ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

কেন্দ্রে প্রবেশ করছে পরীক্ষার্থীরা, অপেক্ষায় অভিভাবক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

আজ ২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে । সারা দেশে এবার মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী এই পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকেই দেশের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রথম দিনে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে প্রথম দিনে কোরআন মাজিদ ও তাজভিদ পরীক্ষা নেওয়া হবে। এছাড়া কারিগরি বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার প্রথম দিনে বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে মোট ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় বসছে। বরাবরের মতো সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে— ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫০ জন।

আরও পড়ুন

একজন শিক্ষার্থী বলেন, পরীক্ষা দিতে যাচ্ছি, আজ প্রথম পরীক্ষা তাই একটু নার্ভাস লাগছে। প্রশ্ন কেমন হয়, গার্ড কেমন পড়ে সেগুলো নিয়ে ভাবছি।

পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে আসা এক অভিভাবক বলেন, আজ প্রথম পরীক্ষা তাই ছেলের সঙ্গে আসলাম। আর প্রথমদিন একটু আগেই চলে আসছি যাতে সিট প্লানসহ অন্যান্য বিষয়গুলো খুঁজতে সমস্যা না হয় তার।

এদিকে পরীক্ষার আগে প্রশ্নফাঁস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সাইবার নজরদারির মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস শনাক্ত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা নজরদারি করছি সাইবার ক্রাইমে, প্রশ্নপত্র যারা থানা থেকে নেবেন তারা কোনো ক্রাইম করছে কিনা, তাদের লিস্ট আমরা নিয়েছি। আমরা মনিটরিং সেল করেছি, এর মধ্যে কিছু হয় কিনা সেজন্য আমরা এগুলো খুব সুন্দরভাবে সবকিছু করেছি। আমরা একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ করেছি। সেখানে ডিসি ইউএনওসহ সবাই থাকছেন।

তিনি আরও বলেন, এবার পাবলিক পরীক্ষা অ্যাক্ট ১৯৮০ যেটা রয়েছে সেটাকে আমরা কয়েকদিনের মধ্যে ‘ল’ মিনিস্ট্রিতে পাঠানো হয়েছে। এই আইনে ডিজিটাল ক্রাইমের কথা ছিলো না। এগুলো ইনক্লুড করা হয়েছে। এবং পরীক্ষার যে ফিনেশন সেটা বদলানো হয়েছে। মেট্রিম ও ইন্টার ছিলো আগে অন্যান্য পরীক্ষা ছিলো না।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
মানহীন মেডিকেল কলেজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
রাজনৈতিক চাপ কিংবা প্রভাবশালী মহলের প্রভাব খাটিয়ে মানহীন কোনো মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। বুধবার (৪ নভেম্বর) বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল (বিএমইএসি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘অ্যাসেসর ট্রেনিং’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, চিকিৎসা শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আমরা নতুন কোনো বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দিইনি। এতে প্রভাবশালী বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে চাপ আসছে। কিন্তু মান ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করে কাউকে মেডিকেল কলেজ করতে দেওয়া হবে না। হাসপাতাল ছাড়া মেডিকেল কলেজ হবে আর রোগী না দেখে কেউ চিকিৎসক হয়ে যাবে, এমন পরিস্থিতি চলতে পারে না। দেশে চিকিৎসা শিক্ষার বৈষম্য ও ভৌগোলিক অসম বণ্টন তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজই ঢাকা বিভাগে পুঞ্জীভূত। অথচ বাকি সাতটি বিভাগে ভারসাম্যহীনতা স্পষ্ট। সংসদ বা রাজনৈতিক বক্তৃতায় যখন-তখন নিজ জেলা বা উপজেলায় মেডিকেল কলেজ চাওয়ার মতো জনপ্রিয় হওয়ার প্রবণতা পরিহার করে পরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্য কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিকেল এডুকেশনের নিয়ম মেনে অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন না করলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে পড়বে। চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা ও আস্থা ফেরাতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এখন বাধ্যতামূলক। বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, সম্প্রতি বিদেশ থেকে পাস করে আসা চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় মাত্র ৩০ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছেন। সন্তানদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে বিদেশে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান যাচাই করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
মানহীন মেডিকেল কলেজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
যবিপ্রবিতে তারিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল
বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তরিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। যশোরে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ, তা বাস্তবে রূপ দিতে স্থান নির্বাচন, আইনি জটিলতা নিরসন এবং সরকারের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগসহ বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৬ সালের ৫ অক্টোবর বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যবিপ্রবির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, দপ্তরপ্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া দোয়া মাহফিলে ছাত্রদলপন্থী শিক্ষার্থীরা এবং বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী কর্মচারী ফেডারেশনের (বাআজাকফ) কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. জসীম উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। দোয়া মাহফিলে মরহুম তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। আরটিভি/টিআর
যবিপ্রবিতে তারিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল
রাবিতে চার দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও ফুড ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী চতুর্থ ‘পর্যটন মেলা ও ফুড ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন। বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা ১১টায় মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। কেক কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অনুষ্ঠানে পর্যটন, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যময় খাবারের সমন্বয়ে নানা আয়োজন রাখা হয়েছে। মেলায় রয়েছে বাহারি খাবারের স্টল, দেশীয় হস্তশিল্প, উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন উদ্যোগ ও বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের সামনে মেলা চলবে। চার দিনব্যাপী এ আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আলকাপ, গম্ভীরা, সংগীতানুষ্ঠান এবং আরইউ ড্যান্স ক্লাবসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনা থাকছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের (বিটিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্যারিস্টার মোনতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, ‘পর্যটন বিভাগে কেউ বেকার থাকে না। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা বিকাশের সুযোগ করে দেয়। ট্যুর গাইড, মেন্টর, ট্যুর অপারেটর ও হসপিটালিটি অপারেটর হিসেবে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগে ট্যুরিজম বোর্ড সব সময় পাশে থাকবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পর্যটনশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে। এ জন্য পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি সেসব স্থানের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে হবে। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যকর প্রচারের মাধ্যমে এ খাতের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব।’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বাস্তব জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বের দক্ষতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ পায়। পাশাপাশি দেশের পর্যটনশিল্পের সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ একটি দেশ। এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও শিক্ষা, গবেষণা ও বাস্তবমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে পর্যটনশিল্পের বিকাশে ভূমিকা রাখতে চায়। আমি আশা করি, শিক্ষার্থীরা অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে অবদান রাখবে।’ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে দক্ষ ট্যুর গাইড, ট্যুর অপারেটর, হসপিটালিটি ব্যবস্থাপক ও পর্যটন উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে। আমরা চাই, আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং নিজেদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা দিয়ে এ খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করবে। এ লক্ষ্য সামনে রেখেই বিভাগটি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।’ এ সময় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. আবদুল আলীম এবং কোষাধ্যক্ষ (অব.) অধ্যাপক মতিয়ার রহমান। আরটিভি/টিআর
রাবিতে চার দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও ফুড ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন
কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে ৬৪৪তম যবিপ্রবি
যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডসের (কিউএস) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭’-এ গত বছরের তুলনায় ৪৩ ধাপ এগিয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। এবারের র‍্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৬৪৪তম অবস্থান অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। গত বছর এ অবস্থান ছিল ৬৮৭তম। এদিকে, ২০২৪ সালের কিউএস এশিয়া র‍্যাঙ্কিংয়ে যবিপ্রবি এর আগে সর্বোচ্চ ৫৫১-৬০০-এর মধ্যে অবস্থান অর্জন করেছিল। এবারের তালিকায় বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এশিয়ায় ৬৪৪তম অবস্থানের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যবিপ্রবির অবস্থান ১৮০তম। গত ৩ নভেম্বর কিউএস তাদের ওয়েবসাইটে এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৭ সালের র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। এবারের র‍্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার ২৬টি দেশের ১ হাজার ৭২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে হংকং বিশ্ববিদ্যালয় এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যদিকে, দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিষয়ে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইয়ারুল কবীর বলেন, গতবারের তুলনায় এবার এশিয়া র‍্যাঙ্কিংয়ে যবিপ্রবি ৪৩ ধাপ এগিয়েছে, যা আনন্দের ও আশাব্যঞ্জক খবর। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে অভিনন্দন জানান। তিনি আরও বলেন, আমাদের আরও ভালো করার সুযোগ রয়েছে। সেসব ক্ষেত্র চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে সবাই মিলে কাজ করতে চাই। যবিপ্রবিকে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আরটিভি/টিআর
কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে ৬৪৪তম যবিপ্রবি
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে বিসিএসআইআর গবেষণা কেন্দ্রে হঠাৎ এসি বিস্ফোরণ
এইচএসসি কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের বসার চেয়ার ও ছাউনি দেওয়ার নির্দেশ
কাজের চাপের ব্যস্ততার মধ্যেও সন্তানকে সময় দেবেন যে সহজ কৌশলে 
গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ