ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ঢাকা বোর্ডের কেন্দ্র তালিকা (আসনবিন্যাস) প্রকাশ করা হয়েছে। এতে কেন্দ্র তালিকা, কেন্দ্রের কোড নম্বর, কেন্দ্রের আওতাধীন কলেজের নাম, কলেজের কোড নম্বর, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা ইত্যাদির বিবরণ রয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এটি প্রকাশ করেছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের কাছ থেকে কেন্দ্র ফি গ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন

এরপর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে অলিখিত উত্তরপত্রসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ও গোপনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করে পরীক্ষা পরিচালনা করবেন। পরীক্ষা পরিচালনার যাবতীয় নিয়মাবলি যথাযথভাবে পালনের জন্য কেন্দ্র প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, প্রতিদিনের পরীক্ষা শেষে ওএমআর শিটের প্রথম অংশ ওই দিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে ডাকযোগে ঢাকা বোর্ডের কম্পিউটার কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। একইভাবে অন্যান্য উত্তরপত্রগুলো পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

যেসব ভেন্যু কেন্দ্র রয়েছে, তারা মূল কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ ও নথিপত্র গ্রহণ করে পরীক্ষা সম্পন্ন করবে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র মূল কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত কেন্দ্র তালিকা দেখে নিতে পারবেন।

কেন্দ্রের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। 
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)।  
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল; সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, তার সমস্ত অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।  তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামের দেশটির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকত না। এমনকি বাংলাদেশ হয়ত অন্য কোনো দেশের প্রদেশ হিসেবে পরিচিত হতো।  শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামক দেশটির স্বাধীনতা থাকত না। সার্বভৌমত্ব থাকত না এবং একই সাথে এটি অন্যের প্রদেশের অন্য দেশের দেশ হিসেবে হয়ত আমাদের পরিচিত হতে হতো। মাওলা রাব্বুল আলামীনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সেই দিনটি আজকে ৭ নভেম্বর। আজকে সেই বিপ্লব এবং সংহতি দিবস। জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সূচিত হয়। ওই সময় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম দুর্বিষহ সময় পার করেছে। তিনি আরও বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও জনতা একসঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসায়। অনেকে ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সিপাহী জনতার বিপ্লব এবং সবাই সংহতি প্রকাশ করে সবাই মিলে এক কাজে কাঁধ মিলে তাকে নিয়ে আসে। সেটি ছিল ৭ নভেম্বর। জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই পরিচয়ের মধ্যে বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে উন্নয়নের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করেছেন। তার হাত ধরেই তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়েছে। দেশের বর্তমান উন্নয়নের পেছনেও তার অবদান রয়েছে। জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে এসেছে। তার মতে, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতির সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল। ৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই দিনটিকে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই দিনটি আমাদেরকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে। এই দিনটি একটি দিন না। এই দিনটি একদিন মনে রাখলে হবে না। এই দিনটি প্রতিটি মুহূর্তে মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশ আমার সবার আগে বাংলাদেশ।’ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।  আরটিভি/এসকে
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল; সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশবাসী, সরকার, বাহিনী ও সাধারণ জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা জিয়া পরিষদ।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা
শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য-আদর্শে ইবিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ চলছে: উপাচার্য
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই মূল লক্ষ্য ও আদর্শে বিশ্ববিদ্যালয়কে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান।
শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য-আদর্শে ইবিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ চলছে: উপাচার্য
আরও পড়ুন
চরফ্যাশনের ১১ কলেজে এইচএসসির ফলাফলে ধস
৪৭ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন আমিনুল, এবার আইন বিষয়ে পড়ার স্বপ্ন
এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় না ফেরার দেশে ছেলে, ফল দেখে কাঁদলেন বাবা
এইচএসসিতে নীলফামারীর ১৪ প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল