ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দলকা বিলের পানি দূষণে মারা গেছে ৫০ লাখ টাকার মাছ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৪ পিএম
ছবি : আরটিভি

চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদার দলকা-লক্ষীপুর বিলের পানি দূষণে মারা গেছে বিপুল পরিমাণ মাছ। পুরো বিলজুড়ে ভেসে বেড়াচ্ছে রুই, কাতলা, সিলভারসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় মৎস্যজীবী ও মাছ চাষিরা। সাড়ে ৩০০ মণেরও বেশি মাছ মারা গেছে বলে দাবি তাদের। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে দলকা-লক্ষীপুর বিলে দেখা যায়, পানি দূষণের কারণে কালো আকার ধারণ করেছে পুরো বিল। প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে অসংখ্য মরা মাছ। এরমধ্যে রয়েছে্ ১ থেকে ২ দুই কেজি ওজনের রুই, কাতলা, সিলভার, ব্রিগেড। এছাড়াও পুঁটি, টেংরা, শিং, টাকি, খলিশাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছ।

mach

মাছ চাষি মাসুদ রানা বলেন, বিলে নতুন করে লাখ লাখ টাকার মাছ ছাড়া ছিল। সেই মাছ বড় হচ্ছিল। এক মাসের মধ্যে আমরা মাছ ধরতাম। কিন্তু সব শেষ হয়ে গেছে। গত কয়েকদিন থেকে বিলের মাছ মারা যাচ্ছে। সাড়ে ৩০০ মণেরও বেশি মাছ মারা গেছে। সবমিলিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। আমরা মৎস অফিসারদের সাঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তারা এখানে আসেননি। তবে, লবন ও চুন ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন

দলকা-মরাগাংনী মৎসজীবী সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি ওমর আলী ও সাধারণ সম্পাদক মুক্তার আলী বলেন, বিলে প্রতিদিনই মাছ মারা যাচ্ছে। প্রতিদিন সকালে এসে দেখি মাছ মরে ভেসে আছে। এই বিল থেকেই আমাদের সংসার চলে। এভাবে মাছ মারা গেলে আমাদের তো পথে বসতে হবে।

সরেজমিনে বিল পরিদর্শন না করার বিষয়টি স্বীকার করে দামুড়হুদা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক মহলদার বলেন, বিলের পানিতে পাট জাগ দেওয়ার কারণে পানি দূষিত হয়ে মাছ মারা যেতে পারে। এছাড়া বিলের আশপাশের জমিতে কীটনাশক ব্যবহারের পর বৃষ্টির পানির সাথে তা বিলের পানিতে মেশার কারণে মাছ মারা যেতে পারে। অতিরিক্ত গরমের কারণেও মাছের বিভিন্ন রোগ দেখা দিলে মাছ মারা যেতে পারে। মাছ মারা যাওয়া রোধে বিঘা অনুযায়ী লবণ ও চুন ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই আমরা বিল পরিদর্শন করবো।

এদিকে, মাছ মারা যাওয়ার প্রকৃত কারণ দ্রুত উদঘাটন ও সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবী ও চাষিরা।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়েই ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মসজিদগুলোকে দলীয় কার্যালয় বানানোর চেষ্টা করা হয়েছিল: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
কলকাতায় মুসলিমদের পানি না দেওয়ার অভিযোগ, জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চাইলেন তৃণমূল সাংসদ
সবার জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা