ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশে আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৫ এএম

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়নোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফার্নেস তেলের দামে বড় লাফ
অক্টোবর মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের ভোক্তা পর্যায়ের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়ে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বিইআরসি। নতুন এ দাম ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) ধারার আওতায় বিপিসি ও তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানি ও বিস্তারিত পর্যালোচনার পর ফার্নেস অয়েলের মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের বিইআরসির আদেশে বিপিসি সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের ভোক্তাপর্যায়ের দাম, বিপিসির মজুতকরণ ও সরবরাহ চার্জ, তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর বিপণন চার্জ এবং সমন্বিত পরিবহন ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়। ওই আদেশে প্রয়োজন অনুযায়ী তিন মাস পরপর ফার্নেস অয়েলের দাম সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছিল। ফার্নেস অয়েলের মূল্য সমন্বয়ের জন্য গত ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করে বিইআরসি। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানিকৃত পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের প্লাটস রেট, সেপ্টেম্বর মাসের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের (ক্রুড) সিআইএফ মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের পরিবর্তন বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, এসব বিষয় পর্যালোচনা করে অক্টোবর ২০২৬ মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি লিটার ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিপিসি সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের এ সমন্বয়কৃত মূল্যহার ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে প্রযোজ্য ও কার্যকর হবে। আরটিভি/এসআর
ফার্নেস তেলের দামে বড় লাফ
সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে মিলছে না এলপিজি, ডিসিদেরকে মাঠে নামার নির্দেশ
সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। 
সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে মিলছে না এলপিজি, ডিসিদেরকে মাঠে নামার নির্দেশ
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক
জ্বালানির মূল্য ও পে-স্কেলের কারণে মূল্যস্ফীতিতে ঝুঁকি দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরকম বাস্তবতায় আপাতত নীতি সুদহার কমাবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নীতি সুদহার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রেখে প্রথমবারের মতো ত্রৈমাসিক ভিত্তিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় অন্যান্য ডেপুটি গভর্নর, পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডেপুটি গভর্নর বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মুদ্রানীতি কমিটির (এমপিসি) ১৪তম সভায় নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) হার ১১ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) হার ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সম্প্রতি মূল্যস্ফীতি কমলেও তা দীর্ঘমেয়াদে নিয়ন্ত্রণে আসার যথেষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা, দেশে জ্বালানির নিয়ন্ত্রিত মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী সমন্বয় এবং নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, এ অবস্থায় আগেভাগে মুদ্রানীতি শিথিল করা হলে মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা বেড়ে যেতে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রবৃদ্ধিতে চাপ, শিল্প উৎপাদনেও সংকোচন দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মুদ্রানীতিতে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.১৪ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। তবে একই অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ২.২ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। ওই সময়ে শিল্প উৎপাদন ০.২৮ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। পুনরুদ্ধারে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফেরাতে বিভিন্ন খাতে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকাসহ মোট ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ এবং কৃষি, ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে পুনঃঅর্থায়ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, শুধু মুদ্রানীতির মাধ্যমে অর্থনীতির সরবরাহসংক্রান্ত বাধাগুলো দূর করা সম্ভব নয়। তাই বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়াতে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কাঠামোগত সংস্কারও প্রয়োজন। বেসরকারি ঋণে প্রবৃদ্ধি মাত্র ৪.৭৫ শতাংশ মুদ্রানীতি শিথিল করার পর আর্থিক বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত ২ আগস্ট থেকে নীতি সুদহার ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট কমিয়ে ৯.৫০ শতাংশ কার্যকর করা হয়। এরপর আন্তঃব্যাংক সুদহার ও সরকারি সিকিউরিটিজের ইল্ড কমেছে। তবে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা ও ঋণ বিতরণ এখনো দুর্বল। ২০২৬ সালের আগস্টে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৪.৭৫ শতাংশ। বিনিয়োগে মন্থরতা, ঋণগ্রহীতাদের উচ্চ ঝুঁকি এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এর অন্যতম কারণ। এদিকে ২০২৬ সালের জুনে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের অনুপাত বেড়ে ৩২.৭৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যাংক পুনর্গঠন, সুশাসন নিশ্চিত করা, মূলধন পুনরুদ্ধার এবং ঋণ শৃঙ্খলা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রেমিট্যান্সে স্বস্তি, তবে লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ওই অর্থবছরে ব্যালেন্স অব পেমেন্টসের উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৬.৬ বিলিয়ন ডলার। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। মূলত আর্থিক হিসাবের ঘাটতি এর জন্য দায়ী। এ সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক খাতে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। পাশাপাশি বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল থাকায় আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা মিলেছে। মূল্যস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে বহুমুখী ঝুঁকি মুদ্রানীতিতে আগামী দিনের অর্থনীতির জন্য কয়েকটি প্রধান ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্ন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের উচ্চমূল্য, কঠোর বৈশ্বিক মুদ্রানীতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা। এ ছাড়া রাজস্ব খাতের চাপ, জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাও অর্থনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি কমানোর প্রক্রিয়া ব্যাহত না করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করাই এখন মুদ্রানীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ জন্য বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আরটিভি/এসআর
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬: দক্ষিণ এশিয়ায় সবার নিচে বাংলাদেশ
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স (জিআইআই) ২০২৬-এ অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের মধ্যে সবার নিচে রয়েছে বাংলাদেশ। ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০৫তম অবস্থানে রয়েছে। যেখানে নেপাল ১০৪তম অবস্থানে উঠে এসেছে। 
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬: দক্ষিণ এশিয়ায় সবার নিচে বাংলাদেশ
ঘাটতি হবে না এলএনজির, অক্টোবর-নভেম্বরে আসছে ১৯ কার্গো
চাহিদা অনুযায়ী আমদানি নিশ্চিত হওয়ায় আগামী কয়েক মাস এলএনজি সরবরাহে বড় কোনো সমস্যা হবে না।
ঘাটতি হবে না এলএনজির, অক্টোবর-নভেম্বরে আসছে ১৯ কার্গো
আরও পড়ুন
একজনের কাছেই মিলল সাড়ে ৩ কেজি সোনা
টানা তিন দফা কমার পর বাড়ল সোনার দাম
দাম কমে দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা 
‘বোরকা পরে যারা নারায়ণগঞ্জ থেকে পা‌লি‌য়ে‌ছে, তারা আর দেশে আস‌তে পার‌বে না’