ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

৫ দিন বন্ধ থাকবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষ্যে আগামী ১২ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত পাঁচ দিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

বুধবার (৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১২ জুলাই (রোববার) থেকে ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করা এবং ওয়েবসাইট ও আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে বাস্তবে ছুটির পরিধি আরও দীর্ঘ হচ্ছে। কারণ সরকারি সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে শুক্রবার ও শনিবার (১০ ও ১১ জুলাই) বন্ধ থাকার পর শুরু হবে গ্রীষ্মকালীন পাঁচ দিনের ছুটি। এরপর ১৭ ও ১৮ জুলাই আবারও সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

আরও পড়ুন

ফলে সাপ্তাহিক ছুটি ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে টানা প্রায় ৯ দিনের বিরতি থাকবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২৫ টাকায় মেলে প্লেটভর্তি খাবার
এক প্লেট ভাত, অর্ধেক সিদ্ধ ডিম, পটল ভাজি, আলু ভর্তা, আলু ভাজি ও শাক ভাজির সঙ্গে মিলছে ডালও। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে ২৫ টাকায় ছয় পদের খাবার। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্টেশন বাজারের ‘হোটেল মাদারীপুরে’ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য এমন খাবারই পরিবেশন করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এই খাবার পরিচিত ‘সিস্টেম’ নামে। দামে কম হলেও খাবারের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের রয়েছে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা। ফলে সকাল ও দুপুরের খাবারের সময়ে হোটেলটিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের ভিড়। ছয়টি পদ দিয়ে খাবার পরিবেশন করা হয় বলেই এর প্রচলিত নাম ‘সিক্স আইটেম’। তবে শিক্ষার্থীদের মুখে মুখে এটি ‘সিস্টেম’ নামেই বেশি পরিচিতি পেয়েছে। জানা গেছে, ‘সিস্টেম’-এর উদ্যোক্তা হোটেল ব্যবসায়ী মানিক মিয়া। ছোটবেলায় জীবিকার সন্ধানে কুমিল্লার লাকসাম থেকে রাজশাহীতে আসেন তিনি। পরে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন মেহেরচণ্ডী এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে ষাটের কোঠায় তাঁর বয়স। একসময় রিকশা চালালেও প্রায় ৩৬ বছর ধরে হোটেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত তিনি। মানিক মিয়া বলেন, প্রায় ২৬ বছর ধরে হোটেল মাদারীপুরে ‘সিস্টেম’ চালু রয়েছে। শুরুতে ২০ বছর আগে এই খাবারের দাম ছিল মাত্র ৬ টাকা। সময়ের সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় ধীরে ধীরে ‘সিস্টেম’-এর দামও বেড়ে বর্তমানে ২৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ছয় পদের খাবারের মধ্যে রয়েছে এক প্লেট ভাত, অর্ধেক ডিম, পটল ভাজি, আলু ভর্তা, শাক ভাজি ও আলু ভাজি। এর সঙ্গে ডাল সবার জন্য বিনামূল্যে দেওয়া হয়। হোটেলে মাছ-মাংসসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছে ‘সিস্টেম’-এর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। হোটেলটির নামকরণের ইতিহাসও বেশ পুরোনো। মানিক মিয়া জানান, আগে দোকানটির মালিক ছিলেন মাদারীপুর জেলার বাসিন্দা। তাঁর বাড়ির জেলার নাম অনুসারেই হোটেলটির নাম রাখা হয় ‘হোটেল মাদারীপুর’। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এখানে হোটেলটি চালু রয়েছে বলেও জানান তিনি। মানিক মিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন হোটেলে ৫০০টির বেশি ‘সিস্টেম’ বিক্রি হয়। সব মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার টাকার বেশি খাবার বিক্রি হয়। ‘সিস্টেম’-এর পাশাপাশি হোটেলে মাছ, মাংসসহ বিভিন্ন ধরনের খাবারও পাওয়া যায়। সকালে ও দুপুরে ‘সিস্টেম’ বিক্রি হলেও রাতে খিচুড়িসহ অন্যান্য খাবার পরিবেশন করা হয়। স্টেশন বাজারে হোটেলটির অবস্থান হওয়ায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতও সহজ। এর পাশেই রয়েছে মাদার বখ্শ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল। কিছুটা দূরে রয়েছে শহীদ শামসুজ্জোহা ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল। ফলে এসব আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের অনেকেই নিয়মিত হোটেলটিতে খাবার খেতে আসেন। দীর্ঘদিন ধরে হোটেলটির ‘সিস্টেম’ খাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমি এখানে সাড়ে তিন বছর ধরে খাচ্ছি। এখানকার বিশেষত্ব হচ্ছে কম টাকায় অনেকগুলো আইটেম দিয়ে খাবার খাওয়া যায়। শিক্ষার্থীদের অনেক খরচ থাকে। তাই কম টাকায় যেখানে ভালো খাবার পাওয়া যায়, সেখানেই খাই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই সেবা দিয়ে আসছেন। প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী এখানে খেতে আসেন। খাবারের মানও ভালো। কম দামে খাবার দেওয়ার বিষয়টিকে হোটেল মালিকের মানবিক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থী তারিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, সিস্টেম মিল যেন অমাবস্যায় এক আলোর মশাল। ক্রমাগত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ফলে সবকিছুই সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে। ঠিক এমন সময়ে ২০–২৫ টাকায় তৃপ্তি করে খাওয়া যায়—এটি আমাদের কাছে মানবিক উদ্যোগ। একই সঙ্গে অন্য হোটেল মালিকদের জন্যও এটি অনুকরণীয়। রাবি শিক্ষার্থীদের গল্প-কথায় হোটেলটি যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শহীদ শামসুজ্জোহা হলে থাকা শিক্ষার্থী জুবাইর হোসেনও মাঝেমধ্যে হোটেলটিতে খেতে যান। তিনি বলেন, ‘এত কম দামে এমন খাবার রাজশাহীর অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না। কম দাম হলেও খাবারটি বেশ তৃপ্তিদায়ক।’ দ্রব্যমূল্যের চাপে যখন স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের খাবারের খরচও বাড়ছে, তখন ২৫ টাকার এই ‘সিস্টেম’ শুধু একটি সস্তা খাবারের নাম নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে রাবির শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক পরিচিত নাম। ৩৬ বছর ধরে টিকে থাকা হোটেল মাদারীপুর তাই হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের খাবারের সংস্কৃতিরও এক ছোট্ট অংশ। আরটিভি/টিআর
২৫ টাকায় মেলে প্লেটভর্তি খাবার
রাবির জুলাই-৩৬ হলের ৪৬ জন নারী শিক্ষার্থীকে কৃতি সংবর্ধনা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) জুলাই-৩৬ হলে ৪৬ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হলটির অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
রাবির জুলাই-৩৬ হলের ৪৬ জন নারী শিক্ষার্থীকে কৃতি সংবর্ধনা
আমার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বাস্তবায়ন: জবি উপাচার্য 
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) দীর্ঘদিন ধরেই আবাসন ও অবকাঠামো সংকটসহ নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের আবাসন, পুরোনো ভবনের সংস্কার, জনবল সংকট, নতুন একাডেমিক কার্যক্রম চালু, গবেষণা, ডিজিটাল সেবা এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বাস্তবায়ন—সব মিলিয়ে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির সামনে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দিন এসব সংকট ও সম্ভাবনাকে সামনে রেখে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন। তার মতে, বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী—সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নিজের দায়িত্বকে ক্ষমতার চেয়ার নয়, বরং সেবা ও কাজ করার চেয়ার হিসেবে দেখেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি, আবাসন ও অবকাঠামো সংকট, দ্বিতীয় ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থীদের আবাসন ভাতা এবং সরকারের কাছে প্রত্যাশাসহ নানা বিষয়ে আরটিভির জবি সংবাদদাতা আবু বকর সম্পদের সঙ্গে একান্তে কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দিন। আরটিভি: উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়কে কী অবস্থায় পেয়েছেন? আপনার সামনে প্রথম চ্যালেঞ্জ কী ছিল? উপাচার্য: এর আগে আটজন ভাইস চ্যান্সেলর গেছেন। সবাই বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভাইস চ্যান্সেলর হওয়ার পর আমাদের শিক্ষার্থী এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্যে আমি দেখেছি, সবার প্রত্যাশিত অনেক বিষয়ই অপূর্ণ রয়েছে। আমিও এই অবস্থাতেই দায়িত্ব নিয়েছি। সেখান থেকে কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছানোর জন্য যে কাজগুলো করা দরকার, আমরা সেগুলো করছি। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করছি এবং সেগুলোর সমাধান কী হতে পারে, তা নিয়ে সবাই মিলে চেষ্টা চালাচ্ছি। আমি মনে করি, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী—সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করতে হবে। সবাইকে একত্রিত করেই একটি সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কাজ করার বিষয়ে আমি নিজে অনুপ্রাণিত হচ্ছি এবং সবাইকে উৎসাহিত করছি। আরটিভি: বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে কোন বিষয়টিকে দেখছেন এবং তা নিয়ে কি কি পদক্ষেপ ইতিমধ্যে নিয়েছেন? উপাচার্য: আমাদের প্রথম ও অন্যতম সমস্যা হলো আবাসন সমস্যা। আমাদের শিক্ষার্থীদের আবাসন নেই বললেই চলে। শুধুমাত্র মেয়েদের একটি হল আছে। এমনকি আমাদের ভাইস চ্যান্সেলরের জন্যও কোনো আবাসন নেই, কোনো শিক্ষকের আবাসন নেই, কর্মচারীদেরও থাকার জায়গা নেই। তো এটাই আমাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি। সে অনুযায়ী, আমাদের যমুনা আন্দোলন হয়েছিল, সেখানে আমরা বিভিন্নভাবে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমারা নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ মেইনটেইন করে মোটামুটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা এবং বাণী ভবন ও হাবিবুর রহমান দুইটি হলের কাজ আনতে পেরেছি। কিছুদিন পূর্বে পুরাতন জেলখানার পাশে আমাদের একটি হল নির্মাণের জন্য বাজেট এসেছে, শীঘ্রই তার কাজ শুরু হবে। এছাড়াও আমাদের বিভিন্ন বিষয়ে ইউজিসি, পরিকল্পনা কমিশন এবং শিক্ষামন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমরা চেষ্টা করছি, দেখা যাক সফলতা কতদূর পাওয়া যায়। চেষ্টা না করলে তো আর সফলতা আসবে না। তাই সবাইকে নিয়ে চেষ্টা করছি। আরটিভি: বর্তমানে আবাসনের তীব্র সংকট নিয়ে আরও কী পরিকল্পনা রয়েছে? উপাচার্য: আমাদের দুইটি হল নির্মাণ ও একটির প্রসেস চলমান থাকলেও আমরা আরও কিছু বিষয় প্রস্তাব করেছি।আশা করি সেগুলোও দ্রুত হবে। তবে না হওয়া পর্যন্ত বলাটা ঠিক হবে না। আমরা চেষ্টা করছি, দেখি কী করা যায়। আরটিভি: বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো অবকাঠামো নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। সম্প্রতি গণিত বিভাগের ছাদ ধসের ঘটনাও ঘটেছে। অবকাঠামো সংকট নিরসনে কী কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে? উপাচার্য: বিশ্ববিদ্যালয়টি অনেক পুরোনো। কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়েছে। এখানে বিভিন্ন অবকাঠামো অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার তিন-দশ দিনের মধ্যেই গণিত বিভাগের দুর্ঘটনাটি ঘটে। আমি সেখানে গিয়ে উপস্থিত হই এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাজেটের বিষয়টি চিন্তা না করেই কাজ শুরু করি। ইতোমধ্যে সেখানে মেরামতের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বুয়েটের বিশেষজ্ঞ এবং আমাদের সংশ্লিষ্টদের মতামত অনুযায়ী পুরোনো ভবনগুলোর আরও যেসব কাজ করা দরকার, সেগুলোর জন্য ইউজিসিতে ইতোমধ্যে চিঠি দিয়েছি। সেখান থেকে কিছু বাজেটও পেয়েছি এবং মেরামতের কাজগুলো হচ্ছে। আমাদের অবকাঠামোগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। আমরা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে নতুন একটি ভবন করা যায় কি না, সেই প্রস্তাবও দিয়েছি। অন্যান্য যেসব অবকাঠামো আছে, সেগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি। আশা করা যায়, মেরামতের কাজগুলো সম্পন্ন হলে কিছুটা টেকসই হবে। আবার জায়গা যেহেতু আমাদের খুবই কম এবং পাশাপাশি দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে বড় একটু প্রকল্প আমাদের চলমান রয়েছে তাই এই ক্যাম্পাসে নতুন করে প্রকল্প নিয়ে আবাসন অথবা বিল্ডিং করা একটু দুরূহ। আরটিভি: গবেষণা ও আধুনিক ল্যাব তৈরির ক্ষেত্রে কী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে? উপাচার্য: আমাদের সেন্ট্রাল ল্যাব করার জন্য ২০২৩ সাল থেকে যে প্রকল্পটি প্রক্রিয়াধীন ছিল, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশনে গিয়ে বিষয়টি উপস্থাপন করেছি। সেটা ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। আশা করি খুব দ্রুতই সেটার টেন্ডার হয়ে যাবে। আমাদের একটি ইনোভেশন হাব হবে, সেটার টেন্ডারও আশা করছি আগামী সপ্তাহেই হবে ইনশাআল্লাহ। গবেষণার ক্ষেত্রেও আমরা কাজ করছি। আমাদের মাস্টার্স থিসিস, এমফিল ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের আমরা প্রায় এক কোটি টাকার মতো সহায়তা দিতে পেরেছি। গবেষণাকে আরও ত্বরান্বিত করার জন্য ইতোমধ্যে ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড, স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড দিয়েছি। আমাদের গবেষকদের, বিশেষত পিএইচডি গবেষকদের নিয়ে ইতোমধ্যে তিনটি ট্রেনিং সেশন সম্পন্ন করেছি। আগামী অর্থবছরে সেখানে ৬০টি পর্যন্ত উন্নীত করা যায় কি না, সেটা নিয়েও আমরা কাজ করছি। আরটিভি: নতুন বিভাগ ও বিষয় চালুর বিষয়ে কী কোনো পরিকল্পনা রয়েছে? উপাচার্য: আগামী শিক্ষাবর্ষে ইনশাআল্লাহ আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ চালু করতে পারি। পাশাপাশি ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন চালু করার বিষয়েও কাজ করছি। তৃতীয় ভাষার ব্যাপারেও আপনারা ইতোমধ্যে দেখেছেন, আমরা চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজের সার্কুলার দিয়েছি। এ বিষয়ে একটি মিটিং আছে। সেখানে ফ্রেঞ্চ, জাপানিজ, আরবি—আরও কী কী ভাষা চালু করা যায়, সেটা নিয়ে ইনশাআল্লাহ একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়ে আসতে পারব। আরটিভি: শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর ক্ষেত্রে কী কী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে? উপাচার্য: এগুলো আমাদের বেসিক নিডস। এগুলো বাস্তবায়নে আমরা আমাদের টিম করেছি। ৭৫ জন কর্মকর্তাকে বিআইএএম থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়ে এসেছি। ইতোমধ্যে আমরা বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা চালু করেছি এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজগুলো করা হচ্ছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য রেজাল্ট শো অ্যাপ চালু করেছি। অনলাইনে সার্টিফিকেট, মার্কশিট এবং গ্রেডশিট—যেটাই আমরা বলি—শিক্ষার্থীরা যেন খুব নির্ভুলভাবে তুলতে পারে, তার জন্য ব্যবস্থা চালু করেছি। আরটিভি: বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী? উপাচার্য: আমার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আমাদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বাস্তবায়ন। সেটা নিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করছি। আমি ইতোমধ্যে পাঁচ-ছয়বার সেখানে ভিজিট করেছি। সংশ্লিষ্ট যারা এই কাজ করছেন, তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করে কাজ করার চেষ্টা করছি। কাজ যেন কোনো প্রকার বাধাগ্রস্ত না হয়, তার জন্য আমরা সচেষ্ট হচ্ছি। অনেক ক্ষেত্রে আমরা সফল হচ্ছি, আবার অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সফলতা পাওয়া যাচ্ছে না। তারও কিছু কারণ আছে। আমরা সেগুলোও ওভারকাম করার চেষ্টা করছি। আরটিভি: বিশ্ববিদ্যালয়ের জনবল সংকটের পাশাপাশি অতীতে নিয়োগের বিষয়েও নানা জটিলতা রয়েছে। এ বিষয়ে কী বলবেন? উপাচার্য: আমাদের এখানে ম্যানপাওয়ার সমস্যা আছে। আবার বিগত সময়ে মাস্টার রোলে যে পরিমাণ লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, অনেককে পদবি বা পদের বাইরে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে চাপের মধ্যে ফেলেছে। এখন আমরা ইউজিসির সঙ্গে যোগাযোগ করে ইতোমধ্যে অল্প কিছু পদ নিয়ে আসতে পেরেছি। পদ নিয়ে আসাও সহজ নয়। পদ নিয়ে আসলে যারা আগে পদবির বাইরে আছে, তাদের পদাধিকার ও যোগ্যতার বিষয় সামনে চলে আসে। তাহলে আমার স্কিলড ম্যানপাওয়ার পাওয়ার বিষয়টিও সামনে আসে। সেটা নিয়েও আমরা কাজ করছি—কীভাবে সমন্বয় করে দেওয়া যায়। আমাদের প্রমোশনের বেলায় ইউজিসির অভ্যন্তরীণ নীতিমালা আছে। সেখানে তিনটি বিষয়ে প্রমোশন পাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু আমি এসে দেখলাম, আমাদের কোনো কোনো কর্মচারী ইতোমধ্যে ছয়টা প্রমোশন পেয়েছে এবং সপ্তম প্রমোশনের জন্য আবেদন করছে। তো এগুলো আসলে একটি জটিলতা। এটা কীভাবে সমন্বয় করে কাজ করা যায়, সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়াও সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আমাদের অর্গানোগ্রাম ২০২০ সালে শেষ হয়ে গিয়েছিল। এটা নিয়ে দীর্ঘদিন কেউ কাজ করেনি। আমরা ইতোমধ্যে অর্গানোগ্রাম তৈরি করে সিন্ডিকেটে অনুমোদন নিয়েছি। ইউজিসিতে মিটিং করে সেটাও মোটামুটি ফাইনাল হয়েছে। আরটিভি: শিক্ষার্থীদের আবাসন ভাতার দ্বিতীয় কিস্তি পাওয়ার সম্ভাবনা কতটা? উপাচার্য: বাংলাদেশে ৫৭ টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েই ১০০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে আবাসন দেওয়া হয় না। আবাসন বিশ্ববিদ্যালয় বলতে একমাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, তবে তাও ১০০ শতাংশ না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু সেটারও তো শতভাগ শিক্ষার্থী আবাসিক না। এটা কোনোদিন হয়তো এভাবে পূরণ করাও সম্ভব না। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ বছরের যেটুকু আবাসন সুবিধা পাওয়ার কথা, আমরা তো সেটুকুও পাইনি। এজন্য জুলাইয়ের পর আমাদের একটি যমুনা আন্দোলন হয়েছিল, তার একটা যৌক্তিকতাও ছিল। ওই সময়কার সরকার (ইন্টেরিম সরকার) আমাদের একটা কমিটমেন্ট দিয়েছিল। কিন্তু রূঢ় বাস্তবতা হলো, সেটা আমরা পাইনি। আমি এসে বর্তমান সরকারের সাথে যোগাযোগ করে প্রথম কিস্তি থেকে কিছু টাকা নিয়ে আসতে পেরেছি। দ্বিতীয় কিস্তির টাকার ব্যাপারেও আমি যোগাযোগ মেইনটেইন করছি। আশা করি যে গণতান্ত্রিক সরকার আছে, তারা আমাদের শিক্ষার্থীদের এই অসুবিধাটুকু দূর করার জন্য রেসপন্স করবে। আমার তরফ থেকে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে কবে টাকা নিয়ে আসা হবে, সেটা বলা একটু ডিফিকাল্ট। চেষ্টা করতে হবে এবং চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আরটিভি: বর্তমান ক্যাম্পাস এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? উপাচার্য: পুরান ঢাকার বর্তমান ক্যাম্পাস আমাদের ঐতিহ্যের একটি অংশ। আমরা আশা করি আমাদের এই ক্যাম্পাস থাকবে, পাশাপাশি আমাদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসও হবে। এটি একটি হেরিটেজের অংশ। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি এই ক্যাম্পাসকেও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে আরও সুন্দরভাবে গড়ে রাখা হবে। আর দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বিষয়ে আমাদের চিন্তা এটি বিশ্বমানের একটি ক্যাম্পাস হবে, যেখানে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকবে, যেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণ করতে পারবেন এবং তাদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে। সেই ভাবে আমরা পিপিপি অবকাঠামোতে যে কাজগুলো আছে, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করছি। আরটিভি: উপাচার্য হিসেবে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে কীভাবে দেখছেন? উপাচার্য: আমার কাছে উপাচার্যের চেয়ার ক্ষমতার কোনো বিষয় নয়। এটা সেবা প্রদানের একটা চেয়ার, কাজ করার চেয়ার। ইনশাআল্লাহ আমি যে কয়দিন সুস্থ থাকি এবং যে কয়দিন আমি এই চেয়ারে আছি, আমি কাজ করার চেষ্টা করব। আমার বিশাল কোনো পরিকল্পনা নেই। আমি আমার শিক্ষার্থীদের জন্য যদি কিছু করতে পারি, সেটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় সাফল্য। আরটিভি: সবশেষে সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী? উপাচার্য: সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা তো থাকবেই। কারণ এখানেই তো আমরা অর্থ খুঁজে পাব। সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা বা চাওয়া অনেক। আমরা এখানে প্রধানমন্ত্রীর আবেগটাকেও কাজে লাগাতে চাই। তার মা বেগম খালেদা জিয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমরা চাই দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দৃশ্যমান সমাপ্তি। সেটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করি দ্রুত এটা বাস্তবায়ন হবে। এক্ষেত্রে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি। আরটিভি/এমএ
আমার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বাস্তবায়ন: জবি উপাচার্য 
২৩১৮ কলেজের অধ্যক্ষকে নিয়ে সম্মেলন, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের ২ হাজার ৩১৮টি কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি ‘অধ্যক্ষ সম্মিলন ২০২৬’ আয়োজন করতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মিলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দপ্তরের পরিচালক মো. সাহাব উদ্দিন আহাম্মদের সই করা চিঠিতে এসব তথ্য জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান রূপান্তরমুখী অভিযাত্রা এবং পরিবর্তিত জাতীয় ও বৈশ্বিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে এ সম্মিলন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। দেশের কলেজ শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার বিকাশে অধ্যক্ষবৃন্দের ভূমিকা আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে এ সম্মিলন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে অধ্যক্ষ ও শিক্ষকবৃন্দ জাতীয় শিক্ষানীতি, সরকারের শিক্ষা-দর্শন, উচ্চশিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত শিক্ষা সংক্রান্ত অঙ্গীকার ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও প্রেরণা লাভ করবেন। এতে আরও বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে নির্ধারিত লিংকে (https://collegeportal.nu.ac.bd/) প্রবেশ করে কলেজ কোড ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ড্যাশবোর্ড থেকে অধ্যক্ষ সম্মিলন ২০২৬ ক্লিক করে যথাযথভাবে ফরম পূরণ করে আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার পর পরবর্তীতে আমন্ত্রণপত্র প্রেরণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের নির্দেশক্রমে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অধ্যক্ষদের অনুরোধ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠান থেকে টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।  আরটিভি/এমএ  
২৩১৮ কলেজের অধ্যক্ষকে নিয়ে সম্মেলন, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
বাকৃবিতে ছাত্রদলের উদ্যোগে সার্বক্ষণিক ২ অ্যাম্বুলেন্স 
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাকৃবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৃষিবিদ মো. আতিকুর রহমানের উদ্যোগে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শাখার সহযোগিতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
বাকৃবিতে ছাত্রদলের উদ্যোগে সার্বক্ষণিক ২ অ্যাম্বুলেন্স 
আরও পড়ুন
২৩১৮ কলেজের অধ্যক্ষকে নিয়ে সম্মেলন, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনের তারিখ ঘোষণা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষার সময় পরিবর্তন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ জুলাইয়ের দুই পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন