ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ফেনীতে ডেঙ্গুর সঙ্গে বাড়ছে হাম, আক্রান্ত ছাড়াল দেড় হাজার

ফেনী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ফেনীতে মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের পাশাপাশি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে হামের প্রকোপ। চলতি বছর এখন পর্যন্ত জেলায় হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দেড় হাজারের বেশি রোগী। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০৫ জন।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত চলতি বছর জেলায় ১ হাজার ৫৯১ জন হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৯ জন হাম উপসর্গের রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই এ ধরনের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১১ জনে।

হাসপাতালগুলোর তথ্য বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৪৩ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৮৪ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন। হাম উপসর্গের রোগীর চাপ সবচেয়ে বেশি ফেনী জেনারেল হাসপাতালে। চলতি বছর সেখানে ১ হাজার ৩৩০ জন সন্দেহজনক হাম রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ হাজার ২৭১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫৯ জন।

জেলা পর্যায়ের হিসাবে, ফেনী পৌর এলাকায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ এলাকায় ১ হাজার ৩৩০ জন সন্দেহজনক রোগীর মধ্যে ২২ জনের পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া সোনাগাজীতে ১৪৫ জন সন্দেহজনক রোগীর মধ্যে আটজন, দাগনভূঞায় ৫৬ জনের মধ্যে চারজন, ফেনী সদরে ১৭ জনের মধ্যে দুজন, ফুলগাজীতে সাতজনের মধ্যে দুজন এবং ছাগলনাইয়ায় ২৯ জনের মধ্যে একজনের পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে। পরশুরামে সাতজন সন্দেহজনক রোগী পাওয়া গেলেও কারও পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়নি।

হামের পাশাপাশি ফেনীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতিও উদ্বেগ তৈরি করছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ৬ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪১টি ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ২৫ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে একজনসহ মোট ২৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।

চলতি সেপ্টেম্বর মাসে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯ জন। এ নিয়ে ২০২৬ সালে ফেনীতে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০৫ জনে।

আক্রান্তের দিক থেকে ফেনী সদর উপজেলা সবচেয়ে এগিয়ে—এখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯৮ জন। এরপর দাগনভূঞায় ৩৬, সোনাগাজীতে ৩০, ছাগলনাইয়ায় ২০, ফুলগাজীতে ১১ এবং পরশুরামে ১০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ২৬ জনের মধ্যে ফেনী সদরে ১৮, সোনাগাজীতে পাঁচ, ছাগলনাইয়ায় দুই এবং ফুলগাজীতে একজন রয়েছেন।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছর ফেনীতে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ইতোমধ্যে গত বছরের মোট আক্রান্তের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৫ সালে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০১ জন। আর চলতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৩০৫ জন—অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এ বছর ইতোমধ্যে ১০৪ জন বেশি আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বাড়লেও পর্যাপ্ত মশক নিধন কার্যক্রম না থাকার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে ডেঙ্গুর ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

ফেনী পৌরসভার মেডিকেল অফিসার কৃষ্ণপদ সাহা জানিয়েছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে নিয়মিত ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। পাশাপাশি ড্রেন পরিষ্কারের কাজও চলছে। প্রতি সপ্তাহের শনিবার ও মঙ্গলবার ওষুধ ছিটানোর কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সুনামগঞ্জে আপন ভাইকে শেকলবন্দি করে নির্যাতন
মাদক সেবন ও পরিবারের সদস্যদের মারপিট করার অভিযোগ তোলে এক ভাইকে শেকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগে আপন দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 
সুনামগঞ্জে আপন ভাইকে শেকলবন্দি করে নির্যাতন
ভারত থেকে ঝিনাইদহ আ.লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জুম বৈঠক
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও একাধিক রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি এড়িয়ে ভারতের মাটি থেকে সরাসরি ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এক গোপন ভার্চ্যুয়াল জুম বৈঠক সম্পন্ন করেছেন গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
ভারত থেকে ঝিনাইদহ আ.লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জুম বৈঠক
মুন্সীগঞ্জে দুই মরদেহ উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে পৃথক দুটি ঘটনায় এক স্কুলছাত্রী ও এক মৃগী রোগীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ও বিকেলে উপজেলার বাঘড়া ও বাড়ৈখালী ইউনিয়নে এ দুটি ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে বাঘড়া ইউনিয়নের মধ্যবাঘড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিয়া (১৫)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ নিয়ে সামিয়া একাধিকবার বাবা-মাকে ঝগড়া না করার জন্য অনুরোধ করলেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। একপর্যায়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। অন্যদিকে, বুধবার এশার নামাজের সময় বাড়ির কাউকে না জানিয়ে নিখোঁজ হন বাড়ৈখালী গ্রামের মৃত মরণ শেখের ছেলে স্বপন শেখ (৫০)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের তাছির শেখের কচুরিপানায় ভরা পুকুরে তাঁর ভাসমান মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পৃথক দুটি মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এ ঘটনায় দুটি অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আরটিভি/টিআর
মুন্সীগঞ্জে দুই মরদেহ উদ্ধার
কাশফুলের শুভ্রতায় মুগ্ধ করতোয়ার চর
শরতের কাশফুলে বদলে গেছে রংপুরের পীরগঞ্জের করতোয়া নদীর চরাঞ্চলের দৃশ্য। নদীর তীরে ও চরের উঁচু জায়গাজুড়ে ফুটেছে সাদা কাশফুল। আর এই সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড়। বিশেষ করে বিকেল হলেই পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে মানুষ ছুটে আসছেন কাশবনে। সরেজমিনে দেখা গেছে, করতোয়া নদীর জাতের ঘাটে বিস্তীর্ণ চরজুড়ে সবুজ ঘাসের মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কাশফুল। বাতাসে দুলতে থাকা সাদা কাশবন দেখতে দূরদূরান্ত থেকেও কেউ কেউ আসছেন। অনেকে কাশফুলের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছবি ও ভিডিও তুলছেন। কেউ আবার নদীর পাড়ে বসে উপভোগ করছেন শরতের এই সৌন্দর্য। দর্শনার্থীদের আনাগোনা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় বিকেলের দিকে। সূর্যের আলো নরম হয়ে এলে কাশফুলের শুভ্রতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ সময় শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে চরাঞ্চল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর শরৎকালে করতোয়ার চরে কাশফুল ফুটলেও এবার ফুল ফোটার পর থেকেই মানুষের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। বিকেলে নদীর পাড়ে অনেক মানুষের সমাগম হচ্ছে। কাশবনকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে এক ধরনের দর্শনীয় পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কাশফুল দেখতে আসা দর্শনার্থী রাকিবুল ইসলাম বলেন, কাশফুলের এমন দৃশ্য খুব কাছ থেকে দেখতে ভালো লাগে। পরিবার নিয়ে বিকেলে এখানে এসে সময় কাটাচ্ছি। ছবি তোলার জন্যও জায়গাটি বেশ সুন্দর। আরেক দর্শনার্থী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাশফুলের ছবি দেখে এখানে আসার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এসে দেখলাম, জায়গাটি বেশ সুন্দর। বিকেলে এখানে অনেক মানুষ আসছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, করতোয়া নদীর চরাঞ্চলে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়লেও এখানে পর্যটনসুবিধা তেমন নেই। যাতায়াতব্যবস্থা, বসার জায়গা ও পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করা গেলে দর্শনার্থীদের জন্য জায়গাটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। শরতের কাশফুল বাংলার প্রকৃতির চিরচেনা সৌন্দর্যের অংশ। করতোয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর আর সাদা কাশবন দেখতে এখন প্রতিদিনই ছুটে আসছেন মানুষ। ফলে শরতের মৌসুমে পীরগঞ্জের এই চরাঞ্চল স্থানীয়দের কাছে হয়ে উঠছে নতুন এক আকর্ষণের জায়গা। আরটিভি/টিআর
কাশফুলের শুভ্রতায় মুগ্ধ করতোয়ার চর
রাজশাহী রেলস্টেশনে হামলাকারীরা রাষ্ট্রের শত্রু: ভূমিমন্ত্রী
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে বলেছেন, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন রাজশাহীবাসীর মর্যাদা ও ঐতিহ্যের প্রতীক। অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যারা এই স্থাপনা ধ্বংস করেছে, তারা পুরো রাজশাহীবাসীর সম্মান ও মর্যাদায় আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মন্ত্রী নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রেলস্টেশনের বিভিন্ন ভাঙচুরের স্থান পরিদর্শন করেন। মন্ত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটুয়া বাহিনীর’ তাণ্ডবের তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, গত ৫ আগস্ট রাজশাহী ও ঢাকায় ছাত্র-জনতার ওপর যেভাবে হামলা চালিয়ে শহীদ সাকিব আনজুমসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যা ও নির্যাতন করা হয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী রেলস্টেশনে ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, রেলস্টেশনের ভাঙচুর ও নাশকতার ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি শাস্তির মুখোমুখি করা হবে। যারা এ ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর বা ভুয়া বক্তব্য ছড়াচ্ছে, তাদের ‘রাজশাহী ও রাষ্ট্রের শত্রু’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানান, প্রযুক্তি ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজশাহীবাসীকে ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বহিরাগত কোনো শত্রু বা ষড়যন্ত্রকারী যদি চক্রান্ত করার চেষ্টা করে, তবে রাজশাহীবাসী অতীতে যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, ভবিষ্যতেও একইভাবে তার উপযুক্ত জবাব দেবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট। এ ছাড়া রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ, সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল হুদা, সহসভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ মাসুম, শফিকুল ইসলাম শাফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলুসহ থানা, ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
রাজশাহী রেলস্টেশনে হামলাকারীরা রাষ্ট্রের শত্রু: ভূমিমন্ত্রী
আরও পড়ুন
গোল হজমে ব্রাজিলকেও হার মানালেন জামাল-হামজারা
বহু বছর পর নানার বাড়ি আসছি, একটু কথা বলতে দাও: প্রধানমন্ত্রী
ডেঙ্গু মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫ লাখ কিট পেল বাংলাদেশ
এক মাসে ১৫২ জনের প্রাণ কেড়ে নিল ডেঙ্গু