ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার সামনে এলো রংপুরে চার খুনের রহস্যে নতুন মোড়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় পুলিশের দেওয়া প্রাথমিক বক্তব্যের সঙ্গে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্যের একাধিক অসংগতি ও অমিলের অভিযোগ তুলেছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। হত্যাকাণ্ডের সময়রেখা, ফরেনসিক আলামত এবং পারিপার্শ্বিক ঘটনার ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পুরো ঘটনার বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রকাশিত আসকের প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনে এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। এর আগে সংস্থাটির দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল গত ২৪ ও ২৫ আগস্ট রংপুরে সরেজমিনে তদন্ত চালায়।

তদন্তকালে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা নিহতদের স্বজন, প্রতিবেশী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিবার, স্থানীয় থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), মর্গসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করেন।

আসকের প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ডের সময়রেখা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তীর বোন পূজা চক্রবর্তীর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২০ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রীতিলতার সঙ্গে তার স্বাভাবিকভাবে কথা হয়। কিন্তু পরে দেখা যায়, রাত ২টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রীতিলতার মুঠোফোন থেকে পূজার নম্বরে একটি কল আসে। সে সময় পূজা ফোনটি ধরতে পারেননি।

অন্যদিকে পুলিশের দেওয়া ভাষ্য অনুযায়ী, শেষ রাতের দিকে অভিযুক্তরা বাসার ছাদে গিয়ে ইয়াবা সেবনের সময় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এরপর ভোরের দিকে একে একে চারজনকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।

আসকের প্রশ্ন, রাত ২টা ৪০ মিনিটে প্রীতিলতার ফোন থেকে ওই কলটি কে করেছিলেন? সে সময় ফোনটির অবস্থান কোথায় ছিল? এরপর পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোনগুলো ঠিক কখন বন্ধ হয়ে যায়?

সংস্থাটির মতে, কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) ও ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে এসব প্রশ্নের দ্রুত উত্তর বের করা জরুরি। পুলিশের দাবি করা সময়ের সঙ্গে রহস্যজনক ওই ফোনকলের সময়ের কোনো অসামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে তারা।

পুলিশ কমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় এবং পরিচয় গোপন রাখতে পরিবারের চার সদস্যকে একে একে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর অভিযুক্তরা ওই বাড়িতে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে খাবারও খেয়েছিল বলে দাবি পুলিশের।

তবে আসক বলছে, এই বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে স্বাধীন ও বৈজ্ঞানিক ফরেনসিক পরীক্ষা প্রয়োজন।

সংস্থাটির প্রশ্ন, অভিযুক্তরা যদি হত্যার পর দীর্ঘ সময় বাড়িতে অবস্থান করে খাবার খেয়ে থাকে, তাহলে ঘরের আসবাব, রান্নাঘর, খাবারের পাত্র, বাথরুম এবং অন্যান্য স্পর্শকাতর স্থান থেকে ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, ত্বকের কোষ ও চুলসহ প্রয়োজনীয় জৈবিক আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে কি না।

এসব আলামত সন্দেহভাজনদের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে কি না, তা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট হওয়া উচিত বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের রাতে পুরো বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার ঘটনাও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে আসক।

পুলিশের পক্ষ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা এড়ানোর আশঙ্কার কথা বলা হলেও, ঠিক কখন, কীভাবে এবং কারা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিল, তা প্রযুক্তিগতভাবে প্রমাণ করার দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাটি।

তথ্যানুসন্ধানকালে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন আসক প্রতিনিধিরা।

সিদ্ধার্থের বাবা আটকের সময় ছেলের পোশাক পরিবর্তন এবং ঘটনার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অপর অভিযুক্ত সীমান্তের পরিবারও তাদের বক্তব্য ও সংশয় প্রতিনিধিদলের কাছে তুলে ধরে।

এদিকে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে না পারলেও মর্গের কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেছে আসক।

মর্গের সহকারীরা মরদেহে পচনের লক্ষণ এবং আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা জানালেও যৌন নির্যাতনের দৃশ্যমান কোনো আলামত তারা দেখেননি বলে জানিয়েছেন।

তবে আসক স্পষ্ট করেছে, মর্গকর্মীদের চাক্ষুষ পর্যবেক্ষণই চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, আঘাতের ধরন এবং কোনো ধরনের নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা সিআইডির ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ও ময়নাতদন্তের আনুষ্ঠানিক রাসায়নিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।

রংপুর ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং বিভ্রান্তি এড়াতে সব ধরনের আলামত যাচাই করা হচ্ছে।

তবে আসকের মতে, সাধারণ মানুষের মনে তৈরি হওয়া সংশয় দূর করতে এবং প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে অনুমানের ওপর নির্ভর না করে প্রতিটি সূত্রের নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও বৈজ্ঞানিক তদন্ত নিশ্চিত করা জরুরি।

আরও পড়ুন

রহস্যজনক ফোনকল, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত সময়, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণ, ঘটনাস্থলের ফরেনসিক আলামত এবং ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন সবকিছু মিলিয়েই রংপুরের এই চার খুনের ঘটনার রহস্য উন্মোচন সম্ভব বলে মনে করছে মানবাধিকার সংগঠনটি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ট্রেনে ছিনতাই চক্রের ২ নারী সদস্য আটক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে নামার সময় কৃত্রিম জটলা সৃষ্টি করে এক যাত্রীর গলার সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার ঘটনায় সংঘবদ্ধ নারী ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জ সদর থানার উছাইল (চারিনাও) গ্রামের দুলাল মিয়ার স্ত্রী মোছা. শাহেনা আক্তার শাহানা (৩৪) এবং আদিস মিয়ার স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৯)। ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম জানান, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলের দিকে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় ওই দুই নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলায় হয়।  মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৪ জুন বেলা ১১টার দিকে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রায়হান ভূঁইয়া (৩৪) তার বোন শান্তা আক্তারকে (৩২) সঙ্গে নিয়ে পারিবারিক কাজে আজমপুর স্টেশন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ার জন্য আন্তঃনগর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘চ’ বগিতে ওঠেন। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে তারা ট্রেন থেকে নামার সময় সংঘবদ্ধ চক্রের কয়েকজন নারী কৃত্রিম জটলা সৃষ্টি করেন। এ সময় মোছা. সেলিনা আক্তার (৩৪) সহ তার সহযোগী শাহেনা, রেজিয়া, খুদেজা, গ্রেপ্তারকৃত শাহেনা আক্তার শাহানা ও নাসিমা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন মিলে শান্তা আক্তারকে ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে কৌশলে শান্তা আক্তারের পিঠের পেছন দিয়ে ওড়নার নিচে হাত ঢুকিয়ে তার গলায় থাকা এক ভরি ওজনের সোনার চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, টেনে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে শান্তা আক্তার তাৎক্ষণিক চেইনটি হাত দিয়ে ধরে ফেলেন এবং চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে ভাই রায়হান ভূঁইয়া ও ট্রেনে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা এগিয়ে এসে সেলিনা আক্তারকে আটক করেন। এ সময় অন্যরা কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে সেলিনাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করা হলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পলাতক সহযোগীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করেন বলে পুলিশ জানায়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে শাহেনা আক্তার শাহানা ও নাসিমা বেগমের ওই ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতে মঙ্গলবার আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটক করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. শাহ আলম বলেন, আটক দুই আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। এটি একটি সংঘবদ্ধ নারী ছিনতাইকারী চক্র। তাদের আরও কয়েকজন সহযোগী পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আরটিভি/এসএস
ট্রেনে ছিনতাই চক্রের ২ নারী সদস্য আটক
সড়কের পাশে পড়েছিল স্কুলছাত্রী, পরে জানা গেল ‘আসল ঘটনা’
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (১৪) পাঁচ দিন আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে ওই শিক্ষার্থীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কমলগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমর উদ্দিন গ্রেপ্তাররা হলেন— মো. জাহেদ আহমেদ (২৪), রাজু আহমেদ (২২) ও জুবেল মিয়া (৩০)। এ মামলার আরেক আসামি কবির (৩০) পলাতক। এজাহারের বরাতে মামলার আইও (তদন্ত কর্মকর্তা) রুহুল আমীন বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর ওই শিক্ষার্থীকে বাড়ি থেকে নিয়ে যান প্রধান অভিযুক্ত জাহেদ। পরে তাকে আসামি জুবেলের বাসায় নেওয়া হয়। সেখানে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন আসামিরা। পরবর্তীতে ১৩ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাহেদের বাড়িতে আটকে রেখে তাকে নির্যাতন করা হয়। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে কিশোরীকে কমলগঞ্জের রহিমপুর ইউনিয়নের একটি সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যান আসামিরা। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমর উদ্দিন বলেন, মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার কলিমাবাদ, গিয়াস নগর ও রাজনগরের গাঙপার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। পলাতক আসামি কবিরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি। আরটিভি/এসএস
সড়কের পাশে পড়েছিল স্কুলছাত্রী, পরে জানা গেল ‘আসল ঘটনা’
নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের এ কী হাল
নাটোরকে বলা হয় উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার। আর নাটোর জেলা শহর থেকে উত্তরবঙ্গে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের নাটোর অংশে একাধিক স্থানে সড়ক ধসে পড়েছে। একই সঙ্গে সড়কের বেশ কিছু অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে।  জেলার সিংড়া উপজেলার চৌগ্রাম এলাকায় গেলে সড়কের এমন বেহাল অবস্থা চোখে পড়ে। এতে মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহন ও যাত্রীদের মধ্যে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কে বগুড়া, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়, রাজশাহী, নওগাঁসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার হাজার হাজার যানবাহন প্রতিদিন চলাচল করে। সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের সিংড়া উপজেলার চৌগ্রাম এলাকার প্রায় ১৫টি স্থানে সড়কের কিনারায় ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও বালুর বস্তা ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কোনো কোনো স্থানে সড়কের পোল উল্টে পড়ে আছে। এই অবস্থায় যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ জানায়, ২০২১-২২ অর্থ বছরে নাটোর থেকে বগুড়া মহাসড়কের প্রশস্তকরণের কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এরই অংশ হিসেবে সিংড়া উপজেলার শেরকোল থেকে চৌগ্রাম পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার রাস্তা ফোরলেনের কাজ এ বছরই শেষ করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। তবে নিংগইন ও হাইটেক পার্ক এলাকায় এখনো ২টি ব্রিজের কাজ চলমান রয়েছে। কয়েকটি প্যাকেজে সাজানো হয়েছে কাজগুলো। রাস্তার দু’ধারে মাটি ফেলা, সড়ক প্রশস্ত, ব্রিজ নির্মাণ এসব প্যাকেজে ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়সারা কাজ ও অনিয়মের কারণে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের উন্নয়নকাজ শেষ হওয়ার পরপরই চৌগ্রাম এলাকার কয়েকটি স্থানে সড়কের পাশে ধস দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও পিচের স্তর ভেঙে মাটি ও পাথর সরে গেছে। দ্রুত এ বিষয়ে তদন্তের পাশাপাশি সড়কের সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। নাটোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আজহারুল ইসলাম জানান, নাটোরে দায়িত্ব পেয়েছি অল্প কিছুদিন হলো। সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো দ্রুত পরিদর্শন করে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/এসএস
নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের এ কী হাল
অতিষ্ঠ হয়ে ছেলেকে জেলে পাঠালেন বাবা
নওগাঁর পোরশায় মাদক সেবন ও নিয়মিত পরিবারের ওপর অত্যাচার চালানোর অভিযোগে কাওছার হাবিব (২৫) নামে এক যুবককে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত সন্তানের অমানবিক অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শেষমেষ তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেন তার নিজ বাবা।
অতিষ্ঠ হয়ে ছেলেকে জেলে পাঠালেন বাবা
ঝিনাইদহে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ঝিনাইদহ শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 
ঝিনাইদহে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
আরও পড়ুন
রংপুরে চার খুন: হত্যার আগে-পরে ৮০ বার ফোনালাপ, নতুন তথ্য দিল পুলিশ
রংপুরে ৪ খুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন ত্রাণমন্ত্রী
রংপুরের চার খুনের তদন্ত নিয়ে এবার যা জানালেন নতুন কমিশনার
রংপুরে চার খুন, মা-মেয়ের মরদেহের ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের আলামত নেই