
পাখি শিকার বন্ধে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুর, শেরপুর বার্ড ক্লাব এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন-এর উদ্যোগে সদর ও নকলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে।
অভিযানে নকলার গনপদ্দী ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের পাখি শিকারি মো. আব্দুর রাজ্জাককে (৪৫) তিনটি বক ও বক শিকারের সরঞ্জামসহ আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পঞ্চাশ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০২৬ আইনে এ সাজা প্রদান করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে প্রায় ছয় ঘণ্টা এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এ সময় পাখি শিকারির ৮টি হালা (শিকারের সরঞ্জাম) ও ১২টি বক উদ্ধার করা হয়। পরে বকগুলো প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়।
এ ছাড়াও পাখির সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে এলাকাবাসীর মধ্যে লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনার সময় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইনের নির্বাহী পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনিসহ স্বেচ্ছাসেবী এবং অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার জানান, পাখি শিকারি মো. আব্দুর রাজ্জাককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। পাখি শিকার বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে বলে।
আরটিভি/এমএইচজে


