর শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তে দুজনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসরোধ বা গলায় ফাঁস দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই হত্যার ঘটনায় নতুন করে আরও তথ্য দিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে সংবাদ সম্মেলনে সীমান্ত দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের আদালতে দেওয়া জবানবন্দির তথ্য তুলে ধরেন ডিআইজি।

তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সীমান্ত দাস বলেছেন, তিনি একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করেন। আর সিদ্ধার্থ দাস স্বর্ণের দোকানের কারিগর হিসেবে কাজ করেন। গণপতি চক্রবর্তী স্যারের বাড়ির সঙ্গে সিদ্ধার্থদের বাড়ি লাগোয়া ছিল। গণপতি স্যার যে জমিতে বাড়ি করেছিলেন, সেটি আগে সিদ্ধার্থদের পূর্বপুরুষদের জমি ছিল। পরে গণপতি স্যার জমিটি কিনে বাড়ি করেন।

সিদ্ধার্থের জবানবন্দি অনুযায়ী, তিনি আগে মাঝেমধ্যে উৎসবের সময় ইয়াবা সেবন করতেন। তবে ঘটনার আগের এক মাস ধরে প্রতি বৃহস্পতিবার একটি করে ইয়াবা সেবন করতেন। সিদ্ধার্থের বড় ভাইয়ের সম্প্রতি বিয়ে হয়। এরপর ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কারণে তিনি প্রায় ছয়-সাত মাস ধরে বিজয় কাকুর বাসায় ঘুমাতেন। সেখানে খাওয়া-দাওয়াও করতেন। তবে ঘটনার আগের এক মাস ধরে প্রতি বৃহস্পতিবার তিনি সীমান্তদের বাসায় থাকতেন। সীমান্ত নেশা করেন না। ঘটনার বিষয়েও তিনি কিছু জানতেন না। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সীমান্তের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।

সিদ্ধার্থের বক্তব্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর তিনি ইয়াবা নিয়ে মুগ্ধকে সঙ্গে করে সীমান্তদের বাসায় যান। সেখানে দুজন মিলে তিনটি ইয়াবা সেবন করেন। রাত ৩টার দিকে আরও ইয়াবা সেবনের ইচ্ছা হলে তারা ইয়াবা ব্যবসায়ী শান্তর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। এরপর শান্তর বাড়ির সামনে থেকে আরও চারটি ইয়াবা সংগ্রহ করেন। তদন্তে ওই ইয়াবা ব্যবসায়ীর পরিচয় পাওয়া গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন

ইয়াবা নেওয়ার সময় তারা মোবাইল ফোন বন্ধক রেখেছিলেন। পরে ঘটনার পর তারা ওই বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা নেন। এর মধ্যে সিদ্ধার্থ ভাগে পান ৩ হাজার ৫০০ টাকা। ওই টাকা দিয়ে তিনি বন্ধক রাখা মোবাইল ফোনটি ছাড়িয়ে নেন। চারটি ইয়াবা নেওয়ার পর তারা আবার সীমান্তদের বাসায় যান। রাত ৩টার পর সেখান থেকে বের হন। রাস্তায় কুকুর থাকায় তারা সরাসরি না গিয়ে দেয়াল টপকে দেবুদের বাড়িতে প্রবেশ করেন। দেবুদের বাড়ির ছাদ ছিল খোলা। সেখানে বাতাস চলাচল করত। এরপর তারা ওই ছাদ থেকে গণপতি স্যারের বাড়ির ছাদে যান। দুই ছাদের মধ্যে দূরত্ব ছিল প্রায় দুই থেকে আড়াই ফুট।

গণপতি স্যারের ছাদের চারপাশে হাফওয়াল ছিল। ফলে বাইরে থেকে সহজে দেখা যেত না। পানির ট্যাংকির আড়ালে বসে তারা ইয়াবা সেবন শুরু করেন। তারা ইয়াবা সেবন করতে করতে খেয়াল করেননি কখন ভোর হয়ে গেছে। সিদ্ধার্থের জবানবন্দি অনুযায়ী, সেদিন তারা মোট আটটি ইয়াবা সেবন করেন। জীবনে এর আগে তারা একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুটি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। মুগ্ধের জবানবন্দিতে অবশ্য সেদিন ৯টি ইয়াবা সেবনের কথা এসেছে। এটি আটটি ও পরে আরও একটি ইয়াবা সেবনের হিসাব হতে পারে।

পরে ভোরে গণপতি চক্রবর্তী স্যার ছাদে হাঁটতে গিয়ে তাদের দেখে ফেলেন। তিনি তাদের ধমক দিয়ে বলেন, তোরা এত সকালে এখানে কী করিস? তখন তারা ভয় পেয়ে যায়। তাদের আশঙ্কা ছিল, স্যার চিৎকার করলে বিষয়টি সবাই জেনে যাবে। মান-সম্মানের ভয়েও তারা স্যারকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় বলে জবানবন্দিতে এসেছে। সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ স্যারের গলায় থাকা গামছা পেঁচিয়ে দুইদিক থেকে টান দেন। একপর্যায়ে স্যার মারা যান। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে শ্বাসরোধজনিত মৃত্যুর বিষয়টি উঠে আসে। তাদের দেওয়া জবানবন্দির সঙ্গে ময়নাতদন্তের ওই তথ্যের মিল পাওয়া গেছে।

গণপতির মরদেহ টিন দিয়ে ঢেকে রাখার সময় শব্দ পেয়ে সম্ভবত তার স্ত্রী ও মেয়ে ছাদে চলে আসেন। তারা চিৎকার শুরু করেন। তখন মুগ্ধ গণপতির স্ত্রীর গলা চেপে ধরেন আর সিদ্ধার্থ মেয়ের গলা চেপে ধরেন। একপর্যায়ে গণপতির স্ত্রীর গলায় থাকা গামছা দিয়েই মেয়েটির গলায় প্যাঁচ দেওয়া হয়। পরে পাশের কবুতরের খাবার রাখার বাক্স থেকে রশি নিয়ে মেয়েটির গলায় পেঁচিয়ে দুই দিক থেকে টান দেওয়া হয়। এভাবে মা ও মেয়েকেও হত্যা করা হয়। এরপর বাড়িতে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা আছে কি না, সেই আশঙ্কা থেকে তারা নিচতলায় যান। সেখানে একটি পুরোনো প্লাস পান। সেটি দিয়ে বিদ্যুতের তার কেটে দেন, যাতে কোনো ক্যামেরা থাকলেও সেটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পরে তারা আবার ছাদে যান। মা ও মেয়ের মরদেহ ছাদের গেটের ভেতরে সিঁড়ির দিকে রেখে দেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, দেবুদের বাড়ির ছাদ থেকে যেন মরদেহ দেখা না যায়। এরপর তারা গণপতির ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে গিয়ে দেখেন, শিশুটি ঘুম থেকে উঠছে। শিশুটি সিদ্ধার্থকে চিনতে পারে এবং বলে, সিদ্ধার্থ দাদা, তুমি এখানে কেন? এর আগে আমরা শিশুটি ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল বলে যে তথ্য পেয়েছিলাম, তখন সেই তথ্যের ভিত্তিতেই বিষয়টি জানিয়েছিলাম। কিন্তু আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তারা বলেছে, শিশুটি ঘুম থেকে উঠে সিদ্ধার্থকে চিনে ফেলে এবং তার নাম ধরে ডাকে।

শিশুটি চিৎকার করে অন্যদের জানিয়ে দিতে পারে— এই আশঙ্কায় তারা তাকে হত্যা করে। জবানবন্দি অনুযায়ী, কাপড় দিয়ে শিশুটির গলায় প্যাঁচ দিয়ে শ্বাসরোধ করা হয়। এরপর তারা দুজনই অনেকটা ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তারা গোসল করেন। গোসলের পর তাদের কাছে থাকা আরেকটি ইয়াবা সেবন করেন। এরপর মুগ্ধের মাথায় বাড়িটিকে চুরি বা ডাকাতির ঘটনা হিসেবে দেখানোর পরিকল্পনা আসে। তারা ঘরের ড্রয়ার খুলে জিনিসপত্র এলোমেলো করতে থাকেন। মুগ্ধ বিভিন্ন অলংকার এনে দেন। সিদ্ধার্থ সেগুলো প্লাস্টিকের বাক্স ও কাপড়ের প্যাকেটে রাখেন।

বাড়ি থেকে তারা ১৫ হাজার টাকা নেন। জুমার নামাজের সময় বাইরে মানুষের চলাচল কমে গেলে তারা গণপতির বাড়ির ছাদ থেকে দেবুদের বাড়ির ছাদে যান। এরপর দেয়াল টপকে বাইরে বের হয়ে যান। মুগ্ধ ১৫ হাজার টাকা নিয়ে যান। আর স্বর্ণালংকারের ব্যাগ নিয়ে সিদ্ধার্থ একটি গলিতে যান। পরে কাউকে বুঝতে না দিয়ে পূর্ণিমা নামে এক কাকির বাড়ির পেছনে মাটির নিচে স্বর্ণালংকারগুলো রেখে দেন। পূর্ণিমা ও তার স্বামী বিজয় এসব বিষয়ে কিছুই জানতেন না।

এরপর সিদ্ধার্থ বাড়িতে গিয়ে আবার গোসল করেন। পরে মুগ্ধের কাছে গিয়ে তার ভাগের ৩ হাজার ৫০০ টাকা নেন। ওই টাকা দিয়ে বন্ধক রাখা মোবাইল ফোনটি ছাড়িয়ে নেন। পরদিন সিদ্ধার্থ স্বাভাবিকভাবে দোকানে কাজে যান। অন্যদিকে মুগ্ধ বাড়িতেই ছিলেন। পরে পুলিশ মুগ্ধকে গ্রেপ্তার করে।

এই হত্যাকাণ্ডে সিদ্ধার্থের সঙ্গে অপর আসামি হিসেবে মুগ্ধ দাসের নামও এসেছে। মুগ্ধের জবানবন্দিতেও একই ধরনের ঘটনার কথা উঠে এসেছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উপজেলায় জিপিএ-৫ মাত্র দুই, দুজনই যমজ বোন
বাবার বেকারত্ব, সংসারের অভাব-অনটন আর নানা সীমাবদ্ধতা পেছনে ফেলে সাফল্যের দেখা পেয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার যমজ দুই বোন রহিমা সরদার ও রাবেয়া সরদার। ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে দুজনই পেয়েছে জিপিএ-৫। উপজেলার ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে তারাই একমাত্র জিপিএ-৫ অর্জনকারী। তাদের এই সাফল্যে গর্বিত পরিবার ও এলাকাবাসী।
উপজেলায় জিপিএ-৫ মাত্র দুই, দুজনই যমজ বোন
অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকের ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টা, এরপর যা ঘটল
যশোরের সিঙ্গিয়া রেলস্টেশনে ট্রেনের ভেতর থেকে শাহেদ বায়ান (৬৫) নামে এক অস্ট্রেলীয় নাগরিকের ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে আকাশ গাঙ্গুলী নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। 
অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকের ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টা, এরপর যা ঘটল
‘সন্ধ্যার পর বাইরে ঘোরাফেরা করলে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করা হবে’
কক্সবাজারে সন্ধ্যার পর বিনা কারণে বাইরে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের আটক ও গ্রেপ্তার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী।
‘সন্ধ্যার পর বাইরে ঘোরাফেরা করলে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করা হবে’
পর্যটকদের জন্য খুললো সেন্টমার্টিন
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে প্রতি বছরই সেন্টমার্টিনে ভিড় করেন পর্যটকেরা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপটি। তবে দ্বীপে পর্যটন শুরু হলেও চলছে না জাহাজ। আগামী ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে এ রুটে জাহাজ চলাচল শুরুর চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এই পাঁচ দিন পর্যটকেরা কীভাবে সেন্টমার্টিনে পৌঁছাবেন? জানা যাচ্ছে, এই সময় পর্যটকদের দ্বীপে যাতায়াতের জন্য ভরসা করতে হবে ট্রলার কিংবা স্পিডবোটের ওপর। অর্থাৎ, ১ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত যারা সেন্টমার্টিন ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের এই বিকল্প জলযানেই যাতায়াত করতে হবে। তবে ট্রলার বা স্পিডবোটে যাতায়াতের ক্ষেত্রে আবহাওয়া, সমুদ্রের অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক দ্বীপটি ভ্রমণ করতে পারবেন। পর্যটকদের বরণ করে নিতে এরই মধ্যে নতুন সাজে প্রস্তুত করা হয়েছে দ্বীপের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টগুলো। তবে পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও জাহাজ চলাচল নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা জটিলতা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেয়েছে তিনটি জাহাজ। কিন্তু এখনো নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ভয়েজ লাইসেন্স, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট এবং জাহাজ চলাচলের সময়সূচি চূড়ান্ত হয়নি। এ ছাড়া পর্যটকদের টিকিট বিক্রির জন্য ট্যুরিজম বোর্ডের সফটওয়্যারও এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় আপাতত কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল শুরুর বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে আছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করে আগামী ৫ থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে। আরটিভি/টিআর
পর্যটকদের জন্য খুললো সেন্টমার্টিন
উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত
দেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে জনসম্পৃক্ততার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে যশোরের শার্শা উপজেলায় তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত
আরও পড়ুন
রংপুরের মহাসড়কে বৃষ্টির মধ্যে উল্টে গেল যাত্রীভর্তি বাস, বহু হতাহত 
রংপুরে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪
রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, তিনজনের মৃত্যু
রংপুরে হাতকড়াসহ পালানো মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার