
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) মুন্সি মেহেরুল্লাহ হলে ধূমপান, মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের সেবন, বহন ও সংরক্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে হল প্রশাসন। একই সঙ্গে র্যাগিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদকসংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ দিয়ে সহযোগিতা করলে তথ্যদাতাকে ৫ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ আগস্ট) মুন্সি মেহেরুল্লাহ হলের প্রভোস্ট ড. মো. আব্দুর রউফ সরকার স্বাক্ষরিত পৃথক নোটিশে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়।
মাদক ও ধূমপানসংক্রান্ত নোটিশে বলা হয়, হলের অভ্যন্তরে ধূমপান এবং মদ, গাঁজা, ফেনসিডিলসহ সব ধরনের মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন, বহন কিংবা সংরক্ষণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো শিক্ষার্থী এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত অবস্থায় শনাক্ত হলে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘Rules of Discipline for Students’ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, হলের ভেতরে কোনো শিক্ষার্থী মাদক বা নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন, বহন কিংবা সংরক্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকলে এবং এ বিষয়ে উপযুক্ত প্রমাণসহ হল কর্তৃপক্ষকে তথ্য প্রদান করা হলে তথ্যদাতাকে ৫ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে।
র্যাগিং-সংক্রান্ত নোটিশে বলা হয়, র্যাগিং একটি সামাজিক অপরাধ, যা একজন শিক্ষার্থীর মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই হলের সব শিক্ষার্থীকে যেকোনো ধরনের র্যাগিং ও মানসিক-শারীরিক লাঞ্ছনামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, কোনো শিক্ষার্থী র্যাগিংয়ে জড়িত থাকলে, অন্যকে র্যাগিংয়ে উৎসাহিত করলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘Rules of Discipline for Students’ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ছাড়া কোনো শিক্ষার্থী র্যাগিংয়ের শিকার হলে বা এ-সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে দ্রুত হলের প্রভোস্ট অথবা সহকারী প্রভোস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরটিভি/টিআর




