ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

পাঁচ তারকা হোটেল থেকে কোটি টাকার তিন বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ, নেপথ্যে কী

কক্সবাজার প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
জব্দকৃত তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি। ছবি: আরটিভি

শুল্ক ফাঁকি ও জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে আমদানির অভিযোগে কক্সবাজার থেকে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৪ টায় কক্সবাজারের হোটেল ওশান প্যারাডাইসের হলরুমে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ।

গাড়িগুলো হল-মাজদা এমএক্স-৫ রোডস্টার/মিয়াটা, হোন্ডা সিভিক, টয়োটা জিআর সুপ্রা (এ৯০/এমকে-৫)

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের হোটেল ওশান প্যারাডাইসের পার্কিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি আটক করা হয়।

আরও পড়ুন

আটক গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে—ঢাকা মেট্রো-গ-৩০-১২২৪ নম্বরের টয়োটা এম ক্রপ, ২০২১ মডেলের লাল রঙের গাড়ি; ঢাকা মেট্রো-গ-১৮-৯৬৬৮ নম্বরের হোন্ডা ব্র্যান্ডের লাল রঙের গাড়ি এবং ঢাকা মেট্রো-গ-২৪-৭৩৯৯ নম্বরের মাজদা, ২০২০ মডেলের টুইন গ্রে রঙের গাড়ি। তিনটি গাড়ির উৎপাদনকারী দেশ জাপান।

কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গাড়িগুলোর ব্যবহারকারীরা আমদানি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দলিলাদি কিংবা গাড়ি ক্রয়ের বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, জালিয়াতি কিংবা চোরাচালানের মাধ্যমে গাড়িগুলো দেশে আনা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আটক তিনটি গাড়ির বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান ও আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বর্ষা শেষ, তবুও থামেনি পদ্মার ভাঙন
বর্ষা মৌসুম শেষ হয়েছে, কমেনি পদ্মার ভাঙন। এখনও তীব্র স্রোতে নদীতীর ভেঙে চোখের সামনে হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের বসতভিটা, ফসলি জমি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জীবিকার শেষ সম্বল।
বর্ষা শেষ, তবুও থামেনি পদ্মার ভাঙন
জমি বিরোধে মিথ্যা ধর্ষণচেষ্টা মামলা ও উচ্ছেদের অভিযোগ লংগদুতে 
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের রূপনগর এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক কিশোরীকে দিয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক ধর্ষণচেষ্টা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে।
জমি বিরোধে মিথ্যা ধর্ষণচেষ্টা মামলা ও উচ্ছেদের অভিযোগ লংগদুতে 
ঘুরতে নিয়ে প্রেমিকাকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন প্রেমিক জিম
১৮ মাস আগে নিখোঁজ হয় ১৭ বছর বয়সী কিশোরী নিঝুম খাতুন। নিঝুমের মা মহেশপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
ঘুরতে নিয়ে প্রেমিকাকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন প্রেমিক জিম
কবুতরের ঘরে আস্তানা, ২০ সিসিটিভি দিয়েও রক্ষা পেলেন না ‘হ্যাকার সম্রাট’
নাটোরের লালপুরে সাইবার অপরাধের অভিযোগে ‘হ্যাকার সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত ওহিদুল মোল্লা (৩২) ও তার সহযোগীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার এড়াতে ওহিদুল নিজের বাড়ি থেকে গ্রামের প্রধান সড়ক পর্যন্ত অন্তত ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন। এমনকি লুকিয়ে থাকার জন্য ব্যবহার করতেন বাড়ির একটি কবুতরের ঘর। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে লালপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওহিদুলকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন অপারেটরের ৬৮টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। এসব সিম সাতটি মুঠোফোনে অদলবদল করে ব্যবহার করা হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তার ছয়জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ওহিদুল মোল্লা লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের মোহরকয়া গ্রামের রব্বেল মোল্লার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, এলাকায় তিনি ইমো হ্যাকিং চক্রের ‘গুরু’ বা ‘সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমোসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ পুলিশের। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন, মোহরকয়া গ্রামের জহুরুল বিশ্বাসের ছেলে সাব্বির হোসেন (২৩), মৃত বেলাল আলীর ছেলে মোতাকাব্বির আলী (২৩), বিলমাড়িয়া গ্রামের মৃত কফের আলীর ছেলে শুকুর আলী (৫০), পানসিপাড়া গ্রামের আধার প্রামাণিকের ছেলে মো. আলামিন (২৩) এবং রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আলাইপুর গ্রামের সামাদ মণ্ডলের ছেলে মুক্তার আলী (৩৪)। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার এড়াতে ওহিদুল নিজের বাড়িকে অনেকটা নিরাপত্তাবেষ্টিত করে রেখেছিলেন। বাড়ি থেকে গ্রামের প্রধান সড়ক পর্যন্ত অন্তত ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বাড়ির দিকে এগিয়ে এলে আগেভাগেই তা বুঝতে পারতেন তিনি। তবে সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যবস্থা ছিল তার থাকার জায়গা। বাড়ির একটি কক্ষে কয়েকশ কবুতর রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল ঘর। বাইরে থেকে সেটি সাধারণ কবুতরের ঘর মনে হলেও ভেতরে ছিল ওহিদুলের থাকার ব্যবস্থা। সেখানে একটি খাট, দামি আসবাব, সিসিটিভি মনিটর ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রও ছিল। পুলিশ বলছে, ওই ঘরে বসেই সাইবার অপরাধের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন তিনি। অভিযানের সময় ওই ঘর থেকে ৬৮টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, সিমগুলো আলাদা করে একটি সাদা কাগজে ছক আকারে লেখা ছিল। কোন সিমে বিকাশ ও কোনটিতে নগদ ব্যবহার করা হতো, তা বোঝাতে বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্নও ব্যবহার করা হয়েছিল। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ওহিদুল দীর্ঘদিন ধরে ডিজিটাল মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। তার নেতৃত্বে এলাকায় একটি সাইবার অপরাধী চক্র সক্রিয় থাকার তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করে। ওসি বলেন, ওহিদুল গ্রেপ্তার এড়াতে বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। বাড়ির চারপাশে সিসিটিভি স্থাপন এবং কবুতরের ঘরের ভেতরে থাকার ব্যবস্থাও তারই অংশ। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় লালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মাসুম বাদী হয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেছেন। মামলায় ওহিদুলসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসকে
কবুতরের ঘরে আস্তানা, ২০ সিসিটিভি দিয়েও রক্ষা পেলেন না ‘হ্যাকার সম্রাট’
হঠাৎ বেড়েছে রড-সিমেন্টের দাম
উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির প্রভাবে হঠাৎ বেড়েছে রড ও সিমেন্টের দাম। মঙ্গলবার থেকে প্রতি টন রডে গড়ে ১ হাজার টাকা এবং প্রতি বস্তা সিমেন্টে ২৫ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। এতে একদিকে নির্মাণসামগ্রীর বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে নির্মাণকাজ কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে চাহিদা আগের তুলনায় অনেক কম।  ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২১ সালের পর থেকে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির অজুহাতে দফায় দফায় বাড়তে থাকে রডের দাম। ধারাবাহিকভাবে দাম বেড়ে ২০২৩ সালের মার্চে প্রতি টন রডের দাম লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়। একই সময়ে বাড়ে সিমেন্টের দামও। তবে ২০২৪ সালের পর রড-সিমেন্টের দাম তুলনামূলক কমে আসে। এর সঙ্গে কমে যায় নির্মাণকাজ ও চাহিদাও। ব্যবসায়ীদের দাবি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই নতুন করে বাড়িঘর বা স্থাপনা নির্মাণে আগ্রহ হারিয়েছেন। ফলে ফরিদপুরে গত প্রায় এক বছর ধরে রড-সিমেন্টের কেনাবেচা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সালে প্রতি টন ১ লাখ টাকায় বিক্রি হওয়া রড ২০২৪ সালের শেষ দিকে নেমে আসে প্রায় ৮৫ হাজার টাকায়। মাঝে দাম ৯০ হাজার টাকার কাছাকাছিও ছিল। সোমবার পর্যন্ত বাজারে কেএসআরএম প্রতি টন ৮৯ হাজার টাকা, বিএসআরএম ৯০ হাজার ৫০০ টাকা, একেএস ৯০ হাজার ৫০০ টাকা, সিএসআরএম ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং জেডএসআরএম ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই বছরের ব্যবধানে রডের দাম টনপ্রতি প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা কমেছে। একই সময়ে সিমেন্টের দামও বস্তাপ্রতি প্রায় ৩০ টাকা কমেছিল। তবে মঙ্গলবার থেকে নতুন করে রড ও সিমেন্টের দাম বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে প্রতি টন রডে গড়ে ১ হাজার টাকা এবং প্রতি বস্তা সিমেন্টে ২৫ টাকা বেড়েছে। ৪৮০ থেকে ৫২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হওয়া সিমেন্ট এখন কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ফরিদপুরের সালথা উপজেলা সদরের রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী বলেন, আগে রডের দাম ৯২ হাজার টাকা ছিল। এখন দাম কমে প্রতি টন ৮৫ হাজার টাকা করে বিক্রি করছি। এক বছর আগে বিভিন্ন কোম্পানির সিমেন্টের দাম ছিল ৪৯০ টাকা, এখন ৫৩০ টাকায় বিক্রি করছি। ব্যবসায়ী নাজিম বলেন, বর্তমানে কেনাবেচা কম। ব্যবসায় অফসিজন চলছে। ফলে রড-সিমেন্টের চাহিদা তুলনামূলক অনেক কম। শীতের সময় নতুন ইট বাজারে উঠলে চাহিদা বাড়তে পারে।  এদিকে ঠিকাদারদেরও একই ধরনের সংকটের কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। রনি নামে এক ঠিকাদার বলেন, বর্তমানে তার প্রায় ২০ কোটি টাকার কাজ চলমান। কিন্তু সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ আপাতত খুবই কম। ফলে ঠিকাদারদের রড-সিমেন্টের প্রয়োজনও কমেছে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও মানুষের হাতে নগদ অর্থের সংকটের কারণে ইট, বালু, রড-সিমেন্টসহ নির্মাণসামগ্রীর চাহিদা কমেছে।  তবে আগামীতে দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয়ে পড়ায় রড-সিমেন্টের বাজারেও তার প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে ডিসেম্বরের দিকে নির্মাণকাজ বাড়লে এসব পণ্যের চাহিদাও বাড়তে পারে। ফরিদপুর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, জ্বালানি তেলের সঙ্গে অনেক পণ্যের দামই নির্ভরশীল। তেলের দাম বাড়লে উৎপাদন ও পরিবহন খরচও বেড়ে যায়। তবে কোনো ব্যবসায়ী বাজারমূল্যের বাইরে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন কি না কিংবা সিন্ডিকেট করছেন কি না, সে বিষয়ে অধিদপ্তর সজাগ রয়েছে। আরটিভি/এসকে
হঠাৎ বেড়েছে রড-সিমেন্টের দাম
আরও পড়ুন
কক্সবাজারে বেড়িবাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী
কক্সবাজার সরকারি কলেজের ছাত্রীনিবাসে এলো ইয়াবার পার্সেল
আরাকান আর্মির গুলিতে বাংলাদেশি আহত
কক্সবাজারে হচ্ছে ব্লু ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়