ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ডাকসু নেতা মুসাদ্দিকের ‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হুমকি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম
বক্তব্য রাখছেন মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদকে পথরোধ করে হেনস্তা, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের এক অনুসারীর বিরুদ্ধে। তবে প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টিকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত মো. আলাউদ্দিন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুসাদ্দিক আলী এ অভিযোগ করেন।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, আজ (বুধবার) দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে আমি যখন কলা ভবনের পেছনের ফটক দিয়ে ক্লাসে যাচ্ছিলাম, তখন আলাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা আমার পথরোধ করে দাঁড়ান।

এই ডাকসু নেতা বলেন, ‘আমি তাকে চিনতে না পেরে পরিচয় জিজ্ঞাসা করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং আমাকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তিনি আমার দাঁত ফেলে দেওয়ার ভয় দেখান এবং মারতে উদ্যত হন।’

আরও পড়ুন

সংবাদ সম্মেলনে মুসাদ্দিক আরও দাবি করেন, আলাউদ্দিনের সহযোগীরা তাকে সরিয়ে নিলেও তিনি বারবার তেড়ে এসে হামলার চেষ্টা করেন এবং যাওয়ার সময় গুরুতর হুমকি প্রদান করেন। এই ঘটনাকে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য অন্তরায় হিসেবে অভিহিত করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদলের অনুসারী মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘আমি মুসাদ্দিককে বলেছি, তুমি আমার নামে যে মিথ্যা কথা লিখেছ, আমিও তো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র। আমার নামে যে ভুয়া কথাগুলো, মিথ্যা প্রপাগান্ডা কেন ছড়িয়েছে, এ কথার জবাব চেয়েছি শুধু তার কাছে।’

এই জবাব চাওয়া কোনো অন্যায় কি না, সে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

উল্লেখ্য, মো. আলাউদ্দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। রাজনৈতিক মামলার কারণে তার শিক্ষা জীবন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে তিনি পুনর্ভর্তি হন এবং বর্তমানে ২০২৩-২৪ সেশনে দ্বিতীয়বারের মতো ভর্তি হয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এআইয়ের কার্যকর ব্যবহারে মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার
শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) নৈতিক ও কার্যকর ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘Working Smarter with AI: Practical Productivity for Academics’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আয়োজিত সেমিনারটির আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অ্যান্ড হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও একাডেমিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। সেমিনারে মূল বক্তা ও রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য দেন লন্ডনে Wipro Ltd.-এর পরিচালক এনামুল হক। তিনি উচ্চশিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, বিশেষ করে পাঠদান, গবেষণা, একাডেমিক লেখালেখি ও প্রশাসনিক কাজে AI ব্যবহারের বিভিন্ন বাস্তব দিক তুলে ধরেন। সেমিনারে AI ব্যবহারের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা, গবেষণার সততা, তথ্যের গোপনীয়তা এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত AI disclosure বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের তথ্য প্রকাশসংক্রান্ত নীতিমালা মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় একটি সরাসরি প্রদর্শনীর মাধ্যমে সাহিত্য পর্যালোচনা (Literature Review), নথি বিশ্লেষণ, একাডেমিক লেখালেখি এবং গবেষণা ব্যবস্থাপনায় AI কীভাবে ব্যবহার করা যায়, তা তুলে ধরা হয়। পরে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বক্তারা। প্রশ্নোত্তর পর্বের মধ্য দিয়ে সেমিনারটি শেষ হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষকদের AI ব্যবহারে দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি এর দায়িত্বশীল ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই এ ধরনের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।   আরটিভি/ এসকেডি
এআইয়ের কার্যকর ব্যবহারে মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার
সিগারেটের টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে ইবিতে তুমুল কাণ্ড
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক শিক্ষার্থী ও দোকানদারের মধ্যে ১০ টাকার সিগারেট কেনার টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের আজিজুর রহমান হল সংলগ্ন পকেট গেটে অবস্থিত ‘ইবি মার্ট’-এ এই ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রাজিব (ছদ্মনাম, ২৩-২৪) দোকানির কাছ থেকে ১০ টাকার সিগারেট কিনেন। পরে নগদ টাকা না থাকায় বিকাশে টাকা পরিশোধের কথা জানান দোকানিকে। তখন টাকার পরিমাণ কম হওয়ায় তর্কে জড়ায় দোকানি। এসময় ওই শিক্ষার্থী পাশের দোকান (ইবি মার্ট) থেকে টাকা ধার নিতে যায়। পরক্ষণেই দোকানি এসে পুনরায় তর্কে জড়িয়ে ধস্তাধস্তি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এসংক্রান্ত একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী দোকানদার (ইবি মার্ট) জানান, শিক্ষার্থী ওই দোকানদারকে টাকা দেওয়ার জন্য ক্যাশ আউট করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। এরপর শিক্ষার্থী ইবি মার্টে এসে ১০ টাকা চান। তিনি টাকা দেওয়ার পর শিক্ষার্থী ওই দোকানদারকে টাকা পরিশোধ করেন। এরপর দোকানদার তাকে ‘এদিকে আয়’ বলে ডাকেন এবং কাছে গেলে তার কলার ধরে ও থাপ্পড় মারেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি দোকানের বাইরে গিয়ে মীমাংসা করার জন্য তারা উভয়কে বাইরে যেতে বলেন। পরে বাইরে গিয়েও কিছু সময় তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়। একপর্যায়ে দোকানদার নিজ দোকানে ফিরে যান। ঘটনার বিষয়ে ওই শিক্ষার্থী রাজিবের দাবি, তিনি দোকান থেকে একটি ক্যামেল (সিগারেট) কেনার পর টাকা পরিশোধ করতে গেলে তার কাছে নগদ টাকা ছিল না। তিনি দোকানদারকে বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার কথা বললেও দোকানদার জানান, ‘তার কাছে এসব মাধ্যম নাই’। পরে টাকা ক্যাশ আউট করে দেওয়ার জন্য তিনি ইবি মার্টের দিকে আসেন এবং দোকানদারও তার পিছু নেন। রাজিব আরও বলেন, ইবি মার্টে এসে তিনি ১০ টাকা নিয়ে দোকানদারকে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা পরিশোধ করেন। টাকা দেওয়ার পরও দোকানদার তাকে ‘এদিকে আয়’ বলে ডাকেন। কাছে গেলে তার শার্টের কলার ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে তার গায়ে হাত তোলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে দোকানদারের বলেন, ওই শিক্ষার্থী প্রথমে সিগারেট চান এবং সিগারেট নেওয়ার পর দোকানে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ সেটি সেবন করেন। পরে টাকা না দিয়ে দোকান থেকে চলে যাওয়ার সময় তিনি বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার কথা বলেন। দোকানদার দাবি করেন, শিক্ষার্থী টাকা পরিশোধ না করেই চলে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি শিক্ষার্থীর পিছু নেন।  দোকানদারের ভাষ্য, বরিশাল হোটেলের (ক্যাম্পাস সংলগ্ন) সামনে যাওয়ার পর ওই শিক্ষার্থী দৌঁড়ে ইবি মার্টের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে গিয়ে তিনি টাকা না দিয়ে দৌঁড়ানোর কারণ জানতে চাইলে শিক্ষার্থী প্রথমে তার কলার ধরে ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ করেন দোকানদার। পরে দু’জনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের ভেতরে চলে যাওয়ার কথা বলে সেখান থেকে চলে যান। পরে ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী সেখানে আসেন বলে দাবি করেন তিনি। স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি থামিয়ে তাদের চলে যেতে বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরিস্থিতি শান্ত করে অফিসে আলোচনা করার জন্য উভয়পক্ষকে বলা হয়েছে। আরটিভি/ এসকেডি
সিগারেটের টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে ইবিতে তুমুল কাণ্ড
‘প্রীতিলতা দিবস’ উপলক্ষে চবিতে স্মরণসভা
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রীতিলতা হলে স্মরণসভা, চিত্র প্রদর্শনী, রচনা প্রতিযোগিতা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ‘মিট দ্য প্রীতি লেডিস’ নামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিপ্লবী প্রীতিলতার জীবন, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
‘প্রীতিলতা দিবস’ উপলক্ষে চবিতে স্মরণসভা
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে উত্তাল চুয়েট, শিক্ষার্থীদের মশাল মিছিল
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে চুয়েটের সকল আবাসিক হল থেকে মশাল হাতে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতা চত্বরে মিলিত হয়। স্বাধীনতা চত্বরে মিলিত হবার পর শিক্ষার্থীরা ‘তোমার ভিসি, আমার ভিসি; সায়েম স্যার, সায়েম স্যার। উই ওয়ান্ট সায়েম স্যার’ ইত্যাদি ধ্বনিতে স্লোগান দেয়।সকল শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত  মিছিলটি চুয়েটের যানবাহন শাখা সংলগ্ন সড়কটি প্রদক্ষিণ করে বাস্কেটবল মাঠে মিলিত হয়। সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে পরবর্তী দিনের দেয়াল লিখন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।  এছাড়াও প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন শিক্ষার্থীরা। মোমবাতি দিয়ে সেখানে ‘৫৬’ সংখ্যাটি ফুটিয়ে তোলেন তারা। যার মাধ্যমে অধ্যাপক ড.আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের উপাচার্য হিসেবে ৫৬ দিনের মেয়াদ কালকে ফুটিয়ে তোলা হয়। মশাল মিছিল নিয়ে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, আঁধারে সবার হাতে একসঙ্গে জ্বলে ওঠা মশাল আন্দোলনের সুদৃঢ় ঐক্য প্রদর্শন করে।সায়েম স্যার একজন বহুমুখী গুণসম্পন্ন মানুষ। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য একজন শিক্ষক ও উপাচার্য ছিলেন। তার গত ৫৬ দিনের নেতৃত্বে চুয়েট দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথে ছিলো।  তিনি বলেন, কিন্তু হঠাৎ করে তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা টা কোনো ভাবেই আমরা মেনে নিতে পারছি না। তাই তাকে পুনরায় উপাচার্য পদে নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের দাবি ও আন্দোলন চলবে। আমাদের একটাই দাবি—সায়েম স্যারকে আবারও উপাচার্য হিসেবে চাই। আরটিভি/এসআর
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে উত্তাল চুয়েট, শিক্ষার্থীদের মশাল মিছিল
আধুনিক রোবোটিক্স নিয়ে সেরা গবেষণার স্বীকৃতি পেল রুয়েট
বিশ্বের উন্নত দেশগুলোকে হারিয়ে আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বেস্ট পেপার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)। 
আধুনিক রোবোটিক্স নিয়ে সেরা গবেষণার স্বীকৃতি পেল রুয়েট
আরও পড়ুন
তথ্য চেয়ে আবেদন করায় সাংবাদিককে ইউএনওর হুমকি
জাবি অধ্যাপকের কাছে চাঁদা দাবি, সন্তানকে অপহরণের হুমকি
ট্রাম্পকে ইরানের ৭ শর্ত, না মানলে ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ হুমকি 
জামিনে বেরিয়ে ‘ধর্ষণ মামলা’ তুলে নিতে বাদীকে হুমকির অভিযোগ