ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

দিনে চলতেও ভয়, সন্ধ্যা নামলেই এই সড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারি সড়কের দুই পাশে ঘন জঙ্গল আর পাহাড়। মাঝখানে পিচঢালাই সড়ক। এই সড়কে চলাচলে লোকজন এখন আতঙ্ক থাকেন। দিনের বেলাতেও ভয়ে ভয়ে চলাচল করতে হয়। সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ও দুপুরে সড়কের হিমছড়ি ঢালা এলাকায় দুই দফায় অন্তত ৬০টি যানবাহনে ডাকাতি ও লুটপাটের ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে সড়কটির নিরাপত্তাহীনতার চিত্র।

এ ঘটনায় মারধরে আহত হয়েছেন অন্তত সাতজন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লুটপাট চললেও ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল ছিল না।

জানা গেছে, প্রায় সময় সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে যানবাহন থামানো হয়। এরপর অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের নামিয়ে পাশের জঙ্গলে নিয়ে যায় ডাকাতেরা। চলে মারধর, টাকা ও মুঠোফোন লুট। কখনো অপহরণ করে আদায় করা হয় মুক্তিপণ। ঘটেছে খুনের ঘটনাও।

কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করেন দেড় লাখের বেশি মানুষ। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাহাড়ি জঙ্গলঘেরা সড়কটির প্রথম সাত কিলোমিটার ঈদগাঁও উপজেলায়, পরের পাঁচ কিলোমিটার রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নে এবং শেষ পাঁচ কিলোমিটার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারি ইউনিয়নে পড়েছে।

পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে ২০০৯ সাল থেকে। ওই সময় থেকে জঙ্গলঘেরা সড়কটির পাশের পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের আস্তানা গড়ে ওঠে। এরপর একের পর এক অপরাধের ঘটনা ঘটতে থাকে। গত ১৭ বছরে সড়কটিতে খুন হয়েছেন অন্তত চারজন। অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ৫০টির বেশি।

ডাকাতির বিষয়ে ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম সিফাতুল মাজদার বলেন, দুর্বৃত্তরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে লুটপাটের পর জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগও দেননি।

কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, সড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকায় ডাকাতি, খুন ও অপহরণের ঘটনা বেশি ঘটে। সড়কটি দুই থানার আওতায় হওয়ায় অপরাধের ঘটনায় এক থানা অন্য থানার কথা বলে। পুলিশের একার পক্ষে ডাকাতি প্রতিরোধ করাও কঠিন। তার ভাষ্য, ঈদগড় ইউনিয়নের দুটি গ্রামে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের আস্তানা রয়েছে। এসব দলের সদস্যরা মাদক চোরাচালান, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, বালু ও কাঠের ব্যবসা এবং মিয়ানমারের মালামাল পাচারে জড়িত।

পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৭ বছরে এই সড়কে চারটি খুন হয়েছে। অপহরণের ঘটনা ৫০টির বেশি। এর মধ্যে অন্তত ২৩ জন মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।

২০২০ সালের ৮ অক্টোবর হিমছড়ি ঢালায় ডাকাতের গুলিতে খুন হন আঞ্চলিক গানের শিল্পী জনি দে (১৮) ও দিনমজুর মো. কালু (৩৪)। দুজনের বাড়ি ঈদগড় ইউনিয়নের পূর্ব রাজঘাট গ্রামে। জনি দের বাবা তপন দে বলেন, এ ঘটনায় মামলা হলেও ছেলের হত্যার বিচার পাননি তিনি।

এর আগে, ২০০৯ সালের ৯ নভেম্বর ডাকাতের গুলিতে খুন হন ঈদগড় পুলিশ ক্যাম্পের সদস্য নায়েক সুশময় চাকমা। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাইশারি এলাকায় গুলি করে ও গলা কেটে হত্যা করা হয় কাঠ ব্যবসায়ী জাফর আলমকে।

গত বছরের ২৫ মার্চ রাতে ঈদগড় থেকে ঈদগাঁও যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হন ঈদগড়ের জঙ্গলকাটা মসজিদের ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান। তাকে পাহাড়ি আস্তানায় আটকে রেখে মারধর করা হয়। অপহরণকারীরা পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরদিন দুই লাখ টাকা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে আনেন পরিবারের সদস্যরা।

পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কের দুই পাশে পাহাড় ও গভীর বনাঞ্চল থাকায় অপরাধ করে সহজেই পালিয়ে যায় ডাকাতেরা। সরু, আঁকাবাঁকা ও জনবসতিহীন সড়কটিতে তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়াও কঠিন। ১৭ কিলোমিটার সড়কে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি না থাকায় অপরাধীদের তৎপরতা ঠেকানো যাচ্ছে না।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, সড়কের গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া ও ঈদগড় এলাকায় কয়েকটি ডাকাত দলের আস্তানা রয়েছে। এসব দলের সদস্যরা মাদক চোরাচালানসহ নানা অপকর্মে জড়িত। কিছু ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হলেও জামিনে মুক্ত হয়ে তারা আবার সড়কে ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, সড়কের মাঝখানে একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি বা তদন্তকেন্দ্র স্থাপনের জন্য তিন মাস আগে সদর দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সেটি স্থাপনের অনুমোদন পাওয়া গেছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে।

ঈদগড় বাজার কমিটির সভাপতি নুরুল হুদা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি ও অপহরণ বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর তল্লাশিচৌকি স্থাপনের দাবিও জানানো হয়েছে। কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পাঁচ বছরের কাজ মূল্যায়ন করেই বিএনপিকে ভোট দেবে জনগণ: চিফ হুইপ
বিএনপি সরকারের পাঁচ বছরের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করেই জনগণ পরবর্তী নির্বাচনে ভোট দেবে উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, সরকার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণই ভোটের মাধ্যমে তার জবাব দেবে। তাই ঘন ঘন আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা না করে অপেক্ষা করা উচিত। বুধবার (২১ অক্টোবর) বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত জিয়া মঞ্চের বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চিফ হুইপ বলেন, জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। সরকারকে দেশের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে। সরকারের কাজের মূল্যায়ন জনগণই করবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে তাদের রায় দেবে। তিনি বলেন, ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ে যাওয়া একটি দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে বর্তমান সরকার যাত্রা শুরু করেছে। এরই মধ্যে বিরোধী পক্ষের লংমার্চসহ বিভিন্ন কর্মসূচি দেশ পুনর্গঠনের উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। লংমার্চের মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতির প্রকৃত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। দেশের বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানিতে আগামী তিন বছরের জন্য কর ছাড় দিয়েছেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ করা গেলে এক বছরের মধ্যে বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। চিফ হুইপ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের জুলুম-নির্যাতন ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে বিএনপি ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনে নেতৃত্ব দিয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতি ও নানা সংকটের মধ্যে দেশের দায়িত্ব নিয়ে বর্তমান সরকার দেশ পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ সারিতে থেকে তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন। পরবর্তী সময়ে দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বও পালন করেছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তাকে জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন ও সংসদ সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জামাল। সম্মেলন উদ্বোধন করেন জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়েজ উল্লাহ ইকবাল। আবু তালেবের সভাপতিত্বে এবং গোলাম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন জিয়া মঞ্চের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জামাল হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। পরে জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।  সম্মেলনে বরিশাল মহানগর ও বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
পাঁচ বছরের কাজ মূল্যায়ন করেই বিএনপিকে ভোট দেবে জনগণ: চিফ হুইপ
আগামী গ্রীষ্মের আগেই ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আমিত বলেছেন, সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের বিষয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী গ্রীষ্মের আগেই এ খাত থেকে তিন-চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। দেশের প্রথম রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে যশোর জেলা বিএনপি অফিসে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। পরে প্রতিমন্ত্রী শহরের লালদিঘি পাড়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।  তিনি বলেন, সৌর বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের আগ্রহের কারণে সরকারও এ ব্যাপারে নীতি সহায়তা দিচ্ছে। ফলে এ খাতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাও তৈরি হচ্ছে এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীতি অনুসরণ করে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে ৬ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশের আর কোনো রাজনৈতিক কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ের এই উদ্যোগ দেখে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের দলীয় কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপনে আগ্রহী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, সেচ পাম্পগুলোও পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালিত করা হবে। এতে ডিজেল ও বিদ্যুতের ওপর চাপ কমবে। কৃষকের উৎপাদন ব্যয়ও কমে আসবে। জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। নিজেদের ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করারও ব্যবস্থা আছে। সব মিলিয়ে আগামী তিন থেকে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে এই সৌর প্যানেল স্থাপনের খরচ উঠে আসবে বলে তিনি মনে করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম ও শহিদুল বারী রবু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ, সদস্যসচিব আনসারুল হক রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল, সদস্যসচিব রাজিদুর রহমান সাগর, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি, সদস্যসচিব শাহনেওয়াজ ইমরান প্রমুখ। আরটিভি/টিআর
আগামী গ্রীষ্মের আগেই ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
যশোরে বিএনপি কার্যালয়ে বসল সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে
প্রথমবারের মতো দেশে কোনো রাজনীতিক দলের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ চালু হলো। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে যশোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে দুই কিলোওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেমের উদ্বোধন করা হয়।
যশোরে বিএনপি কার্যালয়ে বসল সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে
পূজামণ্ডপগুলোতে দেবী বিসর্জনের প্রস্তুতি, ভক্তদের মাঝে বিষাদের ছায়া
আজ বিজয়া দশমী। এ উপলক্ষে সকাল থেকেই চণ্ডীপাঠ, বিহিত পূজা, দর্পণ, বিসর্জন এবং দেবীর আরাধনার মধ্য দিয়ে শরীয়তপুরের ১০২টি পূজামণ্ডপে চলছে দেবী বিসর্জনের প্রস্তুতি। ভক্তদের মাঝে নেমে এসেছে বিষাদের ছায়া । 
পূজামণ্ডপগুলোতে দেবী বিসর্জনের প্রস্তুতি, ভক্তদের মাঝে বিষাদের ছায়া
নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনা নিহত ১২: ফিটনেস ছাড়াই ৫ মাস ধরে চলছিল বাসটি
নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাক ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় দুর্ঘটনাকবলিত আরপি পরিবহনের বাসটির ফিটনেস সনদের মেয়াদ ছিল না।
নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনা নিহত ১২: ফিটনেস ছাড়াই ৫ মাস ধরে চলছিল বাসটি
আরও পড়ুন
পোষা বিড়ালের মরদেহ নিয়ে থানায় হাজির মালিক, অতঃপর...
১০ নিহতদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষায় লাগবে ৩-৪ সপ্তাহ
আগুন লাগতেই মালিকের কুকুর-বিড়াল নিয়ে বেরিয়ে যান টুপটুপের কর্মীরা
রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ৭ মরদেহের বিপরীতে ৪ বাবার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ