ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

অপ্রতিম হত্যায় আসামিদের নিয়ে সামনে এলো নতুন তথ্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার আসামিদের নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে।

গ্রেপ্তার মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ঘটনার মাত্র ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবার অফিসে বিনা বেতনে চাকরি নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন কুবির বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহাত শীলা। একই সঙ্গে নাহিদা বেগম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর থাকাকালে মাদকবিরোধী অভিযানে কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদস্যকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বরে শিক্ষক সমিতির আয়োজিত মানববন্ধনে এসব তথ্য জানান ড. কামরুন নাহাত শীলা।

তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল রাত ১২টা পর্যন্ত ম্যাডামের সঙ্গে ছিলাম। তিনি আমাকে কিছু কথা জানিয়েছেন। চারজন অভিযুক্তকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন ফাহাদ। সে প্রায় ১০ দিন আগে ম্যাডামের স্বামীর অফিসে বিনা বেতনে চাকরি নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ম্যাডাম যখন সহকারী প্রক্টর ছিলেন, তখন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। ওই সময় কয়েকজন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন তুহিনের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ছিল বলে জানা গেছে।’

ড. কামরুন নাহাত শীলা বলেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এসব ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে বের করার দাবি জানিয়েছেন অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম। পাশাপাশি গ্রেপ্তারদের মধ্যে যারা অপ্রাপ্তবয়স্ক বলে দাবি করা হচ্ছে, তারা প্রকৃতপক্ষে অপ্রাপ্তবয়স্ক কি না, তা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাইয়ের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে হলেও অপ্রতিম হত্যার সঙ্গে জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন নাহিদা বেগম।

এর আগে রোববার দুপুরে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। গ্রেপ্তাররা হলেন—সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫), মো. কামরুল হাসান এবং মো. সিয়াম (১৯)।

পুলিশের তথ্যমতে, মামলার প্রধান আসামি সাইফুল ইসলাম তুহিন। তিনি কুমিল্লা সিটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২৫ সালে ফেল করে ড্রপআউট হন। বর্তমানে তিনি পড়ালেখা করেন না।

দ্বিতীয় আসামি মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ময়নামতি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তৃতীয় আসামি মো. কামরুল হাসান এবং চতুর্থ আসামি মো. সিয়াম (১৯)।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটনে জিডির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। এতে প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা থেকে সোয়া ২টার দিকে তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার পাহাড়ঘেরা নির্জন জঙ্গলের দিকে যায়।

অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন স্বীকার করে, অপ্রতিমের আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করে তাকে ওই নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ জানায়, ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কামরুল হাসানকেও হেফাজতে নেওয়া হয়।

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পেছনে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যই ছিল, নাকি এর সঙ্গে অন্য কোনো কারণ বা পূর্ববিরোধের যোগসূত্র রয়েছে তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

তদন্তাধীন এই ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাগুরায় ১৬০টি পূজামণ্ডপে ৯৬ হাজার কেজি চাল বিতরণ 
মাগুরার শালিখায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার ১৬০টি পূজামণ্ডপের অনুকূলে চালের ডিও লেটার হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য ৬০০ কেজি করে মোট ৯৬ হাজার কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
মাগুরায় ১৬০টি পূজামণ্ডপে ৯৬ হাজার কেজি চাল বিতরণ 
‘খেলার ছলে’ ঘর থেকে বেরিয়েছিল শিশু হালিমা, অতঃপর...
‘খেলার ছলে’ সকালে ঘর থেকে বেরিয়েছিল তিন বছরের শিশু হালিমা আক্তার। কে জানত, সেই যাওয়াই হবে তার শেষ যাওয়া! দীর্ঘ ১৩ ঘণ্টার আকুল অপেক্ষা আর খোঁজাখুঁজির পর মিলল শুধু তার নিথর দেহ। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের নিশ্চিন্তা গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বুকফাটা আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ৯টায় প্রতিবেশীর ঘর থেকে শিশু হালিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত হালিমা নিশ্চিন্তা এলাকার বাসিন্দা নাছির উদ্দীনের আদরের কন্যাসন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে বাড়ির পাশে হাসিমুখে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয় হালিমা। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও সে ঘরে না ফেরায় পরিবারের সদস্যদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। স্বজনেরা দিগ্‌বিদিক ছুটে বেড়ান, পাড়ার প্রতিটি কোণায় কোণায় খোঁজেন। কিন্তু কোথাও মেলেনি তার সন্ধান। বুকভরা আশা আর চোখভরা জল নিয়ে সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আকুতিতে ব্যাকুল বাবা নাছির উদ্দীন একপর্যায়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশকে বিষয়টি জানান। কান্নায় ভেঙে পড়ে বাবা নাছির উদ্দীন বলেন, সকাল থেকে আমার কলিজার টুকরো মেয়েটাকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলাম না। চারদিকে কত খুঁজলাম! শেষমেশ নিরুপায় হয়ে পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে খোঁজাখুঁজি করে আমার মা-মণির লাশ উদ্ধার করল। ও তো কোনো অন্যায় করেনি, তবে কেন আমার বুকটা এভাবে খালি করা হলো? অভিযোগ পেয়ে ভূজপুর থানা-পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর রাত ৯টার দিকে নিশ্চিন্তা হিন্দুপাড়ার পাশে প্রতিবেশীর একটি ঘরে হালিমার নিথর দেহ দেখতে পায় পুলিশ। শিশুটিকে হত্যার অভিযোগের বিষয়ে হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আজিজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর নিহতের পাশের বাড়ি থেকে আমরা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করি। অত্যন্ত নির্মম ও পৈশাচিক উপায়ে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই এলাকার রবিউল, আওয়াল ও আসমা নামের তিনজনকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/টিআর
‘খেলার ছলে’ ঘর থেকে বেরিয়েছিল শিশু হালিমা, অতঃপর...
হবিগঞ্জে এক রাতে তিন বিদ্যালয়ে চুরি
হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক রাতেই পাশাপাশি তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়গুলো হলো উপজেলার বহরা ইউনিয়নের দলগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং চৌমুহনী ইউনিয়নের কালিকাপুর ও গোপীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ঘটনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মাধবপুর-চুনারুঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রাফিউর রহমান। রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে সংঘটিত এসব চুরির ঘটনায় দুর্বৃত্তরা বিদ্যালয়গুলোর তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের পানির ট্যাপসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। একই রাতে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম চুরি হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় তিনটি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, মাদকাসক্ত কিছু ব্যক্তি রাতে বিদ্যালয়গুলোতে প্রবেশ করে মাদক সেবন এবং পরে বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি করে থাকতে পারে। তবে চুরির সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাসিমা আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চুরির যন্ত্রণায় আমরা অতিষ্ঠ। আমরা পড়াব, নাকি চোর পাহারা দেব? এখন পানির লাইনের সরঞ্জাম চুরি হওয়ায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বড় ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হবে। গোপীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রুবিনা আক্তার বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো নৈশপ্রহরী নেই। দ্রুত বরাদ্দ দিয়ে চুরি হওয়া সরঞ্জামগুলো পুনরায় স্থাপনের ব্যবস্থা করা হোক। এ বিষয়ে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, বিদ্যালয়গুলোকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করছি। সার্কেল এএসপি মহোদয়ের ঘটনাস্থল পরিদর্শন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি। এদিকে শিক্ষক নেতা ও সুরমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নয়ন চৌধুরী বলেন, প্রায়ই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চুরির ঘটনা ঘটছে। নৈশপ্রহরী না থাকায় কিছু বিদ্যালয়ের অবস্থা বেশি খারাপ। চুরির ঘটনায় দায়ের করা জিডি ও অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে চুরির ঘটনা কমে আসবে। মাধবপুর-চুনারুঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাফিউর রহমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/টিআর
হবিগঞ্জে এক রাতে তিন বিদ্যালয়ে চুরি
ধামরাইয়ে ২৩৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, নিরাপত্তায় বিশেষ নজর
শরতের নীল আকাশ, সাদা কাশফুল আর সোনালি রোদের আবহে দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তা প্রকৃতিতেও স্পষ্ট। মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা ঘিরে পূজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পী ও আয়োজকেরা। 
ধামরাইয়ে ২৩৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, নিরাপত্তায় বিশেষ নজর
মুন্সীগঞ্জে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ টেকনাফের যুবক গ্রেপ্তার
মুন্সীগঞ্জে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ কেফায়েত উল্লাহ (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার মুক্তারপুর এলাকায় নির্মাণাধীন টোল প্লাজার নতুন অফিসের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে পাকা সড়ক থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কেফায়েত উল্লাহ কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পুরান পল্লান পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. সেলিম। মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমের নির্দেশনায় মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুক্তারপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় কেফায়েত উল্লাহর কাছ থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ কামরুল হাসান পিপিএমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমনে এসব অভিযান আরও জোরদার করা হবে। আরটিভি/টিআর
মুন্সীগঞ্জে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ টেকনাফের যুবক গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন
কুবির ‘চিঠি উৎসবে’ অপ্রতিমের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন কুবির ১৬ শিক্ষার্থী
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদ হারিয়েছেন ৬ শিক্ষক
কুবি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অংশীজনদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময়