ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

পটুয়াখালীতে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হাতের রগ কর্তন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
হামলার শিকার রমিজ মৃধা। ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর বাউফলে রমিজ মৃধা (৩৫) নামে এক যুবদল নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হাতের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জিসান মৃধা (২০) নামে এক তরুণের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরকচুয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার রমিজ মৃধা চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি চরকচুয়া গ্রামের মৃত পঞ্চম আলী মৃধার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে রমিজ মৃধা স্থানীয় বেল্লাল মল্লিকের দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় প্রতিবেশী জিসান মৃধা (২০) সেখানে ধারালো অস্ত্র হাতে উপস্থিত হয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন তাকে। এতে রমিজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয় এবং তার এক হাতের রগ কেটে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও হাতের রগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক মামুনুর রশিদ জানান, আহতের হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তার হাতের রগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুলছাত্রী তাজমীনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর মসজিদের পুকুরে গোসল করে সুমন
কুমিল্লার লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমীনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর কাঁচিকাটা মসজিদের সামনের পুকুরে গোসল করে ঘাতক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া। হত্যার পর ঘটনাস্থলে অটোরিকশা ফেলে রেখে পুকুরে গোসল করে অন্য অটোরিকশায় বাখরাবাদে যায় সে।
স্কুলছাত্রী তাজমীনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর মসজিদের পুকুরে গোসল করে সুমন
সরকারি চাকরিতে থেকেও এনসিপির কমিটিতে পদ!
সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক পদে থাকার অভিযোগ উঠেছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সফিউল্ল্যাহ জগলুর বিরুদ্ধে। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চরফ্যাশন উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার বিধিনিষেধ এবং সংশ্লিষ্ট আচরণবিধি অনুসরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। প্রাপ্ত কমিটি অনুমোদনের চিঠি অনুযায়ী, ছয় মাসের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির চরফ্যাশন উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির আংশিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটিতে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সফিউল্ল্যাহ জগলুর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর বিধি ২৫(১) অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী কোনো রাজনৈতিক দলের বা এর অঙ্গসংগঠনের সদস্য হতে পারবেন না। এমনকি দেশে বা বিদেশে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ বা সহায়তাও করতে পারবেন না। তবে সরকারি চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় তিনি কীভাবে এ পদে রয়েছেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির ভোলা জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। আমাদের কাছে নামের তালিকা এসেছে। তবে যাচাই-বাছাইয়ে আমাদের ভুল ছিল। সরকারি চাকরিজীবীদের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। অন্যদিকে, এনসিপির চরফ্যাশন উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অহিদ ফয়সাল বলেন, তিনি সরকারি চাকরি করেন। আমাদের রাজনীতিতে তার মৌন সম্মতি রয়েছে। তবে তার নাম ও ফোন নম্বর ভুলবশত কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সফিউল্ল্যাহ জগলুর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া না দেওয়ায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাজন আলী বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাকে সরকারি বিধিবিধান যাচাই করতে হবে এবং তার অবস্থানও নিশ্চিত করতে হবে। আমি বিষয়টি দেখছি। আরটিভি/টিআর
সরকারি চাকরিতে থেকেও এনসিপির কমিটিতে পদ!
বাড়তি দামেও মিলছে না গ্যাস, খালি হাতে ফিরছেন ক্রেতা
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দামে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। আবার কোথাও কোথাও টাকা দিয়েও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। তবে মঠবাড়িয়া পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজার ঘুরে ১ হাজার ৯৫০ থেকে ২ হাজার টাকা বা তার বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি কয়েকটি কোম্পানির গ্যাসের সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ক্রেতা ও বিক্রেতারা। ক্রেতাদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে কিছু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। বাজার তদারকির ঘাটতির সুযোগে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এতে সংসারের ব্যয় বাড়ছে। আবার চাহিদামতো সিলিন্ডার না পেয়ে অনেককে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা গৃহিণী সালমা আক্তার বলেন, হঠাৎ এলপিজির দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচ সামলাতে কষ্ট হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দিয়ে তাকে ১২ কেজি ওজনের একটি সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে। ব্যবসায়ী রনি হোসেন বলেন, পাইকারি পর্যায়েই সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ডিলাররা নির্ধারিত দামে গ্যাস সরবরাহ করলে তারাও কম দামে বিক্রি করতে পারতেন। স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, গত দুই মাস ধরে তারা বসুন্ধরা গ্যাসের সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। অন্য একটি কোম্পানির সিলিন্ডারও স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ২০০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এ কারণে খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়েছে বলে তাদের দাবি। এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউর রাব্বি বলেন, সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৮৩৭ টাকায় এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। বাজার নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়ার খবর পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
বাড়তি দামেও মিলছে না গ্যাস, খালি হাতে ফিরছেন ক্রেতা
তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে সেই অটোরিকশাচালকই, বিস্তারিত জানাল পুলিশ
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া।
তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে সেই অটোরিকশাচালকই, বিস্তারিত জানাল পুলিশ
বাসচাপায় একসঙ্গে প্রাণ গেল শাশুড়ি-পুত্রবধূর
জামালপুরের বকশীগঞ্জে বাসচাপায় শাশুড়ি ও পুত্রবধূর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) ৬টার দিকে ঢাকা-বকশীগঞ্জ মহাসড়কের নিলক্ষিয়া ঠাকুরপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাসটি জব্দ ও এর হেলপারকে আটক করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন নিলক্ষিয়া ঠাকুরপাড়া গ্রামের উফেজা বেগম (৬৫) ও তার পুত্রবধূ ফরিদা বেগম (৪০)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা শান্তি পরিবহন নামের একটি বাস বকশীগঞ্জ উপজেলার ঠাকুরপাড়া হয়ে রৌমারীর দিকে যাচ্ছিল। এ সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শাশুড়ি উফেজা বেগম ও তার পুত্রবধূ ফরিদা বেগম। সকাল ৬টার দিকে বাসটি ঠাকুরপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর বাসের হেলপার মহিউদ্দিনকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসটি জব্দ করে। শাশুড়ি ও পুত্রবধূর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকবুল হোসেন জানান, বাসটি জব্দ ও এর হেলপার মহিউদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আরটিভি/টিআর
সাতসকালে বাসচাপায় প্রাণ গেল শাশুড়ি-পুত্রবধূর
আরও পড়ুন
শুরু হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, হতাশা নিয়ে ঘাটে ফিরছেন জেলেরা
অত্যাধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে পায়রা বন্দর
এক বাড়িকে সুবিধা দিতে ৪১ লাখ টাকার সেতু!
পটুয়াখালীর চর বিজয় দ্বীপে দেখা মিললো দৃষ্টিনন্দন ভেরডিটার ফ্লাইক্যাচার পাখি